Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাটারি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২০

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

স্থানীয় সময় সোমবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় দক্ষিণ কোরিয়ার একটি লিথিয়াম ব্যাটারি কারখানায় বিশাল অগ্নিকাণ্ডে অন্তত বাইশ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো অনেক কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। 

স্থানীয় সময় সকাল দশ ত্রিশ মিনিটের দিকে সিউলের দক্ষিণে একটি শহর হাওয়াসেং-এর আরিসেল ব্যাটারি কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়, স্থানীয় দমকল কর্মকর্তা কিম জিন-ইয়ং জানান। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। স্থানীয় সময় এবং এখন বন্ধ করা হয়েছে.

স্থানীয় গণমাধ্যম ইয়োনহাপ বলেছে, প্রায় ২০টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। কিন্তু দমকল কর্মকর্তা কিম জিন-ইয়ং এক টেলিভিশন ব্রিফিংয়ে বলেছেন, অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন মারা গেছেন এবং আরো চারজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাতের সময় প্রায় ৬৭ জন কর্মচারী কারখানায় কাজ করছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো তদন্তাধীন এবং কর্তৃপক্ষ সব কর্মীর সন্ধানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার স্বরাষ্ট্র ও নিরাপত্তা মন্ত্রী লি সাং-মিন সেন্ট্রাল ডিজাস্টার অ্যান্ড সেফটি কাউন্টারমেজারস হেডকোয়ার্টার্সের একটি সভায় স্থানীয় সংস্থাগুলিকে হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির বিস্তার রোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি ইউন সুক-ইওলকে ঘটনার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

খবর: এনবিসি নিউজ।


আরও খবর



যাবজ্জীবন কারাদন্ড আসামী মামুন রৌমারী থেকে গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:ঢাকার আশুলিয়ায় কান্তা বিউটি পার্লারের মালিক মার্জিয়া কান্তাকে (২৬) তার স্বামী কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল কক্ষে গলা টিপে হত্যার ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মামুনকে আটক করেছে রৌমারী থানা পুলিশ। গত ২৬ জুন বুধবার সহকারী পুলিশ সুপার মমিনুল ইসলাম ও রৌমারী থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ হিল জামান ও মুশাহেদ খান পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রৌমারী থানা, কুড়িগ্রামের নেতৃত্বে রৌমারী থানাধীন ৪ নং রৌমারী ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্তবর্তী রতনপুর এলাকা হইতে এসআই জুয়েল আলী সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় অত্যন্ত সাহসিকতা ও দক্ষতার সহিত সু-কৌশলে ঝুকিপুর্ন ভাবে নরসিংদী এর বেলাবো থানার এফআইআর নং-৯, ৩১ জানুয়ারী ২০১৯ জিআর নং-৯ ৩১ জানুয়ারী ২০১৯ ধারা-১১ (ক)/৮/৩০-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩, জিআর ৯(১) ১৯, প্রসেস-২১৫/২৪ (কুড়িগ্রাম) সংক্রান্ত যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ সাজাপ্রাপ্ত দন্ডিত আসামী রৌমারী সীমান্ত এলাকা রতনপুর গ্রামের শাহিনুর ইসলাম এর পুত্র মামুন মিয়াকে আটক করে কুড়িগ্রাম বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করেছেন রৌমারী থানা পুলিশ। 

উল্লেখ্য যে, ঢাকার আশুলিয়ায় কান্তার বিউটি পার্লারের মালিক মার্জিয়া কান্তাকে (২৬) তার স্বামী কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল কক্ষে গলা টিপে হত্যা করে। আর পুলিশি ঝামেলা এড়াতে কান্তার লাশ বস্তায় ভরে সাগরে ভাসিয়ে দেয় হোটেল কর্তৃপক্ষ।

কান্তা হত্যার প্রায় দুই বছর পর পিবিআইয়ের তদন্তে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। স্বামী ও তার এক সহযোগী কান্তাকে নিয়ে ওই হোটেলে পর্যটক হিসেবে ওঠার পর কোন এক সময় তাকে হত্যা করে পলিথিনে লাশ মুড়িয়ে খাটের নিচে রেখে দুই খুনি পালিয়ে যায়। এরপর হোটেল কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তারা ঝামেলা এড়াতে রাতের অন্ধকারে কান্তার লাশ বস্তায় ভরে মোটর সাইকেলের পেছনে তুলে নিয়ে সাগরে ভাসিয়ে দেয়। এভাবে ঘটনাটি আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষের ধামাচাপা দেবার অপচেষ্টা এবং খুনিরা এতদিন ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকলেও পিবিআইয়ের তদন্তে বিস্তারিত বেরিয়ে এসেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নরসিংদী জেলার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ইন্সপেক্টর মো. মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, বেলাবো থানার নরসিংদী জেলার সোহরাব হোসেন রতনের মেয়ে মার্জিয়া আক্তার কান্তা ঢাকার আশুলিয়ায় বিউটি পার্লারের ব্যবসা করতেন। সেখানে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীর শহিদুল ইসলাম সাগরের সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে দুই লাখ টাকার কাবিননামায় তাদের বিয়ে হয়।

