Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

একদিনেই ঘুরে আসুন পারকি সমুদ্রসৈকতে

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

মাজহারুল ইসলাম শামীম

পারকি সমুদ্রসৈকতের নাম হয়তো অনেকেরই অজানা। পারকি সমুদ্রসৈকত বা পারকি সৈকত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত।

চট্টগ্রামের নেভাল একাডেমি কিংবা বিমানবন্দর এলাকা থেকে কর্ণফুলী নদী পেরোলেই পারকি চর পড়ে। এক সময় সমুদ্র সৈকত বলতে শুধু কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বোঝানো হলেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে এই পারকি সমুদ্র সৈকতও।

২০২১ সালের মার্চের ২১ তারিখে আমরা ৩ বন্ধু মিলে পরিকল্পনা করি পারকি সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার। অবশেষে রওনা দিলাম পারকি সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে। চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র এক থেকে দেড় ঘণ্টার পথ দূরত্বে এই সুন্দর সমুদ্র সৈকতটি অবস্থিত। একদিকে সারি সারি ঝাউবনের সবুজের সমারোহ, আরেকদিকে নীলাভ সমুদ্রের বিস্তৃত জলরাশি আপনাকে স্বাগত জানাবে।

একদিনেই ঘুরে আসুন পারকি সমুদ্র সৈকতে

আর সমুদ্র তীরের মৃদুমন্দ বাতাস আপনার মনকে আনন্দে পরিপূর্ণ করে দেবে নিমেষেই। পারকি সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার পথে দেখা মিলে অন্যরকম এক দৃশ্য। আঁকা-বাকা পথ ধরে ছোট ছোট পাহাড়ের দেখা মেলে। পারকি সৈকতে যাওয়ার পথে কর্ণফুলী নদীর উপর প্রমোদতরীর আদলে নির্মিত নতুন ঝুলন্ত ব্রিজ চোখে পড়বে।

বিচে ঢোকার পথে সরু রাস্তার দু’পাশে আছে সারি সারি গাছ, সবুজ প্রান্তর আর মাছের ঘের। এই সৈকতেও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মতো অসংখ্য ঝাউ গাছ আর ঝাউবন দেখতে পাবেন। ঝাউবন ঘেঁষে উত্তর দিক বরাবর হেঁটে গেলে দেখতে পাবেন বঙ্গোপসাগর ও কর্ণফুলী নদীর মোহনা।

আমাদের ভ্রমণের প্রথম ধাপ শুরু হয় ফেনী জেলার মহীপাল নামক স্থান থেকে। আমরা প্রথমে চট্টগ্রামগামী বাস স্টার লাইনে উঠলাম। তারপর বাস আমাদের কে চট্টগ্রামের বাস স্টেশন অলংকার নামক স্থানে নামিয়ে দেয়। তারপর আমরা সিএনজি যোগে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতু বা তৃতীয় কর্ণফুলী সেতু পর্যন্ত গেলাম। সেখানে গিয়ে একটু বিশ্রাম নিতে নিতে কর্ণফুলী টানেলের দৃশ্যটা দেখলাম।

এরপর বটতলী মোহসেন আউলিয়ার মাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি বাসে উঠলাম। তবে আপনারা যারা নতুন যাবেন, অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন বাস কন্ডাক্টরের ‘বৈলতলী” উচ্চারণের সঙ্গে ‘বটতলী’কে গুলিয়ে না ফেলেন। দুটি কিন্তু দুই জায়গা। পারকি বিচে যেতে হলে আপনাকে বটতলী মোহসেন আউলিয়া মাজারগামী বাসে উঠতে হবে। প্রাচীন এই মাজারটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত।

একদিনেই ঘুরে আসুন পারকি সমুদ্র সৈকতে

বাসে উঠে কন্ডাকটরকে বললাম আমাদেরকে যেন ‘সেন্টার’ নামক স্থানে নামিয়ে দেওয়া হয়। স্থানটির প্রকৃত নাম হলো মালখান বাজার। তবে এটি সেন্টার নামেই পরিচিত। এ স্থান পর্যন্ত আসতে বাসে জনপ্রতি ২৫-৩০ টাকা করে খরচ হয়। সেন্টারে নেমে বিচে যাওয়ার জন্য অনেকগুলো সিএনজি চোখে পড়বে।

সেখান থেকেই আমরা ১৫০ টাকা রিজার্ভে একটি সিএনজি ভাড়া করলাম। সিএনজি আমাদেরকে পৌঁছে দিলো পারকি সমুদ্র সৈকতে। বিচে যাওয়ার আগে খাবারসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় জিনিস সেন্টার বাজার কিংবা কিছুটা দূরেই চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার হাউজিং কলোনি সংলগ্ন বাজার থেকে কিনে নিলাম আমরা।

কারণ সমুদ্র সৈকতের আশপাশে সব জিনিসপত্রের দামই বেশি থাকে। তাছাড়া বিচের বিভিন্ন দোকানে সবকিছু নাও পেতে পারেন। তাই বাজার থেকে কিনেই সঙ্গে নিয়ে যান। সৈকতে পৌঁছেই প্রথমে চোখে পড়বে সারি সারি ঝাউগাছ। চারপাশে সবুজের সমারোহ। সৈকতের পাশে একটা বড় পুকুর আছে।

পুকুরের চারপাশে পার্কের মতো বিভিন্ন খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা আছে। এরপরই ডে দৃশ্য পড়বে তা হলো একটা বিশাল আকৃতির জাহাজ আটকে আছে সৈকতে বালুর মধ্যে। এটি সম্ভবত ২০১৭ সালে ঘূর্ণিঝড়ের সময় পানির স্রোতের কারণে সমুদ্র সৈকতের একদম উপরে চলে আসে। যা আর পরে পানি নেমে যাওয়াতে সাগরে নামানো সম্ভব হয়নি।

একদিনেই ঘুরে আসুন পারকি সমুদ্র সৈকতে

আজও জাহাজটি একইভাবে আটকে আছে সমুদ্র সৈকতে। যা এই সৈকতের সৌন্দর্য কিছুটা হলেও নষ্ট করছে। জাহাজের ফলে সৈকতের অনেক বালু সরে যাচ্ছে। সৈকতে পৌঁছানোর কিছুক্ষন পর আমরা পোশাক পরিবর্তন করে সৈকতে নামলাম। তবে পানি বালি ও কাদাময় হওয়ায় গোসল করা হলো না আমাদের। পানিতে নেমে সমুদ্রের ঢেউগুলো উপভোগ করলাম শুধু।

তবে ঝাউবনের জন্য এই সমুদ্র সৈকতের দৃশ্য বেশ রোমাঞ্চকর বটে। এরপর আমরা জাহাজটির কাছে গেলাম। কিছুক্ষণ জাহাজটির চারপাশ ঘুরে আমরা সৈকতের পানি থেকে উঠে ঝাউবনে পাছের ছায়া তে গিয়ে বিশ্রাম নিলাম। আহ! কি শীতল বাতাস। সঙ্গে সমুদ্রের পানির ঢেউয়ের শব্দ। সব কিছু মিলে অসাধারণ এক মনোরম দৃশ্য।

সবশেষ আমরা সৈকত সংলগ্ন পুকুরের পাশের পার্ক ঘুরে দেখলাম। এরপর বিকেলের শেষ প্রান্তে আমরা আবার সিএনজিতে উঠে গেলাম চট্টগ্রাম শহরের উদ্দেশ্যে। এরপর ফিরতি বাসে উঠে বসলাম। এভাবেই একবুক প্রশান্তি নিয়ে পারকি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ শেষ হলো আমাদের।

লেখক: ব্যবস্থাপনা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, ফেনী সরকারি কলেজ।


আরও খবর



ব্যতিক্রম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, লেনদেনের নেতৃত্বে বস্ত্র

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

পতনের বৃত্তে আটকে যাওয়া শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের তিন কার্যদিবসেই বড় দরপতন হয়েছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি গত সপ্তাহে কমেছে সবকটি মূল্যসূচক। তবে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।

এই পতনের বাজারে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে একমাত্র মিউচ্যুয়াল ফান্ড। বাকি সবকটি খাত পতনের তালিকায় নাম লিখিয়েছে। এর মধ্যে সব থেকে বেশি দাম কমেছে কাগজ ও মুদ্রণ খাতের। আর পতনের বাজারে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্রখাতে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) খাতভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনায় এসব জানা গেছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গেলো সপ্তাহের তিন কার্যদিবসে দরপতন হওয়ায় এক সপ্তাহেই ডিএসইর বাজার মূলধন ১১ হাজার ৬ কোটি টাকা কমে গেছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ১৪৬ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৬৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ২৯৭টির দাম।

অপরদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৩৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৫৫৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

এমন পতনের বাজারে গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড়ে বস্ত্রখাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩২ কোটি ২০ লাখ টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২৫ শতাংশ। এছাড়া অন্য খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ১১ শতাংশ।

বাকিগুলোর মধ্যে ওষুধখাতে ১০ শতাংশ, প্রকোশল খাত ১০ শতাংশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ৬ শতাংশ, ব্যাংক খাত ৬ শতাংশ, অব্যাকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা লিজিং খাত ৫ শতাংশ, খাদ্যখাত ৪ শতাংশ, জীবন বিমা ৩ শতাংশ, কাগজ ও মুদ্রণ ৩ শতাংশ, সিরামিক খাত ৩ শতাংশ, সাধারণ বিমা খাত ৩ শতাংশ, আইটিখাত ৩ শতাংশ এবং চামড়া ৩ শতাংশ অবদান রেখেছে লেনদেন।

লেনদেনে বাকি খাতগুলোর অবদান তিন শতাংশের নিচে। এর মধ্যে টেলিযোগাযোগ এবং সিমেন্টে খাত ২ শতাংশ করে অবদান রেখেছে। আর সেবা ও আবাসন, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের অবদান এক শতাংশ করে।

অপরদিকে গত সপ্তাহে একমাত্র মিউচ্যুয়াল ফান্ড দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। গেলো সপ্তাহে এ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর দাম সম্মিলিতভাবে বেড়েছে দশমিক ১০ শতাংশ।

আর পতনের তালিকায় থাকা খাতগুলোর মধ্যে সব থেকে বেশি পতন হয়েছে কাগজ ও মুদ্রণ শিল্পের। এ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম সম্মিলিতভাবে কমেছে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আইটি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দাম সম্মিলিতভাবে কমেছে ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ দাম কামার মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিমেন্ট।

এছাড়া খাদ্যের ২ দশমিক ১৮ শতাংশ, প্রকৌশলের ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ, ব্যাংকের ১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ওষুধের ১ দশমিক ৫২ শতাংশ, চামড়ার ১ দশমিক ২৪ শতাংশ, টেলিযোগাযোগের ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ এবং বিবিধ খাতের ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ দাম কমেছে।

অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা লিজিং খাতের ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ, জীবন বিমার ২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, বস্ত্রের দশমিক ২২ শতাংশ, সেবা ও আবাসনের ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ, পাটের ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ৪ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, সাধারণ বিমার দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং ভ্রমণ ও অবকাশের ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ দাম কমেছে।


আরও খবর



প্রান্তিক শিল্পীদের জন্য ঢাকায় আধুনিক ডরমেটরি নির্মাণের সুপারিশ

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রাজধানীতে আসা শিল্পীদের থাকার সুবিধার্থে একটি আধুনিক ডরমেটরি ভবন নির্মাণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এছাড়া, অঞ্চলভিত্তিক সাংস্কৃতিককেন্দ্র নির্মাণের জন্য রাজধানীর পূর্বাচলে ১০ একর জমি বরাদ্দের জন্য রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছে প্রস্তাব পাঠানোর সুপারিশ করে কমিটি।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৭তম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেনের (রিমি) সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন- সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, আসাদুজ্জামান নূর, কাজী কেরামত আলী, সাগুফতা ইয়াসমিন ও সেলিনা ইসলাম।

বৈঠকে মৌলভীবাজার মনিপুরী ললিতকলা একাডেমির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় সুবিধাজনক সময়ে স্থায়ী কমিটিকে সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য বলা হয়। এছাড়া, যেসব জেলায় শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী সমিতি সময়োত্তীর্ণ হয়েছে সেসব জেলায় অ্যাডহক কমিটি গঠনের জন্য জেলা প্রশাসকদের পাঁচজন শিল্পীসদস্যের নাম পাঠানোর করা হয়েছে।

বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্য কর্মকর্তারা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বার্লের ঝড়ে বাংলাদেশের সামনে জিম্বাবুয়ের চ্যালেঞ্জিং স্কোর

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

শুরুতে বোলাররা বেশ চাপেই রেখেছিল জিম্বাবুয়েকে। এমনকি একটা সময় মনে হচ্ছিল, স্বাগতিকরা ১০০ পার হবে তো! কিন্তু লেট মিডল অর্ডারে রায়ান বার্ল হঠাৎ করে জ্বলে উঠলেন। নাসুম আহমেদের এক ওভার থেকেই নিলেন ৩৫ রান। তার সঙ্গে জ্বলে উঠলেন লুক জংউইও।

এই দু’জনের ঝড়ে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরই দাঁড় করিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। আউট হওয়ার আগে ২৮ বলে ৫৪ রান করেছিলেন রায়ান বার্ল। ২টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কার মার মারেন তিনি ৬টি।

লুক জংউই ২০ বলে করেন ৩৫ রান। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে তিনি ছক্কা মারেন ২টি। যদিও একই ওভারে এই দু’জনকেই সাজঘরের পথ দেখান তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ। তার সঙ্গে ২টি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদও। ১টি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজুর রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, নাসুম আহমেদ এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও।

বিস্তারিত আসছে


আরও খবর



নিত্যপণ্যের দাম শহরের তুলনায় গ্রামে বেশি

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য মুদ্রানীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে অর্থনৈতিক দিক দিয়েও এগিয়ে যাবে দেশ। মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা, যেন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এছাড়া মুদ্রাবিনিময় হারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখাও মুদ্রানীতির অন্যতম কাজ।

কিন্তু বর্তমানে মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে শহর থেকে গ্রাম, কমছে টাকার মানও। গ্রামীণ এলাকায় মূল্যস্ফীতির হার সবচেয়ে বেশি। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব জিনিসের দাম শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে বেশি। যার মধ্যে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে বেশি।

আরও পড়ুন>> সব রেকর্ড ভেঙে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৭ শতাংশ

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২২ সালের জুন অর্থাৎ ১৭ মাস শহরের থেকে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি। চলতি (২০২১-২২) অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩ শতাংশের মধ্যে রাখার ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তা ছাড়িয়ে গেছে। গত (২০২০-২১) অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৬ শতাংশ অতিক্রম করে। চলতি অর্থবছর পর পর তিন মাস গ্রামে মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে। যেখানে শহরে মূল্যস্ফীতির হার ৬ শতাংশের নিচে ছিল। মার্চে শহরের তুলনায় গ্রামে মূল্যস্ফীতি বেশি। এ সময় গ্রামে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ ও শহরে ৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ ছিল। চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে শহরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ ও ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ। একই সময়ে গ্রামে ছিল ৬ দশমিক ৭ শতাংশ ও ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দেওয়া মার্চে ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ তথ্যে এমনটা বলা হয়েছে।

সিপিআইয়ের হালনাগাদ তথ্যমতে, গত বছরের জুনের তুলনায় চলতি বছরের জুনে সারাদেশের ভোক্তা মূল্যসূচকের হিসাবে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে ৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এর মধ্যে গ্রামে বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং শহরে ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। শহরের চেয়ে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি বেড়েছে শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের জুনে যেসব পণ্য ও সেবা কিনতে ২৭৬ টাকা ১২ পয়সা খরচ করতে হতো, একই পণ্য ও সেবা পেতে জুনে খরচ করতে হয়েছে ২৯১ টাকা ৭০ পয়সা। আলোচ্য সময়ে খরচ বেড়েছে ১৫ টাকা ৫৮ পয়সা। এর মধ্যে গ্রামে বেড়েছে ১৫ টাকা ৯৮ পয়সা। শহরে বেড়েছে ১৪ টাকা ৯২ পয়সা। জীবনযাত্রার সূচকে শহরের চেয়ে গ্রামে ব্যয় বেড়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা।

আরও পড়ুন>> নতুন চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি ও ডলার রেট: গভর্নর

বিবিএসের তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে শহরে যেখানে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ, সেখানে গ্রামে বেড়ে ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে শহরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ, গ্রামে ছিল ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। মার্চে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ, শহরে কমে ৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এপ্রিলে শহরে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ, একই সময়ে গ্রামে ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। মে মাসে শহরে মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ, গ্রামে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জুনে শহরে ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ, গ্রামে ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে শহরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, একই সময়ে গ্রামে ছিল ৫ শতাংশ। এরপর থেকেই চিত্র উল্টে যায় গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বাড়তে এবং শহরে কমতে থাকে। ওই সময় থেকে ২০২২ সালের জুন অর্থাৎ ১৭ মাস শহরের থেকে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি। গ্রাম ও শহরের মানুষের আয় বৈষম্য অনেক। শহরের থেকে গ্রামের মানুষের আয় কম।

