Logo
আজঃ শনিবার ১৮ মে ২০২৪
শিরোনাম

দৌলতপুরে ফেনসিডিল সহ রনি ও দুই সহযোগী আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | ২৬৩জন দেখেছেন

Image

খন্দকার জালাল উদ্দীন দৌলতপুর,কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার পুরাতন আমদহ গ্রামের মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে রনি ও তার দুই সহযোগী আমদহ জর্য়াদ্দার পাড়া গ্রামের ফারুক ও জান্নাত কে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাত অনুমানিক ১১.৩০ টার দিকে বিদুৎ না থাকায় অন্ধকারে মোটরসাইকেল নিয়ে পালানোর সময় পুলিশ স্বরুপুর মোড় এলাকার সবদুলের বাড়ির পিছনে একটি স্কুল ব্যাগসহ একজনকে আটক করে। সেখানে ২৫ বোতল

ফেন্সিডিল উদ্ধার হয়।এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান বলেন, দৌলতপুর থানা পুলিশের একটি অভিযানিক টিম এস আই সেলিম রেজার নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার এস আই সাব্বির, কং জামিরুল ইসলাম, সাকিল থানা এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করাকালীন সময়ে উপজেলার স্বরুপপুর এলাকায় অবস্থান কালে গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে জানতে পারেন। একটি মোটরসাইকেল যোগে ৩ জন লোক ফেনসিডিল নিয়ে স্বরুপপুর মোড়ের দিকে আসিতেছে। এই সংবাদের প্রেক্ষিতে অভিযানিক দল টি সবদুলের বাড়ির সামনে অবস্থান করে। মোটরসাইকেল টি সেখানে

আসলে থামার জন্য সংকেত দিতেই মোটরসাইকেলের পেছন থেকে একজন লোক কাঁধে স্কুল ব্যাগ সহ দৌড়ে পালানোর সময় তাকে আটক করে। এসময় মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই জন ব্যক্তিকেও পুলিশ আটক করে । এ সময় এলাবাসীর উপস্থিতিতে ব্যাগ তল্লাশী কালে ব্যাগের মধ্যে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল পাওয়া যায়।তারা স্বীকার করেন তারা এই মাদকদব্য ফেনসিডিল নিয়ে ধর্মদহ গ্রাম থেকে আসতেছিল। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।তাদের তিন জনের নামে দৌলতপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে।


আরও খবর



নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়ন নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষে‍‍ অভিভাবক ও শিক্ষকের  সমন্বয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও অবকাঠামো উন্নয়নমূলক, ম্যানেজিং কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

শনিবার দুপুরে অত্র বিদ্যালয়ের হল রুমে অত্র এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গগণের উপস্থিথিতে মনোমুগ্ধকর, মনোরম পরিবেশে, ম্যানেজিং কমিটির সভা টি অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

এসময়, অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি মো. সুমন এর সভাপতিত্বে ও অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তফাজ্জল আলীর সঞ্চালণায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, স্পাইডার গ্রুপের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ট শিল্পপতী মো. রিপন মুন্সী।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান শাহিন সরকার, কাইতলা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহরাওয়ার্দী চৌধুরী,সাবেক চেয়ারম্যান আবুল খায়ের মুন্সি, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক দুলাল, অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি অ্যাড. জুলফিকার হায়দার বিনু, নাটঘর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম আলম,বোরহান উদ্দিন সর্দার, আবু জামাল মেম্বার, আমির হোসেন মেম্বার, সেলিম মিয়া মেম্বার, নোয়াগাঁও বাজার কমিটির সভাপতি জিতু মুন্সি ও সেক্রেটারি আব্দুস সাত্তার,অত্র বিদ্যালয়ের নব-নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য রিপন মিয়া, বিদ্যুৎ সাহী সদস্য সোহেল রানা চৌধুরী বাবু, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান মেম্বার, আনোয়ার হোসেন, মোঃ জাবেদ, নিজাম উদ্দিন,অভিভাবক মহিলা সদস্য আমেনা আক্তার, ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি ইব্রাহিম খলিল, মোঃ কবির উদ্দিন মাস্টার, মুসলিমা আক্তার প্রমুখ। 