বিয়ের কিছুদিন পর মার্জিয়া কান্তা জানতে পারেন তার স্বামী শহিদুল ইসলাম সাগরের আরও এক স্ত্রী রয়েছে। বিষয়টি গোপন করে তাকে বিয়ে করায় সহজে মেনে নিতে পারছিলেন না কান্তা। এ নিয়ে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসে স্বামী শহিদুল ইসলাম সাগরকে প্রতারক লম্পট হিসেবে তুলে ধরাই কাল হয় কান্তার জীবনে।

এ ঘটনায় কৌশলের আশ্রয় নেন স্বামী শহিদুল ইসলাম সাগর। ভালবাসার অভিনয় করে ভারতে বেড়াতে নিয়ে যাবার কথা বলে দ্বিতীয় স্ত্রী মার্জিয়া কান্তার মন জয়ের চেষ্টা করে সফলও হন স্বামী সাগর।

এরপর ২০১৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আশুলিয়া থেকে স্বামী-স্ত্রী প্রথমে শরীয়তপুরে আবাসিক হোটেল নূর ইন্টারন্যাশনালে এসে রাত কাটান। সেখানে স্বামী শহিদুলের মামাতো ভাই মামুন এসে তাদের সঙ্গে যুক্ত হন। এর পরদিন তারা শরীয়তপুর থেকে কুয়াকাটার উদ্দেশে এসে আবাসিক হোটেল আল-মদিনার বি-১ নং কক্ষে ওঠেন। কোনো এক সময় কান্তাকে গলা টিপে হত্যা করে পলিথিনে লাশ মুড়িয়ে খাটের নিচে রেখে তারা দুজন পালিয়ে যান।

২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে ওই হোটেলকক্ষে তালা ঝুলতে দেখে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় হোটেল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে মহিপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে কান্তার ব্যবহৃত জামাকাপড় জব্দ করে নিয়ে গেলেও খাটের নিচে লাশ থাকার বিষয়টি তাদের নজরে আসেনি।

এর দু’দিন পর ওই কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হলে হোটেল ম্যানেজার আমির এবং হোটেল বয় সাইফুলের নজরে লাশটি এলে তারা হোটেল মালিক দেলোয়ারকে জানান। এরপর দেলোয়ার, তার ছোট ভাই আনোয়ার, ম্যানেজার আমির ও বয় সাইফুল চারজনে মিলে হত্যার আলামত নষ্ট করে লাশ গুমের সিদ্ধান্তনেয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী রাত এগারোটার দিকে বস্তায় ভরে মোটরসাইকেলের পেছনে তুলে দেলোয়ার ও আনোয়ার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে লেম্বুচর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে গলা সমান সাগরের পানিতে নেমে লাশ ভাসিয়ে দিয়ে দুইভাই হোটেলে ফিরে আসেন। এরপর তারা এ বিষয়টি নিয়ে আর কোথাও মুখ খোলেনি।

এ ঘটনার প্রায় একবছর পর নরসিংদী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে স্বামী শহিদুল ইসলাম সাগরসহ তার পরিবারের পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মার্জিয়া কান্তার বাবা সোহরাব হোসেন রতন বাদী হয়ে গত ৩১ জানুয়ারি ২০১৯ হত্যা করে লাশ গুমের মামলা দায়ের করে।

মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে নরসিংদীর বেলাবো থানায় এজাহার হিসেবে গণ্য করে তদন্তের নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে পিবিআই মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে। অভিযুক্ত স্বামী শহিদুল ইসলাম সাগরকে গ্রেফতারের পর তদন্তের হালে পানি পায়। এরপর সহযোগী অপর খুনি মামাতো ভাই মামুন পিবিআইর জালে চলতি বছর ১ সেপ্টেম্বর ধরা পড়লে তদন্তে আরও গতি পায়।

মামুনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে নিয়ে পিবিআই কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল আল-মদিনায় বৃহস্পতিবার অভিযানে গেলে খুব সহজেই হোটেল মালিক দোলোয়ার ও তার ছোট ভাই আনোয়ার এবং হোটেল ম্যানেজার এবং বয় মার্জিয়া কান্তার লাশ গুমের সত্যতা স্বীকার করলে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এরপর কুয়াকাটা থেকে তাদের চারজনকে নরসিংদী নিয়ে যায় পিবিআই।

মামলার তদন্তের বিস্তারিত অগ্রগতি তুলে ধরে পিবিআই তাদের নরসিংদী কার্যালয়ে শনিবার বিকালে একটি সংবাদ সম্মেলন করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকান্ড ও লাশ গুমের সত্যতা স্বীকার করেছে বলে এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নরসিংদী পিবিআইর পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করার কথা জানান।

মহিপুর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, হোটেলে অবস্থানকারীরা ভাড়া পরিশোধ না করেই তাদের ব্যবহৃত কিছু জামাকাপড় রেখে পালিয়েছে মর্মে হোটেল আলমদিনার পক্ষ  থেকে পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ওইসব ব্যবহৃত জামাকাপড় তখন জব্দ করে থানায় রাখে। পরবর্তীতে খাটের নিচে লাশ পাওয়ার বিষয়টি পুলিশকে না জানিয়ে হোটেল মালিক ও কর্মচারীরা আলামত নষ্ট করে লাশ গুম করে।

এ ঘটনার প্রায় একবছর পর নরসিংদী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে স্বামী শহিদুল ইসলাম সাগরসহ তার পরিবারের পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মার্জিয়া কান্তার বাবা সোহরাব হোসেন রতন বাদী হয়ে গত ৩১ জানুয়ারি ২০১৯ হত্যা করে লাশ গুমের মামলা দায়ের করে।


আরও খবর



বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির এলাকায় ক্ষতিপূরণের নামে হয়রানীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৩৭জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের ১০হাজার ৪শত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের ক্ষতিপূরণের নামে হয়রানীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

গতকাল সোমবার সকাল ১১টায় বড়পুকুরিয়া বাজারে জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটির আয়োজনে এক বিশাল মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধনের বক্তব্য রাখেন জীনব ও সম্পদ রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা হামিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ রেওয়ানুল হক ও মোঃ লিয়াকত আলী।

জীনব ও সম্পদ রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা হামিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ রেওয়ানুল হক তিনি তার বক্তেব্যে বলেন, হামিদপুর ইউপির যে সমস্ত জনগনেরা কয়লাখনির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আমি তাদের দ্রুত ক্ষতিপূরন দেওয়ার দাবী জানাচ্ছি। আমার জনগনের ভোগান্তি আমার ভোগান্তি। জনগনের ন্যায দাবী আদায়ে আমি তাদের সঙ্গে আছি। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করতে দেশরতœ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

মানবন্ধনে তিনি আরও বলেন, কয়লা খনি হওয়ার কারণে প্রায় ১যুগ ধরে এই এলাকার ১২টি গ্রামের ১০ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলি সার্ভে করার পরেও ক্ষনি কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণ দিব দিচ্ছি করে টালবাহানা করছে। এখন পর্যন্ত কোন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে না। ইতি মধ্যে ১২টি গ্রামের কয়েশ শত ঘরে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। 

এ বিষয়ে খনি কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। তারা এখন পর্যন্ত এলাকায় ঘুরে সবগ্রাম গুলির কি পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা সঠিক ভাবে তদন্ত করছে না। তারা দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসকেও অবগত করা হয়েছে। 

মানববন্ধনে জীবন ও সম্পদ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে রাতের বেলা ঘুমাতে পারি না। প্রচন্ড ঝাকুনি ও কাপুনি হয়। ইতি মধ্যে কাজীপাড়া, বাঁশপুকুর, মথুরাপুর, বৈদ্যনাথপুর, শিবকৃষ্ণপুর, পাতিগ্রাম, পাঁচঘরিয়া, চৌহাটি, কালুপাড়া, গোপালপাড়া, কাশিয়া ডাঙ্গা ও বৈগ্রাম এই ১২টি গ্রামে ১০ হাজার পরিবার ক্ষতিপূণের দাবীতে অধিকার আদায়ে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে ন্যায পাওনার দাবী করছি। আমাদের এই আন্দোলনে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কর্তৃপক্ষ ১৫ দিনের মধ্যে দাবী মেনে না নিলে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ঘেরাও করা হবে কয়লাখনির গেট। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ চুক্তি অনুযায়ী এলাকার আন্দোলনকারীদের সাথে প্রতারণা করেছে। মানবন্ধনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের ৬ দফা দাবীর মধ্যে রয়েছে ১. সার্ভেকৃত বসতবাড়ীর ক্ষতিপূরণের টাকা দ্রুত প্রদান করতে হবে। ২. মসজিদ, কবরস্থান সহ অধিগ্রহনকৃত জমির বকেয়া টাকা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। ৩. জনসাধারণের চলাচলের জন্য বৈদ্যনাথপুর হতে বৈগ্রাম পর্যন্ত রাস্তাটি পূর্বের ন্যায় পাকা করে দিতে হবে। ৪. সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় যোগ্যতা অনুযায়ী ঘর ঘর চাকুরী দিতে হবে। ৫. কয়লা খনি কর্তৃক সৃষ্ট পানিয় জলের সংকট দ্রুত নিরোশন করতে হবে। ৬. অত্যন্ত ঝুকিপূর্ন বা বসবাসের অওযাগ্য বসতবাড়ী ও স্থাপনার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি মোঃ রুহুল আমিন, ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান, ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের, ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম, মোঃ মতিয়ার রহমান সহ অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এই বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সার্ভে কমিটি তৈরি করা হয়েছে কমিটি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় গিয়ে তালিকা তৈরি করছে। তালিকা চূড়ান্ত করে অতি দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



রৌমারীতে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ওসি তদন্ত সহ ২ জনের বদলি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সাংবাদিক আনিছুর রহমান এর ওপর মাদক কারবারিদের হামলা বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ ঘুষ দাবি করেন। এ ঘটনায় খোঁজখবর নিতে থানায় গেলে তিন পুলিশ কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন সাখা নামের আরেক সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনায় সোমবার (১জুলাই) অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য রৌমারী থানার ওসি (তদন্ত) মুশাহেদ খানকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় রৌমারী থানার এসআই আনছুর আলীকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয়।

লাঞ্ছিতের শিকার ওই সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন সাখা পুলিশ সুপার বরাবর রৌমারী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুশাহেদ খান, এসআই আনছুর আলী, এএসআই শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন । 

অভিযোগের এক পর্যায়ে এসআই আনছুর আলীকে পুলিশ লাইন্সে ক্লোজ করা হয় এবং অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মমিনুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি গত ৯ই মে রৌমারী সার্কেল অফিসে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান। 

এদিকে অভিযুক্ত সেই ৩ পুলিশ কর্মকর্তা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের মাধ্যমে বিষয়টি সমঝোতা করার চেষ্টা চালান। সমঝোতায় রাজী না হওয়ায় সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন সাখাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন অভিযুক্তরা।

এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিক সাখাওয়াত হোসেন সাখা গত ২৭ জুন পুলিশ সুপার বরাবর আবারও লিখিত আবেদন করেন। অবশেষে পুলিশ সুপার সেই বিতর্কিত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুশাহেদ খানকে কুড়িগ্রাম সদর থানায় বদলি করেন। লাঞ্ছিত সাংবাদিক অভিযোগ করেন। দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করলেও অপর সহযোগী অভিযুক্ত এএসআই শফিকুল ইসলাম বহাল তবিয়তে রয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, গত ২ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে তারাবি নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে যাদুরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সবুজের নেতৃত্বে স্থানীয় মাদক কারবারিরা সাংবাদিক আনিছুর রহমানের ওপর হামলা চালান। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার রাতেই ওই সাংবাদিক বাদী হয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে এসআই আনছুর আলী মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন। ওই এসআই বলেন, “যখন আপনে পাম (ঘুষ) দিবেন তখন আমি ফুলবো (কাজ করা), আর পাম না দিলে ঝিমায়ে থাকবো, এটা সংক্ষেপে বুঝে নিয়েন। আসামি ধরতে চিপা-চাপায় যাইতে হইবো, উপরেও কিছু দিতে হইবো।” নির্যাতিত সাংবাদিক আনিছুর রহমান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।’ এসংক্রান্তে খোঁজখবরসহ তথ্য সংগ্রহ করতে থানায় গেলে সাখাওয়াত হোসেন সাখা নামের আরেক সাংবাদিক লাঞ্ছিত হন। 

সহকারী পুলিশ সুপার  (রৌমারী সার্কেল) বলেন, তদন্তের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খুব শীঘ্রই প্রতিবেদন দাখিল  করা হবে। 

কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার আল আসাদ মাহফুজুর রহমান সাংবাদিককে বলেন, এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



মহাদেবপুর সড়কে আরসিসি ঢালাই কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা,নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মহাদেবপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সড়কের প্রশস্তকরণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা সদরের বক চত্বর এলাকায় পুর্বের পিচঢালা পাকা সড়কের ওপর আর আরসিসি ঢালায়ের সড়কের নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েকদিন আগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওই এলাকায় পাকা সড়কের ওপর আর আরসিসি ঢালাই সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন।

সারাদেশের মতো সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক পূণ:নির্মাণসহ প্রশস্তকরণ এবং আর আরসিসি সড়কের নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ নওগাঁ জেলা সদর থেকে আত্রাই, বদলগাছী ও মহাদেবপুর এবং মান্দা থেকে নিয়ামতপুর উপজেলার ছয়টি সড়কে মোট ১৪টি প্যাকেজে ১ হাজার ১শ’ ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। মহাদেবপুর অংশে ব্যয় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১শ’ ২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে নওগাঁ-মহাদেবপুর-পত্নীতলা সড়কের চৌমাসিয়া নওহাটা মোড় থেকে আখেড়া পর্যন্ত, আখেড়া থেকে কালুশহর মোড় পর্যন্ত এবং কালুশহর মোড় থেকে পত্নীতলা বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত প্রতি প্যাকেজে ৯ থেকে ১০ কিলোমিটার। এছাড়া মহাদেবপুর উপজেলা সদরের মাছের মোড় থেকে ছাতুনতলী নতুনহাট পর্যন্ত ০ থেকে ৯ কিলোমিটার।

ইতিমধ্যে এসব প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ শেষ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ প্যাকেজ মাছের মোড় থেকে ছাতুনতলী নতুন হাট পর্যন্ত সড়ক হবে ১৮ ফুট চওড়া এবং বাজার এলাকায় হবে ২৪ ফুট আরসিসি ঢালাই। এসব সড়কে প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন ব্রিজ ও কালভার্টও নির্মাণ করা হবে। এ প্যাকেজের বিভিন্ন অংশে পুর্বের পাকা সড়ক উঠিয়ে সেখানে মাটি ভরাট, বালি খোয়ার সোলিং দিয়ে কম্প্যাক করার পরে তার উপর আরসিসি ঢালাই দেওয়া হলেও উপজেলা শহরের বক চত্বর এলাকায় পুর্বের পাকা সড়কের ওপর আরসিসি ঢালাই দেওয়া শুরু করেছে। বক চত্বর এলাকায় পুর্বের পাকা সড়ক না উঠিয়ে তার উপর আরসিসি ঢালাই দেওয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে উপজেলা শহরের এ স্থানে পানি নিস্কাশনের তেমন কোন ব্যবস্থা না থাকায় একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের উপর পানি জমা হয়ে থাকে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় মাছের মোড় থেকে বকের মোড় হয়ে নতুন ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দকের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি আমলে না নিয়ে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে পুরোনো পাকা সড়কের ওপর আরসিসি ঢালাই কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করছেন। এসব নিয়ে সচেতন মহলে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সিডিউল মেনেই এ সড়কের সিসি ঢালাই কাজ করা হচ্ছে দাবি করে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নওগাঁর পত্নীতলা উপ-কার্যালয়ের উপ-সহকারি প্রকৌশলী নুর আহমেদ বলেন, ওই এলাকার সড়কের থিকনেস ভালো থাকাসহ পানি নিস্কাশনের চেম্বার থাকায় পুরোনো পাকা সড়ক উঠানোর প্রয়োজন হচ্ছেনা। তবে একই প্যাকেজের সিডিউলে দুই ধরনের কাজ হতে পারে কি এমন প্রশ্নে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রানাকে ফুলেল সংবর্ধনা

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image
মুনিরুজ্জামান নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি:বগুড়ার নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানাকে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কক্ষে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। 

সেসময় উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা, সহসভাপতি মিনহাজুর রহমান হাবিব, একাব্বর হোসেন পুটু, সাধারণ সম্পাদক মুনিরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বেনজির, দপ্তর সম্পাদক অদ্বৈত কুমার আকাশ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জিল্লুর রহমান রয়েল, অর্থ সম্পাদক জোবায়ের হোসেন রানা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক টিপু সুলতান, কার্যনির্বাহী সদস্য অসিম কুমার রায় ও সোহেল বিশ্বাস প্রমুখ। 

এরপর তার সাথে নন্দীগ্রাম উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের সেবামূলক কাজ নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর