Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার

দুই প্রেমিকাকে একই আসরে বিয়ে করলেন যুবক

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৫১৫জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: দুই প্রেমিকার সঙ্গেই আলাদাভাবে গত তিন বছর ধরে লিভ-ইন করতেন। দুইজনকেই নাকি ভালবাসেন তিনি। তাই শেষমেশ দুইজনের সম্মতিতে একই আসরে দুই প্রেমিকাকে বিয়ে করেছেন ওই যুবক। এই ঘটনা ভারতের তেলেঙ্গনার। খবর টাইমস নাও-এর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার রাতে ভাদ্রাদ্রি কোথাগুডেম জেলার এক গ্রামে এই বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সেইসময় এতে উপস্থিত ছিলেন গ্রামের অনেক বাসিন্দা।

জানা যায়, তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল গত বৃহস্পতিবার সকালে কিন্তু তাদের বিয়ে নিয়ে নানা কথা ছড়িয়ে পড়ায় তিন পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়ে। তাই ঝামেলা এড়াতে বুধবার রাতেই তারা বিয়ে করে ফেলেন।

ইরাবরু গ্রামের বাসিন্দা সাত্তিবাবু নামে এক যুবক আলাদা দুই গ্রামের স্বপ্না এবং সুনিতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুনিতা ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় এবং স্বপ্না দেয় মেয়ে সন্তানের।

তাদের পরিবার প্রথমে সাত্তিবাবুর সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি ছিল না। তবে তিনি দুই পরিবারকে রাজি করতে সক্ষম হন। সাত্তিবাবু তার বিয়ের কার্ডে তার দুই প্রেমিকার নামই লিখেন। এরপরেই এটি ভাইরাল হয় এবং ওই গ্রামে কিছু সাংবাদিক যায়। এতে করে ওই তিন পরিবারের মধ্যে ভয় ঢুকে যে তাদের বিয়েতে কেউ বাধা দিতে পারে। তাই তারা আগেই বিয়ে সেরে ফেলে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাত্তিবাবুরা যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সেখানে এখনও পুরুষের বহুবিবাহের প্রচলন আছে।


আরও খবর



গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন পার্বত্য সচিব

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৫জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব  এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী আজ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকলের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে যোগ দেন পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব  এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী। 

গোপালগঞ্জ টুংগী পাড়ায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকারের নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার জনস্বার্থে তিন জেলায় উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, আমরা দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবো। সরকারের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে আমরা সদা সোচ্চার থাকবো।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সজল কান্তি বনিক, উপ-সচিব কাজী মোহাম্মদ চাহেল তস্তুরী, উপ-সচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল, উপ-সচিব (সচিবের পিএস) মো. শরিফুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আজিজুল হক, মন্ত্রণালয়ের সহকারী মেইনটেনেন্স ইন্জিনিয়ার হাবিবুল্লাহ নাহিদ উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সচিব  এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী  পিরোজপুর ও পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।তিনি যুগ্ম-সচিব এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।পরবর্তীতে তিনি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান পদে কর্মরত ছিলেন। গত ৩১.১২.২০২২ খ্রি: তারিখে সচিব পদে পদোন্নতি পেয়ে ০১.০১.২০২৩ খ্রি: তারিখ থেকে ভূমি আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব  এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী ১৩ম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদানের মাধ্যমে ১৯৯৪ সালের ২৫ এপ্রিল কর্মজীবন শুরু করেন। চাকুরী জীবনের শুরুতে তিনি সহকারী কমিশনার হিসেবে খুলনা ও কুষ্টিয়া কালেক্টরেট এবং সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে কুষ্টিয়া কলেক্টরেটে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি মেহেরপুর সদর এবং সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কাজ করেন। চাকরি জীবনে তিনি খুলনা  জেলার কয়রা উপজেলায়, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার  হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে রাজবাড়ী জেলায় এবং উপপরিচালক হিসেবে বিপিএটিসি, সাভার-এ কাজ করেন। এছাড়া তিনি মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সমাজ সেবা অধিদপ্তর, খুলনা এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। 

আরও খবর



সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেষ বিশ্বাসকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। শনিবার রাতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। অপর দিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আরেকটি তিন সদস্য কমিটি গঠন করেছে। পটুয়াখালী তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মহির উদ্দিন শেখকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে চাওড়া নদীতে তলিয়ে যাওয়া মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ চেইন কপ্পা দিয়ে এ মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করেছেন। রবিবার তদন্ত কমিটি তদন্ত কাজ শুরু করেছেন।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলা কাউনিয়া ই্ব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামের মাসুম বিল্লাহ মনিরের মেয়ে মরিয়ম বিল্লাহ হুমায়রার সঙ্গে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমতলী পৌর শহরের খোন্তাকাটা এলাকার বাসিন্দা সেলিম মাহমুদের ছেলে ডাঃ সোহাগের বিয়ে হয়। গত শুক্রবার ওই কনেকে বরের বাড়ী তুলে নেন। শনিবার মেয়ের পক্ষের লোকজন বরের বাড়ীতে মাইক্রোবাস এবং অটো গাড়ীতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে হলদিয়া হাট সেতু পাড় হওয়ার সময় সেতুর মাঝের অংশ ভেঙ্গে মাইক্রোবাস ও অটো গাড়ী নদীতে তলিয়ে যায়। অটোতে থাকা যাত্রীরা সকলে সাতরে কিনারে উঠতে পারলেও মাইক্রোবাসের যাত্রীরা নদীতে তলিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা ওই মাইক্রোবাসে থাকা লোকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী নাশির উদ্দিন। ততক্ষণে মাইক্রোবাসে থাকা কনে পক্ষের ৯ যাত্রী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম ছয় সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেশ বিশ্বাসকে প্রধান এবং আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী পুলিশ সুপার আমতলী সার্কেল রুহুল আমিন, এলজিইডির বরগুনার নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান খাঁন,  বিআরটিএ সহকারী পরিচালক মাহফুজ আহমেদ, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স উপ-সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গির আলম। সাত কার্যদিবসের মধ্যে অনুসন্ধানপুর্বক তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অপর দিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর তিন সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পটুয়াখালী তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মহির উদ্দিন শেখকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন নির্বাহী প্রকৌশলী এসি অফিস বরিশাল নুরুস সাম ও এলজিইডি বরগুনা সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান। রবিবার তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। এদিকে শনিবার গভীর রাতে আমতলী থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা চেইন কপ্পা দিয়ে নদীতে ডুবে যাওয়া মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করেছে। 

আমতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, চেইন কপ্পা দিয়ে মাইক্রোবাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মাইক্রোবাসের মধ্যে আর কোন মরদেহ পাওয়া যায়নি।  

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তারেক হাসান বলেন, বরগুনা জেলা প্রশাসক ছয় সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। 

তদন্ত কমিটির প্রধান বরগুনা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনিমেশ বিশ্বাস বলেন, তদন্ত কাজ শুরু করেছি। আজ (রবিবার) আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সভা শেষে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করা হবে। 

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ছয় সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাদের অনুসন্ধানপুর্বক প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। প্রতিবেদনের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



জয়পুরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল  ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে পুকুরের পানিতে ডুবে তৌফিকুর রহমান  তৌফিক(২১) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর  মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (২৭ মে) দুপুরে জয়পুরহাট পৌর শহরের পাঁচুরচক  এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত তৌফিকুর রহমান  তৌফিক পৌর শহরের চিত্রা পাড়া মহল্লার সাবেক ষ্টেশন মাষ্টার  নিজাম উদ্দিনে ছেলে। সে এবারের এইচএসসি পাশ করেছেন।জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ুন কবির জানান, তৌফিকসহ তার কয়েকজন  বন্ধু দুপুরে  বৃষ্টির মধ্যে  পুকুরে পানিতে গোসল করতে  যায় । বন্ধুরা পুকুরের পানিতে গোসল করতে নামলেও তৌফিক পুকুরের পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমনসময় অসাবধানতাবশত পা পিছলে  পুকুরের পানিতে পড়ে যায় তৌফিক ।সাঁতার না জানার কারণে পানিতে তলিয়ে যায়। পরে পুকুর থেকে উদ্ধার করে তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে  নিয়ে যান  স্থানীয় লোকজন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক  তৌফিককে  মৃত ঘোষণা করেন।

আরও খবর



সুনামগঞ্জে নদী থেকে কিশোরের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া-সুনামগঞ্জ:সুনামগঞ্জে নদী থেকে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। মৃত কিশোরের নাম- শাফিল মিয়া (১৮)। সে জেলার মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের কাউহানী গ্রামের মৃত আলীনুর মিয়ার ছেলে।

আজ শুক্রবার (৩১ মে) সকাল ৯টায় নদীর পানিতে কিশোর শাফিল মিয়ার মৃতদেহ পানিতে ভেসে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয় এলাকাবাসী। কিন্তু পুলিশ আসতে দেড়ী হওয়ার কারণে স্থানীয়রাই ওই কিশোরের লাশ নদী থেকে উদ্ধার করেছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে- গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা বাজার থেকে কাজ শেষ করে ছোট ইঞ্জিনের নৌকা যোগে নিজ বাড়িতে ফিরছিল কিশোর শাফিল মিয়া। কিন্তু পাশের শানুয়া গ্রামের সামনে আসার পর চলমান ইঞ্জিনের নৌকা থেকে হঠাৎ মনাই নদীতে ছিটতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে যায় কিশোর শাফিল মিয়া।

আর এই ঘটনাটি তাৎক্ষনিক ভাবে চারদিকে জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল ও তার আশেপাশে রাতভর নদীতে অনেক খোঁজাখুজি করে। কিন্তু নিখোঁজ কিশোর শাফিল মিয়াকে কোথাও খোঁজে পাওয়া যায়নি। অবশেষে আজ শুক্রবার (৩১মে) সকালে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২শ মিটার দূরে মনাই নদীর পানিতে ওই কিশোরের মৃতদেহ ভাসতে দেখে থানায় জানানোর পর পুলিশ না আসার কারণে স্থানীয়রা নদী থেকে ওই কিশোরের লাশ উদ্ধার করে।

এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মধ্যনগর থানার ওসি মোহাম্মদ এমরান হোসেন সাংবাদিকদের জানান- নদীতে ডুবে কিশোর মৃত্যুর খবর জানতে পেরেছি। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেব।


আরও খবর



আক্কেলপুরে মুক্তিযোদ্ধা গেজেট বাতিল চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

নিশাত আনজুমান, আক্কেলপুর(জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে রায়কালী ইউনিয়নের আমির উদ্দীনকে অ-মুক্তিযোদ্ধা দাবী করে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল কর্তৃক তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেট প্রদানের প্রতিবাদে ও গেজেট বাতিল চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় রায়কালী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের  আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা ইউনিট কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, উপজেলা বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা নবীবুর রহমান, রেলওয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ইউনিট কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারি, রায়কালী ইউনিয়ন কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা শামছুল আজম, যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আজাদ আশাদুজ্জামান সহ আরো অনেক বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রায়কালী ইউনিয়ন কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা শামছুল আজম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমির উদ্দীনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির নিকট আমরা একটি অভিযোগ করি, সেই কমিটিতে আমির উদ্দীন কোন স্বাক্ষী ও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। সেই সময় তাকে বাতিল বলে গণ্য করা হয়। পরবর্তীতে সে যোগসাযোজ করে জা,মু,কা (জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল) থেকে গেজেট পাশ করে নিয়ে আসে। তার গেজেট বাতিলের জন্য আমরা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালক বরাবর ও আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিতও দিয়েছিলাম। আসলে সে কোন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয়, তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা ভারতে কোন ক্যাম্পেই ভর্তি হননি। আমরা রায়কালী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সকলেই চাই অবিলম্বে তার এই গেজেটটি বাতিল করা হোক।  

সংবাদ সম্মেলন শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধারা রায়কালী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের  সামনে আমির উদ্দীনের গেজেট বাতিলের জন্য স্লোগান দিয়ে মানববন্ধন ও র‌্যালি করেছেন।
উপজেলার বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা নবীবুর রহমান বলেন, তিনি কোন যুদ্ধেই অংশগ্রহণ করেননি। তিনি অপচেষ্টার মাধ্যমে গেজেটে নাম ঢুকিয়েছেন। আমারা তার গেজেট বাতিল চাই। 

অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আমির উদ্দীন উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের চিয়ারিগ্রামের বাসিন্দা এবং ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য।অভিযুক্ত আমির উদ্দীন বলেন, ১৯৭১ সালে ১৫ সেপ্টেম্বর ভারতের ত্রিমুনী ক্যাম্পে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য ভর্তি হই এবং আমার রেজি নং: ৪১৬। সেখোন থেকে এসে আমি চিয়ারিগ্রাম, গুডুম্বা, ঢেকুঞ্চা মাঠে হানাদার বাহিনীর সাথে মুখোমুখী যুদ্ধ করি। সেই যুদ্ধ দুপচাঁচিয়া গিয়ে শেষ হয়। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সত্য নয়। আমার কাছে এক মুক্তিযোদ্ধা ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেছিল, সেই টাকা না দেওয়ায় তারা একত্রিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে আভিযোগ করছে।

আরও খবর