Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঈদ কে সামনে রেখে ফুলবাড়ীতে রমরমা মাদক ব্যবসা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২৫৯জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ঈদ কে সামনে রেখে রমরমা মাদক ব্যবসা।অভিযোগ উঠেছে একাধিক মাদক বিক্রেতা মাদক স¤্রাগী আফরুজা বেগম এর পল্লীতে রমরমা মাদক ব্যবসা। একাধিক মাদক মামলা হলেও অবৈধ্য এ ব্যবসা থেকে বের হতে পারেনি ঐ মাদক ব্যবসায়ী। বেতদীঘি ইউপির চিন্তামন নয়াপাড়া গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম এর স্ত্রী মোছাঃ আফরুজা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন তার দুই ছেলেকে দিয়ে ঢাকায় তার স্বামীর কাছে মাদক পৌছে দিচ্ছেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য যে, গত ২৩/০৪/২০২২ ইং তারিখে ৯৯৯ জাতীয় জরুরী সেবাতে ফোন দিলে উদ্ধার অভিযানে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ এগিয়ে যান। এই ঘটনায় এসআই আকবর আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এসআই রওশন সরকার, এসআই এনামুল হক, এএসআই মাসুদ রানা কে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ফুলবাড়ী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাঁটাবাড়ী নামক স্থানে আটোরিক্সা থেকে মাদক ব্যবসায়ী আফরুজা বেগম পালানোর চেষ্ঠা করলে মহিলা পুলিশ তাকে আটক করেন । তল্লাসি চালিয়ে ব্যগের ভিতরে পলিথিনে থাকা ৪৮ পিছ এম্পল উদ্ধার করেন। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২৫/০৪/২০২২ ইং তারিখে ২০১৮ ইং সালের মাদকদ্রব্য আইনের ৩৬(১)এর ৮ এর গ ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়। যাহার মামলা নং-১৩, তারিখ-২৫/০৪/২০২২ইং। এই মামলার বাদী এসআই মোঃ আকবর আলী। এসআই মোঃ আকবর আলী জানান,

ধৃত আসামী দীর্ঘদিন ধরে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে আসছেন। অতিকৌশলে এসব মাদক ঢাকা পর্যন্ত পৌছে দিতেন তিনি। খোজ নিয়ে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি থানায় মাদক পাচারের দায়ে মামলাও রয়েছে। বেশ কিছু দিন আগে এলুয়াড়ী ইউপির জনৈক এক স্কুল পড়–য়া মেয়েকে অপহর করে নিয়ে যায়। অবশেষে কৌশলে তার নিকট থেকে ঐ মেয়েটিকে উদ্ধার করা

হয়। এছাড়া মানব পাচারেরও অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় এখনও মাদক বিক্রি করে চলেছেন তিনি। তার এই মাদক ব্যবসা থেমে নেই। অতি গোপনে চলছে এই মাদক ব্যবসা। তরুন যুবকেরা মাদকের গ্রাসে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আরও খবর



হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়লেও তবুও দামে উর্ধ্বগতি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে কাঁচা মরিচ আমদানি।এখন প্রতিদিনই বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। তবে বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ালেও কমছে না দেশীয় কাঁচা মরিচের দাম।আমদানিকারকরা বলছেন,দাম বাড়ার কোন প্রশ্নই আসে না,ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। 

এদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন,প্রচন্ড গরম ও কৃষকেরা বোরো ধান কাটা মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ক্ষেত থেকে কাঁচা  মরিচ তুলছেন না,তাই বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোকামগুলোতেই দাম বেশি। 

আজ বুধবার বেলা ১১ টায় হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়,দুই দিন আগে মানভেদে কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ বুধবার সেই কাঁচা মরিচ কেজিতে ৬০ টাকা বেড়ে এখন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বন্দরে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ মানভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

তবে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম স্বাভাবিক রাখতে গত মাসের (২৩ মে) ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু করেন আমদানিকারকরা। পেঁয়াজের মত কাঁচা মচিরে দামও ওঠা নামা করছে। প্রতিকেজিতে শুল্ক দিতে হবে ৩৫ টাকা আর প্রতি মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে ২০০ মার্কিন ডলারে।

হিলি বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা ব্যাটারি চালিত অটো চালক ফিজু বলেন,আমি দুই দিন আগে ৯০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কিনেছি।আজ সেই কাঁচা মরিচ কিনলাম ১৫০ টাকা কেজি দরে। এভাবে প্রতিটি জিনিস দাম বাড়লেও আমাদের অটো ভাড়া বাড়ে না। 

