Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

ধনবাড়ীতে সরিষার সুফলে লাভ জনক কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা

প্রকাশিত:Tuesday ২৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২৩২জন দেখেছেন
Image


আবুল হোসেন আকাশ (টাঙ্গাইল,ধনবাড়ী)

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নের কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা উপজেলার কৃষি অফিস থেকে একটি প্রকল্প  দিয়েছে  কৃষিক পর যায় উন্নত জাতের একটি ডাল তৈল ও মশলা  প্রকল্পটির  মাধ্যমে  তিন একর জমিতে সরিষা চাষ করেন ।  


কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা জানান প্রথম আমাকে  উপজেলা-কৃষি-অফিস থেকে এক একর জমি চাষ করার জন্য  সার বীজ এবং কিছু অর্থ দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করে  এতে আমি অনেক লাভ বান হই। আর ৫০০ কেজি সরিষা বীজ  উৎপাদন করি  ।


আবারো আমি  দুই একর জমিতে সরিষা চাষ করি এতে আমার ১ এক হাজার কেজি  বীজ উৎপাদন করি  পরে লোক জনে জানজানি হয় যে আমি সরিষা  বারি সত্তেরো  বারি চৌদ্দো ,আমার এই সরিষা বীজ বিভিন্ন এলাকার মানুষ   নিয়ে সরিষা চাষ করে  অনেকেই  আজ লাভ বান হয়   । এবার আমি তিন একর জমিতে সরিষা চাষ করেছি। এতে আমার  প্রতি এক একর জমিতে ৫০০ কেজি সরিষা উৎপাদন হবে বলেস।


কৃষক তোতা তিন এবার ৩ একর জমিতে ১৫০০ শ কেজি থেকে ১৮০০শ কেজি সরিষা উৎপাদন হবে বলে আশা করেন কৃষক ছানোয়ার হোসেন তোতা । তিনি বলেন, সরিষা আবাদে খরচ কম ফলে অল্প খরচেই ও কম পরিশ্রমেই সরিষা আবাদ করা যায়।  । আমার নিজের জন্য কিছু বীজ রেখে আর সব বীজ আমি বিক্রয় করবো ।


আমি অনেক লাভমান হবো ,আমি উপজেলা  কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর এর সহযোগিতা না পেলে  আমি এতো লাভ ভান হতে পারতাম না  । মাননীয় কৃষি মন্ত্রীর ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি মহদোয় কৃষকদের প্রতি বিশেষ  অবদান রেখেছেন। ,


বর্তমানেমাননীয় প্রধান মন্রীর শেখ হাসিনার  নেতিত্বে আমরা কৃষিক যারা সার বীজ নগত  অর্থ সহ  অনেক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি  ।


আরও খবর



নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া ভোটে যাবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Tuesday ১০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আগামীতে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ নেবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।


রেজাউল করিম বলেন, ‘নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো তামাশার নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ নেবে না।’


মঙ্গলবার (১০ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে চরমোনাই পীর এ কথা জানিয়েছেন।


মুফতি রেজাউল করিম বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, কোনো দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। বিগত কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে এটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে।’


ইভিএমে ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে চরমোনাই পির বলেন, ‘ইভিএম আন্তর্জাতিকভাবে প্রত্যাখ্যাত। ইভিএমের মাধ্যমে সারাদেশে ভোট হবে, এ কথা প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন না। নির্বাচন কোন প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে, তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।


আরও খবর



অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ

আত্মসমর্পণের পর জামিন নামঞ্জুর প্রদীপের স্ত্রী চুমকির

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন টেকনাফ মডেল থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশের স্ত্রী চুমকি।


 সোমবার (২৩ মে) সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান তিনি।


শুনানি শেষে বিচারক তার আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।


দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মাহমুদুল হকের সহকারী অ্যাডভোকেট সাকিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



এছাড়া এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় আদালতে তদন্ত কর্মকর্তাকে আইনজীবীরা জেরা করেন বলে জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট সাকিব।


আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দুদক কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকি কারণের বিরুদ্ধে প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।



এর মধ্যে ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৫ হাজার ৬৩৫ টাকা ‘ওসি প্রদীপ’ ঘুস-দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন ও আরও ১৩ লাখ ১৩ হাজার ১৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা হয় বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের ২৬ জুলাই মো. রিয়াজ উদ্দিন ওই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।


গত ১ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্রের ওপর শুনানি হয়। গত ২৯ জুন দুপুরে চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ স্পেশাল জজ ও মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত প্রদীপ কুমার দাশের অবৈধ সম্পদ দেখভালের দায়িত্ব কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে দেন।


এর আগে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকি কারনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এ পর্যন্ত মামলায় ২৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।



আরও খবর



আমিরাতের আল আইন প্রবাসীদের সাথে মান্যবর রাষ্ট্রদূতের ইফতার মাহফিল

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৩৮জন দেখেছেন
Image

মোঃ শাজাহান খান,(আরব আমিরাত)

বাংলাদেশ দূতাবাস আবুধাবি  কর্তৃক  শুক্রবার মাহে পবিত্র রমজান উপলক্ষে    প্রবাসী বাংলাদেশীদের সম্মানে গ্রীন সিটি আল আইনে ৫ নম্বর সানাইয়া   আল আইন বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোহাম্মদ শফিক সাহেবর বিল্ডিং এ  ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। 


উক্ত  অনুষ্ঠানের  সভাপতিত্ব করেন উক্ত অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক বঙ্গবন্ধু পরিষদ আল আইন কেন্দ্রীয় কমিটির    সভাপতি  মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনের। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মোনাজাত করেন আল আইন বঙ্গবন্ধু পরিষদের যুগ্ম  সম্পাদক জনাব ফজলুল করিম মাসুদ হাজারী। ইফতার উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব আল আইন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আইয়ুবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবির বাংলাদেশ দূতাবাসের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ আবু  জাফর সাহেব।

 

বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ সালেহ আল কাসেমী,লেবার কাউন্সিলর আব্দুল আলীম মিয়া , লুৎফুন নাহার নাজিম (সচিব) মাজহারুল ইসলাম (তৃতীয় সচিব), বঙ্গবন্ধু পরিষদ আল আইন কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা  মোহাম্মদ শেখ ফরিদ আহমেদ সি,আই,পি।

 উত্তম কুমার হাওলাদার  সহ-সভাপতি জনাব জহিরুল ইসলাম,মোহাম্মদ রফিক 

, মোহাম্মদ আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, মোহাম্মদ মনির হক টুটুল, 


হাফেজ শফিকুল আলম মানিক,মোহাম্মদ করিম,

আল আইন আওয়ামীলীগ এর সম্মানিত সভাপতি জনাব কাসাউদ্দিন,বি,সি,সি,আল আইনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এ আর  মাকসুদ, ডাক্তার খান সি আই পি,  মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া সিআইপি, মোহাম্মদ আবু মনছুর,মোহাম্মদ সোলেয়মান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ শেখ আহম্মদ,আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইউসুফ,মোহাম্মদ মোরশেদ মোহাম্মদ ফরিদ তালুকদার, 

এতে সার্বিক তথ্যাবধানে  মোহাম্মদ ইয়াকুব,সেকান্দর সান,মোহাম্মদ ফজলুল করিম মাসুদ হাজারী, মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, আবুল খায়ের মিলন,

মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ টিপু, 

মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন। 

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নয়ন।, মোহাম্মদ সাহাজান,মোহাম্মদ হারুন,

মোহাম্মদ ইসলাম,মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ আকবর,মোহাম্মদ নিজাম, 

মোহাম্মদ জুয়েল, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মোহাম্মদ মহিউদ্দন 

মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ ইব্রাহিম,  মোহাম্মদ ফরিদ ও মোহাম্মদ জাহেদ সহ অনেকে।



আরও খবর



কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

মানুষের কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের সঙ্গে জড়িত ৭ দালালকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ।  


শনিবার (১৪ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়েছেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।


 গ্রেফতার দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন- কালাই উপজেলার থল গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে সাহারুল ইসলাম (৩৮), একই উপজেলার উলিপুর গ্রামের ফরিদুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন ওরফে চপল (৩১), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন (৫৪), ভেরেন্ডি গ্রামের জাহান আলীর ছেলে শাহারুল ইসলাম (৩৫), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে মোকাররম হোসেন (৫৩), দূর্গাপুর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাইদুল ইসলাম ফকির (৪৫) ও পাঁচবিবি উপজেলার গোড়না আবাসনের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪০)।  

  

পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাতে জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।


 


তিনি বলেন, দালালরা দীর্ঘদিন ধরে জয়পুরহাটের মাত্রাই ও উদয়পুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ, ঋণগ্রস্ত ও হতদরিদ্র মানুষদের ফুসলিয়ে টাকার লোভ এবং অল্প সময়ে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে নারী এবং পুরুষদের কিডনি বিক্রি করাতেন। এসব নিরীহ মানুষরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দালালদের খপ্পরে পরে প্রথমে ৪-৫ লাখ টাকার চুক্তিতে তাদের মূল্যবান কিডনি বিক্রি করে দেন।


পরে ভারত ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে তাদের কিডনি দিয়ে নামমাত্র চিকিৎসা নিয়ে যখন দেশে ফেরেন, তখন দালালরা বিমান বন্দরেই তাদের হাতে ১-২ লাখ টাকা ধরিয়ে দিয়ে সেখান থেকে বিদায় করেন।


পরবর্তীকালে কিডনি দাতারা নিজের অঙ্গ বিক্রি করে ঝুঁকি নিয়ে জীবন অতিবাহিত করলেও লাভবান হচ্ছেন এসব দালালরা।


আবার নিজের কিডনি বিক্রি করে প্রতারিত হয়ে নতুন করে দালাল বনে যাচ্ছেন কোনো কোনো কিডনি দাতারা।  


তিনি আরও জানান, গ্রেফতার দালালরা কিডনি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবদে স্বীকার করেছেন। কিডনি বেচাকেনা প্রতিরোধে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।  


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন, সদর সার্কেল মোসফেকুর রহমান, পাঁচবিবি সার্কেল ইশতিয়াক আলমসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।


জানা যায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫শ জনেরও বেশি অভাবী মানুষ তাদের শরীরের একটি করে কিডনি বিক্রি করেছেন। আর এসব ঘটনায় ১৫টি মামলায় এ পর্যন্ত ১২১ জনকে আসামি করা হলেও গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ৪৭ জন।   



আরও খবর



১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বিকেএসপিতে খাবার খেয়ে ১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ

প্রকাশিত:Saturday ১৪ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) কক্সবাজারের রামু আঞ্চলিক কেন্দ্রে খাবার খেয়ে ১৩ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।  তবে বর্তমানে তারা সবাই শঙ্কামুক্ত।


জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ মে) রাতের খাবার খাওয়ার পর থেকে ওই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে।


ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বিকেএসপির কক্সবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের উপ-পরিচালক আখিনুজ্জামান রুশু।


তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুরা এখানে আসছে। নতুন জায়গা আর আবহাওয়ায় খাপ খাইয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে।


হয়তো কোথাও না কোথাও সমস্যা  হয়েছে, যে কারণে ১০-১২ জন অসুস্থ হয়ে গেছে।


তিনি বলেন, অসুস্থ শিশুদের মধ্যে বেশির ভাগ সুস্থ হয়ে গেছে, চিকিৎসকেরা বলেছেন অন্যরাও শংকামুক্ত।


"আমরা ধারণা করছি, আবহাওয়াজনিত কারণে শিশুরা অসুস্থ হতে পারে। এছাড়াও ক্রিকেট ও ফুটবল খেলে এমন ৮০ জন শিক্ষার্থী অস্থায়ীভাবে আছে। " বলেন উপ-পরিচালক।


রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. নোবেল কুমার বড়ুয়া  বলেন, শুক্রবার রাত থেকে অসুস্থ শিশুরা হাসপাতালে আসা শুরু করে। শুক্রবার ও শনিবার দুইদিনে ১৩ শিশু ভর্তি হয়েছে। সেখান থেকে দুইজন সুস্থ হয়ে চলে গেছে। অন্যদের অবস্থাও শংকামুক্ত।



আরও খবর