Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ

প্রকাশিত:Thursday ৩০ December ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১৭১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই বিতরণ উদ্বোধনের পর এই ফল প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরীক্ষায় গড়ে ৯৩.৫৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। 

এদিন সব বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পরীক্ষার ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এসএসসি ও সমমানের ফল গ্রহণ করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পরে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী।

করোনা মহামারির কারণে নির্ধারিত সময়ের সাড়ে আট মাস পর এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই পরীক্ষায় ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন নেওয়া শুরু হবে ৫ জানুয়ারি থেকে। ২ মার্চ থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। http://www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করে ফলাফল জানা যাবে। ওয়েবসাইটে রোল নম্বর, পরীক্ষার (Examination) নাম এবং বোর্ড সিলেক্ট করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে ফলাফল জানা যাবে।

এ ছাড়া মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। সেজন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণস্বরূপ : SSC DHA 123456 2021 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের জন্য DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণস্বরূপ : DAKHIL MAD 123456 2021 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।


আরও খবর



ধনবাড়ীতে সরিষার সুফলে লাভ জনক কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা

প্রকাশিত:Tuesday ২৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image


আবুল হোসেন আকাশ (টাঙ্গাইল,ধনবাড়ী)

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা উপজেলার কৃষি অফিস থেকে একটি প্রকল্প  দিয়েছে  কৃষিক পর যায় উন্নত জাতের একটি ডাল তৈল ও মশলা  প্রকল্পটির  মাধ্যমে  তিন একর জমিতে সরিষা চাষ করেন ।  


কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা জানান প্রথম আমাকে  উপজেলা-কৃষি-অফিস থেকে এক একর জমি চাষ করার জন্য  সার বীজ এবং কিছু অর্থ দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করে  এতে আমি অনেক লাভ বান হই। আর ৫০০ কেজি সরিষা বীজ  উৎপাদন করি  ।


আবারো আমি  দুই একর জমিতে সরিষা চাষ করি এতে আমার ১ এক হাজার কেজি  বীজ উৎপাদন করি  পরে লোক জনে জানজানি হয় যে আমি সরিষা  বারি সত্তেরো  বারি চৌদ্দো ,আমার এই সরিষা বীজ বিভিন্ন এলাকার মানুষ   নিয়ে সরিষা চাষ করে  অনেকেই  আজ লাভ বান হয়   । এবার আমি তিন একর জমিতে সরিষা চাষ করেছি। এতে আমার  প্রতি এক একর জমিতে ৫০০ কেজি সরিষা উৎপাদন হবে বলেস।


কৃষক তোতা তিন এবার ৩ একর জমিতে ১৫০০ শ কেজি থেকে ১৮০০শ কেজি সরিষা উৎপাদন হবে বলে আশা করেন কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা । তিনি বলেন, সরিষা আবাদে খরচ কম ফলে অল্প খরচেই ও কম পরিশ্রমেই সরিষা আবাদ করা যায়।  । আমার নিজের জন্য কিছু বীজ রেখে আর সব বীজ আমি বিক্রয় করবো ।


আমি অনেক লাভমান হবো ,আমি উপজেলা  কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর এর সহযোগিতা না পেলে  আমি এতো লাভ ভান হতে পারতাম না  । মাননীয় কৃষি মন্ত্রীর ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি মহদোয় কৃষকদের প্রতি বিশেষ  অবদান রেখেছেন। ,


বর্তমানেমাননীয় প্রধান মন্রীর শেখ হাসিনার  নেতিত্বে আমরা কৃষিক যারা সার বীজ নগত  অর্থ সহ  অনেক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি  ।


আরও খবর



বাণিজ্যমেলা এবার স্থায়ী ঠিকানায় বসতে যাচ্ছে

প্রকাশিত:Monday ২৭ December ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১১৭জন দেখেছেন
Image

শেরেবাংলা নগরের পরিবর্তে প্রথমবারের মতো রাজধানীর পূর্বাচলে বসতে যাচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা (ডিআইটিএফ)। শেরেবাংলা নগর থেকে পূর্বাচলের দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার। পূর্বাচলে নবনির্মিত ‘বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে’ বসবে এবারের মেলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি আগামী ১ জানুয়ারি মেলা উদ্বোধন করবেন।

মেলায় নগরবাসীকে আনা-নেওয়ার জন্য থাকবে বিআরটিসির ৩০টি বাস। খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রথমবারের মতো ক্যাটারিং সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। মেলায় পছন্দের পণ্য অগ্রিম ক্রয়াদেশ (অর্ডার) দিলে তা কোম্পানির নিজস্ব উদ্যোগে ক্রেতার ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো বাণিজ্যমেলা স্থায়ী ভেন্যুতে হতে যাচ্ছে- এটিই সবচেয়ে বড় বিষয়। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে চেষ্টা চলছিল একটি স্থায়ী কমপ্লেক্স নির্মাণের। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পরই ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা স্থায়ী কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। পরে এ প্রকল্পে সহযোগিতার হাত বাড়ায় চীন। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে অবশেষে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পূর্বাচল নতুন শহরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার’। পূর্বাচল ৪ নম্বর সেক্টরে ২০ একর জমির ওপর ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর মেলার অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করে ‘চায়না স্টেট কনস্ট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন’। গত বছরের ৩০ নভেম্বর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার ঘোষণা দেয় তারা। ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার’ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীনের অনুদান প্রায় ৬২৫ কোটি টাকা। ৩৩ হাজার বর্গমিটারের ‘ফ্লোর স্পেসের’ মধ্যে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৩৭০ বর্গমিটার জায়গা নিয়ে। এক্সিবিশন হলের আয়তন ১৫ হাজার ৪১৮ বর্গমিটার। এতে ৮০০টি স্টল রয়েছে।


আরও খবর



এফডিসির দৃষ্টিনন্দন মসজিদে প্রথম জামাত আজ

প্রকাশিত:Thursday ২০ January ২০22 | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

বিনোদন প্রতিবেদক: প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) অভ্যন্তরে নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দুটি সুউচ্চ মিনারবিশিষ্ট দুতলাবিশিষ্ট এই মসজিদটি। মাঝখানের গম্বুজের কারুকার্য মসজিদটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ঝর্ণা স্পটের যেখানে আগের মসজিটটি ছিল সেখানেই নতুন এই মসজিদটি পুনঃনির্মিত হয়েছে। এতে একসঙ্গে প্রায় পাঁচ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে বলে জানা গেছে।

অভিনেতা সনি রহমানের উদ্যোগে থার্মেক্স গ্রুপের এমডি নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লার অর্থায়নে মসজিটটি পুনঃনির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আজ বিকেলে আবদুল কাদির মোল্লা নিজে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করবেন বলে জানান সনি রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, প্রযোজক, পরিচালক সমিতির নেতারা এবং শিল্পীদের প্রতিনিধিরা।

নান্দনিক এই মসজিদ নির্মাণের নেপথ্যে রয়েছেন- অভিনেতা সনি রহমান। তার ভাষ্য, ‘পুরনো মসজিদটি সংস্কারের জন্য কিভাবে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে একদিন আমার সঙ্গে কথা বলেন নির্মাতা বদিউল আলম খোকন ভাই। তিনি আগেই জানতেন আমি নরসিংদীর ছেলে, আর সেখানের কাদির মোল্লাহ সাহেব এসব কাজে সহায়তা করেন। নরসিংদীতে আমাদের জমিতে কাদির মোল্লাহ সাহেবের ট্রাস্ট থেকে মসজিদ বানানো হয়েছে। কাদির সাহেবের কাছে সব খুলে বললাম। তিনি রাজি হলেন, আমাদেরকে পুরো মসজিদই করে দিতে চাইলেন।’

সনি রহমান আরও বলেন, ‘থার্মেক্স গ্রুপের এমডি নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লার আঙ্কেলের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। মসজিদ নির্মাণের ব্যয় এখনো পূর্ণাঙ্গ হিসাব হয়নি, তবে পৌনে তিন কোটি টাকার মতো খরচ হয়েছে।’

এর আগে ২০১৮ সালে মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। মাঝখানে করোনার কারণে কিছুদিন কাজ থেমে ছিল। পরে টানা কাজ করে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হয়।


আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক-ডেমরা জোনের উদ্যোগে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত

প্রকাশিত:Monday ২৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image


নাজমুল হাসানঃ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক-ডেমরা জোনের উদ্যোগে মাতুয়াইল মেডিকেল পয়েন্টে এক সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সোমবার (২৪ জানুয়ারি ২০২২) সকাল ০৯:৩০ ঘটিকা থেকে ১১:০০ ঘটিকা পর্যন্ত এই সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়।ট্রাফিক-ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো: ইমরান হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে জোনের দায়িত্বরত অফিসার ও ফোর্স উক্ত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।


সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সকলকে উদাত্ত আহবান জানিয়ে এসি ট্রাফিক-ডেমরা জোন ইমরান হোসেন মোল্লা বলেন, "সমাজের প্রতিটি মানুষ, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সবাইকে চেষ্টা করতে হবে।উল্লেখ্য যে, মাতুয়াইল মেডিকেল পয়েন্ট একটি সড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান।


প্রায়শই সেখানে মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে ও হতাহত হয়। যা অত্যন্ত দু:খজনক"।সাম্প্রতিক সময়ে মাতুয়াইলের মেডিকেল পয়েন্টে সড়কটিতে দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় ট্রাফিক-ডেমরা জোনের উদ্যোগে পথচারী,যাত্রী,চালক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ কর্মসুচী পালিত হয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 



আরও খবর



সরিষায় সতেজ স্বপ্ন কৃষকের

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image


মোঃআবুর হোসেন আকাশ

ধনবাড়ী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : পৌষের হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে সারা মাঠজুড়ে হলুদ সরিষার ফুল। প্রকৃতির সাথে হলুদে মাঠ সেঁজেসে রঙিন সমারহে। ফুল থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছিরা।


এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায়। দুই ফসলি জমিতে সরিষাকে যোগ করে করা হচ্ছে তিন ফসলি জমি। লাভবান হওয়ার আশায় কৃষকরা দেখেছেন সতেজ স্বপ্ন। দিনদিন ভোজ্যতেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি ফলনের আশায় উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা আবাদ করছেন কৃষকরা।


উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ৪৩০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল বারি জাতের ১৪, ১৫, ১৭ এর পাশাপাশি স্থানীয় জাতের সরিষা আবাদ করেছেন কৃষকরা। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। কৃষকদের সরকারিভাবে নানা ধরনের সাহায্য, পরামর্শ এবং প্রদর্শনী প্লট দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। যাতে করে কৃষকরা সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠে।


গতকাল উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ সরিষা। মাঠে হলুদ রঙের সরিষা খেতে হলুদের হাতছানি। ফুলে ফুলে ভরে গেছে খেতগুলো। ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করছে মৌমাছিরা। কথা হয় উপজেলা মুশুদ্দি ইউনিয়নের কৃষক মিজানুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, এবার আমি স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে এক একর জমিতে বারি ১৪ জাতের সরিষা আবাদ করেছি। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তাহলে ভালো ফলন পাবো। অপর কৃষক মো. নিয়ামত আলী বলেন, আমন ধান ঘরে তুলেই ৬০ শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা অবাদ করেছি।


ফালনও ভালো। আশা করছি লাভবান হতে পারবো। কয়ড়া এলাকার কৃষক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরিষা আবাদে খরচ কম। ফলে অল্প খরচই ও কম পরিশ্রমেই সরিষা আবাদ করা যায়। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন বলেন, সরিষা অল্প সময়ের ফসল। চলতি মৌসুমে কৃষকরা আমন ধান তুলেই সরিষা আবাদ করেছেন। সরিষা উঠিয়ে কৃষকরা যথা সময়ে বোরো ধান চাষ করতে পারে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকরা কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় সরিষা আবাদে ঝুঁকছে।


সরিষা আবাদ করলে ওই খেতে বোরো ধান চাষে সারের পরিমাণ কম লাগে। আমাদের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে কৃষদের পরামর্শ দিচ্ছে। কৃষকদের প্রণোদনার মাধ্যমে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

 


আরও খবর