Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

ঢাকা ওয়াসার খায়রুল কোটি কোটি টাকার মালিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৭৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃঢাকা ওয়াসার চাকরী নিয়ে অবৈধ ভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন।রাজধানীর মিরপুরে ১০ নম্বর জোনের ওয়াসার রাজস্ব পরিদর্শক হিসেবে দীর্ঘ দিন যাবত চাকরীতে কর্মরত আছেন। তিনি চাকরী পাওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন কাজে অজুহাত দেখিয়ে ওয়াসার গ্রাহকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। অন্য ঘুষখোর ও দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পাল্লাদিয়ে নিপু তার কর্মস্হল থেকে ঘুষ ও দূর্নীতি মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

তিনি  চাকরী পাওয়ার পর যেন আলাউদ্দিনের আশ্চর্য চেরাগ পেয়ে গেছেন!ভাষাণটেক ও মাটিকাটা এলাকার অনেক ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন,ঘুষখোর,দূর্নীতিবাজ নিপু আবার ঢাকা ওয়াসার শ্রমিক লীগের অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করিতেছেন।  ওয়াসা চাকরী করে ও দলীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন কাজের অজুহাত দেখিয়ে গ্রাহকদের হয়রানি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। গ্রাহকরা টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে মাসের পর মাস, বছরে পর বছর বিভিন্ন কাজের ছুতা দিয়ে ঘুরাতে থাকে। আবার যদি তার চাহিদা মত টাকা দেওয়া হয় তা হলে কাজটা তাড়াতাড়ি হয়ে যায়।

এই ভাবেই ওয়াসার গ্রাহকদেরকে জিম্মি করে নিপুসহ তার অফিসের অনেক অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, ঘুষখোর ও দূর্নীতিবাজ নিপুর অবৈধ সম্পদের ফিলিস্তি দেখে তার অফিসের সাধারন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এবং তার এলাকার বাসিন্দারা হতভাগ হয়েছেন। এত সম্পদের মালিক কি ভাবে হলো বিষয়টি খুব আশ্চর্য লাগছে। সে কি আলাউদ্দিনে চেরাগ পেয়েছে না কি ! হঠাৎ করে এত সম্পদের মালিক হলো কি ভাবে? এদিকে ২০২৩ সালের ১০ আগস্টে আতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তি সেগুনবাগিচাস্হ দূর্নীতি দমন কমিশন কার্যলয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

সেই অভিযোগে জানা যায়, নিপুর সম্পদের বিবরন গুলো, মিরপুরস্হ আহম্মেদ নগরে ১১৮/বি নম্বরে একটি ৫ কাটার প্লট রয়েছে। সেখানে ২০/২৫ টি টিনসেট রুম তৈরী করে ভাড়া দিয়েছে। সেই জায়গাটি ২০০৯ সালে নিপু ক্রয় করেন বলে ওই এলাকা বাসিন্দাদের মাধ্যমে জানা গেছে। এছাড়াও মিরপুরস্হ আহম্মেদ নগরস্হ ১৮৩/৩/এ নম্বর বাসায় তার একটি আলিশান ফ্ল্যাট রয়েছে। ফ্ল্যাটটির বর্তমানে বাজার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। দুদকের অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টর ৮ নম্বর রোডের ৮০ নম্বরে তার এবং তার স্ত্রীর নামের একটি বাড়ী রয়েছে।

ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় তার নামে একটি প্লট রয়েছে বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। বরিশালে তার স্ত্রীর নামে একটি আলিশান বাড়ী রয়েছে। নিপুর আয়কর নর্থি সূত্রে জানা যায়, তিনি -৭৬,০২,১৩৬ টাকার মালিক এবং তার স্ত্রীর রাজিয়া সুলতানা করদাত্রী বলে তার আয়কর নর্থিতে তিনি উল্লেখ করেছেন।তিনি একজন ওয়াসার মিটার -রিডার থেকে রাজস্ব পরিদর্শক পদে পদোন্নতি পেয়ে হঠাৎ করে কি ভাবে আলাউদ্দিনের চেরাগ পেয়ে গেলেন।

তা সাধারণ মানুষ ও ওয়াসার সেবা গ্রহীতা এবং ভূক্তভোগীদের মাঝে আলোচনা - সমআলোচনার ঝড় উঠেছে। তাদের অভিযোগ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে নিপু। আমরা প্রধান মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট পরিচালকের কাছে আহবান জানাই ঘুষখোর, দূর্নীতিবাজ নিপুসহ অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা নিতে জোর দাবী জানায়। চলবে পর্ব-১।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



কাঠের সেতুতে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর স্বস্তি

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

রিয়াদ হোসাইন,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় কাঠের সেতুতে স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীসহ এলাকাবাসীর স্বস্তি। গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রাম আর সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চর মইশাদি গ্রামে হাজারো মানুষের বাস। এসব মানুষের আত্মিক বন্ধন শত বছরের। কিন্তু দুই গ্রামের মাঝ দিয়ে উত্তর দক্ষিণে প্রবাহিত হচ্ছে ১৫০ মিটার প্রশস্ত নদী। যা পারাপারের একমাত্র উপায় ছিলো নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো কিংবা ডিঙ্গি নৌকা। যা ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে সেতু নির্মাণের জন্য সরকারি দপ্তরে একাধিক আবেদনেও সাড়া মেলেনি। অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতায় এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ১৫০ মিটার দীর্ঘ একটি কাঠের সেতু নির্মিত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রাম ও সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চর মইশাদি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ধরান্দি খাল। খালের পূর্ব পাড়ে দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলাগাছিয়া  ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র, একিিট দাখিল মাদ্রাসা, একিিট কলেজ রয়েছে। খালের পশ্চিম পাড়ের শত শত শিক্ষার্থী ও মানুষকে প্রতিদিন এই খাল পার হতে হতো। ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো কিংবা ডিঙ্গি নৌকা ছিলো একান্ত সম্বল। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩ মাইল ঘুরে আসতে হতো। খরচ হতো কমপক্ষে ৫০ টাকা।

দুই গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে এলাকাবাসী ধরান্দি খালের ওপর প্রথম একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসী মিলেই মেরামত করে সাঁকোটির ওপর দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে রাখছিলেন। বিশেষ করে নারী ও বয়স্কদের এই নড়বড়ে সাঁকো পার হওয়া বেশ কষ্টকর ছিল। কালক্রমে এটাও বিলীন হয়ে যায়।

কয়েক মাস আগে নড়বড়ে সাঁকোটি খালে হেলে পড়ে গেলে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নজরে আনলে তিনি একটি কাঠের সেতু স্থাপনের পরামর্শ দেন এবং কিছু অর্থ বরাদ্দ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান প্রায় দুই মাস চেষ্টা করে ৩০০ ফুট দীর্ঘ এবং ৪ ফুট প্রস্থের একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে ফেলেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, গাছের গুঁড়ি পুঁতে তার ওপরে কাঠের পাটাতন বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতুর রেলিং দেওয়া হয়েছে কাঠ দিয়ে। সেতুর মাঝখানে করা হয়েছে সুদৃশ্য নৌকার প্রতিকৃতি। উদ্বোধন উপলক্ষে সাজানো হয়েছে বেলুন ও ফেস্টুন দিয়ে।

অবশেষে সেই দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) নির্মিত সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। লাল ফিতা কেটে সেতুটির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল। সে সময় থেকেই সেতু দিয়ে লোকজনের চলাচল শুরু হয়।

তাদের মধ্যে বই-খাতা নিয়ে সেতু পার হচ্ছিলেন চর মইশাদি গ্রামের সিনথিয়া। সে কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সিনথিয়া বলেন, ‘আগে তিন কিলোমিটার ঘুরে স্কুলে যেতাম। এখন এই সেতু হওয়ায় মাত্র ১৫ মিনিটে কলেজে যেতে পারবো। আমাদের কষ্ট দূর হয়েছে।’

কলাগাছিয়া বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ইব্রাহিম বলেন, ‘নতুন কাঠের সেতু হওয়ার কারণে আমরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত। এই সেতু না থাকলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাঈনুল শিকদার বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে এই কাঠের সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় চার লাখ টাকা। এছাড়া স্বেচ্ছা শ্রম ও গাছের মাধ্যমে সহায়তা করেছেন এলাকাবাসী। দুই মাস সময় লেগেছে সেতুটি নির্মাণে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ‘এ খাল পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এই দুর্ভোগ লাঘবে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করেছে। আশা করছি, ওখানে স্থায়ী সেতুও নির্মাণ করা হবে। সে বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’


আরও খবর



ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে পুলিশের গুলিতে পুলিশ নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এক পুলিশ কনস্টেবলের এলোপাথাড়ি গুলির শিকার হয়ে মারা গেছেন আরেক পুলিশ কনস্টেবল,রাজধানীর গুলশান থানার অধীন বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন এলাকার ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে।

একই ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাদের মধ্যে একজন পথচারী ও অপরজন জাপান দূতাবাসের গাড়ি চালক।

শনিবার(৮ জুন) দিবাগত রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঘটেছে এ ঘটনা।

গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার(ডিসি) রিফাত রহমান শামীম বলেন, ‘গুলশান কূটনৈতিক এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে পুলিশ সদস্য পড়ে থাকার খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে যাই। পরে জানতে পারি যে রাত পৌনে ১২টার দিকে ফিলিস্তান দূতাবাসের সামনে উত্তর পাশের গার্ডরুমে এলোপাথারি গুলিতে মনিরুল ইসলাম নামে এক কনস্টেবল (৩৬ ৯৮১) মারা গেছে৷ গুলি করেছে কনস্টেবল কাউসার আহমেদ। তাকে আমরা হেফাজতে নিয়েছি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন সাইকেল আরোহী পথচারী। আরেকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি জাপানি দূতাবাসের ড্রাইভার। তার নাম সাজ্জাদ হোসেন। কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।


আরও খবর



ঈদুল আজহার জামাত শেষে দেশ ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঈদুল আজহার কয়েকটি জামাত জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম ও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়। পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ ও শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (১৭ জুন) বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক। মুকাব্বির ছিলেন বায়তুল মোকাররমের অবসরপ্রাপ্ত মুয়াজ্জিন হাফেজ ক্বারী মো. আতাউর রহমান। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন মুসল্লিরা।

আজ দেশের কোটি কোটি মুসলমান দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ঈদ উদযাপন শুরু করছেন। ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করে।

বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা, আত্মশুদ্ধি, নিজেদের পাপমোচন এবং পরিবার-পরিজন, দেশ ও মানুষের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া চেয়ে আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেন মুসল্লিরা।

জাতীয় ঈদগাহেও ঈদের প্রধান জামাত শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনার পাশাপাশি বিশ্ববাসীর শান্তি প্রার্থনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ শাহাদাতবরণকারী পরিবারের সদস্যদের ও তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও পরিশ্রমকে কবুল করার জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে সর্বস্তরের মুসল্লিদের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশা ও বয়সের মুসল্লিরা অংশ নেন।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন। জাতীয় ঈদগাহেও ঈদের প্রধান জামাত শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনার পাশাপাশি বিশ্ববাসীর শান্তি প্রার্থনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।


আরও খবর



রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত-১, আহত-১৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃনারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে দ্বীন ইসলাম (২০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ আহত হয়। নিহত দ্বীন ইসলাম নাওড়া গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে। গত ৬ জুন বৃহস্পতিবার উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নে নাওড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। উপয়পক্ষের বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, নাওড়া এলাকায় জমি দখল, বালু ভরাট ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক ও সাবেক ইউপি সদস্য মোশারফ মেম্বারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। কিছুদিন পর-পর এ দুই গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ, গোলাগুলি, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়ে আসছে। উভয় পক্ষের লোকজন পিস্তল, সর্টগান, টেঁটা, বল্লম, জুঁইতা, রামদা, চাপাতি, চাইনিজ কুঁড়ালসহ অস্ত্রে-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষ  একে অপরকে লক্ষ্য করে এলোপাথারিভাবে গুলি ছোঁড়ে এবং এক পক্ষ আরেক পক্ষের বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর, ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও লুটপাট চালায়। এ সময় নাওড়া গ্রামের সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের আরিফ হোসেন, রুবেল, আব্দুল্লাহ, আল-মামুন, সোহেল মিয়া, কামাল হোসেন, লিখন আহমেদ, জেসমিন, ওয়াসিম, সাখায়েতউল্লা, আনু, নুরআলমসহ অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

     -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



খাগড়াছড়িতে আশ্রয়ন প্রকল্পের অসহায় মানুষে মাঝে পুলিশ সুপার মুক্তা ধর এর ঈদ উপহার বিতরণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পবিত্র ঈদ-উল আযহা  উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে আশ্রয়ন প্রকল্পের দু:স্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে পুলিশ সুপারের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ।

রবিবার  ( ৯ জুন )  বিকালে খাগড়াছড়ির শালবাগান আশ্রয়ন প্রকল্পের দু:স্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে  ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন খাগড়াছড়ি  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) বলেন, “ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা  মুসলমানদের জীবনে এক স্বর্গীয় শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। সমাজে একটি অংশ রয়েছে যাদের কাছে ঈদ-আনন্দ মানেই হলো বেঁচে থাকার লড়াই। দু’বেলা খাওয়ার সংগ্রাম। আজো রয়েছে দুঃখী মানুষের ভীড়। আমরা কি পারিনা- তাদের দুঃখ লাঘবের চেষ্টা করতে। তাদের মুখে একটু হাসি ফোঁটাতে। নতুন পোশাক বা ঈদের অন্য আনন্দগুলো তাদের সাথে ভাগাভাগি করতে। সমাজের বিত্তবানদের প্রতি অনুরোধ, আপনারাও অসহায় ও দু:স্থ মানুষের পাশে দাঁড়ান। বিলাসী ঈদ উদ্যাপনের পরিবর্তে দুঃস্থ  মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে আনন্দের ঈদ উদ্যাপন করি৷

আশ্রয়ন প্রকল্পের এক বাসিন্দা আব্দুল হান্নান বলেন যে, আমি খেটে খাওয়া মানুষ। বয়সের ভারে এখন শরীরে শক্তি পাইনা যার জন্য কাজও করতে পারিনা। এই বছর ঈদ উপলক্ষে কিছু কিনতে পারি নাই। পুলিশ সুপার স্যার আমাদের জন্য ঈদ উপহার নিয়ে এসেছেন। এর চেয়ে আনন্দের আমাদের জন্য আর কি হতে পারে। আমরা সবাই স্যারের জন্য দোয়া করি আর যেন ভবিষ্যতে আমাদের মত অসহায় ও দু:স্থ মানুষদের পাশে এভাবেই মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। 

এসময় উপহার পেয়ে অসহায় ও দুঃস্থ  মানুষজন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে, পুলিশ সুপার মহোদয়ের থেকে উপহার পেয়ে ঈদের আনন্দ আরও বেড়ে গেলো। আগে কোনো স্যার এভাবে আমাদের কথা ভাবেনি। স্যার সবসময়ই আমাদের খুজ খবর রাখেন। আজ আবার ঈদ উপহার দিয়েছেন। সত্যিই আমরা অনেক আনন্দিত।আল্লাহ পুলিশ সুপার মহোদয়ের মঙ্গল করুক। 

উল্লেখ্য যে এর আগেও খাগড়াছড়ি জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় দু:স্থ নারী,এতিম শিশু,অসহায় মানুষ,তৃতীয় লিঙ্গের সুবিধাবঞ্চিত মানুষজনদের পাশে বিভিন্ন সময় উপহার সামগ্রী বিতরণ করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এ সময় খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর