Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ঢাকার বাদামতলী ঘাটে জমে উঠেছে আম-লিচুর বেচাকেনা

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১২৬জন দেখেছেন
Image


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ   

দেশী মৌসুমি ফলে ছেয়ে গেছে ঢাকা-মহানগরীর ফলবাজার। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে আম ও লিচু। পাশাপাশি রয়েছে আনারস, কলা, ডালিম, আনার মালটা, আপেলসহ বেশ কয়েকটি ফল।


আড়তদাররা বলছেন, ভোর এসব ফলের বেচাকেনা হয় সবচেয়ে বেশি। এ সময় পাইকাররা ভিড় করেন আড়তে, বিক্রিও হয় বেশ ভালো। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে রাজধানীতে আসা এসব ফল পাইকাররা নিয়ে যাচ্ছেন ভোক্তাদের কাছে। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ব্যবসা জমে উঠতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে সবার।


সোমবার (২৩ মে) রাজধানীর সদরঘাটের বাদামতলী, লালকুঠি ঘুরে বাহারী ফলের সমাহার দেখা গেছে।


দেশীয় ফল আম, কাঁঠাল, কলা, লিচু, আনারসসহ প্রধান ফলগুলো বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উৎপাদন হয়। আর এসব ফল অধিকাংশই আসে রাজধানী ঢাকাতে।বছরের মৌসুমী এসব ফল কেনাবেচা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন আড়তদার ও পাইকারি বিক্রেতারা। করোনার কারণে গত দুই বছর আড়তদার ও পাইকাররা সংকটে থাকলেও এবার তা কাটিয়ে উঠতে ব্যস্ত পুরান ঢাকার বাদামতলী ফলের আড়তদাররা।



বাদামতলীসহ আশপাশের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে আম ও লিচু। ভোরে এসব ফলের বেচাকেনা হয় সবচেয়ে বেশি। এ সময় পাইকাররা ভিড় করেন আড়তে, বিক্রিও হচ্ছে বেশ ভালো। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে রাজধানীতে আসা এসব ফল পাইকাররা নিয়ে যাচ্ছেন ভোক্তাদের কাছে।


সাতক্ষীরা মেহেরপুরের গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ ও হিমসাগরসহ বিভিন্ন জাতের আম আসছে রাজধানীর পুরান ঢাকার বাদামতলী বাজারে। এসব আম বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৭০ টাকায়। ভোর থেকে বেলা ১১টা নাগাদ প্রায় সব আমই বিক্রি হয়ে যায়।


আরও খবর



এক নজরে বাজেট পেশকারী অর্থমন্ত্রীরা

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন। এটি দেশের ৫১তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ২৩তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের চতুর্থ বাজেট। এর আগে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং এম সাইফুর রহমান সর্বোচ্চ ১২ বার জাতীয় বাজেট পেশ করেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ১৯৭২ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত যেসব অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করেছেন তারা হলেন-

তাজউদ্দীন আহমেদ ১৯৭২-৭৩, ১৯৭৩-৭৪ ও ১৯৭৪-৭৫, ড. আজিজুর রহমান ১৯৭৫-৭৬, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৬-১৯৭৭, ১৯৭৭-৭৮ ও ১৯৭৮-৭৯, ড. এম এন হুদা ১৯৭৯-৮০, এম. সাইফুর রহমান ১৯৮০-৮১ ও ১৯৮১-৮২ ও ১৯৯১-৯২, ১৯৯২-৯৩, ১৯৯৩-৯৪, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৫-৯৬ পর্যন্ত ৫ বার এবং ২০০২-০৩,২০০৩-০৪,২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬,২০০৬-০৭ অর্থবছরে বাজেট পেশ করেন। এছাড়া এম সায়েদুজ্জামান ১৯৮৪-৮৫, ১৯৮৫-৮৬, ১৯৮৬-৮৭ ও ১৯৮৭-৮৮, মেজর জেনারেল এম এ মুনিম ১৯৮৮-৮৯ ও ১৯৯০-৯১, ড. ওয়াহিদুল হক ১৯৮৯-৯০,শাহ্ এএমএস কিবরিয়া ১৯৯৬-৯৭, ১৯৯৭-৯৮, ১৯৯৮-৯৯, ১৯৯৯-২০০০,২০০০-০১ ও ২০০১-০২ এবং ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করেন।

আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত একটানা ১০ বার বাজেট পেশ করেন। এর আগে তিনি ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ দুই অর্থবছরে বাজেট পেশ করেছিলেন।

বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রথম বাজেট পেশ করেন। এরপর তিনি ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেন। আগামী অর্থবছরের বাজেট হবে তার দেওয়া চতুর্থ বাজেট।

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট সাজিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ শিরোনামের এবারের বাজেটটি প্রস্তুত হয়েছে সরকারের অতীতের অর্জন এবং উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতির সমন্বয়ে। দেশের ৫১ তম এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ২৩তম বাজেটে সংগত কারণেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশ কিছু খাতকে।

আজ বিকেল ৩টায় টানা চতুর্থবারের মতো সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী। করোনার ধাক্কা সামলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ফেরার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করা হবে।


আরও খবর



বান্দরবানে বাড়ছে দেশি কাজু বাদামের চাষ

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

দেশি কাজু বাদামের ফলন ও বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় এর চাষ নিয়ে সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখছেন বান্দরবানের চাষিরা। এ জেলার প্রায় সব উপজেলায় চাষ হলেও রুমা ও থানচিতে তুলনামূলক বেশি চাষ হয় এই দেশীয় কাজু বাদামের।

জানা যায়, একসময় শুধু জুম চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করতেন পাহাড়িরা। দিন দিন জুমের জায়গা সংকুচিত হওয়ার কারণে এখন পাহাড়িরা স্থায়ী ফলদ বাগান করার দিকেই ঝুঁকছেন। পাহাড়ে কলা, আম, কুল, কাজু বাদাম ভালো উৎপাদন হয়। এছাড়া অধিকাংশ চাষিরাই কাজু বাদাম সংগ্রহ করে বাজারজাত করা শুরু করেছেন, দামও ভালো পাচ্ছেন।

রুমা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কাজু চাষ হলেও থানছি উপজেলায় রাস্তার ধারে দেখা মেলে ছোট-বড় কাজু বাদাম বাগানের। জৈষ্ঠ্যমাসে অন্যান্য ফলের পাশাপাশি এই ফলও পরিপক্ক হয়ে পাকতে শুরু করে। এতে থোকায় থোকায় ঝুলতে দেখা যায় লাল, হলুদ রঙের পাকা কাজু বাদাম। স্থানীয় ভাষায় এটি টাম নামে পরিচিত। কেউ আবার কেসনাটও বলেন।

jagonews24

বলিপাড়া ইউনিয়নের বিদ্যামনি পাড়ার কাজু বাদাম চাষি ফোসা উ মারমা জাগো নিউজকে বলেন, কৌতূহল থেকে ১০ থেকে ১২ বছর আগে পাঁচ একর জায়গায় দেশীয় কাজু বাদাম গাছ লাগিয়েছিলাম এবং ৪ বছরের মধ্যেই ফলন এসেছিল। একসময় বাগানেই পঁচে যেত, বিক্রি হতো না। খাওয়ার মতো লোকজনও নেই। এমনিতেই পড়ে থাকতো। এখন প্রতিদিন বিভিন্ন কোম্পানির লোকজন এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা বাগানে এসে কাজু বাদামের খোঁজ-খবর নেন। অনেকে আবার বাড়ির আঙিনা থেকেই কিনে নিয়ে যান।’

ফোসা জানান, গতবছর ৫০ মণ কাজু বাদাম প্রতি মণ ৩ হাজার টাকা করে বিক্রি করেছিলেন। ৪ বছর আগে কাজু বাদাম প্রতি মণ সাড়ে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। এ বছর ৮০ মণ পেয়েছেন। প্রতিমণ ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে বাজারে বিক্রি করেছেন।

থানছি সদর ইউনিয়নের থানদাক পাড়ার কাজু বাদাম চাষি উবামং মারমা বলেন, এ বছর ৪৫ মণ কাজু বাদাম হবে বলে আশাবাদী। তিনি জানান, এরই মধ্যে প্রতিমণ তিন হাজার পাঁচশত টাকা করে ২০ মণ কাজু বাদাম বিক্রি করেছেন। গত বছর ৩৫ মণ পেয়েছিলেন, কিন্তু করোনার কারণে দাম কম ছিল। তখন প্রতিমণ তিন হাজার টাকায় বিক্রি করেছিলেন।

jagonews24

বলি পাড়া ইউনিয়নের বাগান পাড়ার বাসিন্দা কর্ণজয় ত্রিপুরা জানান, তার মাত্র ২০০ কাজু বাদাম গাছ আছে। এবছর ফলন ভালো হয়েছে। ১০-১২ মণ ফল পেতে পারেন বলে আশা করছেন তিনি। তাদের পাড়ায় ১০ পরিবার কাজু বাগান চাষি আছেন।

তিনি বলেন, এলাকায় এখন কাজু বাদাম চাষের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। চাষিরা কাজু বাদাম চাষে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছেন। এখন ন্যায্য মূল্য পেলে ভালো হয়। সরকারের পক্ষ থেকে শুষ্ক মৌসুমে বাগানে পানি সেচ ও সারের সহযোগিতা পেলে খুব ভালো হতো বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে চাষিদের কাছ থেকে মণ প্রতি ৩৩০০ থেকে ৩৫০০০ টাকা করে কাজু বাদাম কিনছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এগ্রিকালচার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর রেম্বো ত্রিপুরা।

jagonews24

বান্দরবান কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সাত উপজেলায় ২৮৮২ জন কাজু বাদাম চাষি আছেন। মোট ১৮৩৭ হেক্টর জায়গায় কাজু বাদাম চাষ হচ্ছে। গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১ হাজার ২১২ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছিল। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৩২৩ মেট্রিক টন কাজুবাদাম উৎপাদন হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টরে ১.৩১ মেট্রিক টন বাদাম উৎপাদন হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়েও কাজু বাদামের চারা উৎপাদন ও বিপনন করা হয়। বান্দরবান সদর উপজেলা সুয়ালক ইউনিয়নে এলএ এগ্রো কোম্পানির নার্সারির ব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল জানান, তাদের নার্সারি থেকে বিশ্বের উন্নত জাতের এম-২৩ কাজু বাদামের চারা প্রতি পিস ১৫০ টাকা করে বিক্রি করছেন। গত বছর ১ লাখ চারা বিক্রি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি ।

jagonews24

বান্দরবান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে দিন দিন কাজু বাদামের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে চাষিদেরকে সার, কৃষি উপকরণ প্রদানসহ সার্বিক পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে কাজু বাদাম গাছে পানি সেচ ব্যবস্থা করার জন্য বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, চারা লাগানোর ৩-৫ বছরে ভালো ফলন দেয় এবং রোগবালাইও কম। এ জেলার মাটি কাজু বাদাম চাষের উপযোগী হওয়ায় ভালো ফলন পাচ্ছেন চাষিরা।


আরও খবর



এইচএসসি পাসে বসুন্ধরা গ্রুপে চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপে ‘সেফটি অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৮ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বসুন্ধরা গ্রুপ
বিভাগের নাম: বিসিআইএল

পদের নাম: সেফটি অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/এইচএসসি
অভিজ্ঞতা: ০৩ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৫ বছর
কর্মস্থল: চট্টগ্রাম (মীরসরাই)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৮ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



গ্লোবাল গ্যাপ স্বীকৃত স্বপ্নের খামার পরিদর্শনে ইউএসএইআইডি পরিচালক

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে স্বপ্নই প্রথম রিটেইলার যারা গ্লোবাল গ্যাপের মেম্বারশিপ অর্জন করেছে। দীর্ঘ প্রশিক্ষণ, প্রস্তুতি আর পরীক্ষা শেষে গত এপ্রিলে ৫০ জন কৃষক ও তাদের উৎপাদিত ৭টি ফসল গ্লোবাল গ্যাপের সনদ লাভ করে।

স্বপ্ন ২০১৮ সাল থেকে যশোর জেলার হরিবতপুর ইউনিয়নের কৃষকদের সঙ্গে গ্যাপ প্রটোকল মেনে সবজি উৎপাদন শুরু করে। একইসঙ্গে সব সবজি বাজারজাত করতে স্বপ্ন শুদ্ধ নামক একটি প্রাইভেট লেভেল ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করে।

সম্প্রতি যশোরের স্বপ্ন শুদ্ধ গ্লোবাল গ্যাপ স্বীকৃত সবজি খামার পরিদর্শন ও এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত কৃষকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউএসএইআইডির ডেপুটি মিশন ডিরেক্টর র‌্যান্ডি আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির, বিজনেস ডিরেক্টর সোহেল তানভীর খান ও হেড অব বিজনেস মো. মাহাদী ফয়সাল।

jagonews24

এ বিষয়ে স্বপ্নের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির বলেন, কৃষক ও ক্রেতার সংযোগসেতুর নাম স্বপ্ন । নিরাপদ খাদ্যের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে স্বচ্ছতা। কী কীটনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে, তার অবশেষ যাতে ফসলে না থাকে, তার জন্য প্রয়োজনীয় পিএইচআই মানা হচ্ছে কি না- সেটা গুরুত্বপূর্ণ। গ্লোবাল গ্যাপ সার্টিফিকেশন একটি বিশ্বমানের অর্জন, যা প্রমাণ করে এই স্বচ্ছতা।

স্বপ্নের হেড অব বিজনেস মো. মাহাদী ফয়সাল জানান, শুদ্ধর এই ৭টি ফসলের জন্য ৭টি আলাদা গ্যাপ নাম্বার আছে। যা দিয়ে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ এই ৭টি ফসলের উপাদান সম্পৃক্ত সব তথ্য জানতে পারবেন। যেমন- কে উৎপাদন করেছেন? কী কী প্ল্যান্ট মেডিসিন কোন মাত্রায় ব্যবহার হয়েছে? আরও অনেক কিছু। এক কথায় নিরাপদ কৃষি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে যা যা লাগে সবই।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে উৎপাদিত সবজি এখন ইউরোপ কিংবা আমেরিকার হাই অ্যান্ড মার্কেটে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। যশোরের হরিবতপুর ইউনিয়নের কৃষকরা স্বপ্ন ও শুদ্ধর এই অর্জনের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রচলিত সবজির বিশ্ববাজারে রপ্তানির দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। এরইমধ্যে দেশের নাম্বার ওয়ান সুপারশপ স্বপ্ন এখন হংকং, লন্ডনে সবজি ও ফল রপ্তানি শুরু করেছে।


আরও খবর



যেসব পণ্যের দাম বাড়ছে

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক মুদ্রা সুরক্ষায় বিলাসবহুল পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে কিছু পণ্যের ওপর যোগ হয়েছে শুল্ক ও কর। ফলে সেসব পণ্যের দাম বাড়ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনায় এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম, বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে মূল লক্ষ্য সক্ষমতার উন্নয়ন। বৈশ্বিক ঝুঁকি কাটিয়ে অর্থনীতির স্থিতিশীলতার সঙ্গে জনজীবনে স্বস্তি ফেরানো অন্যতম উদ্দেশ্য। আসছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।

যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

আমদানিকরা বিলাসী পণ্য যেমন-বডি স্প্রে, প্রসাধনী পণ্য, জুস, প্যাকেটজাত খাদ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমদানিতে নতুন করে শুল্ক আরোপ হতে পারে। যদিও ইতোমধ্যে গত ২৩ মে এক প্রজ্ঞাপনে বিদেশি ফল, বিদেশি ফুল, ফার্নিচার ও কসমেটিকসজাতীয় প্রায় ১৩৫টি এইচএস কোডভুক্ত পণ্যের ওপর আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান ৩ শতাংশের পরিবর্তে ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে ওই তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে।

অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের কারণে এবার বৃদ্ধি পাচ্ছে তামাকজাত পণ্যের মূল্য। স্ল্যাব অনুসারে শুল্ক আরোপ হয়েছে।

দেশীয় পণ্য সুরক্ষায় শুল্ক আরোপে আমদানি করা স্মার্ট মোবাইল ফোনের দাম আরেক দফায় বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে সুবিধা পাবে দেশীয় কোম্পানিগুলো।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত/তাপানুকুল সার্ভিসের পাশাপাশি প্রথম শ্রেণির রেলওয়ে সেবার ওপর ১৫ শতাংশ মূসক আরোপের প্রস্তাব করায় রেল ভ্রমণে লাগবে বাড়তি খরচ।

নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উড়োজাহাজ আমদানির ক্ষেত্রে আগাম কর অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমানে সোলার প্যানেল আমদানিতে শূন্য শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। দেশীয় সোলার সেক্টরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমদানি করা সোলার প্যানেলের ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্ক শূন্য শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বাড়ছে বিদেশ থেকে আমদানি করা কফির দামও।

মূল্যবৃদ্ধি তালিকায় যুক্ত হচ্ছে বিলাসবহুল গাড়ি। ৪০০০ সিসির ওপর বিলাসবহুল রিকন্ডিশন গাড়িতে সম্পূরক শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ও আগাম কর এবং ভ্যাট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৮০০ শতাংশে করহার প্রস্তাব করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের আকার হচ্ছে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এ বাজেটে ঘাটতিও ধরা হয়েছে বড়।

অনুদান বাদে এই বাজেটের ঘাটতি দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এটি বর্তমান সরকারের ২৩তম এবং বাংলাদেশের ৫১তম ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীর চতুর্থ বাজেট। বাজেটে সঙ্গত কারণেই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কৃষিখাত, স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাসহ বেশকিছু খাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর