Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

ডোমারে রেনু হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৩৫০জন দেখেছেন

Image

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে রেনু হত্যা মামলার আসামী সৈয়দপুর আব্দুল কুদ্দুস লেন এলাকার মৃত বারিয়াশা এর ছেলে গোলাম মোস্তফা বুলু (৩৭) কে গ্রেপ্তার করেছে ডোমার থানা পুলিশ।

জানা গেছে, ২৭ /১২/২২ইং তারিখে ডোমার থানাধীন ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ কারেঙ্গাতলী গ্রামে স্বামী কর্তৃক নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হন খয়রুল ইসলাম এর মেয়ে রেনু আক্তার। হত্যার পর পালিয়ে যায় স্বামী গোলাম মোস্তফা বুলু। এ ব্যাপারে রেনুর পিতা খয়রুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ ইং তারিখে ডোমার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নীলফামারী (ডোমার-সার্কেল) সহকারি পুলিশ সুপার আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স আত্মগোপনে থাকা আসামী গোলাম মোস্তফা বুলুকে ২১ মার্চ রাতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা থেকে গ্রেপ্তার করেন। এবিষয়ে ডোমার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদ উন-নবী বলেন, গ্রেফতাকৃত আসামী গোলাম মোস্তফা বুলুকে নীলফামারী আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। 


আরও খবর



মিল্টন সমাদ্দার ৪ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দারকে রাজধানীর মিরপুর থানায় দায়ের করা মানবপাচার আইনের এক মামলায় চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ মে) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শান্তা আক্তারের আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে মৃত্যুসনদ জালিয়াতির অভিযোগে মিরপুর মডেল থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে মিল্টন সমাদ্দারকে আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ কামাল হোসেন। এরপর তাকে মানবপাচার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক শিকদার মাইতুল আলম।

প্রথমে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুব তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মিরপুর মডেল থানার (মানবপাচার) আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার সাব-ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, গত ২ মে আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১ মে রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এরপর তার বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



হিলিতে বাড়ছে মসলা জাত পণ্যের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:এখনো প্রায় একমাস বাকি কোরবানি ঈদ।এর আগেই দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে মসলা জাত পণ্যের দাম। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে জিরাসহ মসলা জাতীয় পণ্য আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে ১/২ গাড়ি জিরাসহ অন্যান্য মসলাপণ্য আমদানি হতো।এখন প্রতিদিনই ৫/৭ গাড়ী জিরাসহ মসলা পণ্য আমদানি হচ্ছে। প্রতি টন জিরা আমদানি হচ্ছে ৩ হাজার ১৩০ ডলার মুল্যে। কোরবানি ঈদের একমাস আগে দাম বৃদ্ধিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি।তারা অধিক মুনাফার আশায় মসলা জাত পণ্য মজুদ রেখে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর খুচরা বিক্রেতারা বলছেন,আমরা ভারতীয় জিরা,আদা,চায়না রসুন বিক্রি করি। আমদানিকারকদের কাছ থেকে আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। আমদানিকারকরা বলছেন,ডলার সংকটের কারণে ভারত অভ্যন্তরে জিরাসহ অন্যান্য মসলা জাত পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দাম কয়েক দিনের স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানান আমদানিকারকরা ।  

আজ শনিবার দুপুরে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক মাস আগে মানভেদে জিরা বিক্রি হয়েছে প্রতিকেজি ৫৭০ থেকে ৫৮০ টাকা দরে। এখন সেই জিরাই কেজিতে ১৩০ টাকা বেড়ে ৭০০ থেকে ৭১০ টাকা কেজি দরে হচ্ছে। অন্যান্য মসলা পণ্যের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কালো এলাচ ২৬০০ থেকে ২৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা এখন ১০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকা কেজি দরে এবং সাদা এলাচ মাঝারি ৩৪০০ শত টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা এখন কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৩ ৫০০ শত টাকা কেজি দরে, সাদা এলাচ বড় ধরণের ৪১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও তা কেজিতে ১০০ টাকা বেড়ে ৪২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও দারুচিনি, লং, গোল মরিচ,ধনিয়া,কালো জিরা কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে। এদিকে আমদানিকৃত আদা গেলো শনিবার (১৮ মে) প্রতিকেজি আদা ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ শনিবার (২৫ মে) বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। প্রতিকেজি দেশীয় রসুন ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। এক মাস আগে দেশীয় শুকনা মরিচ ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ তা কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গতকাল শুক্রবার দেশীয় পেঁয়াজ ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ তা কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।   

রংপুর থেকে জিরা কিনতে আসা আকবর আলী জানান, আমি এক মাস আগে হিলিতে ঘুরতে এসে তখন ৫৮০ টাকা কেজি দরে জিরা কিনেছি। আজ হিলিতে একটি কাজে এসে জিরা কিনলাম ৭০০ টাকা কেজি দরে। 

আদা কিনতে আসা ফরহার হোসেন বলেন, কোরবানি ঈদের আগে হঠাৎ করেই আদার দাম বেড়ে গেছে। গত শনিবার প্রতিকেজি আদা বিক্রি হয়েছিল। ২৪০ টাকা কেজি দরে। আমি ৬০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম আদা কিনি। আর আজ শনিবার বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা কেজি দরে। ৭০ টাকা দিয়ে ২৫০ গ্রাম আদা কিনলাম। 

আরেক ক্রেতা ধরন্দা গ্রামের গোলাম মোর্শেদ বলেন, প্রতিবছর কোরবানি ঈদের আগে সব ধরনের মসলার দামে বাড়ে। এবারও বেড়েছে। গেলো শনিবার প্রতিকেজি রসুন কিনি ২০০ টাকা কেজি দরে। আর আজ শনিবার কিনতে হলো ২৪০ টাকা কেজি দরে।তিনি আক্ষেপ করে বলেন,হিলি বন্দর দিয়ে প্রতিদিন আদা আসছে। কিন্তু আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রি করছেন।

শুকনা মরিচ,আদা-রসুন ও পেঁয়াজ বিক্রেতা ময়নুল ইসলাম বলেন,আদা হিলিবন্দর দিয়ে আমদানি হয়। আর চায়না রসুন আমদানি হয় অন্যদিকে দিয়ে। পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে এক সপ্তাহ আগে এতিকেজি আদা ২২০ টাকায় কিনে ২৪০ টাকায় বিক্রি করি। আর রসুন ১৮০ টাকা কেজি দরে কিনে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি। কিনতেই পড়ছে প্রতিকেজি আদা ২৬০ টাকা এবং রসুন কিনতে পড়ছে ২২০ টাকা। আমরা কেজিতে ২০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করছি। এ কারণেই শুকনা মরিচ,পেঁয়াজ আদা-রসুনের দাম বেড়েছে।

ডলার সংকট কাটিয়ে উঠলে ও জিরা আমদানিতে শুল্ক কমলে দাম আরও কমে আসবে বলে মনে করছেন আমদানিকারকেরা।

হিলি কাষ্টমস সূত্রে জানা গেছে,চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০ মে পর্যন্ত ভারতীয় ৩৮৩ টি ট্রাকে ১০ হাজার ৭১৭ মেট্রিক টন জিরা ও ভারতীয় ১৬ টি ট্রাকে ২৫৩ মেট্রিকটন এলাচ এবং ভারতীয় ২৪১ টি ট্রাকে ৪১৩৭ মেট্রিক টন আদা আমদানি হয়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে মহান আন্তর্জাতিক মে দিবস পালন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

প্রকাশিত:বুধবার ০১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃমহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৩৮ বছর আগে ১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের যে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময় সীমা আট ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহবায়ন করেন। দাবি আদায়ের জন্য বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন পথে নেমে এসেছিলেন। অত্যন্ত ববর কায়দায় দমন করা হয়েছিল সেই শ্রমিকের বিক্ষোভ। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। 

এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (১ মে) ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় মহান মে দিবস পালন উপলক্ষে উপজেলার মটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন, ঠাকুরগাঁও জেলা ট্রাকটাংকলরী কাভার্ড ভ্যান ও পিকআপ শ্রমিক ইউনিয়ন, ঠাকুরগাঁও জেলা ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়ন, উপজেলা দোকান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়ন ও হোটেল রেস্তোরাঁ শ্রমিক সমিতির যোথ আয়োজনে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শামসুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- সাবেক এমপি ইয়াশিন আলী, সাবেক সাংসদ ও জেলা আ'লীগ সহ-সভাপতি সেলিনা জাহান লিটা,আ’লীগ সভাপতি অধ্যাপক সইদুল হক, মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান, আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহম্মেদ, ভাইসচেয়ারম্যান সোহেল রানা,জাতীয় পার্টির যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের, প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম ও মোবারক আলী, বাংলাদেশ সহকারি শিক্ষা অফিসার কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি এসএমএ রবিউল ইসলাম সবুজ, এ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ,আ'লীগ সহ-সভাপতি মুক্তার আলম, যুবলীগ সম্পাদক রমজান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবর রহমান, নন্দুয়ার ইউনিয়ন আ'লীগ যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ আলী,পৌর আ'লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, রাজ-৮৮ সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সহকারি শিক্ষক সাধন বসাক, শ্রমিক নেতা মোকসেদ আলী, আমজাদ আলী,প্রদিপ সাহা,সমির উদ্দিন প্রমুখ।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শ্রমিক নেতা হযরত আলী, 

এছাড়াও বিভিন্ন দলের পদে থাকা রাজনৈতিক নেতা কর্মী বৃন্দ,সামাজিক সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি বর্গ শ্রমিকেরা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।অপরদিকে উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকে নির্মান শ্রমিক ইউনিয়ন,রিক্সা ভেন শ্রমিক ইউনিয়ন সহ কয়েকটি সংগঠন ট্রেড ইউনিয়ন এক সঙ্গে সমন্বয় করে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেন। 

আরও খবর



রূপগঞ্জে বৃষ্টি প্রার্থনায় ইসতিসকার নামাজ আদায়

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃগ্রীষ্মের শুরু থেকেই তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে রক্ষায় বৃষ্টি চেয়ে ইসতিসকার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। গতকাল ২৭ এপ্রিল শনিবার বেলা ১১টায় রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার রূপসী গন্ধর্বপুর সাইনবোর্ড ঈদগাহ মাঠে সাইনবোর্ড ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করা হয়। ইসতিসকার নামাজ পড়ে বৃষ্টির জন্য অশ্রæ সিক্ত চোখে প্রার্থনা করেছে রূপগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

অনাবৃষ্টির কারণে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। মানুষ হাহাকার করছে। এ কারনে নামাজ শেষে আল্লাহর কাছে তীব্র গরম থেকে পানাহ চেয়ে রহমতের জন্য দোয়া পরিচালনা করা হয়। এ ইসতিসকার নামাজের ইমামতি ও দোয়া পরিচালনা করেন গন্ধর্বপুর বড় মসজিদের ইমাম মুফতি শাকির মাহমুদ। 

দুই রাকাত নামাজের পূর্বে নসিহতপূর্ণ আলোচনা করা হয়। নামাজে আদায় শেষে আল্লাহতালার দরবারে দুই হাত তুলে কান্না জড়িত কন্ঠে মোনাজাত করেন মুসুল্লিরা। অসহনীয় তীব্র রোধ ও চলমান প্রচন্ড তাপপ্রবাহের কারণে অতিষ্ঠ মানুষ সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ লাভের জন্য দুহাত তুলে বৃষ্টির জন্য দোয়া করেন।

শীতল আবহাওয়া ও বৃষ্টির জন্য প্রার্থনার জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় ইসতিসকার নামাজে অংশ নিয়েছে অসংখ্য মানুষ।মোনাজাতে জাতির জন্য কল্যাণ কামনা করা হয়। আল্লাহ চাইলে এ নামাজ কবুল করে রহমতের বৃষ্টি দিয়ে মানুষ, প্রাণীসহ সকলকে শান্তিতে থাকার পরিবেশ করে দেবেন।

এছাড়াও মুড়াপাড়ার দড়িকান্দী, দাউদপুরের বেলদী, রূপগঞ্জের শিমুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় অনুরুপ ইসতিসকার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। 

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



মাগুরা সদর উপজেলায় রানা আমীর ওসমান শ্রীপুরে শরিয়ত উল্লাহ রাজন বেসরকারি ফলাফলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে মাগুরা সদরে রানা আমীর ওসমান ও শ্রীপুর উপজেলায় শরিয়ত উল্লাহ রাজন বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছে।   রানা আমীর ওসমান পেয়েছে ৮৩০৭১   ভোট আর তার প্রতিদন্দি শেখ রেজাউল ইসলাম পেয়েছে ৫০৮৬৩   ভোট।শরিয়ত উল্লাহ রাজন পেয়েছে ৪৪৯৪৭  ভোট। তার নিকটতম প্রতিদন্দি মোস্তাসিম বিল্লাহ পেয়েছে ২৯২৮১  ভোট।দুটি উপজেলায়  ১৭৭ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার ৮ মে সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে ভোট গ্রহণ চলে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে মাগুরা সদর উপজেলার ১২০ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা  ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫০৬ জন,  অন্যদিকে শ্রীপুর উপজেলার ৫৭ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটারর ছিল  ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫২ জন। সকাল থেকেই কেন্দ্র গুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম লক্ষ করা যায়। মাগুরা সদরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বাহারুল ইসলাম ৩৩৬৮৮ ভোট,  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সোনিয়া ৩৫৫৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। শ্রীপুর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে বাবুল রেজা ২৬৫৫৬ ভোট, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নার্গিস সুলতানা ৫১৪৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে।

মাগুরার দুটি উপজেলায়  ৫১ টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ  ঘোষনা করে জেলা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে।ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন সে জন্য মাগুরায় ৬ স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব, বিজিবি,  আনসার সদস্য ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করে বলে জানান,মাগুরার পুলিশ সুপার মোঃ মশিউদৌলা রেজা। নির্বাচনে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

আরও খবর