বক্তারা তাদের বক্তব্যে শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে আন্তরিকতার সাথে পাঠদানের  পাশাপাশি শিক্ষক এলাকাবাসী সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আলোচনা সভার পূর্বে, বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য ও শিক্ষকবৃন্দ প্রধান অতিথি বিশিষ্ট শিল্পপতী রিপন মুন্সী ও নব-নির্বাচিত কমিটির সভাপতি মো. সুমনসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ভ্রাম্যমান বাস কাউন্টার উচ্ছেদ

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | ১৭৯জন দেখেছেন

Image
নাজমুল হাসানঃ 
ডিএমপি ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের আওতাধীন  ডেমরা জোনের শনির আখড়া থেকে সাইনবোর্ড এলাকা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ এবং ভ্রাম্যমান বাস কাউন্টার উচ্ছেদ করা হয়েছে। সোমবার ৬ মে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।ট্রাফিক  ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ  মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং এডিসি (ট্রাফিক -ওয়ারী) সুলতানা ইশরাত জাহান এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এসি ট্রাফিক (ডেমরা জোন) মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি)মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম   জানান, জনস্বার্থে এবং জনগণের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে এবং সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা আনয়নের লক্ষ্যে এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।



ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে ঢাকা মহানগরীর অন্যতম একটি ব্যস্ততম এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই ব্যস্ত সড়কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা সিলেটের অনেক পরিবহন যাতায়াত করে থাকে। সড়কে শৃঙ্খলা আনয়নের ক্ষেত্রে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ বদ্ধপরিকর।   



আরও খবর



গোদাগাড়ীতে নিজের ভোট দেয়ার দূশ্য ফেসবুক ভিডিও ভাইরাল, আটক ১

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের মনিগ্রামে অবস্থিত একটি কেন্দ্রে দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেওয়ার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় এক জনকে আটক করেছে পুলিশ।ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিকেলে ভিডিও ধারণ কারী ও আপলোড কারীকে পুলিশ আটক করেছে।পুলিশ জানায়, দুপুর ২টার দিকে এমডি হামিম হোসেন এসপি নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভোট দেয়ার ভিডিওটি আপলোড করা হয়।ভিডিওতে ভোট দানকারী পছন্দের চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেলের দোয়াত কলম মার্কাসহ অন্যান্য পদের পছন্দের প্রার্থীদের প্রতীকেও সিলমারতে দেখা যায়।এদিকে ভিডিওটিছড়িয়েপড়লে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ক্ষোভপ্রকাশকরেনএবং ঐ কেন্দ্রে ভোটবাতিলের দাবি জানান।জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একজন ভোটার ভোটকক্ষে ঢুকে চেয়ারম্যান পদের তিনটা ব্যালট পেপারে সিলমারাটা জাল ভোট। এটা দেওপাড়া ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্রে ঘটেছে।তাই দেওপাড়া ইউনিয়নের নির্বাচন বাতিল চেয়ে জেলারিটার্নিং কর্মকর্তা সহ জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।রাজশাহী পুলিশসুপার সাইফুর রহমান বলেন, ভোট কক্ষে ঢুকে ভোট প্রদানের ভিডিও ধারণ করা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা দুটোই অপরাধ। এ ঘটনায় এক জনকে আটক করে বিষয়টি  যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।



আরও খবর



এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে ডিএমপি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সবচেয়ে বেশি কষ্ট করছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ তীব্র দাবদাহে । তাদের কথা বিবেচনা করে আগামীতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে,বলেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার এসএম মেহেদি হাসান।

রোববার (৫ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি হেড কোয়ার্টারের মিডিয়া সেন্টারে ‘অননুমোদিত ও অবৈধ স্টিকারযুক্ত যানবাহনের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানের বিষয়ে’ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মেহেদি হাসান বলেন, ইতোমধ্যে গুলশানে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রাফিং কন্ট্রোল করা হচ্ছে। যা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন আমরা পরিচালনা করছি। এভাবে গুলশানের মতো ঢাকা শহরের অন্যান্য জায়গায় এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কীভাবে কাজ শুরু করা যায় তা নিয়ে পরিকল্পনা করছি। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সামনে হয়তো এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ঢাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

তিনি বলেন, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা আমাদের দাপ্তরিক কাজেরই অংশ। তারপরও ইদানীং আমরা এ বিষয়ে জোর দিয়ে কাজ করছি। এ পর্যন্ত তিন হাজারের অধিক ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আমরা মেয়াদ নেই এমন ২ হাজারের অধিক যানবাহন ডাম্পিং করেছি। ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে ডিএমপির পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে মেহেদি হাসান বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন পর্যন্ত ২ হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশা আমরা ডাম্পিং করেছি। বিশেষভাবে আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। আমাদের ঢাকা শহরে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা নেই। তারপরও আমরা সংশ্লিষ্টদের বলেছি যত্রতত্র পার্কিং না করতে এবং নির্দিষ্ট স্টপেজে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে। কেউ অনিয়ম করলে আমরা জরিমানা ও মামলা দিয়ে থাকি।

অবৈধ ও অননুমোদিত স্টিকার বিষয়ে মেহেদি হাসান বলেন, ঢাকার রাস্তায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সরকারি অফিস, পুলিশ ও সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠানের নামে এসব অননুমোদিত ও অবৈধ স্টিকারযুক্ত যানবাহন দেখা যাচ্ছে। এমনকি পুলিশের আত্মীয়-স্বজনরাই পুলিশের স্টিকার ব্যবহার করছেন। এসব অননুমোদিত ও অবৈধ স্টিকারযুক্ত যানবাহনের বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হবে। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের স্টিকার, পুলিশের স্টিকার, সাংবাদিকদের স্টিকার ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। অন্যায় করে পার পেয়ে যাচ্ছে। আর এ জন্যই জননিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা এসব অননুমোদিত ও অবৈধ স্টিকারযুক্ত যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


আরও খবর



"গ্রামে যারা উৎপাদন করছেন তাদের কষ্ট নেই"

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষদের কষ্ট হচ্ছে জানিয়ে, তবে গ্রামে যারা নিজেরা উৎপাদন করতে পারেন বা করছেন তাদের খুব একটা কষ্ট নেই, হাহাকারও নেই।

বুধবার (৮ মে) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুলের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টিবিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, টিসিবিতে যে লোকবল আছে সেটা দিয়ে আমরা মানুষের যে সেবা করে যাচ্ছি সেটাই যথেষ্ট। আর সাধারণ মানুষের যাতে কষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায়, বিশেষ করে যারা সীমিত আয়ের তাদের কষ্ট হচ্ছে। তবে, গ্রামে যারা নিজেরা উৎপাদন করতে পারেন বা করছেন তাদের খুব একটা কষ্ট নেই, হাহাকারও নেই।

তিনি বলেন, তারপরও আমাদের সবসময় প্রচেষ্টা থাকে দ্রব্যমূল্য যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এজন্য যে যে পণ্যের প্রয়োজন সেটা যথাযথভাবে দেশে উৎপাদনের পদক্ষেপ নিয়েছি। পাশাপাশি আমদানিও করে যাচ্ছি। সেটা যত টাকাই লাগুক না কেন, আমরা কিন্তু খরচ করে যাচ্ছি। আমাদের রিজার্ভেও চাপ পড়ছে। মানুষের কল্যাণটা হচ্ছে আমাদের সব থেকে বড় কথা। সেদিকে আমরা লক্ষ রাখছি।

সরকারদলীয় এমপি মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে এবং জনসাধারণ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার সুফল ভোগ করতে পারছেন।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে জনগণের কষ্ট লাঘবে সরকার সবসময় সচেষ্ট উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে সব প্রকারের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। ভোগ্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি অনেকাংশে সংযত করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারের কয়েকটি পণ্য, যেমন- জ্বালানি তেল, ভোজ্যতেল, গমসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য, ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামালের মূল্য বাড়ায় আমাদের দেশে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ অনুভূত হচ্ছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের ফলে সংকট ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে এ পরিস্থিতিতেও আমরা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের ওপর এর প্রভাব প্রশমনে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, টাকার বিনিময় হারের সাম্প্রতিক পতন অভ্যন্তরীণ মূল্যস্ফীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা আনার জন্য শিগগিরই ক্রলিং পেগভিত্তিক মুদ্রাবিনিময় নীতি গ্রহণ করা হবে। নির্ধারিত করিডোরভিত্তিক এ ব্যবস্থা বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের অস্বাভাবিক উত্থান-পতন রোধ করবে বলে আশা করা যায়। ফলে এটি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হবে।

মূল্যস্ফীতির ওপর বাহ্যিক প্রভাব কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিলাসদ্রব্য বা অপেক্ষাকৃত কম প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।


আরও খবর