Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের তদন্ত কমিটির উপস্থিতিতে যাত্রাবাড়ীর বর্ণমালা স্কুলে অভিভাবকদের মিছিলে হামলা : আহত ২

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৫৮জন দেখেছেন
Image


নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে গঠিত পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।  বৃহস্পতিবার  বেলা ১১টার দিকে তদন্তকারী  কর্মকর্তারা স্কুল পরিদর্শনে এলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা কমিটির সভাপতি আব্দুস সালাম বাবুর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।


এ সময় সালাম বাবুর লোকজন মিছিলকারীদের উপর হামলা চালালে মাহফুজ নানে একজনসহ দুজন গুরুতর আহত হয়। এ ছাড়া তদন্ত কর্মকর্তাদের সামনেই সভাপতির লোকজন তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদানকারীদের সাথে বিবাদে লিপ্ত হয়। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক পর্যায়ে গেলে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ এসে তা নিয়ন্ত্রণ করে।


এদিকে, বর্নমালা স্কুলের অধ্যক্ষ ও সভাপতির দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তদন্ত কমিটি গঠন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বোর্ডের চেয়ারম্যানের আদেশক্রমে কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর আবু তালেব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে (স্মারক নং ৬১৮/ক/স্বী:/৯৫/(অংশ-১)৩৩৪) এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে স্কুলটির অধ্যক্ষ ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করেন সহকারি সিনিয়র শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন।


অভিযোগে জানা যায়, বর্ণমালা স্কুলে অবৈধভাবে পরিচালনা কমিটি গঠন, ঘুষের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, জামায়াত সমর্থিত শিক্ষকদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন, কোচিং বাণিজ্য, উন্নয়নের নামে লাখ লাখ টাকা লোপাট, ভূয়া ভাউচারে লাখ লাখ টাকা লোপাট, পরীক্ষা ও কোচিং বাণিজ্যসহ অধ্যক্ষ ও সভাপতির স্বেচ্ছাচারিতায় সাধারণ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অতিষ্ঠ। বিদ্যালয়ের ফান্ডের কোটি কোটি লোপট করে ইতোমধ্যে অধ্যক্ষসহ তার অনুসারীরা কোটি কোটি টাকা সম্পদের মালিক এবং সভাপতি শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।


এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই শিক্ষকদের উপর নানাভাবে নির্যাতন চালানো হয়। কয়েকজন অভিভাবক বলেন, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে একজন ব্যক্তিই সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ায় দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। শিক্ষকরা নির্যাতিত হচ্ছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধি চাই।


আরও খবর



বিসিএস ক্যাডার হওয়া হলো না রাফিনের

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলে বিসিএস ক্যাডার হবে। পরীক্ষাও দিয়েছিলেন। কিছুদিন পরেই উচ্চশিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও নিয়ে ফেলতেন। ১৯ জুন থেকেই ছিল পরীক্ষা। কিন্তু সব স্বপ্নই ফিকে করে পৃথিবীকে বিদায় জানালেন রাফিন।

শুক্রবার (৩ জুন) সকালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মো. রাফিন নামের ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

রাফিন রাজবাড়ীর ভবানীপুর গ্রামের মীর আলমগীরের ছেলে। পরিবারে দুই ভাইবোনের মধ্যে তিনি বড় ছিলেন।

সহপাঠী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাফিন বেশ কিছুদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। শুক্রবার সকালে হঠাৎ করেই তার বুকে প্রচন্ড ব্যথা শুরু হয়। পরে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। আসরের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, ‘এ বছরই রাফিনের স্নাতকোত্তর শেষ হয়ে যেতো। ওই ব্যাচের ১৯ জুন থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। তার মৃত্যুতে লোকপ্রসাশন বিভাগ শোকাহত।’


আরও খবর



স্রোতের বিপরীতে পলাশের পথচলা

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

পলাশ সকালের পড়াশোনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে হলেও ক্যারিয়ার গড়েছেন স্রোতের বিপরীতে। ২০১২ সালে গাজীপুরের ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (ডুয়েট) থেকে বিএসসি সম্পন্ন করলেও মন বসেনি গতানুগতিক ক্যারিয়ারে। শৈশবের প্রিয় খেলা ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ থেকে গড়ে তুলেছেন স্পোর্টস এজেন্সি ‘পাওয়ার প্লে কমিউনিকেশনস’। এ ছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘হাউজ অব এনইউবিডিয়ান্স’ নামক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন। পাশাপাশি তার পরিচয় তালিকায় আছে শিক্ষক, উদ্যোক্তা, মডেল, সামাজিক সংগঠক প্রভৃতি।

সম্প্রতি জাগো নিউজের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন ভিন্নধর্মী কাজের সাথে নিজের পথচলার গল্প। তার বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ ও জানা-অজানা বিষয়ে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনিসুল ইসলাম নাঈম—

জাগো নিউজ: রেডিওতে ক্যারিয়ারের শুরুর গল্পটা কেমন ছিল?
পলাশ সকাল: প্রথমে রেডিওতে ক্যারিয়ার শুরু করি। ২০০৮ সালে ‘রেডিও আমার’ নামে চ্যানেলে কাজ করা শুরু হয়। প্রথমে ইউনিভার্সিটি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করি। এরপর রেডিওর নিউজ টিমে এবং স্পোর্টস টিমে কাজ করা হয়। তখন রেডিওতে ‘মাই ক্যারিয়ার’ নামে একটি পোগ্রাম পরিচালনা করতাম। ২০১৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর রেডিওতে কাজ করা হয়েছে।

jagonews24

জাগো নিউজ: ক্রিকেট নিয়ে কাজ করার গল্পের শুরুটা কীভাবে?
পলাশ সকাল: ক্রিকেটে কাজ করার গল্পটা একটু ইন্টারেস্টিং ছিল। রেডিওতে কাজ করার সময় সিনিয়র ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের ইন্টারভিউ নেই তার বাসায়। সেখান থেকে ক্রিকেটে কাজ করার পথচলা শুরু হয়। তখন প্লেয়ারদের ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করার আইডিয়াটা মাথায় আসে। এই আইডিয়া আশরাফুল ও মমিনুল ভাইকে শেয়ার করি। পাশাপাশি আরও কয়েকজন প্লেয়ারকেও বলি। প্রথমে দু’একজন নিয়ে হলেও বর্তমানে ভালো কাজ করছি।

জাগো নিউজ: ভালো ক্যারিয়ার ছেড়ে এই ঝুঁকির পথচলা কেমন?
পলাশ সকাল: আমি সব সময় গতানুগতিক বিষয় বাদে ভিন্ন কিছু করার চিন্তা করতাম। অন্য মানুষের চিন্তা-ভাবনা থেকে আলাদাভাবে চিন্তা করার চেষ্টা করতাম। পড়াশোনা শেষ করার পর একটি ফরেন বায়িং হাউজে চাকরি করি। যখন খেলা হতো তখন অফিসে দেখতাম সবাই অনেক আগ্রহ নিয়ে খেলা দেখতেন। বাংলাদেশ ভালো খেললে সবাই একসাথে মাঠে আনন্দ করছেন। তখন ভাবি এমন কিছু করবো, যাতে প্লেয়ারদের সাথে থাকা যায় এবং তাদের সাথে কাজ করার সুযোগ থাকবে। এভাবে আইডিয়াটা মাথায় আসে। তখন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ শুরু করি। শুরুর দিকে আমার জীবনে অনেক বাধা আসে। প্রথমে প্লেয়াররা আমার উপর ট্রাস্ট রাখতে পারেননি। ফ্যামিলি থেকে সাপোর্ট পাইনি। শিক্ষক ও বন্ধু-বান্ধব সবাই বলতেন, ভালো ক্যারিয়ার ছেড়ে কেন অনিশ্চিত ক্যারিয়ারের দিকে পা দিচ্ছি! আমি আসলে ঝুঁকি নিতে পছন্দ করি। আর জীবনে বড় হতে হলে অবশ্যই ঝুঁকি নিতে হবে। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার, গোছানো ক্যারিয়ার এবং ভালো ভবিষ্যৎ ছেড়ে অনিশ্চিত জীবনে ঝাঁপ দেওয়া অনেক ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। প্রথম কয়েক বছর অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল, অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। আস্তে আস্তে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পেরেছি।

jagonews24

জাগো নিউজ: ‘পাওয়ারপ্লে কমিউনিকেশনস’ সম্পর্কে কিছু বলুন—
পলাশ সকাল: আমি ২০১৫ সালে ‘পাওয়ারপ্লে কমিউনিকেশনসে’ কাজ শুরু করি। এটি হচ্ছে এজেন্সি। আমি ব্যক্তি পলাশ প্লেয়ারদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করি। যে কাজগুলো করি, আমার কোম্পানির মাধ্যমে করা হয়। বাংলাদেশের অনেক বড় বড় কোম্পানির পাশাপাশি অনেক ইন্টারন্যাশনাল ব্র্যান্ডের সাথে কাজ করেছি। যেমন- কোকাকোলা, ইয়ামাহা, অপো, ভিভো, রিয়েলমি এবং কয়েকটি বিদেশি কোম্পানি। পাশাপাশি ক্রিকেট নিয়ে ‘পাওয়ারপ্লে কমিউনিকেশনস’ কাজ করছে।

জাগো নিউজ: সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ক্রিকেটার মেহেদী মিরাজসহ ৩ জন মিলে ‘সকলের হাসি’ প্রতিষ্ঠা করেছেন, যাত্রাটা কেমন ছিল?
পলাশ সকাল: আমি আসলে চেষ্টা করি ভালো কাজ করার এবং ভালো কাজের দ্বারা মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে। করোনার সময়ে অনেকের চাকরি চলে যায়। তখন মানুষগুলো অনেক কষ্টে দিনযাপন করত। তাদের জন্য কিছু করার চিন্তা থেকে বাবলু ভাই ও মেহেদী মিরাজকে আইডিয়া শেয়ার করি। তারা বিষয়টিতে ইতিবাচকভাবে সাড়া দেন। তখন থেকে ‘সকলের হাসি’ সংগঠনটির পথচলা শুরু। ২০২০ সালে প্রায় ২৩-২৪টি জেলায় সকলের হাসির পক্ষ থেকে অসহায় মানুষদের যথাসম্ভব সহযোগিতা করেছি। পাশাপাশি এই ভালো কাজগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যাতে অন্যরা দেখে নিজ থেকে মানুষদের সহযোগিতা করেন। আমাদের কাজ দেখে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করেছেন। সকলের হাসির পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি গরিব ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করার। আশা করি, ভালো কাজের দ্বারা সকলের হাসি অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

jagonews24

জাগো নিউজ: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছেন—
পলাশ সকাল: ২০২০ সালের জুলাই মাসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছি। বর্তমানে দেশে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী আছে। তারমধ্যে ৬ লাখ পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায়, বাকি ৩৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ঢাকার বাইরে। নেটওয়ার্কিং, কমিউনিকেশন ও কানেক্টিভিটির জায়গা থেকে তারা অনেক পিছিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা, এসব শিক্ষার্থী হীন্মন্যতায় ভোগেন। তারা প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থেকে নিজেকে ছোট মনে করেন। সঠিক ইনফরমেশন না পাওয়ায় তারা ভালো কিছু করতে পারেন না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মানেই তারা মেধাবী নন বা কিছু করতে পারবেন না বিষয়টি এমন নয়। ঢাকার বাইরে থাকার ফলে তারা নেটওয়ার্ক থেকে পিছিয়ে। প্রাইভেট সেক্টরগুলোয় তাদের উপস্থিতি কম। এসব শিক্ষার্থীর নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি, স্কিল ডেভেলপ, কানেক্টিভিটি, পাবলিক স্পিকিং এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য কাজ শুরু করি। এ প্লাটফর্মে থেকে যদি কেউ ভালো চাকরি পান বা ক্যারিয়ার পরিবর্তন করতে পারেন, তাহলে এটাই আমার সার্থকতা। আমার মৃত্যুর পর তা সদকা হিসেবে থেকে যাবে। আমরা অনেক এগিয়ে যেতে পেরেছি। বর্তমানে ‘এনইউবিডিয়ান্স’ পেজ ও গ্রুপ মিলিয়ে দুই লাখ শিক্ষার্থী নিয়মিত আমাদের ক্লাসগুলো করছেন।

জাগো নিউজ: হাউজ অব এনইউবিডিয়ান্সের লক্ষ্য কী ছিল?
পলাশ সকাল: আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে—জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোয়ালিটি ও মানের মধ্যে যে ফাঁক রয়েছে, তা কমিয়ে নিয়ে আসা। তাদের প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকক্ষ করা। কর্পোরেট সেক্টরে তাদের চাকরির কোয়ালিটি ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করা। এসব শিক্ষার্থী দক্ষ হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব। ২৫টিরও বেশি জেলায় আমাদের ক্যাম্পাস টিম আছে। ৫০টি ক্যাম্পাস পাইপলাইনে আছে। গত ২ বছরে প্রায় ৫০০টির মতো ক্লাস ও সেশন নিয়েছি। স্কিল ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার মিটআপ করেছি। জাতীয়ভাবে পাঁচটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বৃক্ষরোপণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটি নিয়ে কাজ করেছি। পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক কার্যক্রমের দিকে সংযুক্ত করা, নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি, কানেক্টিভিটি বাড়ানো, শিক্ষদের সাথে সম্পর্ক ভালো করা, চাকরির বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি করা। এরইমধ্যে ১০টি কোম্পানির সাথে কথা হয়েছে, যারা এসব শিক্ষার্থীকে চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেবেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হাইলাইট করা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো শিক্ষার্থীদের দিয়ে অন্যদের অনুপ্রেরণা দেওয়ার চেষ্টা করি। প্রায় ২৫০-৩০০ পর্যন্ত ক্যাম্পাস লিডার আছে, যাদের নিয়মিত ট্রেনিং করাই এবং তাদের মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে যাই। আর এই মাস থেকে দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসে ফ্রি লাইব্রেরি করে দেবো। জুন মাস থেকে প্রতিমাসে ‘এনইউবিডিয়ান্স জানালা’ নামে একটি ম্যাগাজিন বের হবে।

jagonews24

জাগো নিউজ: কতটা সফল মনে করেন এ উদ্যোগে?
পলাশ সকাল: যতটা আশা করেছি, তার চেয়ে বেশি সফল হয়েছি। কারণ এ প্লাটফর্মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর শিক্ষকরা ক্লাস নেন। ওয়ালটন, আকিজ গ্রুপের এমডি, বড় বড় কোম্পানির সিও ও এমডিরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন এবং নলেজ দেন। প্রায় ১০-১৫টি কোম্পানি আছে, যারা শিক্ষার্থীদের চাকরির সুযোগ দেন। এরইমধ্যে ৫০০ এর উপরে ক্লাস দিয়েছি। ৩০টির মতো ট্রেনিং দিয়েছি। বিভাগীয় শহরে ক্যারিয়ার মিটআপ করেছি। এনইউবিডিয়ান্স জানালা ম্যাগাজিনে ক্যারিয়ার, শিক্ষা, স্কিল ডেভেলপ, হেলথ টিপস, ফ্যাশন ও চাকরি বিষয়ক লেখা থাকবে। তা ছাড়া শিক্ষার্থীরা গল্প, কবিতা, ছড়া এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখানে লেখা দেবেন। আমরা যেই লক্ষ্য নিয়ে কাজে নেমেছি, তাতে সফলতা এসেছে।

জাগো নিউজ: শিক্ষক পরিচয়ে নিজেকে গড়ে তোলার গল্পটা শুনতে চাই—
পলাশ সকাল: প্রত্যেক মানুষই চায়, যে জিনিসটি জানে সেটা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে। আমিও আমার নলেজ ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই। প্রথমে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছর ক্লাস নিই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে গেস্ট টিচার হিসেবে ক্লাস নিই। সম্প্রতি কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে এডজান্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে যোগদান করেছি। এখানে এমবিএ পড়াই। শিক্ষকতা আনন্দদায়ক ও সম্মানের পেশা। আমার নলেজ ও অভিজ্ঞতাগুলো শিক্ষার্থীদের মাঝে শেয়ার করি। সব সময় নিজে শিখতে এবং শিক্ষার্থীদের শেখাতে চেষ্টা করি। এই বয়সে তিন-চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নেওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে।

jagonews24

জাগো নিউজ: আগামীর পথে কী নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন?
পলাশ সকাল: ক্রিকেট নিয়ে ভবিষ্যতে অনেক দূর যেতে চাই। পাশাপাশি সবার আস্থার পাত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে চাই। ইন্টারন্যাশনালি যেন সব ক্রিকেটার আমাকে এক নামে চেনেন এবং তাদের আস্থাভাজন হিসেবে কাজ করতে পারি। এনইউবিডিয়ান্স নিয়ে লক্ষ্য ৩৪ লাখ শিক্ষার্থী এ প্লাটফর্মে আসবে। সবাই দক্ষ ও স্কিলফুল হয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে। সবাই এনইউবিডিয়ান্সকে ধারণ করবে। দেশের পাশাপাশি বিশ্বে এনইউবিডিয়ান্স এবং তাদের সফলতাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।


আরও খবর



সেতুতে দাঁড়িয়ে মেয়ের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

উদ্বোধন হলো স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মৃতিতে ধরে রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে মোবাইল ফোনে সেলফি তুললেন কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

শনিবার (২৫ জুন) দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন শেষে মা-মেয়ের স্মৃতিময় এ সময়টিকে ফ্রেমে আবদ্ধ করতে দেখা যায়।

এ সময় আবেগআপ্লুত হয়ে ভিডিও কলে কথা বলতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। আর মেয়ে পুতুল শেখ হাসিনাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনস্থলের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্য থেকে কিছুটা সরে গিয়ে মা ও মেয়ে ছবি তোলেন। এরপর সায়মা ওয়াজেদ পুতুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক সেলফি তোলেন এবং শেখ হাসিনার অনেকগুলো একক ছবি তুলে দেন।

এক পর্যায়ে পাশে থাকা নিরাপত্তারক্ষীকেও ফোনে তোলা ছবি দেখান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর



সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ফায়ারম্যান আলাউদ্দিনের বাড়িতে শোকের মাতম

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণের আগুন নেভাতে গিয়ে নিহত ফায়ারম্যান মো. আলাউদ্দিনের (৩৫) বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।

রোববার (৫ জুন) দুপুর ১২টায় নোয়াখালীর চাটখিলে গ্রামের বাড়িতে তার মৃত্যুর খবর আসার পর পুরো এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। নিহত আলাউদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বানসা গ্রামের বড় মুন্সি বাড়ির মো. আবদুর রশিদ মেম্বারের ছেলে। তিনি চট্টগ্রামের কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শনিবার মধ্যরাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন নেভাতে গিয়ে তিনি মারা যান।

এদিকে নিহত আলাউদ্দিনের বাবা মাস্টার ইলিয়াস ভূঁইয়া (৯০), মা মমতাজ বেগম (৭৫) ও স্ত্রী তাসলিমা সুলতানা (২৮) কান্নায় বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন ও আত্মীয়-স্বজনরা বাড়ির আঙিনায় ভিড় করছেন। আলাউদ্দিনের নিহতের সংবাদের পরিবারসহ পুরো বানসা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতের বড়ভাই স্থানীয় কামালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জহির উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা ছয়ভাই ও চার বোনের মধ্যে আলাউদ্দিন পঞ্চম। সে সাড়ে সাত বছর আগে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের সাহাপুর গ্রামের মাস্টার মো. ইলিয়াস ভূঁইয়ার মেয়ে তাসলিমা সুলতানাকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে মো. তাজউদ্দিন তাহিম নামে ছয় বছর বয়সী একটি ছেলে আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চট্টগ্রাম মেডিকেলে আমার ভাইয়ের মরদেহের পাশে তার স্ত্রীর ভাইসহ আমাদের কয়েকজন আত্মীয় রয়েছেন। বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বাড়িতে আনার চেষ্টা চলছে। তবে বাবা, মা, ভাইয়ের স্ত্রী ও অবুঝ শিশু সন্তানকে কী বলে সান্ত্বনা দিবো বুঝতে পারছি না।’

চাটখিল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা চন্দ্র শেখ গাইন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফায়ারম্যান চাটখিলের আলাউদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। এছাড়া আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গিয়াস উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ফায়ারম্যান আলাউদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কোনো বার্তা আসেনি। আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শনিবার (৪ জুন) রাত ১১টার দিকে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। এ সময় এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। ভেঙে পড়ে আশপাশের বাড়িঘরের জানালার কাঁচ।

সবশেষ এ ঘটনায় ৪২ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আগুন নেভাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন আলাউদ্দিনসহ আটজন ফায়ার সার্ভিসের কর্মী।


আরও খবর



ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে বিআরবি হাসপাতালের চুক্তি

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড বিআরবি হাসপাতালের সঙ্গে করপোরেট চুক্তি করেছে। এই চুক্তির আওতায় ইসলামী ব্যাংকের কার্ডহোল্ডার, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিআরবি হসপিটালের বিভিন্ন সেবায় ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় পাবেন।

সম্প্রতি হসপিটাল ভবনে ইসলামী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জে.কিউ.এম. হাবিবুল্লাহ, এফসিএস ও বিআরবি হাসপাতালের ডাইরেক্টর ডা. মো. মুনসুর আলী এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মিজানুর রহমান ভুঁইয়া, বিআরবি গ্রুপের ডাইরেক্টর মফিজুর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।


আরও খবর