Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

একদিনে শনাক্ত ৩১ রোগী, ২৯ জনই ঢাকার

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১০৯জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩১ জনই রয়েছে। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত হিসেবে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩১ জন। ৩১ জনের মধ্যে ২৯ জনেই ঢাকায় শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৬২৩ জনে।

শনিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ৮৭৯টি ল্যাবরেটরিতে চার হাজার ৮৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আগের দিনের নমুনা মিলিয়ে চার হাজার ১২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এদিকে, একদিনে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৭১ জন। এ নিয়ে সুস্থ রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৩ হাজার ৭৫১ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



নোয়াখালীতে ডাক্তার সেজে হাসপাতালে রোগীকে ধর্ষণচেষ্টা!

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সেজে ভর্তি এক নারী (২৪) রোগীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মঞ্জুরুল হায়দার জনি (৩৫) নামের এক বখাটের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় অপরাধী চক্রের সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সসহ কর্মচারীদের যোগসাজশের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

শুক্রবার (২২ জুলাই) সকালে অভিযোগের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

jagonews24

তিনি বলেন, অভিযোগের তদন্তে হাসপাতালের শিশু কনসালটেন্ট ডা. তানজিনা হককে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন হাসপতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শহীদুল আহমেদ নয়ন, ডা. ইকরাম বিন ফারুক ও নার্সিং সুপারভাইজার আয়েশা আক্তার। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই নারী রোগীর ভাষ্য, ‘প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে আমি চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১ নম্বর কেবিনে ভর্তি হই। হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের দুর্ব্যবহার নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করি। এরপর বুধবার (২০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় মঞ্জুরুল হায়দার জনি নামের ওই বখাটে চিকিৎসক সেজে আমার কেবিনে আসেন। তিনি আমার শরীর ঘামছে দেখে কেবিনে থাকা আমার ভাই ও বোনকে জামা (গেঞ্জি) কেনার জন্য বাইরে পাঠিয়ে দেন। পরে তিনি আমার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে হেনস্তা করেন। এক পর্যায়ে ধর্ষণচেষ্টা করেন। এতে আমি চিৎকার দিতে চাইলে তিনি গলাটিপে হত্যা করতে উদ্যত হন।’

এ সময় ওই ব্যক্তি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে ধারণা ভুক্তভোগী ওই নারীর।

ওই নারীর সঙ্গে থাকা তার বোন জাগো নিউজকে বলেন, ‘পরদিন ওই হাসপাতাল থেকে আমার বোনকে ঢাকায় স্থানান্তর করে নিয়ে আসি। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানোর পর বিভিন্নভাবে হয়রানির চেষ্টা চলছে। আমরা বিষয়টি স্থানীয় সদস্য সদস্য এইচএম ইব্রাহীমকেও জানিয়েছি। তিনি আমাদের আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভিযুক্ত মঞ্জুরুল হায়দার জনি চাটখিলে বসবাসকারী মৃত শাহাদাত উল্যাহর ছেলে এবং ওই হাসপাতালের উপ-সহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা (সেকমো) মনিরুল হায়দার মনিরের ভাই। হাসপাতালে সামনে ‘হায়দার ফার্মেসি’ নামে তাদের একটি ওষুধে দোকান রয়েছে। জনি স্থানীয় হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ প্রাইভেট হাসপাতালে রোগী সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

এ বিষয়ে সেকমো মনিরুল হায়দার জাগো নিউজকে বলেন, ‘বুধবার দুপুরে ডিউটি শেষ করে বাসায় চলে যাই। পরে বিষয়টি শুনেছি। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণ হলে আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

তবে তিনি দাবি করেন, ২০১৫ সালে তার বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মঞ্জুরুল হায়দার জনি তাদের থেকে আলাদা বসবাস করেন। হায়দার ফার্মেসির মালিকও তার আরেক বড় ভাই মফিজুল হায়দার।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শহীদুল আহমেদ নয়ন জাগো নিউজকে বলেন, রোগীকে হেনস্তার বিষয়ে তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

jagonews24

চাটখিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবির জাগো নিউজকে বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালে গেছি। কিন্তু রোগীর লোকজন লিখিত অভিযোগ না দেওয়ায় সেদিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

এ বিষয়ে নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এইচএম ইব্রাহীম জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়েছে। অভিযোগ শোনার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী অভিযোগ দিতে না চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে বাদী করে মামলা রুজু করতে বলা হয়েছে।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘শুনেছি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অভিযোগ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



নয় কার্যদিবস পর ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ০৭ August ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৫ জুলাই) লেনদেনের শুরুতে শেয়ারবাজারে বড় দরপতন দেখা দিলেও শেষপর্যন্ত মূল্যসূচক ও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে শেষ হয়েছে লেনদেন। এর মাধ্যমে টানা নয় কার্যদিবস পতনের পর ঊর্ধ্বমুখীতার দেখা পেলো শেয়ারবাজার।

এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনের শুরুতে মূল্যসূচকের বড় পতন হয়। লেনদেনের সময় আধাঘণ্টা না গড়াতেই প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের ক্রয় আদেশের ঘর শূন্য হয়ে পড়ে।

এতে আবারও বড় দরপতনের আশঙ্কা পেয়ে বসে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। দরপতনের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান। সেই ক্রেতা সংকট থেকে বেরিয়ে আসে শতাধিক প্রতিষ্ঠান। ফলে ঊর্ধ্বমুখী হয় সূচক।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঈদের পর থেকেই শেয়ারবাজার টানা দরপতন ঘটলেও সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত জানানোর পর পতনের মাত্রা বেড়ে যায়। জ্বালানি তেল ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয়ে লক্ষ্যে সোমবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং করা বা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সরকার।

সরকারের পক্ষ এমন ঘোষণা আসার পর সোমবার শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়। সেইসঙ্গে চরম ক্রেতা সংকটে পড়ে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। মঙ্গলবারও (১৯ জুলাই) শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। ফলে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার মাধ্যমে মূল্যসূচকের বড় পতন হয়। পরের দুই কার্যদিবস বুধ ও বৃহস্পতিবার (২০ ও ২১ জুলাই) কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্রেতা ফেরায় দরপতনের মাত্র কিছুটা কমে। তবে পতনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি শেয়ারবাজার। আর চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আবারও ক্রেতা সংকট দেখা দেওয়ায় শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়।

এ পরিস্থিতিতে আজ শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হতেই ক্রেতা সংকটে পড়ে একের পর এক প্রতিষ্ঠান। ফলে লেনদেন শুরুর আধাঘণ্টার মধ্যে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৫০ পয়েন্টের ওপরে পড়ে যায়। আর ক্রয়ে আদেশের ঘর শূন্য হয়ে পড়ে প্রায় দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানের। দরপতনের তালিকায় নাম লেখায় ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের।

এমন পরিস্থিতিতে দুপুর ১২টার পর হঠাৎ করেই ঘুরে যায় বাজার পরিস্থিতি। আর শেষ ঘণ্টার লেনদেনে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় মূল্যসূচকের মোটামুটি বড় উত্থান দিয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১৯৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখাতে পেয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৩১টির এবং ৫৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৮২ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৩২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি বাজারটিতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৩৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৪৭০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ১৬৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ৪৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কেডিএস এক্সেসরিজের ২৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ১৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মতিন স্পিনিং।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে— তিতাস গ্যাস, সোনালী পেপার, এইচ আর টেক্সটাইল, প্রাইম টেক্সটাইল, শাহিনপুকুর সিরামিকস, ফরচুন সুজ এবং রবি।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১১৫ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ৪৬ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৭৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৯টির এবং ৩৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।


আরও খবর



অধ্যাপক পদে ১১ চিকিৎসকের পদোন্নতি

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে কর্মরত ১১ চিকিৎসককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। বুধবার (৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের (পারসোনাল-১) উপ-সচিব জাকিয়া পারভীনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

যারা পদোন্নতি পেয়েছেন

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ডা. মো. নুর হোসেন ভুঁঞা, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডা. এ জেড এম মাহফুজুর রহমান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে সংযুক্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ডা. মোহাম্মদ মাসুদ করিম, ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজের ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডা. সুবিনয় কৃষ্ণ পাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ডা. মো. সাইফুল হক, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের ডা. গনেশ কুমার আগরওয়ালা, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ডা. ইশরাত জাহান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ডা. এস.এম কামরুল আক্তার, রংপুর মেডিকেল কলেজের ডা. হৃদয় রঞ্জন রায়, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের ডা. জি.এম নাজিমুল হক।

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া এই চিকিৎসকদের বেতন স্কেলের গ্রেড-৩ অনুযায়ী ৫৬ হাজার ৫০০ থেকে ৭৪ হাজার ৪০০ টাকা বেতন হবে।


আরও খবর



প্রিয় বন্ধুকে আজ যা উপহার দেবেন

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

প্রতিবছর আগস্টের প্রথম রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বন্ধু দিবস। বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতেই দিবসটি পালিত হয়। সবার জীবনেই বন্ধুর দরকার আছে। জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো বন্ধুত্ব।

যখনই আমরা কোনো সমস্যার সম্মুখীন হই তখনই বেশিরভাগ মানুষ বন্ধুদের কাছে ফিরে যান। দুঃখ-কষ্ট ভাগাভাগি করা থেকে শুরু করে গসিপ সবকিছুতেই পাশে থাকা চায় বন্ধুকে। জীবনে প্রতি মুহূর্তেই প্রয়োজন পড়ে বন্ধুর ভালোবাসা, সহযোগিতা ও আস্থা।

যেহেতু আজ বিশ্ব বন্ধু দিবস, তাই আজ তো প্রিয় বন্ধুকে কিছু না কিছু উপহার দিতেই হবে। আজকের এই বিশেষ দিনে আপনার প্রিয় বন্ধুকে কী কী উপহার দেবেন তা চেলুন জেনে নেওয়া যাক-

শুভেচ্ছা কার্ড

বিশেষ দিনে প্রিয় মানুষগুলোকে শুভেচ্ছা জানাতে কার্ডের চল বহুকাল আগ থেকেই। এদিন আপনি বন্ধুকে একটি কার্ড, ফ্রেন্ডশিপ ব্যান্ডসহ চকলেট উপহার দিতে পারেন।

ফটো ফ্রেম

বিভিন্ন আনকমন ডিজাইনের ফটো ফ্রেম এখন অনলাইন শপসহ সবখানেই পাওয়া যায়। চাইলে আপনার ও বন্ধুদের কিছু সুন্দর মুহূর্তের ছবি দিয়ে তৈরি ফটো ফ্রেম উপহার দিতে পারে বন্ধুকে। এটি সারাজীবন ঘরে সাজিয়ে রাখতে পারবেন আপনার বন্ধু।

গিফট বাস্কেট

আপনি যদি আপনার বন্ধুকে একটু ভিন্ন কিছু দেওয়ার পরিকল্পনা করেন, তাহলে সেরা সিদ্ধান্ত হবে
গিফট বাস্কেট বা উপহারের ঝুড়ি বেছে নেওয়া। সেখানে একটি চকলেটের বাক্স, একটি ছোট পোস্টার, একটি কফি মগ, একটি খেলনা ও চাবির রিং দিতে পারেন।

ডিআইওয়াই কার্ডবক্স

অন্যান্য ধরনের অভিবাদন কার্ড থেকে বেশ আলাদা এই কার্ড। এটি দেখতে বাক্স-আকৃতির হলেও তা খুলতেই ধাপে ধাপে একাধিক ভাঁজ খোলা যায়। আপনি চাইলে বন্ধুত্বের উদ্ধৃতি, ছবি, ডুডল ও ছোট স্টিকার দিয়ে কার্ডটি পূরণ করতে পারেন। এটিকে আকর্ষণীয় দেখায়।

কম্বো উপহার

চিাইলে বন্ধুকে আপনি দিতে পরেন কম্বো উপহার। এক্ষেত্রে কফি মগ ও কুশনের একটি সেট বা একটি ফটো ফ্রেমের পাশাপাশি পছন্দের বই দিতে পারেন।


আরও খবর



আজকের কৌতুক: যেমন খুশি তেমন লেখা

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

যেমন খুশি তেমন লেখা
মা: আজ স্কুলে কী করলে খোকা?
খোকা: ‘যেমন খুশি তেমন লেখ’ খেললাম।
মা: কিন্তু আজ না তোমার গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা?
খোকা: ওটার কথাই তো বলছি!

****

চুইংগামটা ফেরত নেওয়ার চেষ্টা
ছেলে বাবার কাঁধে বসে চুল টানছে—
বাবা: খোকা, চুল টানা বন্ধ করো।
খোকা: চুল টানছি না তো বাবা, আমার চুইংগামটা ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করছি!

****

মশা কয় প্রকার?
শিক্ষক: বলো তো মশা কয় প্রকার?
ছাত্র: মশা আট প্রকার। যথা-
১. যে মশা গায়ে বসামাত্রই কামড়ায় তাকে রাক্ষস মশা বলে।
২. যে মশা দিনের বেলায় কামড়ায় তাকে সন্ত্রাসী মশা বলে।
৩. যে মশা নাকের ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে নমরুদী মশা বলে।
৪. যে মশা সুযোগ পেলেই কামড়ায় তাকে সুযোগসন্ধানী মশা বলে।
৫. যে মশা কানের কাছে এসে গান গায় তাকে গায়ক মশা বলে।
৬. যে মশাকে থাপ্পর দিলে ফাঁক দিয়ে চলে যায় তাকে গোল্লাছুট মশা বলে।
৭. যে মশা কামড় দিলে জ্বর হয় তাকে বিষাক্ত মশা বলে।
৮. যে মশা মশারির ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে মূর্খমশা বলে।


আরও খবর