হিলি বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শেখ বিল্পব বলেন,প্রচন্ড গরম ও ধান কাটা মাড়ায় নিয়ে কৃষকেরা ব্যস্ত।তাই কৃষকেরা ক্ষেত থেকে কাঁচা মরিচ তুলতে না পারায় বাজারে সরবরাহ কমে যাচ্ছে। একারণে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি বৃদ্ধি পেলেও কমছে না দাম। আজ বুধবার সকালে আমি পাঁচবিবি হাট থেকে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে কিনে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কাঁচা পণ্য প্রতি মনে ১ থেকে ২ কেজি কাঁচা মরিচ নষ্ট হয়ে যায়। এতে আমাদেরও লোকশানগুনতে হয়। পরিবহন খরচ বাদ দিয়ে ৩ থেকে ৪ টাকা লাভ রেখে আমরা বিক্রি করে থাকি। আমরা কম দামে কিনতে পারলে কম দামেই বিক্রি করে থাকি। 

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহীনুর রেজা শাহিন বলেন,বন্দর দিয়ে প্রচুর পরিমান কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। আশেপাশের উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ। তবে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার কোন প্রশ্নই আসেনা। বিভিন্ন হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। বন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম কমে আসবে।   

পানামা হিলি পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব জানান,অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৩ মে থেকে বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়। এখন প্রতিদিনই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ একটি পচন শিল পণ্য তাই কাস্টমসের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হচ্ছে এসব কাঁচা মরিচ। এতে বন্দর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন আয়ও বেড়েছে। 

হিলি কাষ্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের ২৩ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ভারতীয় ৬১ টি ট্রাকে ৫২৮ মেট্রিক টন ৮৭৬ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান সহ ১২ সদস্যের অনাস্থা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২৯৭জন দেখেছেন

Image

মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার  নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য  হীরন মোল্লার  বিরুদ্ধে অনাস্থা কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান সহ  পরিষদের ১২  সদস্য,নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।


লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হিরন মোল্লা একজন সন্ত্রাসী ও সক্রিয় চোর, ডাকাত দলের সদস্য। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক চুরি -ডাকাতির মামলা রয়েছে।

ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সে বিভিন্ন সময় নির্বাচিত  চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে অসদাচরন করে আসছেন।


ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ দুপুরে পরিষদের সভা শুরুর পর উপস্থিত চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের সম্মুখে কুন্ডা ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য জাকিয়া খাতুনের সাথে বাক বিতন্ডা শুরু করে। এ সময় অন্যরা তাকে থামাতে  চাইলে, সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে সবার সম্মুখে সংরক্ষিত  ইউপি সদস্য জাকিয়া খাতুন কে হত্যার উদ্দ্যশ্যে মারধর করে গুরুতর জখম করে।


প্রাথমিক চিকিৎসা জন্য তাকে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

পরবর্তীতে এই ঘটনার রেশ ধরে মো. হিরন মোল্লা কুন্ডা ইউপির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া কে হত্যার হুমকি প্রদান করে পরিষদ ত্যাগ করেন।


এ ঘটনার প্রতিবাদস্বরূপ ইউপি সদস্য হিরন মোল্লা'র  বিরুদ্ধে অনাস্থা আনাসহ তার অপসারণ দাবি করে কুন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান এডঃ মোঃ নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া সহ সংরক্ষিত আসনের  ইউপি সদস্য মোছা. তাহেরা বেগম, মোছা. তাছলিমা বেগম,জাকিয়া খাতুন, জজ মিয়া,শাহাজাহান মিয়া,সুশান্ত দাশ,কাইযূম মিয়া,মো. জিল্লুর রহমান,নবী হোসেন,আজিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোঃজামাল মিয়া।


অভিযুক্ত ইউপি সদস্য হিরন মোল্লার সাথে বেশ কয়েকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও  তিনি ফোন ধরেনি।

এ বিষয়ে মোবাইল  ইউপি সদস্য এডঃ মোঃ নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া'র সাথে কথা বলে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

  -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




পুঠিয়ায় জাল ভোট দেয়ার চেষ্টাকালে ৪ কিশোর আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image
পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা নির্বাচনে ১৮ নং জামিরা উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টাকালে চারজন কিশোরকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার আনুমানিক দুপুর দুইটার দিকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃতরা সকলেই স্কুল পড়ুয়া ছাত্র বলে জানা গেছে। আটকদের মধ্যে নবম শ্রেণীর ছাত্র সাব্বির, দশম শ্রেণীর ছাত্র অনিক, সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র আবু বকর সিদ্দিক এবং সপ্তম শ্রেণীতে পড়ে সীমান্ত বলে জানা গেছে।

আটককৃত চারজনের সাথে কথা বলে জানতে পারে তারা অপ্রাপ্তবয়স্ক, তবে তারা কার পক্ষে ভোট কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে এসেছিলেন তা শিকার করেননি। 

জামিরা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের পিজাইডিং কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, তারা কেন্দ্রের মধ্যে প্রবেশের চেষ্টা করে এমন সময় তাদেরকে অপ্রাপ্তবয়স্ক মনে করে সন্দেহ হলে একটি কক্ষে আটক করে রাখি।

আরও খবর



জুরাইনে টিআই ইসমাইল ফুটপাত দখলমুক্ত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৭৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের ডিসি আশরাফ ইমামের নির্দেশে সহকারী কমিশনার এসি কপিল দেব এর তত্ত্বাবধানে জুরাইন ট্রাফিক পুলিশ বক্সের টিআই ইসমাইল হোসেন অভিযান পরিচালনা করে ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ করায় যানজট পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। রবিবার ১৯ মে সকাল থেকে যানজট নিরসনে ফুটপাত থেকে এসব অবৈধ হকারদের দোকান পাট উচ্ছেদ করেন তিনি।জুরাইনে টিআই  ইসমাইল অভিযান চালিয়ে ফুটপাত উচ্ছেদ করায় এলাকার যানজট সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে।ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের দৃঢ় সিদ্ধান্ত আর উচ্ছেদ অভিযানের কঠোরতার কারনে পাল্টে গেছে জুরাইন এলাকার পুরো চিত্র। যানজটের চির চেনা দৃশ্য পুরো উধাও।এ যেন অন্য রকম এক পরিবেশ। কোথাও আর যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি চোখে পড়ে না। দক্ষিণ অঞ্চল থেকে ঢাকায় প্রবেশের অন্যতম প্রধান সড়ক চীন মৈত্রী সেতু হয়ে ঢাকায় প্রবেশে যাত্রীদের বিড়ম্বনা পোহাতে হয় না।এতদিন রাস্তার সামনে দোকান ও বাজার বসায় সারাক্ষণ যানজট লেগে থাকত দুর্ঘটনাও ঘটত। অনেক সময় রোগী বহনকারী এম্বুলেন্স, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিরাও যানজটে আটকে থাকতো। স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গামী শিক্ষার্থীদের এবং অফিস গামী মানুষকে সময় মতো নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছতে বিলম্ব হতো।গত কয়েক দিন আগেও জুরাইন এলাকার সড়কে  উভয় পাশের ফুটপাতে ছিল ফলের দোকান ও কাঁচা বাজার। ফুটপাত ছাপিয়ে সেইসব দোকানগুলো চলে আসে প্রধান সড়কের উপরে।সব সময় যানবাহন আর মানুষের ভিড় লেগে থাকত রাস্তার পাশ গুলোয়। গাড়ি চলাচল করতে বেগ পেতে হতো। রাস্তার উপরের সেসব দোকান এখন আর নেই। ফলে বদলে গেছে জুরাইন এলাকার পুরো পরিবেশ।

এছাড়াও টিআই ইসমাইল হোসেন এই এলাকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে, অবৈধ রুট পারমিট বিহীন গাড়িগুলো যাতে সড়কে চলতে না পারে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সবিহীন অপরিপক্ক চালককে গাড়ি চালাতে নিরুৎসাহিত করেন, ট্রাফিক আইন মেনে চলতে যাত্রী, চালক, পথচারীদের সচেতন করেন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে তার অধীনস্ত টিএসআই, এটিএসআই, কনস্টেবল সহ সবাইকে নিয়মিত ব্রিফ করেন। এবং এই এলাকায় বেশ কিছু ট্রাফিক পোস্ট পরিচালনা করেন।

ট্রাফিক ইন্সপেক্টর টিআই ইসমাইল হোসেন জানান, ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনা নিশ্চিত করা ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা একটি চ্যালঞ্জিং কাজ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে যানজট নিরসন কল্পে আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি।ফুটপাতে ও রাস্তা দখল করে গড়ে ওঠা দোকান পাট উচ্ছেদ করে যানজট সহনীয় পর্যায়ে আনার চেষ্টা করছি, ডিএমপি কমিশনার এবং ওয়ারি ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আশরাফ ইমাম স্যারের নির্দেশে এই কাজ সম্ভব হয়েছে। 

তিনি আরো বলেন,ট্রাফিক পুলিশের এই ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়মিত চলবে।



আরও খবর



র‍্যাবের নতুন ডিজি হারুন অর রশিদ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হয়েছেন। ৫ জুন দায়িত্ব বুঝে নেবেন। বর্তমান মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

বুধবার (২৯ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদকে র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ আগামী ৫ জুন থেকে কার্যকর হবে। তিনি বর্তমান মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হবেন। পৃথক আরেক আদেশে খুরশীদ হোসেনকে অবসর দেওয়া হয়েছে।

হারুন অর রশিদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের মোল্লাকান্দি গ্রামে। বর্তমানে তিনি ঢাকায় পুলিশ অধিদপ্তরে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে কর্মরত। এর আগে তিনি পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন।


আরও খবর