Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার

এনআইডি নিয়ে হয়রানি বন্ধের নির্দেশ সিইসির

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা নিতে গিয়ে নাগরিকরা যেন কোনো হয়রানির শিকার না হন এবং তাদের সঙ্গে যেন দুর্ব্যবহার করা না হয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।সোমবার (১০ জুন) নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত এনআইডি সংশোধনসংক্রান্ত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

ইসি সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটিতে ইটিআই মহাপরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিইসি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে এনআইডির গুরুত্ব এখন অপরিসীম। আমাদের ভোটার তালিকাও এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডিজিটালাইজড হয়ে গেছে। এনআইডি এখনও শতভাগ সেটেলড ডাউন হয়েছে, এটা আমার কাছে মনে হয় না। অনেকে অভিযোগ করেন যে, পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হবে। সংশোধনের কিছু কিছু ক্ষেত্রে যারা আবেদনকারী তাদের কারণে ভুল হয়ে থাকে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে তথ্যগুলো আমি যখন লিখছি, তখন সঠিকভাবে লিখছি না। কিছু সংকট আমাদের রয়েছে।

তিনি বলেন, এনআইডি ব্যবস্থাপনা অনেক জটিল। আমি সেটা বুঝি না। তবে জনগণ এলে তাকে সেবা দিতে যেন দেরি না হয়। আমি সরকারি কর্মচারী। যেন হয়রানি না করি, দুর্ব্যবহার না করি, সেটা নিশ্চিত রাখতে হবে। বিয়ের পরে অনেকের স্বামীর নাম পরিবর্তন করতে হয়। কোনো কোনো দেশে এটা অপরিহার্য হিসেবে প্রয়োজন হয়। তাই স্বামীর নামটা অরিজিনালি থাকা উচিত। তাহলে বিড়ম্বনা হবে না।

সিইসি আরও বলেন, আমি জানি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয় না। তবে অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয়। আমার হয়তো অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয় না, কিন্তু ঘন ঘন অস্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে কী এনআইডি সংশোধন করতে পারব, সে দিকটাও দেখতে হবে। প্রায়ই শুনি এ ওর নাম নিয়ে ভিন্ন পরিচয় ধারণ করে এনআইডি নিয়েছে৷ বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত হচ্ছে। অনেকে বাবার নাম পরিবর্তন করে চাচার নাম নিয়ে সহায় সম্পত্তি দখল করে ফেলছে। গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে কোনো একটি উপায় বের করতে হবে, যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। কেউ যদি ১০টা দেশের নাগরিক হন এবং বাংলাদেশেরও নাগরিক হন তাহলে তিনি এনআইডি পাবেন৷ দ্বৈত নাগরিকত্বের অজুহাতে কাউকে এনআইডি দেওয়া থেকে বাদ রাখা যাবে না। যদি কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন, সনদের প্রয়োজন নেই; তাকে এনআইডি দিতে হবে।



আরও খবর



আলোচিত সেই রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান ওএসডি

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মতিউর রহমানকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইবুনালের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে তাকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা করেছে।

রোববার (২৩ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের উপসচিব মকিমা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের সভাপতি মো. মতিউর রহমানকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হলো। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কোরবানির ঈদের আগে মতিউর রহমানের ছেলে ইফাত ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কিনে আলোচনায় আসেন। এরপর বেরিয়ে আসে ইফাতের কোটি টাকার গাড়ি ও আভিজাত জীবনযাপনের নানা তথ্য। ধীরে ধীরে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে মতিউর রহমানের স্ত্রী, ছেলে ও কন্যাদের সম্পদের নানা তথ্য।

মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এরপরই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। পাশাপাশি সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকেও বাদ পড়তে যাচ্ছেন মতিউর রহমান। এরই মধ্যে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ মৌখিকভাবে বিষয়টি মতিউর রহমানকে জানিয়েছে। ব্যাংকের সিইও আফজাল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, ঈদের ছুটির পর এখনও কর্মস্থলে যোগ দেননি মতিউর রহমান। রোববার সকালে ভ্যাট ও কাস্টমস আপিলাত ট্রাইবুনালের তাকে পাওয়া যায়নি। কর্মচারীরা জানান, ঈদের ছুটির পর কর্মস্থলে যোগ দেননি আলোচিত-সমালোচিত রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমান।


আরও খবর



দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে আছে: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সামনের সময় আরও চ্যালেঞ্জের। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত বন্ধ হয়নি। দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে আছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা প্রয়োজন।বলেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু 

শুক্রবার (৩১ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের নিজ বাসভবনে দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আহসান ইসলাম টিটু বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন–দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে ঐক্যের বিকল্প নেই। অনেকের মধ্যে কিছু ক্ষত থাকে। এগুলো সহ্য করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। দল হলো আমার প্রধান শক্তি। আমাদের মূল বাধা অতিক্রম করতে হলে দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

দেলদুয়ার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সামনে বৃষ্টি, বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। শেখ হাসিনার নির্দেশ মেলে চলবেন। উন্নয়ন জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়ে জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করাই আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কাজ। জনগণের কাছে যেতে হবে বারবার। কিন্তু জয় জনগণের ভোটের মাধ্যমেই হয়, জনগণের রায়ে হয়। সেই রায় মেনে আমাদের রাজনীতি করতে হবে, শিক্ষা নিতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে।

টিটু আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছিল নির্বাচন উৎসবমুখর করার। যারা নেত্রীর কথায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে তাদের অভিনন্দন। সামনে অনেক কাজ। যারা জয়ী হয়েছে তাদের এখন দায়িত্ব উপজেলার সব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের নিয়ে দেলদুয়ারকে একটা উন্নয়নের রোল মডেল করা। আমার তরফ থেকে সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব পাশে থাকার। পাথরাইলে আমরা একটা পৌরসভা করব। কাগজপত্র মন্ত্রীর কাছে গেছে। যত দ্রুত সম্ভব পৌরসভার ডিক্লারেশন পাব।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময় কেন্দ্রে ভোটার আনার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। দুর্বল জায়গাগুলো শক্তিশালী করতে হবে। আমি কোনো প্রতিহিংসা দেখতে চাই না। দলের ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না। মনে রাখতে হবে–আওয়ামী লীগে যারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, শেখ হাসিনার সৈনিক, তারা বারবার পরীক্ষা দিই। পরীক্ষা দিয়ে পাস না করলেও আবার পরীক্ষা দেওয়া লাগে। এই পরীক্ষার মধ্য দিয়েই যেতে হবে।


আরও খবর



"জাহের আলভি'র নায়িকা শারমিন সাথী "

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:প্রচারিত  হতে যাচ্ছে একক নাটক 'কবর'। নাটকটি  রচনা ও পরিচালনা  নিকুল কুমার মন্ডল ।  নাটকটিতে অভিনয় করেছেন,  জাহের আলভি,শারমিন সাথি ও অহনা রহমান। 

নাটকটি নিয়ে পরিচালক নিকুল কুমার মন্ডল বলেন, নাটকটি দেখে আপনারা হতাশ হবেন না। আশা করি নাটকটি সবার ভালো লাগবে। আপনারা যত বেশি দেখবেন নাটকটি দেখবেন আমরা তত বেশি কাজের অনুপ্রেরণা পাবো। 

নাটক সূত্রে জানা যায়, শিহাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিলোসফির ওপর মাস্টার্স পড়ুয়া ছাত্র। ফাইনাল পরীক্ষা চলছে সিহাবের। সিহাব পরীক্ষা দেয়ার জন্য হলে যাচ্ছে। এমন সময় হলের দারোয়ান তাকে ডেকে বলে তার নামে একটি চিঠি এসেছে। সিহাবের হাতে সময় না থাকায় সে তাড়াহুড়ো করে সেই চিঠিটা নিয়ে  পরীক্ষার হলের দিকে রওনা দেয়। রাস্তায় সে চিঠি পড়তে শুরু করে। চিঠিতে তার ভালোবাসার মানুষ রূপার বিয়ের কথা লেখা। আজ তার বিয়ে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাকে রূপার কাছে যেতেই হবে। এ খবরে তার মাথায় বাজ ভেঙ্গে পরে। এক দিকে ফাইনাল পরীক্ষা আর অপর দিকে তার ভালোবাসার মানুষের বিয়ে। সে ঠিক করে ফেলে যে সে আজকে যে ভাবেই হোক গ্রামে যাবেই আবার পরীক্ষায় ও বসতে হবে। সে ঠিক করে নেয় যে পাস মার্ক তুলেই হল থেকে বেড়িয়ে যাবে। যথারীতি সে পাস মার্ক তুলে বেরিয়ে যাবে হল থেকে তখন তার শিক্ষক তাকে বলে সে আর একটু লিখলেইতো লেটার মার্ক পেয়ে যাবে। তখন সিহাব বলে যে তার লেটার মার্কের প্রয়োজন নেই। কারণ তাকে গ্রামে যে করেই হোক যেতে হবে নইলে তার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যাবে। তারপর সে হল থেকে বেরিয়ে সোজা বাস স্টেন্ডে চলে যায়। সেখান থেকে সে তার গন্তব্যের জন্য বাসে উঠে যায়। মধ্যরাতে বাস তাকে নামিয়ে দেয়। যেখানে নামিয়ে দেয় , সেখান থেকে রূপার গ্রামে যেতে  আরো অনেক পথ বাকি। গ্রামে এত রাতে গাড়ি তো দূরে থাক একটি কুকুরও দেখতে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। সে কোনো কিছু না পেয়ে মন থেকে একদম ভেঙ্গে পরে। সে বিভিন্ন স্টান্ডে যায় কিন্তু কোনো গাড়ি পায়না, ( বাস, সিএনজি, টেম্পু) এমন সময় এক লোক এসে হাজির  হয় শিহাবের কাছে। শিহাব তাকে দেখে একটু হাফ ছেড়ে বাঁচে। তাকে জিজ্ঞেস করে এখন কোনো গাড়ি পাওয়া যাবে কিনা, ঐ গ্রামে যেতে। সে লোক তাকে বলে এখন কোনো গাড়িই পাওয়া যাবে না। সিহাব তাকে অনেক অনুনয় বিনয় করে। কিন্তু লাভ হয় না। লোকটি তাকে বলে যে ভোরের দিকে ঐ গ্রামে যাওয়ার জন্য গাড়ি পাওয়া যাবে। লোকটি তাকে রাতে থাকার ব্যবস্থা করে দিতে চাইলে শিহাব না করেনা তাকে। লোকটি শিহাবকে নিয়ে একটি হোটেলে যায়। হোটেলে গিয়ে লোকটি সিহাবকে বলে এখানে থাকতে তার কোনো সমস্যা হবে না। শিহাবকে রুমে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর শিহাবের রুমে জোনাকি আসে, তার সেবা করতে। নানা রকমের খাবার নিয়ে আসে শিহাবের জন্য। আর শিহাব জোনাকি কে দেখে ভয় পেয়ে যায়। জোনাকি রুমে এসেই দরজার সিটকিনি মেরে দেয়। যার জন্য শিহাব একটু ঘাবড়ে গিয়ে তাকে রুম থেকে রের হতে বলে। জোনাকি শিহাবকে বলে তাকে যদি রুম থেকে বের করে দেয়া হয়, তবে তার চাকরি চলে যাবে। এটাই তার কাজ। শিহাবের সেবা  করার জন্য তাকে পাঠানো হয়েছে। শিহাব একটু ভয় নিয়েই ফ্রেশ হয়ে আসে। জোনাকি তাকে খাবার বেরে দেয়।  শিহাব খেয়ে দেয়ে ওঠে। জোনাকি শিহাবকে বলে একটি কাথা দিতে। কারণ সে নিচে ঘুমাবে। মানবিক দিক বিবেচনা করে সিহাব নিচে ঘুমাতে চায়। আর জোনাকিকে উপরে ঘুমাতে বলে। এর মধ্যে তাদের একটা ভাব জমে যায়। জোনাকি শিহাবকে বলে বসে যে হোটেলে সবাই আসে ফুর্তি করতে। আর আপনি আমাকে বের করে দিতে চাচ্ছেন এর কারণ কি?  তখন শিহাব বলে তার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। তার সেখানে পৌছানো প্রয়োজন। তবে কোনো গাড়ি না পাওয়ায় সে আজ রাতে এখানে থাকছে। তবে কোনো ফুর্তি করতে সে আসে নি। তখন জোনাকি বলে যে তাকে সে পৌঁছেদিতে  পারবে। তার অনেক নাগর আছে ,যাদের গাড়ি আছে। একটা, শুধু একটা কল দিলেই শতশত নাগর এসে হাজির হয়ে যাবে এ বলে সে একজনকে কল করে .শিহাব তাকে জিজ্ঞেস করে সে এরকম একজন মেয়ে হয়ে হোটেলে  কি করছে। তখন শিহাবকে জোনাকি সব খুলে বলে  তার এক মামাতো ভাইয়ের সাথে তার সম্পর্ক ছিল। বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসে তার মামাতো ভাই। আর বের করে নিয়ে এসে তাকেই হোটেলে বিক্রি করে দেয়। বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর সে গ্রামে মুখ দেখাতে পারবেনা বলে এখানে থেকে যায়। জোনাকি যাকে কল করেছিল সে  তাৎক্ষণাৎ  হোটেলে চলে আসে। .তার নাগর সরাসরি রুমে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে জোনাকি তাকে ইচ্ছামত গালিগালাজ করতে থাকে আর বলে তার জন্য একটি কাজ করে দিতে হবে। জোনাকির  নাগর তাকে বলে জোনাকির জন্য সে সবই করতে পারে। তারপর জোনাকি তাকে বলে শিহাবকে নিয়ে  গ্রামে যেতে হবে এখনই,  তারা আর হোটেলে বিলম্ব না করে বেরিয়ে পড়ে গ্রামের উদ্দেশ্যে যেতে যেতে জোনাকির  তার জীবনের অনেক গল্প বলতে থাকে গ্রামের রাস্তায়  ঢুকতেই দেখা যায় একটি বিয়ের গাড়ি বহর যাচ্ছে আর সেই গাড়িতে মেহেদী আঁকা একটি হাত বের হয়ে আছে. সাথে সাথে শিহাব গাড়ি থামাতে বলে, শিহাব বিয়ের গাড়িবহর দেখে বুঝে গেছে তার ভালবাসার মানুষ এর বিয়ে হয়ে গেছে এবং সে চলে যাচ্ছে।গাড়ি থামাতে দেখে জোনাকি শিহাবকে  বলে কেন এখানে গাড়ি থামানো হলো। শিহাব জোনাকিকে বলে সেখানে গিয়ে আর লাভ হবে না কারণ, এই  বিয়ের গাড়ি বহরেই  তার প্রেমিকা রুপা চলে যাচ্ছে। এ কথা শুনে জোনাকির মনে ভীষণ কষ্ট লাগে এবং জোনাকি চোখ দিয়ে পানি পড়তে থাকে।জোনাকির এমন অবস্থা দেখে শিহাব নিজে হতভম্ব হয়ে যায় এবং তাদের মধ্যে মনের একটি মিল হয়ে যায়। যা শিহাব তাৎক্ষণাৎ বুঝতে পারেনি সেটি।জোনাকি এক দৃষ্টিতে শিহাবের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকে এবং শিহাব  তার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে। জোনাকি হাউমাউ করে কান্না করতে থাকে, শিহাব বলে আমাকে একা থাকতে দাও, যাওয়ার সময় জোনাকি শিহাবকে তার ঠিকানা লিখে দেয়। যদি কখনো মনে হয় তার সাথে যেন দেখা করে এবং জোনাকি তাকে বলে সে তার অপেক্ষায় থাকবে। বহুকাল পর জোনাকির কথা শিহাবের  মনে পড়ে এবং হন্যে হয়ে পুরো বাড়ি এলোমেলো করে,  সে জোনাকির দেয়া ঠিকানাটি খুঁজে বের করে এবং রওনা হয় জোনাকির বাড়ির দিকে। ঠিকানা অনুযায়ী শিহাব জোনাকির গ্রামে এসে হাজির হয় এবং জোনাকির খোঁজ করতে থাকে। গ্রামের লোকজন জোনাকিকে  নিয়ে বাজে বাজে মন্তব্য করতে থাকে এবং শিহাব তাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করে জোনাকির কি হয়েছে? জোনাকি কোথায়? তারা তাকে খুব বাজে ভাবে উত্তর দেয় জোনাকি ছিল পতিতা। আর পতিতাদের না মরে উপায় কি? হাজার হাজার জায়গায় ঘুরে বেড়াতো। একেক জন লোকের সাথে শুয়ে সময় কাটাতো। তাদের মৃত্যু হবে না তো কি হবে? তাদের কাছে জানতে চায় জোনাকিকে কোথায় কবর দেয়া হয়েছে। গ্রামের লোকজন খুব খারাপ ভাবে তাকে বলে পতিতাদের কবর গোরস্থানে দেয়া হয় না, নদীর ওই পারে খালি জায়গা আছে সেখানে  কবর দেয়া হয়েছে। শিহাব তাৎক্ষণাৎ নদীর পাড়ের দিকে যেতে থাকে। যেতে যেতে এক পর্যায়ে দেখে নদীর পাড়ে একটি কবর। সে কবরের কাছে গিয়ে দাঁড়ায় এমন সময় পেছন থেকে সে অনুভব করে কেউ তাকে ডাকছে। আর সে তাকিয়ে দেখে জোনাকি দাঁড়িয়ে আছে। জোনাকি তাকে বলছে এই বুঝি তোমার আসার সময় হলো।  অনেক দেরি করে ফেলেছো আসতে। আমি সেই কবে থেকে তোমার অপেক্ষায় ছিলাম আর গ্রামের মানুষের কথাবার্তা সইতে না পেরে এবং তোমার দেখা না পেয়ে আমি গলায় দড়ি দিয়েছি। তুমি আসতে বড্ড দেরি করে ফেলেছো। শিহাব অঝোরে কাঁদতে  থাকে। কাঁদতে কাঁদতে সে নদীর পাড়ের দিকে হাঁটতে থাকে এবং এক পর্যায়ে সে নদীর মাঝখানে চলে যায়। আর কিছুক্ষণ পর শিহাবকে  আমরা  দেখতে পাই না। শিহাব নিজের ইচ্ছায় নদীর জলে ডুব দেয়।

নাটকটি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত হবে বলেন নির্মাতা সূত্রে  জানা যায়।

আরও খবর



রাজধানীসহ সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মুসলিম জাহানের সবচেয়ে বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা রাজধানীসহ সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে।এ দিনটিতে বড় বিষয় ত্যাগের শিক্ষা। আজ সামর্থ্যবান মুসলমানরা পরিশুদ্ধি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু কোরবানির দিন। কোরবানির মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেকে সমর্পণই ঈদুল আজহার মূল মর্মবাণী।

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত আছে, আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কোরবানির বিধান নির্ধারণ করে দিয়েছি, যাতে তারা ওই পশুদের জবাই করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। আর তোমাদের প্রতিপালক তো এক আল্লাহই, তোমরা তারই অনুগত হও। (সুরা হজ : ৩৪)

সোমবার (১৭ জুন) ঈদগাহে নামাজ শুরু হয়েছে ।এরপর শুরু পশু কোরবানির পর্ব।

ঈদের দিন ছাড়াও ধর্মীয় বিধান আছে,পরের দু’দিনও পশু কোরবানি করার সুযোগ। সে হিসেবে বুধবার আসরের ওয়াক্ত পর্যন্ত কোরবানি করা যাবে। সামর্থ্যবানদের জন্য কোরবানি করা ফরজ। কোরবানির পশুর মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ বিলিয়ে দিতে হয় গরিব-মিসকিনকে। আত্মীয়দের দিতে হবে এক ভাগ।

হাদিসে বর্ণিত আছে, ‘১০, ১১ ও ১২ জিলহজ এই তিন দিন কোরবানি করা যায়। তবে প্রথম দিন কোরবানি করা অধিক উত্তম। এরপর দ্বিতীয় দিন, তারপর তৃতীয় দিন।’ আরেকটি হাদিসে আছে, জিলহজ মাসের ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পর কোরবানি করা শুদ্ধ নয়।

রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের প্রথম জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। এছাড়া মন্ত্রিসভার সদস্য, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি, সংসদ সদস্য, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতা, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এখানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, বায়তুল মোকাররম মসজিদসহ রাজধানীতে ১৮৪টি ঈদগাহ ও প্রায় দেড় হাজার মসজিদে ঈদের নামাজ পড়বেন মুসল্লিরা। দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ। এবার ১৯৭তম ঈদের জামাত হবে এ ঈদগাহে। অন্যদিকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানে। ঈদের জামাতের সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

শুধু উৎসব না কোরবানির ঈদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করার একটি বন্ধন। ঈদুল আজহা সমাজে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্যকে এক কাতারে নিয়ে আসে। আধুনিক সমাজ যে ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তায় মগ্ন হয়ে গেছে, তা থেকে মুক্তি হতে পারে পশু কোরবানি। সমাজ ও রাষ্ট্রে ভ্রাতৃত্ববোধ ও জাতীয় ঐক্য গড়ার শিক্ষা হতে পারে ঈদে পশু কোরবানি।

ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, বিএনপিসহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো। পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ত্যাগের শিক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম (আ.) ও তার পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.) এর ঐতিহাসিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোরবানি ইবাদতের মর্যাদা লাভ করেছে। আল্লাহ যখন ইবরাহিম (আ.)-কে পরীক্ষা করার জন্য স্বীয় পুত্রকে কোরবানি করতে বললেন, তখন সঙ্গে সঙ্গে কোনো সংশয় তথা বিনা প্রশ্নে নিজ প্রিয় সন্তানকে কোরবানি করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যান তিনি। কিন্তু আল্লাহর আদেশে দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অসামান্য এ ত্যাগের মহিমা জাগ্রত রাখতে সারা বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে পশু কুরবানি ক


আরও খবর



জয়পুরগাটে নিরাপদ মাছ চাষে মাটি ও পানি পরীক্ষা বিষয়ক ক্যাম্পেইন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩২জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ"নিরাপদ মৎস্য ও মৎস্য পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ" শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের আওতায় জয়পুরহাটে জেআরডিএমের কারিগরি ও পিকেএসএফের আর্থিক সহযোগিতায় জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলায় মৎস্যচাষীদের বিনামূল্যে মাটি ও পানি পরীক্ষা এবং সার্বিক তথ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে । রোববার বিকেলে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায়  পিকেএসএফের  আর্থিক সহায়তায় এবং  জেআরডিএমের বাস্তবায়নে ৫০ জন মৎস্য চাষীদের বিনামূল্যে মাটি ও পানি পরীক্ষাপূর্বক সার্বিক সেবা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেতলাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুজ্জামান  ।জেআরডিএম এর সিনিয়র  উপ-পরিচালক (কার্যক্রম) শওকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জেআরডিএম এর সহকারী পরিচালক (প্রকল্প) কৃষিবিদ এন এম ওয়ালিউজ্জামান ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে উন্মুক্ত আলোচনায় মৎস্যচাষীদের সাথে মতবিনিময়ে ক্ষেতলাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাছ চাষিদের নিরাপদ মৎস্য ও মৎস্যপণ্য উৎপাদনে বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করেন এবং মাছ চাষের ক্ষেত্রে মাটি ও পানি পরীক্ষা সহ বিভিন্ন পরামর্শ পেতে
জেআরডিএম‌ কতৃক বাস্তবায়িত "মৎস্য সেবা ও পরামর্শ কেন্দ্রে" যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করেন।

উক্ত ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠান শেষে ক্ষেতলাল উপজেলার মত একটি সেবা ও পরামর্শ কেন্দ্র এবং একটি মূল্য সংযোজিত মৎস্যপূর্ণ উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ প্রদর্শনীর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।অনুষ্ঠনাট সঞ্চালনা করেন ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর  কৃষিবিদ আল আমিন।

আরও খবর