গ্রাম ও শহরের মূল্যস্ফীতির পার্থক্য প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, এটার একটি গাণিতিক কারণ আছে— একটি পণ্যের দাম এক জায়গায় ৫০ টাকা, আরেক জায়গায় ৭০ টাকা। ধরি, দুই জায়গায় দুই টাকা বাড়লো। তাহলে দুইকে ৫০ দিয়ে ভাগ (২/৫০) করলে যে পার্সেন্টেজ দাঁড়াবে, দুইকে ৭০ দিয়ে ভাগ (২/৭০) করলে পার্সেন্টেজ কম হবে। সাধারণভাবে গ্রামের তুলনায় শহরে পণ্যের স্তরটা বেশি। পণ্য সাধারণত শহরের বাইরে থেকে আসে। এখানে একটা সাপ্লাই চেন আছে। যেহেতু শহরে স্তরটা বেশি সেই হিসাবে একই হারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও গ্রামে রিফ্লেকশন বেশি দেখাবে। কারণ আমরা একই পণ্যকে এক জায়গায় ৫০ দিয়ে ভাগ দিচ্ছি, আরেক জায়গায় ৭০ দিয়ে ভাগ দিচ্ছি। এটা একটা গাণিতিককার।

আরও পড়ুন>> আরও ৫০ পয়সা কমেছে টাকার মান

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পদ্মা সেতুসহ রাস্তাঘাটের যে উন্নয়ন হচ্ছে বা হয়েছে পার্থক্যটা আরও কম হওয়া দরকার। কারণ এক জায়গায় থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াতে সময় কম লাগছে। সেই হিসেবে মূল্যস্ফীতির পার্থক্যটা আরও কম হওয়া দরকার। এর শটকার্ট উত্তর নেই— গবেষণা দরকার। গ্রামে ক্রয়ক্ষমতা কম। গ্রামে কাপড় লন্ড্রি করতে যে খরচ হয়, শহরে কিন্তু তার থেকে বেশি। গ্রামে মূল্য স্তরটা কম। গ্রামে ৩৭৭টি পণ্যের আইটেম থেকে মূল্যস্ফীতির তথ্য বের করা হয়, শহরে ৪৭০টি পণ্যের আইটেম থেকে মূল্যস্ফীতির তথ্য বের করা হয়। গ্রাম ও শহরের মধ্যে মূল্যস্ফীতির হার কম হওয়া দরকার।’

মূল্যস্ফীতির হারের এ উল্টো স্রোতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষ অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। শহরে খাদ্যের বড় অংশের জোগান আসে গ্রাম থেকে। এ কারণে গ্রামের চেয়ে শহরে খাদ্য উপকরণের দাম বেশি হারে বাড়ার কথা। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির হারও গ্রামের চেয়ে শহরে বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু তা না হয়ে গ্রামেই মূল্যস্ফীতির হার বেশি বাড়ছে। এটা কেন হলো- তা খতিয়ে দেখা দরকার।

বর্তমান সময়ে খাদ্যপণ্যের দাম বেশি বেড়েছে। শহরের থেকে গ্রামের মানুষ খাদ্যখাতে বেশি টাকা ব্যয় করে বলেই শহরের থেকে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বেশি দাবি অর্থনীতিবিদদের।

jagonews24

আরও পড়ুন>> কাটবে খাদ্য সংকট, কমবে মূল্যস্ফীতি

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, মূলত খাদ্যের দাম বেশি বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার বড় অংশই খাদ্যপণ্যে। গ্রামের মানুষ খাবারের জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করে। শহরে ধনী ও বিত্তবানদের বাস বেশি। তারা খাদ্যখাত থেকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে বেশি ব্যয় করে। তবে, খাদ্যবহির্ভূত খাতে দাম বেশি বাড়েনি। খাদ্যে দাম বাড়লেও গ্রামের ১০০ টাকা আয় করলে ৮০ টাকা খাদ্যে খরচ করে। অন্যদিকে, শহরের মানুষ ২০০ টাকা আয় করলে ১৬০ টাকা কিন্তু খাদ্য খাতে খরচ করে না। দেখা যায়, তারা বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য খাদ্যবহির্ভূত খাতে খরচ করে।’

বিবিএস জানায়, সর্বশেষ জুনে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এসময় শহরে মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ অথচ গ্রামে ৮ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। অর্থাৎ সময় যত গড়াচ্ছে ততই শহর থেকে গ্রামে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ছে।


আরও খবর



ঢাকায় চাকরির সুযোগ দিচ্ছে এস আলম গ্রুপ

প্রকাশিত:Saturday ২৩ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপে ‘এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৪ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: এস আলম গ্রুপ
বিভাগের নাম: অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ক্যাশ কন্ট্রোলার

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০৩ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ৩৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৪ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর