Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
সাংবাদিক ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে মধ্যাহ্ন ভোজ

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সাংবাদিক ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সম্মানে মধ্যাহ্ন ভোজ

প্রকাশিত:Wednesday ১৮ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩০৩জন দেখেছেন
Image
সোহরাওয়ার্দীঃ

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সম্পাদক প্রয়াত অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ ভুঁইয়ার বাসভবনে পত্রিকার সাংবাদিক ও বিশিষ্ট জনদের সম্মানে মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।

সকলের উপস্থিতিতে রাজা খালির বাসভবন এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। 

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শরফ উদ্দিন ভূঁইয়া রাব্বির নিমন্ত্রণে আয়োজিত গণভোজে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক রেজাউল করিম রাজু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ নজরুল ইসলাম মুক্তি। 

এতে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি নাজমুল হাসান,বিশেষ সংবাদ দাতা মো:আবদুস সবুর রবিন, বিশেষ সংবাদ দাতা মো: সেলিম হোসেন রনি, সটাফ রিপোর্টার মাজহারুল ইসলাম বাপ্পি,স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আলমগির, শেফরান আহমেদ, দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার এ আর হানিফ,দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার বজলুর রহমান।

দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার প্রকাশক রেশমি ভূইয়া আমন্ত্রিত সব অতিথিদের স্বাগত জানান।

আগামী দিনগুলোতে দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার সকল কার্যক্রম আরো বেগবান করার লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান রেশমি ভূঁইয়া

আরও খবর



শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ মো. এনামুল হককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

শনিবার (১৮ জুন) রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বিস্তারিত আসছে...


আরও খবর



খেলোয়াড়দের খুব বেশি দোষ দেওয়া ঠিক হবে না: সাকিব

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

প্রায়ই বলা হয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের টেস্টের প্রতি মনোযোগ নেই। বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে বেশি জোর দেন- এমন অভিযোগ শোনা যায় হরহামেশা। এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

তবে তিনি ব্যাট ধরেছেন খেলোয়াড়দের পক্ষে। তার মতে, টেস্টে আগ্রহ না থাকা বা কম থাকার দায় শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের একার নয়। বরং এ প্রসঙ্গে পাল্টা প্রশ্নে তিনি জিজ্ঞেস করেছেন, বাংলাদেশে টেস্ট ক্রিকেট মূলত দেখেন কতজন মানুষ?

সেইন্ট লুসিয়া টেস্টে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে সাকিব কথা বলেছেন দেশের টেস্ট সংস্কৃতি নিয়েও। তার মতে, দেশের ক্রিকেট সিস্টেমেই টেস্ট ফরম্যাটটা অতটা আলোচিত নয়। যে কারণে টেস্টে বেশিরভাগ সময়ই ফাঁকা থাকে পুরো গ্যালারি।

তার ভাষ্য, ‘এখানে খেলোয়াড়দের খুব বেশি দোষ দেওয়া ঠিক হবে না। শুধু খেলোয়াড়দের দোষ দিলে হবে না। আমাদের দেশের সিস্টেমটাই এমন। আপনি কবে দেখছেন বাংলাদেশে ৩০ হাজার দর্শক টেস্ট ম্যাচ দেখছে বা ২৫ হাজার দর্শক মাঠে এসেছে টেস্ট দেখতে?’

সদ্য সমাপ্ত ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজের প্রতিটি ম্যাচেই দেখা গেছে ভরা গ্যালারি। সেই উদাহরণ টেনে সাকিব আরও বলেন, ‘ইংল্যান্ডে তো প্রতি ম্যাচে (টেস্ট) এরকম দর্শক থাকে। টেস্টের সংস্কৃতিটাই আমাদের দেশে ছিল না কখনো, এখনো নেই।’

এখন নেই দেখে যে কখনও হবে না তা বলছেন না সাকিব, ‘টেস্ট সংস্কৃতি নেই বলে যে হবে না, সেটা কিন্তু নয়। এই জিনিসটা পরিবর্তন করাই আমাদের বড় দায়িত্ব। সবাই মিলে যদি পরিকল্পনা করে আগানো যায়, হয়তো কিছু সম্ভব হবে। নইলে আসলে খুব বেশি দূর আগানো সম্ভব হবে না। কারণ আমাদের টেস্টের সংস্কৃতিই নেই।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা যে টেস্ট ক্রিকেটকে খুব বেশি মূল্যায়ন করি, তা নয়। হ্যাঁ, হতে পারে আমরা ফলাফল ভালো করিনি, এ কারণে মূল্যায়নও হয়নি। তবে একটার সঙ্গে আরেকটার সম্পর্ক আছে। একটার সঙ্গে আরেকটাকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাহলেই ভালো কিছু সম্ভব।’


আরও খবর



ময়মনসিংহে সুইমিংপুল আছে, নেই কোনও সাঁতার দল

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

খাল-বিল, নদী-নালার দেশে ভালোমানের সাঁতারু বের করে আনার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জেলায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে সুইমিংপুল। যে সব সাঁতারুরা শুধুমাত্র এসএ গেমস নয়, দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে এশিয়ান গেমস, এমনকি অলিম্পিক গেমসেও।

শুধু সাঁতারু বের করে আনাই নয়, বিভিন্ন ক্রীড়া ডিসিপ্লিনে খেলোয়াড়দের শরীরচর্চার অন্যতম অনুসঙ্গ হিসেবেও খুব প্রয়োজন সাঁতার। সাধারণ মানুষের সাঁতার শেখাটাও জীবনের অন্যতম প্রয়োজনীয় বিষয়।

সবকিছুকে সামনে রেখে সারা দেশে অন্তত ২৩টি সুইমিংপুল নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের পর অধিকাংশ পুলই পড়ে রয়েছে জরাজীর্ণ অবস্থায়। কোনো কোনো পুলে তো একদিনের জন্যও কেউ নামতে পারেনি। কোথাও পানি নেই, কোথাও পাম্প নষ্ট, কোথাও নোংরা পানি- নানা অব্যবস্থায় পড়ে রয়েছে কোটি কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত সুইমিংপুলগুলো।

অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত এসব সুইমিংপুল নিয়েই জাগোনিউজের ধারাবাহিক আয়োজন। ৭ম পর্বে আজ থাকছে ময়মনসিংহ সুইমিং কমপ্লেক্সের চালচিত্র...

* ২০০১ সালে সুইমিং কমপ্লেক্সটি স্থাপিত হলেও ২০০৪ সালে উদ্বোধন করা হয়।
* ২০০৯ সাল থেকে এখানে শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেখানো শুরু হয়।
* সুইমিং কমপ্লেক্স আছে, সকল সুযোগ-সুবিধা আছে, নিয়মিত সাঁতার শেখানোও হয়, কিন্তু কোনো সাঁতার দল নেই।
* সাঁতার শিখতে জনপ্রতি ভর্তি ফি ২৬০০ টাকা ও মাসিক বেতন ৫০০ টাকা।

সুইমিংপুলে ২০ থেকে ২৫ জন শিশু-কিশোর। কেউ সাঁতার কাটছে, আবার কেউ শেখার চেষ্টা করছে। একজন কোচ তাদেরকে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন- কিভাবে সাঁতার শিখতে হবে। অভিবাবকরাও পুলের চারপাশে বসে সন্তানের সাঁতার শেখা দেখছেন।

নিয়মিত সুইমিংপুলে প্রশিক্ষণ দেয়া হলেও, ময়মনসিংহে নেই কোন সাঁতার দল। এভাবেই ১৩ বছর প্রথম শ্রেণির চাকরিজীবি, ঠিকাদার, রাজনীতিবীদ, ব্যবসায়ীর ছেলে-মেয়েদের মাসিক বেতনে সাঁতার শেখানো হচ্ছে ময়মনসিংহ সুইমিংপুলে। বছরে দু‘একটা প্রতিযোগিতা হলেও, সাঁতারুদের প্রশিক্ষণ নেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

এমন চিত্রই দেখা গেলো, ময়মনসিংহ সুইমিং কমপ্লেক্সে। নগরীর টাঙ্গাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত সুইমিং কমপ্লেক্স। এর আয়তন ৫০ মিটার লম্বা ও ২৫ মিটার প্রস্থ। নিয়মিত একজন পিয়ন এটি দেখাশুনা করেন।

সকাল-বিকাল, দিনে মোট দুই ঘণ্টা এখানে শিশু-কিশোরদের সাঁতার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। পুলের জন্য কোনো গ্যালারি বা শেড নির্মাণ করা হয়নি। একটিমাত্র সাবমার্সিবল পাম্প দিয়ে চলছে এই সুইমিংপুল।

মাসে একবার পানি পরিবর্তন করা হয়। প্রতিবার পানি পরিবর্তন করতে সময় লাগে ৩৬ থেকে ৪০ ঘণ্টা। পানি পরিষ্কার রাখার জন্য নেই সাকার মেশিন। সাঁতার শিখাতে আসা শিক্ষার্থীদের অভিবাবকরা সুইমিংপুলের শেড কিংবা গ্যালারি এবং পানি পরিষ্কার রাখার জন্য সাকার মেশিন বসানোর দাবি করেন।

Swimming

২০০১ সালে সুইমিং কমপ্লেক্সটি স্থাপিত হলেও ২০০৪ সালে উদ্বোধন করা হয়। এরপর ২০০৯ সাল থেকে এখানে শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেখানো হয়। যখন কোনো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, তখন প্রয়োজনে কিছু ছেলে-মেয়েকে ডেকে এনে সর্বোচ্চ ১৫ দিন সাঁতার অনুশীলন করানো হয়। প্রতিযোগীতা শেষ হলে তাদের আর কোন খোঁজ-খবর রাখে না সংশ্লিষ্টদের কেউ।

সুত্র জানায়, ২০০৯ সাল থেকে মাসিক টাকার বিনিময়ে এখানে শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেখানো শুরু হয়। শুরুর দিকে জনপ্রতি ভর্তি ফি ৫০০ টাকা ও মাসিক বেতন ছিল ২০০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে জনপ্রতি ভর্তি ফি ২৬০০ টাকা ও মাসিক বেতন ৫০০ টাকা।

যদিও সরকারি সুইমিংপুলে টাকার বিনিময়ে সন্তানদের সাঁতার শেখাতে আসা অভিবাবকদের নেই কোন অভিযোগ। এখানে যেভাবে ছেলে-মেয়েরা সাঁতার শিখতে পারছে, অন্য কোথায় হয়তো এমন সুযোগ নেই, এ কারণেই তারা খুশি।

সন্তানকে সাঁতার শেখাতে আসা ঠিকাদার বিমল বর্মণের স্ত্রী বলেন, ‘কিছুদিন আগে এখান থেকে আমার এক ছেলে সাঁতার শিখে গেছে। এখন নিয়মিত মেয়েকে সাঁতার শেখাতে নিয়ে আসছি। অনেক সময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাই। কোনো কোনো সময় আবার নদী পথেও ঘুরতে যাওয়া হয়। তখন যদি কোন বিপদ আসে! তাই, ছেলে-মেয়েদের সাঁতার শিখাচ্ছি। যেন নিজের জীবন বাঁচাতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘সুইমিংপুল এবং এখানে শেখার সব সুযোগ-সুবিধা থাকার পরও যদি জেলায় কোন সাঁতার দল না থাকে, তাহলে এটা দুঃখজনক। যে সুযোগ-সুবিধা আছে, তা কাজে লাগিয়ে জাতীয় পর্যায়ে বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলতে পারলেও তো দেশের জন্য ভালো হবে। তবে, আমি মনে করি এই সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগিয়ে জেলায় ভাল একটা সাঁতার দল গড়ে উঠুক। যারা ময়মনসিংহ এমনকি দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে।’

পুবালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মৌসুমী খানম বলেন, ‘চাকরি করার সুবাদে শহরে থাকতে হয়। গ্রামে থাকলে হয়তো বাড়ির পুকুরে ছেলে-মেয়েকে সাঁতার শেখানো যেতো; কিন্তু, শহরে তো এই সুবিধা নেই। যেহেতু, এখানে একটি সুইমিংপুল আছে। তাই, আমার দুই সন্তানকে সাঁতার শেখাতে নিয়ে আসি। তাছাড়া, একজন মানুষের জন্য সাঁতার শেখাটা প্রয়োজনীয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে সাঁতার শিখাতে ভর্তি ফি ২০০০ টাকা ও এক মাসের ৫০০ টাকা অগ্রিমসহ ২ হাজার ৫০০ টাকায় ভর্তি করিয়েছি। তবে, টাকা নেয়ার বিষয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই। কারণ, ছেলে-মেয়েদের সাঁতার শেখানো অভিভাবক হিসাবে আমার দায়িত্ব। আমি সপ্তাহে শুক্রবার ও শনিবার সন্তানকে নিয়ে সাঁতার শেখাতে আসি। এভাবে দুই মাস হলো এখানে আসি। এখানে কোচ আছে, তিনি খুব ভাল করে ছেলে-মেয়েদের সাঁতার শেখান। আমার সন্তানরা এখন মোটামোটি সাঁতার কাটতে পারে।’

ঢাকায় বাইং হাউজে চাকরি করেন খালেদ আব্দুল্লাহ। দুই সন্তানকে সাঁতার শেখাতে নিয়ে এসেছেন এই সুইমিং কমপ্লেক্সে। তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে, ময়মনসিংহে ছেলে-মেয়েদের সাঁতার শেখানোর সুযোগ আছে। যা অন্য কোথাও নেই। এতে কিছু টাকা খরচ হলেও ছেলে-মেয়েরা একজন কোচের মাধ্যমে এখানে সাঁতার শিখতে পারছেন। যা আমাদের জন্য খুব ভাল হয়েছে এবং ছেলে-মেয়েরাও খুব সহজে সাঁতার শিখতে পারছে।’

সাঁতারু তামজিদ সামাদ এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি সাঁতার প্রতিযোগীয়তায় অংশ নিয়েছেন। সে ময়মনসিংহ ল্যাবরেটরি স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। তামজিদ বলেন, ‘আমার বাবা একজন সাঁতারু। তাই, সাঁতারের প্রতি আগ্রহ থেকেই আমি বিভিন্ন সাঁতার প্রতিযোগীয় অংশ নিয়েছি। আমাদের ভাল একটা সুইমিংপুল আছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ উধাসীন। বিভিন্ন সাঁতার প্রতিযোগিতার সময় প্রয়োজনে আমাদের কয়েকদিন অনুশীলন করায়। খেলা শেষ হওয়ার পর আর কেউ খোঁজ রাখে না।’

তিনি বলেন, ‘একজন সাঁতারু নিয়মিত অনুশীলন করলে সুইমিং ড্রেস প্রয়োজন হয়। যেমন সুইমিং ক্যাপ, সুইমিং গ্লাভস, টি শার্ট, শর্ট প্যান্ট প্রয়োজন হয়। এগুলোর ব্যবস্থা করা। অনুশলিনের পর নিয়মিত ডায়েট ও যাতাযাত ভাতা দিলে আমি নিয়মিত প্র্যাক্টিস করব। আমাকে দেখে অন্যরাও সাঁতারের প্রতি আগ্রহ বাড়বে। তবেই, আমাদের একটি সাঁতারু দল গঠন করা সম্ভব।

মুকুল নিকেতন স্কুলের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রাহাত দেওয়ান হৃদয় বলেন, ‘জেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে আমি খেলায় অংশগ্রহণ করেছি। তবে, খেলা শেষ হলে পরে আর কেউ খবর নেয় না। নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করলে আমরাও ভাল কিছু করতে পারব। জেলা থেকে জাতীয় পর্যায়ে গিয়ে খেলার সামর্থ্য আমাদেরও আছে। তবে,আমাদের সার্পোট দেয়ার কেউ নেই। সাপোর্ট দিলে জাতীয় পর্যায়ে এমনকি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার স্বপ্নও আমি দেখি।’

Swimming

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাঁতার প্রশিক্ষক মো. আব্দুস সামাদ কাজল জাগো নিউজকে বলেন, ‘এই সুইমিংপুলের যাত্রা শুরু হয় আমার হাত ধরে। ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত শুধু মাত্র টিএডিএ'র বিনিময়ে কাজ করে আসছি। বাবা মৃত্যুর সময় বলেছিলেন, আমি যেন এই সুইমিংপুল না ছাড়ি। তাই, এখনো এখানে সাঁতার প্রশিক্ষণ করিয়ে আসছি। বাবার রেখে যাওয়া বাড়ি ভাড়ার টাকায় টেনেটুনে সংসার চলে। এই চাকরি স্থায়ী হবে আশায় ১৩ বছর অস্থায়ী কাজ করে আসছি। তবে, করোনার সময় বন্ধ ছিল৷ তখন ওই টিএডিএ'র টাকাও পাইনি। ওই সময় আশ্বাস দিয়েছিল করোনার পরে চাকরি নিয়মিত করবে। তবে, এখনো হয়নি। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারছি জুন-জুলাইয়ে হতে পারে।’

জেলা পর্যায়ে একটি সাঁতার দল টিম তৈরির যে প্রক্রিয়াগুলো রয়েছে, জেলা ক্রীড়া সংস্থা সেই প্রক্রিয়াগুলোর জন্য অনুমতি দেয় না। দল তৈরি করতে হলে অবশ্যই জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগ নিতে হবে। তারপর আমাকে বলতে হবে। তখন আমি বেশ কয়েকজনকে সুইমিং উপযোগী করে তৈরি করতে পারব। যারা জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।’

‘এছাড়া, দল তৈরি করতে হলে ছেলে-মেয়েদের পিছনে ইনভেস্ট করতে হবে। জেলা ক্রীড়া সংস্থা ইনভেস্ট করলেই ছেলে মেয়েরা নিয়মিত প্র্যাক্টিস করবে। তাহলেই কেবল তাদের সাতারু হিসাবে তৈরী করতে পারব। এইটা মুলত ইচ্ছা থাকতে হবে। ময়মনসিংহে অনেক প্রতিভাবান ছেলে মেয়ে আছে। আমাদের অনেক ভাল একটা সুইমিংপুল আছে। তবে, কাজে লাগাতে পারছি না। সুযোগ সু্বিধা কাজে লাগাতে পারলেই আমলা শক্তিশালী একটি সাঁতার দল তৈরি করতে পারব।’

সুইমিংপুলকে কী বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কথাটা এভাবে না বলে, বলতে পারেন টাকার বিনিময়ে সাঁতার প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এটাকে সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বলা যায়। জেলা ক্রীড়া সংস্থা চাইলেই ভাল সাতাঁরু তৈরি করা সম্ভব। যাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভাল সাঁতারু তৈরি করা সম্ভব। তবে, এখানে যারা সাঁতার শিখতে আসে তারা সবাই ১৫ থেকে ২০দিন প্রশিক্ষণ নিয়ে সাঁতার শিখে চলে যায়।

জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, ‘সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু জুনিয়র সাঁতার প্রতিযোগিতায় ময়মনসিংহ থেকে অংশগ্রহণ করেছিল। এছাড়াও নেত্রকোনা থেকেও তিনজন অংশগ্রহণ করেছিল। ওরা সবাই মোটামোটি খেলেছে। তবে, সুইমিংপুল জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনে। তাই, সুইমিংপুলের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।’

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম বলেন, ‘আনুমানিক পাঁচ মাস হয়েছে আমি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হয়েছি। আগে সুইমিংপুলের অবস্থা খারাপ ছিল। এখানে নিয়মিত একজন কোচ দিয়ে শিশু-কিশোরদের সাঁতার শেখানো হয়। তবে, আমাদের পরিকল্পনা আছে। আগামী কয়েক মাসের মাঝে স্কুল থেকে এইচএসসি পর্যন্ত বয়স ভিত্তিত সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করব। সেখান যারা ভাল করবে, তাদের নিয়ে একটি দল গঠন করে জাতীয় পর্যায়ে পাঠানোর পরিকল্পনা আমাদের আছে।

সাঁতার শিখানোর ভর্তি ফি ও মাসিক বেতন কী সরকার নির্ধারিত? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা সরকার নির্ধারিত। দু'জন লোক কাজ করে, প্রতি মাসে পানি পাল্টাতে হয়, বিদ্যুৎ বিল আছে। এই টাকা দিয়েই প্রতি মাসের খরচ মেটানো হয়। তবে, আমি আসার পর কোন ফি বাড়াইনি।’

এ বিষয় জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ এনামুল হক জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের একটি সাঁতার দল গঠন করা হবে। যারা জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে।’


আরও খবর



২৩ রানে ২ উইকেট নিলো টাইগাররা, বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

সেন্ট লুসিয়া টেস্টে তৃতীয় দিনের শুরুটা ভালোই করেছেন বাংলাদেশি বোলাররা। সকাল সকালই তারা তুলে নিয়েছেন ২টি উইকেট, ক্যারিবীয়দের বোর্ডে আর ২৩ রান যোগ হতেই।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে ৩৭৬ রান তোলার পর হঠাৎ হানা দিয়েছে বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে আপাতত বন্ধ রয়েছে খেলা। ক্যারিবীয়দের লিড এখন পর্যন্ত ১৪২ রানের।

টাইগারদের পথের কাঁটা হয়ে আছেন কাইল মায়ার্স। সেঞ্চুরি করে ১৪০ রানে অপরাজিত এই অলরাউন্ডার। সঙ্গে ৭ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে কেমার রোচ।

মায়ার্স একের পর এক জুটি গড়ে যাচ্ছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর পঞ্চম উইকেটে জার্মেই ব্ল্যাকউডকে নিয়ে ১১৬ রানের জুটি গড়েছিলেন এই সেঞ্চুরিয়ান।

ওই জুটি ভাঙার পর দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে জসুয়া ডি সিলভাকে নিয়ে ফের প্রতিরোধ মায়ার্সের। ষষ্ঠ উইকেটেও জুটিটা শতরানের কাছাকাছি চলে এসেছিল।

তবে তৃতীয় দিনের সকালেই ৯৬ রানের জুটি ভেঙে দিয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ১১৫ বল খেলে ২৯ রান করা জসুয়াকে অবশেষে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেছেন টাইগার অফস্পিনার।

মিরাজের ঘূর্ণি বল সুইপ করতে চেয়েছিলেন ক্যারিবীয় উইকেটরক্ষক। তবে সেটা পুরোপুরি মিস করে ফেলেন। আম্পায়ার আঙুল তুলে দিলে রিভিউ নেওয়ার জন্য আর এক সেকেন্ডও দাঁড়াননি জসুয়া।

এর দুই ওভার পর আরও একটি উইকেট বাংলাদেশের। এবার খালেদ আহমেদের শর্ট ডেলিভারি পুল করতে গিয়ে মিডউইকেটে লিটন দাসের সহজ ক্যাচ হন আলজেরি জোসেফ (৬)।

এর আগে ৫ উইকেটে ৩৪০ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম দিন শেষে লিড ছিল ১০৬ রানের।


আরও খবর



আম পাড়তে গিয়ে কোমর ভাঙলো রাবি শিক্ষার্থীর

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

এবার ক্যাম্পাসের গাছ থেকে আম পাড়তে গিয়ে কোমর ভেঙে গুরুতর আহত হয়েছেন সুভাষ চন্দ্র নামের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (৩ জুন) সকাল পৌনে ৭ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সুভাষ চন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ইলেকট্রনিক্স ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।

ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন মার্কেটের সামনে গাছ থেকে আম পাড়ার জন্য ওঠেন সুভাষ চন্দ্র। হঠাৎ পা পিছলে গাছ থেকে পড়ে কোমরে গুরুতর আঘাত পান তিনি। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসারত।

অধ্যাপক ড. মামুনুর রশিদ খন্দকার জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাটি শুনে তাকে দেখতে রামেকে এসেছি। এটা অবশ্যই দুঃখ জনক ব্যাপার। ছেলেটির কমরে আঘাত পাওয়ার কারণে দাঁড়াতে পারছে না। এক্সরে করা হয়েছে এখনো রিপোর্ট আসেনি। মেডিকেলে কিছুদিন থাকতে হবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিষয়টি মাত্র জানলাম। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে অবশ্যই দুঃখজনক। আমি এখনি খোঁজ নিচ্ছি। বিস্তারিত জেনে জানাবো।

এর আগে ২৯ মে ক্যাম্পাসের গাছে আম পাড়তে উঠে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এক শিক্ষার্থী। তিনি নাকে আঘাত পেয়েছেন


আরও খবর