Logo
আজঃ Wednesday ০৮ December ২০২১
শিরোনাম
নৌকা পরাজিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান হলো তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু! তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা কুমিল্লায় নৌকা পেয়েও সরে দাড়ালেন বাহালুল, প্রাথমিক সদস্য না হয়েও মনোনীত নূরুল! মাতুয়াইলে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্ধোধন করলেন সংসদ সদস্য কাজী মনু পলো উৎসবে মাছ ধরায় মেতেছে মানুষ, চির চেনা বাংলা গাজীপুরে ৩০ সেকেন্ডেই মা-মেয়ের জীবন শেষ করল দুই খুনি হয়নি হাফ পাসের সিদ্ধান্ত,টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব আলেম-ওলামাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-ভক্তি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরের তারাগঞ্জে ট্রাকচাপায় তিন নারী শ্রমিক নিহত কুমিল্লার তিতাস ও মেঘনা উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী যারা !

ডোমার পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনছুরুল ইসলাম দানু নির্বাচিত

প্রকাশিত:Tuesday ০২ November 2০২1 | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ December ২০২১ | ২০৫জন দেখেছেন
Image


 

মনিরুজ্জামান লেবু , নীলফামারী :

 

 

নীলফামারীর ডোমার পৌরসভায় প্রথমবারের মতো ইভিএম’এ অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বেসরকারীভাবে ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে। মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী নারিকেল গাছ প্রতীকের মনছুরুল ইসলাম দানু ৪ হাজার ৫৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

 

তিনি টানা ৩য়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন। এর আগে ডোমার ইউনিয়ন পরিষদে টানা ৫বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। 

 

অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবাইল ফোন প্রতীকের আফরোজা নাজনীন রুমি ৩ হাজার ৬৭৪ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। তবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গনেশ কুমার আগরওয়ালা পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৫ ভোট। 

 

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্নভাবে ৯টি কেন্দ্রের ৫১টি বুথে ভোটাররা আনন্দঘন পরিবেশে তাদের ভোটাধীকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনকালীন সময়ে কোন কেন্দ্রে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং অফিসার মোহাম্ম জাহাঙ্গীর হোসেন।

 

 খবর প্রতিদিন/ সি.বা

 


আরও খবর



গাজীপুরে ৩০ সেকেন্ডেই মা-মেয়ের জীবন শেষ করল দুই খুনি

প্রকাশিত:Saturday ২৭ November ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ December ২০২১ | ৩২৫জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image

 

 

 গাজীপুরে মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যার রহস্য ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে দুই খুনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাত্র ৩০-৪০ সেকেন্ডেই মা-মেয়েকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন তারা।

 

জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার সালদিয়া গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- একই গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও মনির হোসেনের ছেলে মহিউদ্দিন ওরফে বাবু।

শনিবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. জাকির হাসান।

তিনি জানান, ১২ বছর আগে রাজশাহী জেলার বাসিন্দা জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে ফেরদৌসীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১১ বছরের মেয়ে হাফসা ও চার বছরের তাসমিয়া রয়েছে। কিন্তু বনিবনা না হওয়ায় স্বামীকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন ফেরদৌসী। এরপর মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তিন বছর আগে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রবিউল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। রবিউলেরও আরেক সংসার ছিল। কিন্তু দুই বছর আগে তার সঙ্গেও ফেরদৌসীর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

 

এরপর দুই মেয়েকে নিয়ে হাড়িনাল এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডে চাকরি করেন। এছাড়া তিন মাস আগে স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় বাবুর। পরে ফেরদৌসীর সহায়তায় একই কোম্পানিতে চাকরি নেন বাবু। কিন্তু বিচ্ছেদের ঘটনায় ফেরদৌসীকেই দায়ী মনে করেন তিনি। আর এ প্রতিশোধ নিতেই হত্যার পরিকল্পনা।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী বুধবার সন্ধ্যায় ইনস্যুরেন্সের টাকা দেওয়ার কথা বলে মোবাইল ফোনে ফেরদৌসীকে ডাকেন বাবুর বন্ধু জাহিদুল। ফোন পেয়ে মেয়ে তাসমিয়াকে নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের দেশীপাড়া এলাকায় যান ফেরদৌসী। সেখানে যেতেই তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কাটেন জাহিদুল ও বাবু। মাকে রক্তাক্ত দেখে চিৎকার করলে মেয়েকেও গলা কেটে হত্যা করেন তারা। দুটি খুন করতে তারা সময় নেন মাত্র ৩০-৪০ সেকেন্ড। এরপর তারা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান।

বুধবার রাতে দেশীপাড়া এলাকায় সড়কের পাশে মা-মেয়ের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন এক কেয়ারটেকার। পরে লাশ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ।

 

নিহতরা হলেন- গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের বড়াইয়া গ্রামের বাছির উদ্দিন বছুর মেয়ে ফেরদৌসী আক্তার ও তার চার বছর বয়সী মেয়ে তাসমিয়া আক্তার। ফেরদৌসী স্থানীয় চান্দনা চৌরাস্তার এলাকার গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



আজকের ইউপি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে কেউ মারা যায়নি: ইসি সচিব

প্রকাশিত:Thursday ১১ November ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ December ২০২১ | ২১৫জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে সহিংসতায় নিহতদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রে কেউ মারা যায়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

 

ইসি সচিব বলেন, আপনারা বলেছেন ছয়জন মারা গেছেন, এটি ঠিক। এটির জন্য কমিশন ব্যথিত। এটি আমরা কখনো চাইবো না রাষ্ট্রের একজন নাগরিকও যেকোনো কারণেই নিহত হোক। আজ যে ছয়জন মারা গেছে তারা কেউ আমাদের ভোটকেন্দ্রে মারা যায়নি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যারা তাদের মধ্যেই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, তাদের মধ্যেই সহিংসতা হয়েছে এবং তারা মারা গেছে।

 

তিনি বলেন, মোট যে ৮৩৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়েছে আমরা সব জেলা-উপজেলায় খোঁজ নিয়েছি, প্রার্থীরাও কেউ কেউ আমাদের কাছে অভিমত ব্যক্ত করেছেন, আমরা জানতে পেরেছি ভোটটি খুব সুন্দর হয়েছে, উৎসবমুখর হয়েছে।

 

হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, এই ধাপের ৮৩৪টি ইউপি নির্বাচনে ৮ হাজার ৪০০ ভোটকেন্দ্র। আমরা গণমাধ্যম ও ল’ মনিটরিং সেন্টারের মাধ্যমে রিপোর্ট পেয়েছি ১০টি কেন্দ্রে ব্যালট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেছে। আমাদের প্রিসাইডিং অফিসাররা ওই ১০ কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দিয়েছেন। এগুলোতে পরে ভোটগ্রহণ করা হবে। অন্য কেন্দ্রগুলোর রেজাল্ট নিয়েও যদি ডিসিশন না হয় তখন পরবর্তীতে ভোট নেওয়া হবে। আমরা মনে করি পুরো দেশে ভালো ভোট হয়েছে।

 

গতকাল চতুর্থ ধাপের ভোটের তফসিল হয়েছে, পরবর্তী ধাপের ভোট নিয়ে আবার কমিশনের বৈঠক হবে বলেও জানান ইসি সচিব।

 

এর আগে আজ দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনী সহিংসতায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক।

 

নিহতদের মধ্যে নরসিংদীতে তিনজন, কক্সবাজারে একজন, চট্টগ্রামে একজন ও কুমিল্লায় একজন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 

নিউজ ট্যাগ: ইউপি নির্বাচন

আরও খবর



কুমিল্লায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস বিক্রি

প্রকাশিত:Thursday ১১ November ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ December ২০২১ | ৩৯৩জন দেখেছেন
Image


 

কুমিল্লার লাকসামে প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে শহরের রাজঘাট এলাকায় এমন দৃশ্য দেখা যায়। এরপর থেকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকে ঘুরপাক খাচ্ছে।

 

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে লাকসাম রেললাইন এলাকায় একটি শিয়াল বিক্রি করার জন্য চট্টগ্রাম থেকে আসেন দুই যুবক। খবর পেয়ে পৌরশহরের রাজঘাট এলাকার বাসিন্দা সাইফুল, মরণ ও লিটনসহ কয়েক যুবক মিলে তাদের কাছ থেকে দেড় হাজার টাকা দিয়ে শিয়ালটি কিনে নেন। বিকেলে রাজঘাট ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে শিয়ালটি জবাই করা হয়। এজন্য স্থানীয় কসাই জিয়াকে ১৫০ টাকা দেওয়া হয়। শিয়ালটি জবাই করার দৃশ্য কেউ একজন মোবাইলে ভিডিও করে। পরে সেই ভিডিও ভাইরাল হয়।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, সাইফুল, মরণ ও লিটনসহ কয়েকজন যুবক শিয়াল জবাই করে মাংস বিক্রির স্থানের বর্ণনা দেন। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে শিয়ালের মাংসের নানা উপকারিতার কথা উল্লেখ করেন। প্রতি কেজি মাংসের দাম ১০০০ টাকা বলে জানানো হয় ভিডিওতে। খবর পেয়ে কয়েকজন সেই মাংস কিনে নেন। এরপরই শিয়ালের মাংস বিক্রেতারা সটকে পড়েন।

 

লাকসামের ইউএনও এ কে এম সাইফুল আলম বলেন, বন্যপ্রাণী জবাই করে মাংস বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  খবর প্রতিদিন- সি/বা

নিউজ ট্যাগ: শিয়াল জবাই

আরও খবর



আলেম-ওলামাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-ভক্তি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ২৭ November ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ December ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


আলেম-ওলামাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যথেষ্ট শ্রদ্ধা-ভক্তি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।শনিবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ আয়োজিত ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী হেফাজতে ইসলাম নিয়ে ভাবেন। একজন ধার্মিক মুসলিম হিসেবে শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। তিনি সকালে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করে কাজ শুরু করেন। আলেম-ওলামাদের প্রতি তার যথেষ্ট শ্রদ্ধা-ভক্তি রয়েছে। আপনাদের মতো প্রধানমন্ত্রী শফী সাহেবকে (শাহ আহমদ শফী) অত্যন্ত ভালোবাসতেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা বলেছেন হেফাজত অরাজনৈতিক দল, হেফাজত রাজনীতি করে না, নির্বাচনে যায় না। কিন্তু বাইরে থেকে দুষ্কৃতিকারীরা এসে আপনাদের অপবাদ অথবা কুমন্ত্রণা দিচ্ছে। সেখানে আপনারা ভুল করছেন অথবা ভুল করে ফেলেছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা বারবার বলতে চাই আপনারা আধ্যাত্মিক লাইনের চর্চা করেন, কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী চলেন। আপনারা যেহেতু অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, সেহেতু কেন আপনাদের মাঝে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ ঘটে? আপনাদের আরো সাবধান হওয়া উচিত।

সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব নুরুল ইসলাম।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আতাউল্লাহ হাফেজ্জি, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, সাজিদুর রহমান, ইয়াহইয়া, তাজুল ইসলাম, আব্দুল আওয়াল প্রমুখ।

 

-খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



বাদী হলেন আসামী জালিয়াতি মামলায় যাত্রাবাড়ীর রিপন কারাগারে

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ December ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ December ২০২১ | ৩৭জন দেখেছেন
Image


নিজস্ব প্রতিবেদক

জাল কাগজপত্র দিয়ে দোকানের মালিকানা দাবি করে ফেঁসে গেলেন বাদী নিজেই। আদালত স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে বাদী সেরা উদ্দিন রিপনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার সিএমএম আদালতে এ ঘটনা ঘটে।


মামলা সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দনিয়া এলাকায় শরীফ টাওয়ারের একটি দোকানের মালিকানা দাবি করে ওই টাওয়ারের মালিক এম এ আজীম শরীফের বিরুদ্ধে মামলা করেন দনিয়া এলাকার সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দখলদার সেরা উদ্দিন রিপন। মামলার আরজিতে তিনি শরীফ টাওয়ারের দোকানের মালিকানা দাবি করে তিণশ’ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত একটি চুক্তিপত্র আদালতে দাখিল করেন। আদালত মালিকের স্বাক্ষর পরীক্ষার জন্য সিআইডির কাছে পাঠায়।


ল্যাবে সেই স্বাক্ষর জাল বলে প্রমানিত হয়। গতকাল সেই প্রতিবেদন আদালতে উত্থাপিত হলে আদালত বাদী সেরা উদ্দিন রিপনকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। সিআইডির প্রতিবেদনে বলা হয়, চুক্তিপত্রে শরীফ টাওয়ারের মালিক এম এ আজীম শরীফের স্বাক্ষরটি ‘স্ক্যানকৃত জাল’।আদালত সূত্রে

জানা যায়, দনিয়া এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী সেরা উদ্দিন রিপনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি জাল জালিয়াতির মামলা রয়েছে। এর মধ্যে চেক ডিজঅনার মামলা নং ১৪০০০/২০১৮ইং এবং জাল জালিয়াতির মামলা নং ১৬৪/২০১৯ইং উল্লেখযোগ্য।


স্থানীয় সূত্র জানায়, এক সময়ের শিবিরের ক্যাডার সেরা উদ্দিন রিপনের বিরুদ্ধে কদমতলী ও যাত্রাবাড়ী থানায় চাঁদাবাজি, দখল ও হুমকী প্রদান ও ব্ল্যাক মেইলের অভিযোগে বহু মামলা ও জিডি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেÑকদমতলী থানায় জিডি নং ২৪০, তাং ০৪/০৭/ ১৭, জিডি নং ১৮৫২, তাং ২৯/১২/১৬, জিডি নং ১২৭৬, তাং ২২/০৭/১৬, জিডি নং ১৩৮৭, তাং ২৪/০৭/ ১৭, ডিসি ওয়ারী বরাবর আবেদন স্মারক নং ২৩০৫/ডিসিওয়ারী, তাং ১৮/০৬/১৭, যাত্রাবাড়ী থানায় জিডি নং ১০০৬, তাং ১৩/৩/১৮, যাত্রাবাড়ী থানার প্রসিকিউশন স্মারক নং ১৯০৬, তাং ০৩/০৪/১৮।উল্লেখযোগ্য মামলা নং ৭৫, তাং ২৮/০৫/১৭ ধারা ৩৮৫, সিআর মামলানং ৮৬, তাং ২৮/০৫/১৭, ২০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের মামলা, সিএম মামলা নং ২৫/ সিআর মো: নং ৭০/২০১৮, তাং ১৪/০১/১৮।


পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে সিদ্ধহস্ত রিপন শিবির থেকে এখন যুবলীগের নেতা। তার অত্যাচারে এলাকার বহু মানুষ অতিষ্ঠ। জাল কাগজপত্র তৈরী করে রিপন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দিনে দুপুরে সে মানুষের ফ্ল্যাট, বাড়ি, দোকান দখল করে আসছিল। তার অপকর্মে কেউ বাধা দিলে সে থানা পুলিশকে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা ও জিডি করে মানুষকে হয়রানি করতো।


গত ৭ অক্টোবর সে কদমতলী থানার এসআই কাছেদকে ম্যানেজ করে মিথ্যা অভিযোগে একজন সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টারের বিরুদ্ধে জিডি করে (নং ৪৫০)। এসআই কাছেদ কোন যাচাই ছাড়াই সেই জিডিটি আদালতে পাঠায়। 

এ নিয়ে ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এর আগেও চাঁদাবাজি মামলায় রিপন বেশ কয়েকদিন জেল হাজতে ছিল।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর