Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

ডিএনসিসির সব রাস্তা ও ফুটপাতে গাছ লাগানো হবে: মেয়র আতিকুল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩২৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সব রাস্তা ও ফুটপাতে গাছ লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মেয়র আনিসুল হক সড়কে ডিএনসিসি এলাকায় ২ লাখ গাছ লাগানোর কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে শুরুতেই মেয়র আতিকুল ইসলাম অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব, নগর পরিকল্পনাবিদ আখতার হামিদ, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী প্রমুখ।

উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র বলেন, ‘ডিএনসিসি এলাকার সব রাস্তা ও ফুটপাতে গাছ লাগানো হবে। কোনো জায়গা খালি রাখতে চাই না। ফুটপাতে ছাতিম, বকুল, কাঠবাদাম, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, সড়কের মিডিয়ানে কাঁটা মেহেদী, রঙ্গন, করবী ও বাগান বিলাস, বামন জারুল, রসকাউ লাগানো হবে। আর আমাদের খালের পাশে বিভিন্ন ধরনের ফলজ গাছ, আম, জাম, কাঁঠাল ও ওষুধি গাছ লাগাব।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘নগরে কোনোপাখি নাই। আমরা বন বিভাগের সাথে আলাপ আলোচনা করে রসকাউ লাগাচ্ছি। রসকাউ ফলটা পাখিদের খুবই প্রিয়। ক্লিনিং, গ্রিনিং ও ফিডিং এই তিনটিকে বিবেচনায় নিয়ে গাছ লাগানো হবে।

তিনি বলেন, ‘সবুজে বাস, বারো মাস এই স্লোগানের মাধ্যমে আমারা আজকে বৃক্ষরোপণ শুরু করলাম। আমি নগরবাসীকে আহ্বান করছি যার যার বাড়ির সামনে ফাঁকা জায়গায় গাছ লাগাবেন। আমি রাজউকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই- ‘‘প্রতিটি বাড়িতে এক কাঠায় অন্তত একটি গাছ’’ এটি যেন রাজউক অবিলম্বে বাস্তবায়ন করে।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘গাছ লাগানো অনেক সহজ কিন্তু গাছ বাঁচানো অনেক কঠিন। গাছকে লালন-পালন করা অনেক কঠিন। তাই গাছকে আমরা লালনের জন্য এই প্রথমবারের মতো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ১০০ জন মালি নিয়োগ দিবে। একেক জন মালিকে ১ কিলোমিটারের দায়িত্ব দেওয়া হবে। এক কিলোমিটারের মধ্যে যত গাছ আছে সেসব গাছের রিপোর্ট তারা আমাদেরকে দেবেন। আমরা একটি জিআইএস ম্যাপ তৈরি করেছি। যেটির মাধ্যমে জায়গা নির্বাচন, গাছ মনিটরিং এগুলো করা হবে।

মেয়র বলেন, ‘সিটি করপোরেশন নিজেদের ইচ্ছা মতো কোন গাছ লাগাচ্ছে না। প্রত্যেকটি গাছ বন বিভাগ, পরিবেশবাদী ও নগর পরিকল্পনাবিদের পরামর্শ নিয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। আমরা যে গাছগুলো লাগাচ্ছি সেই গাছগুলোর মাধ্যমে বায়ুদূষণ কমে যাবে, এক্সট্রিম হিট কমবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, ঢাকা সামাজিক বন অঞ্চলের বন সংরক্ষক আর এস এম মনিরুল ইসলাম, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মঈনুদ্দিন খান প্রমুখ।


আরও খবর



আইসক্রিম বিক্রি করেই চলে যার সংসার

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:উত্তর জনপদের জেলা নওগাঁ। এ জেলার আত্রাই  উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, রেলস্টেশন ও বিভিন্ন গ্রামের অলিগলি ঘুরে ঘুরে আইসক্রিম  বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন আমজাদ হোসেন।  

আমজাদ হোসেন আত্রাই উপজেলার ক্যাশবপাড়া গ্রামের বাসিন্দা । 

কড়া রোদ, তার ওপর ভ্যাপসা গরম। দুইয়ে মিলে যায়যায় অবস্থা। ঘর থেকে বের হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘামে ভিজে যায় কাপড়। এ অবস্থায় সামান্য স্বস্তি খোঁজতে মরিয়া আত্রাইবাসী। অনেকেই তীব্র গরম থেকে বাঁচতে বেচে নেন ঠান্ডা কোমল পানীয়। আবার অনেকের ভরসা আইসক্রিম। তাই প্রত্যেক বছর মার্চের শুরু থেকে বেড়ে যায় আইসক্রিমের চাহিদা। ব্যতিক্রম হয়নি এবারও। 

রবিবার দুপুরে উপজেলার ভবানীপুর বাজারে দেখা মেলে আমজাদ হোসেনের সাথে, আলাপচারিতায় তিনি জানান, শীত, গরম, রোদ, বৃষ্টি যাই হোক না কেন তাকে আইসক্রিম বিক্রি করতে যেতেই হবে। তানা হলে সংসার চলবে কি করে? এক প্রশ্নের জবাবে আমজাদ হোসেন বলেন, আমি নিজের তৈরি করি আইসক্রিম এতে দুধ, চিনি, এলাচ, বাদাম, কিসমিচ আর গরম মসলার মিশ্রণে  তৈরি হয় আইসক্রিম। স্বাদের সঙ্গে সুঘ্রাণেরও যে নিবিড় একটা সম্পর্ক আছে, সেটা তুলার মতো নরম আইসক্রিমে কামড় দিয়ে স্বাধ নিতে পারেন যে কেউ। তাই শীত, গরম মৌসুমেও আমজাদ হোসেনের আইসক্রিম বেশ জনপ্রিয়।

তিনি আরও বলেন, গত ৩৭ বছর ধরে আইসক্রিম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছি। সারা বছর আইসক্রিম বিক্রি করলেও শীত মৌসুমে বিক্রি কম হয়।

আইসক্রিম কিনতে আসা জাকির হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, যখন স্কুলে পড়তাম প্রতিদিন বাবা-মায়ের কাছে বায়না করতাম আইসক্রিম খাওয়ার জন্য। স্কুলের সামনে বসতো আইসক্রিম ওয়ালা ওখান থেকে অনেক আইসক্রিম খাওয়া হয়েছে তবে এখন আর আইসক্রিম  কেনা হয় না। এখন আগের মতো আইসক্রিম বিক্রিতাদের রাস্তা-ঘাটে দেখাও যায় না।

শ্রীরামপুর গ্রামের নাঈম বিল্লাহ নামে এক যুবক বলেন, গরিব হলেও আমজাদ হোসেন খুব সৎ মানুষ। কষ্ট করলেও তার মুখে সবসময় হাসি লেগেই থাকে। সবসময় পরিপাটি থাকা মিষ্টভাষী এই মানুষটি কখনও কারও ক্ষতি করেন না। তাই এলাকার মানুষও তাকে খুব পছন্দ করেন, ভালোবাসেন।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে ইটের ট্রাক্টর উল্টে এক শ্রমিক নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ইটভর্তি ট্রাক্টর উল্টে ফারুক হোসাইন নামে এক শ্রমিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (৮জুন) উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় এ দূর ঘটনা ঘটে। নিহত ফারুক একই ইউনিয়নের নুনতোর এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, একতা ইটভাটা থেকে ট্রাকে করে ইট নিয়ে যাচ্ছিল কাশিপুর এলাকার ঝাবোরটলা এলাকায়। পথিমধ্যে কাশিপুর বটতলা এলাকায় পানির স্তুপের রাস্তায় গাড়ীর চাঁকা বসে পড়লে ট্রাক্টরটি পাল্টি খায়। ইটের উপরের বসে ছিল শ্রমিক ফারুক। ট্রাক্টর পাল্টি খাওয়ার সময় ইট ও ফারুক একসাথে গড়িয়ে পড়লে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জয়ন্ত কুমার সাহা মুঠোফোনে বলেন, ট্রাক্টর উল্টে একজন শ্রমিক নিহত হয়েছে। ওই শ্রমিকের মরদেহ বর্তমানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

আরও খবর



সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রতিনিয়ত বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় জেলার সীমান্ত উপজেলাগুলোর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মঙ্গলবার ১৮ জুন সকাল থেকে সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ প‌য়েন্টের বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ও ছাতক পয়েন্ট ১৩৭ সেন্টিমিটার ওপ‌র দিয়ে প্রবাহিত হ‌চ্ছে।

সুরমা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে সুনামগঞ্জের পৌরশহরের পশ্চিম তেঘিরয়া, সাহেববাড়ি ঘাট, পশ্চিম বাজার, মাছবাজার, কাজির পয়েন্ট, ষোলঘর পয়েন্ট, নবীনগরসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করেছে।

এছাড়াও জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর ও তা‌হিরপুর উপ‌জেলার অন্তত শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। জেলার শতা‌ধিক অভ্যন্তরীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ প‌ড়েছেন বা‌সিন্দারা।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বৃ‌ষ্টিপাত আরও ৪৮ ঘণ্টা অব‌্যাহত থাক‌বে এবং নিম্নাঞ্চলেও বন‌্যা প‌রি‌স্থি‌তি সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে।

এদিকে, বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বেশকিছু পরিবার এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। এছাড়াও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার বিভিন্ন উপজেলার অসংখ্য মানুষ। তবে সোমবার বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমায় সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতাও কমতে শুরু করেছে।

পাউবো সিলেটের তথ্যমতে, কুশিয়ারা নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আমলশীদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। এই নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে ৭৯ সেন্টিমিটারে পৌঁছায়। সারি নদীর পানি সারিঘাট পয়েন্টে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপরে ছিল। সারিগোয়াইন নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও সারি, সারিগোয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাইসহ সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে বৃষ্টি হয়েছে ১৫৩ মিলিমিটার। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৪ মিলিমিটার। অন্যদিকে, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।


আরও খবর



দেশ ছেড়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৭১জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার,স্টাফ রিপোর্টার: ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের বিপুল সম্পদের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দেশজুড়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ঈদুল আজহার ছুটি শেষে তার সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করতে পারে দুদক।

এদিকে এরইমধ্যে আছাদুজ্জামান সস্ত্রীক দেশ ছেড়েছেন। গেল সপ্তাহে তারা আমেরিকায় গেছেন। আছাদুজ্জামান দেশটিতে বিভিন্ন সম্পত্তি গড়েছেন। বিনিয়োগ করেছেন বিভিন্ন খাতে। এছাড়া সেখানে তাদের ছোট ছেলে আসিফ মাহাদীন পড়াশুনা করেন।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান নিজ নামে, স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাত, আসিফ মাহদীন ও মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার নামে দেশে প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়িসহ বিভিন্ন সম্পত্তি গড়ার পাশাপাশি আমেরিকাসহ কয়েকটি দেশেও বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ করেছেন।

সম্প্রতি, সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা আছাদুজ্জামানের দুর্নীতিলব্ধ আয়ে গড়া নানা সম্পত্তির খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। আছাদুজ্জামান তা বুঝতে পেরেই আগেভাগে গা ঢাকা দেন। একপর্যায়ে গেল সপ্তাহে সস্ত্রীক আমেরিকায় চলে যান।

এদিকে গণমাধ্যমে আছাদুজ্জামানের দুর্নীতির খবর আসার পর নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঈদুল আজহার ছুটির পর তার বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত নিতে পারে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

দুদক কমিশনার জহুরুল হক গণমাধ্যমকে বলেছেন, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের তথ্য প্রকাশের খবর তাঁর নজরে আসেনি।... যদি সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়, তাহলে দুদক ব্যবস্থা নেবে।

জানা যায়, আছাদুজ্জামান মিয়ার সম্পদের বাড়াবাড়ির বিষয়টি বেশ কয়েক বছর আগে নজরে এসেছিল দুদকের। শুরু হয় অনুসন্ধানও। তবে তা খুব একটা এগোয়নি। অনুসন্ধান না আগানোর পেছনে কারণও খুব একটা স্পষ্ট নয়।

তবে সংস্থাটির আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলছেন, ছুটির পর অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। আস্থা নিয়ে পুলিশের উচ্চ পদে আসীনদের এমন কর্মকাণ্ডে, বাহিনীটিতে শুদ্ধি অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন এ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

‘মিয়া সাহেবের যত সম্পদ’ নামে দৈনিক মানবজমিন একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর নতুন করে শিরোনামে এলেন আসাদুজ্জামান মিয়া। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সম্পদের পাহাড়। অনেক সম্পদের নথি ধরে সরজমিনে সেসবের সত্যতা মিলেছে।

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাজনৈতিক আশীর্বাদ ছাড়া এ ধরনের দুর্বৃত্তায়ন সম্ভব নয়। একদিকে প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ অবস্থান অপরদিকে রাজনৈতিক আশীর্বাদ একত্রিত হয়ে তাদের দুর্নীতি এবং অসামঞ্জস্য আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আইনের সুরক্ষার পরিবর্তে ভক্ষক হয়ে গেছেন। তারা অপরাধ নিয়ন্ত্রক। তার মানে তারা জানেন কোন অপরাধ কীভাবে করতে হয়। এটা জেনে বুঝেই করেছেন ‘

‘তারা যে অসামঞ্জস্য অপরাধগুলো করেছেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু এক ধরনের সহযোগী আছে। তাদের অনেকেই হয়তো জেনে বা না জেনে অংশীদার হয়েছেন। এ অবস্থায় সব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা ছাড়া অন্য কোনো ম্যাজিক বুলেট নেই।’

আরও খবর



নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর গ্রাম্য মাতব্বর হত্যাকান্ডে দুই যুবক গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁ সদরে চাঞ্চল্যকর গ্রাম্য মাতব্বর হত্যাকান্ডের ঘটনায় নওগাঁ পৌরসভার দপ্তরীপাড়া থেকে ঘটনার সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ।  

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের মৃত আবদুস সামাদের ছেলে সুজাত আলী (৩২) ও রঘুনাথপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান (২৮)।দুপুরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানায় পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০ দিকে বিলভবানীপুর শুকুরের মোড় হতে নাজিম উদ্দিন মোটরসাইকেল নিয়ে বিলভবানীপুর মৎসজীবি পাড়ায় একলাসের বাড়িতে স্থানীয় শালিস দরবার করার জন্য যান। শালিস দরবার শেষে রাত আনুমানিক পৌনে ১২ টার দিকে বাড়ি ফেরার সময় বাড়ির প্রবেশ পথে অজ্ঞাতনামা অপরাধীরা ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে আত্মীয় স্বজনরা ভ্যানযোগে নওগাঁ হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাস্থল একাধিকবার পরির্দশন ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অপরাধীদের বিষয়ে সাম্যক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। নিরবিচ্ছিন্ন তদন্তে তৎপর থেকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে এসআই বদরুদ্দোজা জিমেল অপরাধীদের সনাক্তের পর তাদের অবস্থান সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে এসআই আব্দুল্লাহ মামুন, পিএসআই  তানসিন আহমেদ, এএসআই বিল্লাল আহমেদ এবং কং/ রিপন হোসেনের সহযোগিতায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। 

পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাণীনগর উপজেলার ভবানীপুর ব্রীজের উত্তরে ছোট যমুনা নদী থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, এলাকা থেকে হাতুড়ি এবং আসামিদের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।উল্লেখ্য,  নওগাঁর সদর উপজেলায় নিজ বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নাজিম উদ্দিন ফকির (৫৮) নামে এক ব্যক্তি হত্যাকান্ডের শিকার হন।  সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। 

নিহত নাজিম উদ্দিন ফকির সদর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বিলভবানীপুর গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিন ফকিরের ছেলে।


আরও খবর