Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ফের বন্যায় মানবিক বিপর্যয়ের মুখে সিলেট বাসী

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৩৩জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,

সিলেটে আবারো  নতুন করে আবার বন্যা দেখা দেয়ার ফলে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে সিলেটের জনগণ।


জানা গেছে  বন্যার পানিতে তলিয়ে বিভিন্ন রাস্তা ঘাট। তীব্র পানির স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। জৈন্তাপুর এলাকায় সারি নদীর প্রবল স্রোতের ভাসিয়ে নিচ্ছে গাছপালা সহ বাশের ঝাড়।  বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মতে আর অল্প পানি বৃদ্ধি পেলেই স্হায়ী ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে। 


মোবাইলে চার্জ আছে বলে সিলেটের বিপদগ্রস্থ  লোকজন এখন পর্যন্ত মুঠোফোনে উদ্ধারের সাহায্য চাইতে পারছে। বিদুৎ অলরেডি বন্ধ হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর তাদের হাহাকার শোনারও সুযোগ থাকবে না।


প্রতি মূহুর্তে বাড়ছে পানি ।মুষলধারে হচ্ছে বৃষ্টি। বাচ্চাদের কান্না। গরুর হাম্বা হাম্বা ডাক। গবাদিপশু ভেসে যাচ্ছে। মুরব্বিদের হা হু গোঙানির আওয়াজ। মা তার সন্তানকে হারানোর ভয়ে কাঁদছে। চোখের সামনে অনেককিছু হারিয়ে যাচ্ছে। বাবাদের অসহায় মুখ। আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়ছে অনবরত। খাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। না আছে শোয়ার ব্যবস্থা, না আছে বসার উপায়।


এই মুহূর্তে দরকার উদ্ধার অভিযান, ট্রলার ও নৌকা । এক মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে সিলেটের বুকে।সিলেটের বন্যা কবলিত এলাকায় প্রচুর উদ্ধারকারী নৌযান সহ সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। জানা যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যাদুর্গত এলাকার এম,পি,মন্ত্রীদের নিজনিজ এলাকায় অবস্থান করে প্রয়োজনীয় শুকনো খাবার বিতরণ সহ সাধ্যমতো সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন।


অন্যদিকে প্রশাসন বন্যা কবলিত এলাকার জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে হিমসিম খাচ্ছে। তাছাড়া বন্যা কবলিত এলাকায় নিরাপদ সুপেয় পানীয়জলের অভাবে নানাবিধ রোগের আশংকা বেড়ে গেছে।


আরও খবর



ট্রলের শিকার ‘পুষ্পারাজ’

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আল্লু অর্জুন। বক্স অফিসে ঝড় তোলেন একাই। তবে ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ সিনেমার দুর্দান্ত সাফল্যের পর তার জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে গেছে। এখন তিনি শুধু দক্ষিণী সিনেমা নয় ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সুপারস্টার হিসেবে পরিচিত। তবে সম্প্রতি এক ছবির কারণে ট্রলের মুখে ‘পুষ্পারাজ’।

ওই ছবিতে দেখা যায়, আল্লু অর্জুন পরেছেন একটি ঢোলা টি-শার্ট ও কালো ট্রাউজার। তার গালভর্তি দাড়ি-গোঁফ, চোখে কালো চশমা, ঝাঁকড়া চুল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রলের মুখে পড়েন আল্লু অর্জুন। এমনকি অভিনেতার ওজন নিয়েও শুরু হয় কাঁটাছেড়া। নেটিজেনদের দাবি, সাধারণ যা, তা থেকে অনেকটাই মোটা লাগছে তাকে। এরপর বয়ে যায় কটাক্ষের বন্যা।

একজন লিখেছেন, ‘কী মোটা হয়েছে!’ কেউ কেউ বলছেন, ‘যত দিন যাচ্ছে, বুড়ো হচ্ছে।’

বলিউডে সুঠাম চেহারার কদর আগাগোড়াই। তবে দক্ষিণী ছবিতে যদিও এ ধরনের রীতি নেই। সেখানে সাধারণ বা ভারী চেহারার অভিনেতারাও অনায়াসে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু তারপরও বিতর্কের মুখে আল্লু। তবে সমালোচনা এড়িয়ে আপাতত অভিনেতা ব্যস্ত ‘পুষ্পা-২’র শুটিং নিয়ে।


আরও খবর



নাশকতাই বিএনপির একমাত্র ভরসা

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

ড. সেলিম মাহমুদ

আগামী ২৫ জুন যখন গোটা জাতি স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের অপেক্ষায়, বাঙালি তার অর্থনৈতিক মুক্তির পথে যখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক অতিক্রম করতে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে বিএনপি এবং তার মিত্ররা হিংসা আর ক্ষোভের আগুনে জ্বলে পুড়ে ছারখার হচ্ছে l তারা বাংলাদেশের এই মহাঅর্জনের উৎসবকে ম্লান করার লক্ষ্যে নাশকতার আশ্রয় নিয়েছে l জুন মাসের শুরু থেকেই তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ করছে l

অগ্নিসংযোগের ঘটনার স্থানগুলো এবং এসব অগ্নিসংযোগের সময়ভিত্তিক ধারাবাহিকতা পর্যবেক্ষণ করলেই স্পষ্ট বুঝা যায়, জাতির গৌরবের এই মহাঅর্জন উদযাপনের ঐতিহাসিক ঘটনাটিকে নস্যাৎ করাই তাদের উদ্দেশ্য l জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সকল ষড়যন্ত্র আর প্রতিবন্ধকতা নস্যাৎ করে এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মতো বিশ্ব মোড়লদের খবরদারিকে অগ্রাহ্য করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা তাঁর আকাশচুম্বী মনোবল, ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা, অসীম সাহস এবং অতুলনীয় মেধা ও দক্ষতা দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ভৌতকাঠামো পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বাঙালির স্বপ্নজয় করেছেন l

এটি আজ কারো বুঝতে বাকি নেই, বাঙালির এই স্বপ্নজয়কে বিএনপি এবং তার দোসররা মেনে নিতে পারছে না l তাই তারা নাশকতার এই ঘৃণ্য পথ বেঁচে নিয়েছে l শুধু তাই নয়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে তারা বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়েছে l এই ধরনের তথ্য সরকারের হাতে রয়েছে l তারা আমাদের জাতীয় অর্জনগুলোকে কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না l

যেকোনো মূল্যে তারা এগুলোকে ম্লান করতে চায় l এই অপশক্তি জাতিকে কিছু দিতে পারেনি, তাদের কিছু দেয়ার সক্ষমতা নেই আর দেয়ার মানসিকতাও নেই l তাদের কাছে দেশের স্বার্থের কোন গুরুত্ব নেই l নিজের হীনস্বার্থে তারা জাতীয় স্বার্থসহ যেকোনো স্বার্থ এমনকি মানবতাকেও আঘাত করতে পারে l বঙ্গবন্ধু কন্যার অর্জনগুলোকে তারা নস্যাৎ করতে চায় l এই জন্য তারা নাশকতার আশ্রয় নিয়েছে l

জাতীয় স্বার্থবিরোধী নানা অপকর্মের কারণে এবং মানুষের পাশে না থাকার কারণে বিএনপি আজ গণবিচ্ছিন্ন l তারা নির্বাচনকে ভয় পায় l মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার নৈতিক অধিকার তাদের নেই l মানুষ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে l তারা সেটি জানে l তাই তারা নির্বাচন প্রতিহত করতে চায় l দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করে তারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায় l সেই লক্ষ্যে তারা নাশকতার পথ বেছে নিয়েছে l

নাশকতা ছাড়া তাদের আর কিছুই করার নেই l এটিই তাদের একমাত্র পথ l নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তারা নির্বাচন প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে অসংখ্য মানুষকে তারা পুড়িয়ে মেরেছে l অনেকে এখনো যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে l এর মধ্যে অসংখ্য নারী ও শিশু রয়েছে l অপরাধের হিংস্রতা ও তীব্রতা বিবেচনায় এই ধরনের অপরাধ মানবতা বিরোধী অপরাধের পর্যায়ের l

এদেশে প্রকাশ্যে এই ধরনের ঘৃণ্য অপরাধ করেও বিএনপি এখনো রাজনীতি করার নৈতিক শক্তি পায় কীভাবে, সেটি আমার প্রশ্ন l এরা দেশের শত্রু, এরা জাতীয় স্বার্থকে বিপন্ন করতে চায়, এরা বার বার মানবতার উপর আঘাত করতে চায় l সময় এসেছে এদের প্রতিরোধের l মানবতা বিরোধী এই দুষ্টচক্রকে আমাদের রুখে দিতে হবে l জাতীয় স্বার্থ রক্ষায়, মানুষের জীবন- জীবিকা রক্ষায় এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে l

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে জাতি হিসেবে আমরা যতগুলো অর্জন পেয়েছি, তার প্রত্যেকটিই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু অথবা তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার কারণে l বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনা ছাড়া আর কেউ এদেশের জন্য কিছু দিয়ে যেতে পারেনি l জাতির পিতা স্বাধীনতা এনেছেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, স্বাধীনতাকে টেকসই করার লক্ষ্যে সফলভাবে সারা বিশ্বের স্বীকৃতি আদায় করেছেন, দেশের ভূখণ্ডকে নিরাপদ রাখতে সাফল্যের সাথে স্থল সীমানা চুক্তি সম্পাদন করেছেন এবং তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বার্থকে বহুলাংশে প্রাধান্য দিয়ে এই চুক্তি বাস্তবায়ন করেছেন l

এর ফলে বাংলাদেশ যে অতিরিক্ত ভূমি (৪১ বর্গ কিলোমিটার ) পেয়েছে, তার আয়তন বিশ্বের ৬ টি দেশের আয়তনের চেয়ে বড়ো l শেখ হাসিনা গঙ্গা চুক্তি করে দেশের পানির অধিকার রক্ষা করেছেন, পার্বত্য জেলাগুলোতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা করার জন্য শান্তি চুক্তি করেছেন, ভারত ও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশকে স্বল্পোন্নত রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত করেছেন, দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, ভৌত কাঠামো নির্মাণসহ সকল ক্ষেত্রে বিস্ময়কর সফলতা দেখিয়ে আকাশচুম্বী উন্নয়ন করেছেন l

অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রগতি বিবেচনায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বের মডেল রাষ্ট্র l টেকসই উন্নয়নের অগ্রগতিতে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন l পুরো পৃথিবীতে এতো অল্প সময়ে অন্য কোন রাষ্ট্র এই রকম সফলতা অর্জন করতে পারেনি l এই সকল অর্জনের মূল নায়ক জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা l

জাতির পিতার পর তিনিই বাঙালির ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন l তাঁর কারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বে নেতৃত্ব দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে l তিনি বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন l ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য রাষ্ট্রকে টেকসই ও নিরাপদ রাখার জন্য একশো বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছেন l সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যকরী প্রকল্প গুলোও বাস্তবায়ন করছেন l

বিএনপি এবং তাদের সহযোগীদের বালান্সশিটে ভালো কিছু নেই l আছে শুধু অপকর্ম l হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্র, নাশকতা আর পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে নানা দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড l যতদিন তারা ক্ষমতায় ছিল, দেশের জন্য কোন ইতিবাচক কাজ করতে পারেনি l বরং দেশের স্বার্থকে তারা সবসময় বিকিয়ে দিয়েছে l তাদের ঝুড়িতে একটিও সাফল্য নেই l

তারা আজ বাংলাদেশ বিরোধী নানা ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত l শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অদম্য উন্নয়নে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে এই উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে নাশকতাকেই তারা একমাত্র অবলম্বন মনে করছে l তবে এই অপশক্তিকে রুখে দেয়ার শক্তি ও সামর্থ্য আমাদের রয়েছে l এই অপশক্তিকে সামাজিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে l এখন সময় এসেছে এদের বর্জন করার l

লেখক: তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।


আরও খবর



সাংবাদিক এম এ মালেককে চবিতে সংবর্ধনা

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

একুশে পদকে ভূষিত বরেণ্য সাংবাদিক ও দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেককে সংবর্ধনা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুর ১২টায় উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রামখচিত ক্রেস্ট দেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতির ঐচ্ছিক তহবিল থেকে ও ১০ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক-দৈনিক আজাদী বৃত্তি দেওয়া হয়।

এ সময় এম এ মালেক বলেন, ‘আমি কখনোই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়েও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংবর্ধিত হতে পেরে নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি।’

তিনি বলেন, পদক পাওয়ার আশা নিয়ে কোনো কাজ করলে পদক পাওয়া যাবে না। কাজ করতে হবে নিঃস্বার্থভাবে। তাহলেই পদক আপনার কাছে আসবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক এম এ মালেককে সংবর্ধিত করতে পেরে চবি পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এসএম মনিরুল হাসান, প্রক্টরিয়াল বডি, এম এ মালেকের দুই সন্তান ওয়াহিদ মালিক ও শিহাব মালিক উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



আখাউড়ায় ২৫ গ্রাম প্লাবিত, নিরাপদে নেওয়া হলো ২৮ পরিবারকে

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

হাওড়া নদীর বাঁধ ভেঙে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার চার ইউনিয়নের ২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় আটকে পড়া ২৮ পরিবারকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুন) ভোরে উপজেলার সীমান্তবর্তী মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কর্নেল বাজার সংলগ্ন আইড়ল এলাকায় হাওড়া নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম।

মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীপক চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ভারত থেকে আসা পানির তোড়ে বাঁধ সংলগ্ন পিচ ঢালাই সড়কও ভেসে গেছে। এর ফলে ইউনিয়নের আইড়ল, ইটনা, খারকুট, বড় লৌহঘর, ছোট লৌহঘর ও বড় গাঙ্গাইল গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া সীমান্তঘেঁষা মোগড়া ও আখাউড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের আখাউড়া-আগরতলা সড়কের দুপাশের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আবদুল্লাহপুর, বঙ্গেরচর, রহিমপুর, সাহেবনগর, খলাপাড়া, উমেদপুর, সেনারবাদী, কুসুমবাড়ি, আওড়ারচর, ছয়ঘরিয়া, বাউতলা, দরুইন, বচিয়ারা, নিলাখাদ, নোয়াপাড়া, টানুয়াপাড়া, ধাতুর পহেলা, চরনারায়ণপুর ও আদমপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এসব গ্রামের পরিবারগুলো বিপাকে পড়েছেন। নিচু বাড়িঘরে পানি ঢুকে গেছে। দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত করতে না পারলে গোটা এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবার শঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, কালন্দি খাল দিয়ে ত্রিপুরা থেকে আসা বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কার্যালয় ও কাস্টমস হাউজে পানে প্রবেশ করেছে। আখাউড়া স্থলবন্দর এলাকায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানি আমদানি-রপ্তানিকারকদের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে আমদানি-রপ্তানি কিছুটা বিঘ্নিত হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম জাগো নিউজকে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ পরিবারকে উদ্ধার করে স্থানীয় আব্দুল্লাহপুর স্কুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রত্যেক পরিবারকে ৩০কেজি করে চাল ও দেড় হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের তালিকার কাজ চলছে। সেই অনুযায়ী আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করে যাব।

তিনি আরও বলেন, যে বাঁধটি ভেঙে গেছে তা পানি উন্নয়ন বোর্ডের, আর যে সড়কটি ভেঙেছে তা এলজিইডির। আমি পরিদর্শনের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলজিইডি বিভাগের প্রকৌশলী ছিলেন। পানির স্রোত কমে গেলে সেখানে সিসি বাঁধ করা হবে এবং এলজিইডি জরুরি তহবিল থেকে সড়কটি তৈরি করবে।


আরও খবর



১৮ মণের ‘বিগ বস’ বিক্রি হবে সাত লাখে

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

বয়স মাত্র চার বছর। এখনই ওজন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭২০ কেজি বা ১৮ মণ। নাদুসনুদুস চেহারার ষাঁড়টি এরইমধ্যে সবার নজর কেড়েছে। ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা। দূরদূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারাও। মালিক শখ করে তার নাম রেখেছেন ‘বিগ বস’।

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ষাঁড়টিকে লালনপালন করা হয়েছে। মালিকের দাবি, আজ পর্যন্ত এটিকে মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ভিটামিন ওষুধ খাওয়ানো হয়নি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবারে লালনপালন করা হয়েছে ষাঁড়টি।

ষাঁড়টির মালিক জামালপুরের সরিষাবাড়ীর সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণজানি বাজার সংলগ্ন মালিপাড়া এলাকার সুলতান মাহমুদ। তিনি ওই এলাকার শহীদ আলীর ছেলে।

jagonews24

সুলতান মাহমুদ বলেন, শাহিওয়াল জাতের ষাঁড় ‘বিগ বস’। ছোট থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল এমন একটি গরু লালনপালন করার। দীর্ঘ চারবছর নিজ সন্তানের মতো তাকে লালনপালন করছি। ‘বিগ বস’ আমার সঙ্গে মায়ায় বাঁধনে জড়িয়ে গেছে, তাকে এখন বিক্রি করতে মন সায় দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, ষাঁড়টির দাম সাত লাখ টাকা চাচ্ছি। তারপরও কেউ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করলে দাম কমবেশি করা যেতে পারে।

সুলতান মাহমুদের বাবা শহীদ আলী জাগো নিউজকে বলেন, ছেলের ইচ্ছেতেই গরুটি চার বছর ধরে লালনপালন করছি। সারাদিনই বিগ বসের যত্ন করতে হয়। খাওয়ানো, গোসল করানো ও পরিচর্যাসহ সবকিছু লক্ষ রাখতে হয়।

jagonews24

তিনি জানান, গরুটির ওজনের চেয়ে সৌন্দর্যই বেশি আকৃষ্ট করে সবাইকে। ষাঁড়টিকে এখন প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ কেজি করে খাবার দিতে হচ্ছে। খাবারের তালিকায় রয়েছে কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, গমের ভুসি, খেসারির ভুসি, ভুট্টা ভাঙা, খৈল, কলা ও গুড়সহ নানারকম দেশীয় খাবার।

জীবন মিয়া নামে এক পথচারী জাগো নিউজকে জানান, তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। সেই সুবাদে এ রাস্তায় যাতায়াত করে থাকেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ষাঁড়টি দেখে আসছেন। তার মতে, এমন গরু এ উপজেলায় আর একটিও দেখেননি তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আজিজ, আবুল, নাসির উদ্দিনসহ অনেকে বলেন, সরিষাবাড়ী উপজেলা এবং এর আশপাশের কয়েকটি উপজেলায় এমন গরু দেখিনি। চার বছর ধরে দেখছি, তারা গরুটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে লালনপালন করছেন।

jagonews24

সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জাগো নিউজকে বলেন, শাহিওয়াল জাতের গরুর জন্য বিশেষ কোনো খাবারের প্রয়োজন নেই। এদেরকে সবুজ ঘাস ও দানাদার খাবার দিলেই চলে। আমাদের দেশের আবহাওয়া এ জাতের গরু পালনের জন্য খুবই উপযোগী। তাই এ জাতের গরু লালনপালনে খামারিদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।


আরও খবর