Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঢাকাকে বাঁচাতে হলে গাছ লাগাতে হবে: আতিকুল ইসলাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মার্চ 2০২3 | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২১০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাছপালা কম থাকায় রাজধানীর তাপমাত্রা দিন দিন অসহনীয় হয়ে উঠছে উল্লেখ করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, গাছ পরিবেশের অপরিহার্য উপাদান। অথচ ঢাকা শহরে গাছের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। ঢাকা শহরে যে অল্পকিছু গাছ আছে সেগুলোও কেটে স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে। ঢাকার তাপমাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। গাছপালা না থাকায় তাপমাত্রা অনুভূত হয় অনেক বেশি। ঢাকাকে বাঁচাতে হলে গাছ লাগাতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ-কোরিয়া বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে KOICA (কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) এর উদ্যোগে গুলশানে ডা. ফজলে রাব্বি পার্কে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যামান। KOICA এর বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে আর্থিক ও সাংস্কৃতিক সুসম্পর্ক রয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রমে ভবিষ্যতে ডিএনসিসি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’

উল্লেখ্য, ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। সহজ পরিচর্যা বিবেচনায় এই পার্কে দেশীয় ফলদ, বনজ বৃক্ষ, ঔষধি ও ফুলের গাছসহ প্রায় ৪৮০টি গাছ রোপণের প্রভিশন রয়েছে। ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট জোনে KOICA এর উদ্যোগে ৮৫টি বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হবে এবং সংগঠনটি ৬ মাস পর্যন্ত উহার পরিচর্যা করার দায়িত্ব নিবে।

গাছ লাগাচ্ছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

 

এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিউন ডিএনসিসি মেয়রের বিভিন্ন ধরনের পরিবেশের উন্নয়ন বিষয়ক, জনসচেতনতা ও জনসেবামূলক কাজের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে কোরিয়া বাংলাদেশ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মোসা. নাসিমা বেগম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মাগুরায় বিট পুলিশিং অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:পুলিশ জনতা ঐক করি , স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মাগুরায় বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারের কমিউনিটি এন্ড বিট পুলিশিং শাখার উদ্যোগে মাগুরা সদর থানার আয়োজনে  সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি বিষয়ে স্টেকহোল্ডারগণের সমন্বয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার ১ জুন সকালে মাগুরা সদর থানার সম্মেলন কক্ষে সুশাসন প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেণ মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী রাসেল।

উক্ত মতবিনিময় সভায়  বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ওয়ালিউল ইসলাম, মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ কলিমুল্লাহসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা।বক্তারা মতবিনিময় সভায় মাদক, ইভটিজিং, জঙ্গীবাদ, গুজব প্রতিরোধ , ডিজিটাল ডিভাইস, মােবাইলের প্রতি আসক্তি, সাইবার ক্রাইম, বাল্য বিবাহ, কিশাের অপরাধ, পারিবারিক সহিংসতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ, সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা, আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে সচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন।

এ সময় মাগুরা সদর থানার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




হোমনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image
হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এক ডিপ্লোমা ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।নিহতের নাম মো. জাকারিয়া (৩৫)। তিনি হোমনা উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের রামপুর গ্ৰামের ওসমান গনির ছেলে। (শনিবার ১৫ জুন) বিকেলে তার নিজ বাড়িতে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।জাকারিয়া একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) চাকরি করতেন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সবার সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করতে ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন। (শনিবার) সন্ধ্যায় নিজের ঘরে বৈদ্যুতিক বাতির ত্রুটি সারাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান।টের পেয়ে স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।খবর পেয়ে হোমনা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই টিবলু মজুমদার সঙ্গীয় পুলিশসহ হাসপাতালে যান। তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দাফন কাফনের জন্য লাশটি স্বজনদের নিকট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




সড়কের শৃঙ্খলা আনয়নে সাঁড়াশি অভিযান ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৫৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃসাম্প্রতিক কালের ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের বিভিন্ন রাস্তাঘাট খোড়াখুড়ি, প্রতিকুল আবহাওয়া এবং জলাবদ্ধতার কারণে যানজটকে সহনীয় মাত্রায় রাখতে কাজ করে যাচ্ছে টিম ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। ইংরেজি ২৯-৫-২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ ইমামের নেতৃত্বে এডিসি (ট্রাফিক- ওয়ারী) সুলতানা ইশরাত জাহানের তত্ত্বাবধানে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রচারণামূলক কর্মসূচি ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়।

সড়কের শৃঙ্খলা আনয়নের ক্ষেত্রে প্রচারের নিমিত্তে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ওয়ারী জোন, যাত্রাবাড়ী জোন এবং ডেমরা জোনের মোট ৪০টি জ্বালানী পাম্পে "নো হেলমেট, নো ফুয়েল" এর স্টিকার লাগানো হয়। অতঃপর, ফারুক স্মরনীর মুখে লুকিং গ্লাস না থাকার জন্য চারটি বাহাদুরশাহ্ গাড়ি আটক করা হয়। একইভাবে যাত্রাবাড়ী মোড়ে ফিটনেসবিহীন তিনটি লেগুনাকে আটক করা হয়। যাত্রাবাড়ী মোড়ের ফলপট্টি হিসেবে পরিচিত রাস্তার উপরের কাঠের চৌকি সম্মিলিত সমস্ত দোকান উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের ধারাবাহিকতায় কুতুবখালী ইনকামিং ফ্লাইওভারের পকেট গেট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ফ্লাইওভারের এই অংশটুকুর দেয়াল ভাঙ্গা থাকার কারণে সকল লোকাল বাসের যাত্রী ফ্লাইওভারে ওঠার আগে এবং ফ্লাইওভার থেকে নেমে উক্ত স্থান দিয়ে পায়ে হাঁটা সড়কে প্রবেশ করেন। ফ্লাইওভারের উপরে গাড়িগুলো যখন যাত্রী উঠানামা করায়, তখন পিছনে যানজট (ব্যাক ট্রেইল) রায়েরবাগ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। 

সমগ্র দিনে এসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) কপিল দেব গাইন, এসি (ট্রাফিক- যাত্রাবাড়ী) তানজিল আহমেদ এবং এসি (ট্রাফিক-ডেমরা) মুস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস এর টিম সমগ্র ওয়ারী এলাকায় বিভিন্ন অভিযান চালিয়ে মামলা রেকার এবং যানবাহন আটকসহ মোট ২৮৩ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এরমধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার জন্য আটটি যানবাহনের বিরুদ্ধে, ফিটনেস না থাকার জন্য ১১ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে এবং রাস্তার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য ৩০ টি যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। 

ডিসি ট্রাফিক ওয়ারী মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম জানান, ইতিপূর্বে আমরা ট্রাফিক ওয়ারী ডিভিশনের সকল লেগুনা গাড়ির ৮৮৪টি লুকিং গ্লাস লাগাতে বাধ্য করেছি। বাহাদুর শাহ গাড়িকে লুকিং গ্লাস লাগানোর জন্য তিন দিন সময় দেয়া হয়েছিল। ফিটনেস এবং লুকিং গ্লাস না থাকার কারণে চারটি বাহাদুরশাহ্ গাড়ি আটক করা হয়েছে। এখন বাহাদুর শাহ এবং সমস্ত লেগুনাকারীকে বৈধ লাইসেন্স নিয়ে গাড়ি চালানোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছে। এভাবে আস্তে আস্তে প্রতিটি ফিটনেসবিহীন এবং চলাচলের অনুপযোগী গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বিভাগ।


আরও খবর



সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৫১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রতিনিয়ত বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ভারতের চেরাপুঞ্জিতে অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় জেলার সীমান্ত উপজেলাগুলোর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মঙ্গলবার ১৮ জুন সকাল থেকে সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ প‌য়েন্টের বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ও ছাতক পয়েন্ট ১৩৭ সেন্টিমিটার ওপ‌র দিয়ে প্রবাহিত হ‌চ্ছে।

সুরমা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে সুনামগঞ্জের পৌরশহরের পশ্চিম তেঘিরয়া, সাহেববাড়ি ঘাট, পশ্চিম বাজার, মাছবাজার, কাজির পয়েন্ট, ষোলঘর পয়েন্ট, নবীনগরসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করেছে।

এছাড়াও জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, সুনামগঞ্জ সদর ও তা‌হিরপুর উপ‌জেলার অন্তত শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। জেলার শতা‌ধিক অভ্যন্তরীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ প‌ড়েছেন বা‌সিন্দারা।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, বৃ‌ষ্টিপাত আরও ৪৮ ঘণ্টা অব‌্যাহত থাক‌বে এবং নিম্নাঞ্চলেও বন‌্যা প‌রি‌স্থি‌তি সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে।

এদিকে, বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বেশকিছু পরিবার এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। এছাড়াও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার বিভিন্ন উপজেলার অসংখ্য মানুষ। তবে সোমবার বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমায় সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতাও কমতে শুরু করেছে।

পাউবো সিলেটের তথ্যমতে, কুশিয়ারা নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আমলশীদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। এই নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে ৭৯ সেন্টিমিটারে পৌঁছায়। সারি নদীর পানি সারিঘাট পয়েন্টে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপরে ছিল। সারিগোয়াইন নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও সারি, সারিগোয়াইন, লোভাছড়া ও ধলাইসহ সবকটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে বৃষ্টি হয়েছে ১৫৩ মিলিমিটার। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৪ মিলিমিটার। অন্যদিকে, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে দেশটির আবহাওয়া অফিস।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




বোদায় সুপারির খোল দিয়ে আকর্ষণীয় তৈজসপত্র তৈরী

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

কুয়েল ইসলাম সিহাত, বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:পঞ্চগড়ের বোদা পৌর শহরে সুপারির খোল দিয়ে তৈজসপত্র তৈরী করে সাড়া ফেলেছেন ইকো গ্রীণ বিডি'র উদ্যোক্তা নুরল আলম সেলিম। স্বাস্থ্যকর হওয়ায় বাজারে অন্যান্য প্লেটের তুলনায় এগুলোর চাহিদাও বেশি। সুপারি গাছের খোল গ্রামে খুবই সহজলভ্য। সাধারণত জ্বালানী হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়। তবে এ খোল দিয়েই প্লাস্টিক প্লেটের বিকল্প হিসেবে বোদা পৌর শহরের শিমুলতলী এলাকায় নান্দনিক তৈজসপত্র তৈরি করা হচ্ছে।সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রথমে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ২ টাকা পিস করে সুপারি গাছের খোল সংগ্রহ করা হয়। খোলগুলোকে নিমপাতা ও লেবুর রস যুক্ত পানি দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে রোদে শুকিয়ে নেয়া হয়। এরপর পাতার খোল ছাঁচের মেশিনে বসিয়ে তাপ এবং চাপ প্রয়োগ করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই গোলাকার বাটি, গোলাকার প্লেট, চৌকোণা প্লেট, লাভ প্লেট, চামুুুচ, ট্রে-সহ নানান ধরনের তৈজসপত্র তৈরী করা হচ্ছে।

বর্তমানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, রেষ্টুরেন্ট গুলোতে প্লাস্টিকের পরিবর্তে সুপারি গাছের খোল দিয়ে তৈরি জিনিসের ব্যাপক চাহিদার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান এর প্রস্ততকারকরা। এ কারখানায় দৈনিক ১০০০-১২০০ পিস প্লেট, বাটিসহ নানা ধরনের তৈজসপত্র উৎপাদন হচ্ছে। প্রতি পিস প্লেট, বাটি ৫-১০ টাকায় বিক্রি করা হয়। বর্তমানে এ কারখানায় মোট ১৫ জন শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। ইকো বিডি গ্রীণের পরিচালক ফরিদুল আলম হিরু বলেন, আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্ল্যাস্টিকের প্লেট ব্যবহার করে থাকি। যেগুলো ঠিকমতো ধরাও যায় না, আবার খাবার পড়ে যায়। কিন্তু তার তুলনায় আমাদের বানানো প্লেটগুলো শক্ত, সুন্দর ও সহজে পরিবহনযোগ্য। একবার ব্যবহার করে ধুইয়ে পরিস্কার করে শুকিয়ে তা আবার ব্যবহার যায়। সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটি ব্যবহারের পর ফেলে দিলে এটি পঁচে জৈবসার হয়। প্লাস্টিকের থেকে দাম একটু বেশি। এটা পরিবেশবান্ধব একটি উদ্যোগ। এর পাশাপাশি এটি স্বাস্থ্যসম্মত। পরিবেশ সুরক্ষায় এর বিকল্প নেই বলে মনে করেন।

স্থানীয় কয়েকজন সুপারি বাগানের মালিকের সাথে কথা হয়। তারা জানান, আগে সুপারির বাগানের পাতা পড়ে নষ্ট হতো। এখন কারখানা হওয়ায় ঝরে পড়া সুপারির খোলের মূল্য হয়েছে। কারখানার শ্রমিক কাবলু জানান, কারখানাটি হওয়ায় তার মতো অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এমন কারখানা জেলায় আরও হলে অনেক বেকার লোকের কাজের সুযোগ হবে।

এ ব্যাপারে উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. শাহরিয়ার নজির জানান, এটা নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। সুপারির খোল দিয়ে তৈরি তৈজসপত্রের দেশ ছাড়া বিদেশেও চাহিদা রয়েছে। এসব পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