Logo
আজঃ রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

ঢাকা বার নির্বাচনে সব পদে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ২৯৬জন দেখেছেন

Image

আদালত প্রতিবেদক: বিএনপির ভোট বর্জনে ঢাকা আইনজীবী সমিতির (২০২৩-২৪) কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সবগুলো পদেই জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল। ভোট গণনা শেষে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল্লাহ আবু এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে ভোট গণনা শুরু হয়।

তবে এ নির্বাচনকে কারচুপির নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব ওমর ফারুক ফারুকী। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের প্রথম দিনে ভোট কারচুপির কারণে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের আইনজীবীরা ভোট বর্জন করেছেন। ভোট কারচুপি করে নির্বাচনকে কলঙ্কিত করা হয়েছে। আমরা আগামী রোববার এর প্রতিবাদে কর্মসূচি পালন করব।

এর আগে গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে মাঝে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়। দুদিনে মোট ১৯ হাজার ৬১৮ ভোটারের মধ্যে নয় হাজার ২৪৩ জন আইনজীবী ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনে ২৩টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৬ জন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সাদা প্যানেল এবং বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য নীল প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

তবে প্রথম দিনের ভোট গ্রহণ শেষে কারচুপির অভিযোগ এনে রাতেই ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন নীল প্যানেলের মনোনীত সভাপতি প্রার্থী খোরশেদ মিয়া আলম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। পরে বৃহস্পতিবার ভোট বর্জন করেন এবং গণনা থেকেও বিরত ছিলেন।

নির্বাচনে জয়ীরা হলেন- আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি পদে মিজানুর রহমান মামুন ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জুবায়ের, সিনিয়র সহসভাপতি পদে রুমানা জামান রীতু, সহসভাপতি শ্রী প্রাণ নাথ, ট্রেজারার বিবি ফাতেমা (মুন্নী), সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক ফাহিম শরীফ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুব হোসেন (জয়), লাইব্রেরি সম্পাদক মো. রেজাউল হক মিয়া (রিপন), সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিখা ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো. গোলাম কিবরিয়া (সুমন), ক্রীড়া সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মো. আবুল হাসনাত (জিহাদ)। সদস্য পদে গাজী ইমরুল,জহির উদ্দিন,আশিফুল ইসলাম (মুরাদ),আসলাম হোসেন, মো. কামাল হোসেন, তানজির হোসেন (রবিন), মোছা. ইসমত আরা শারমিন (রীমু), নাসির উদ্দিন, সঞ্জয় কুমার কর্মকার, শারমিন সুলতানা টুম্পা ও ইয়াসিন জাহান (নিশান)।

নীল প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন- সভাপতি পদে খোরশেদ মিয়া আলম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি পদে আব্দুর রাজ্জাক, সহসভাপতি পদে মো. সহিদুজ্জামান, ট্রেজারার আব্দুর রশীদ মোল্লা, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হাসান মুকুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মো. মইনুল হোসেন (অপু) , লাইব্রেরি সম্পাদক নার্গিস পারভীন (মুক্তি) , সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূরজাহান বেগম (বিউটি), দপ্তর সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম , ক্রীড়া সম্পাদক মোবারক হোসেন ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মাহবুব হাসান (রানা)। সদস্য পদে আলী মর্তুজা, মাহফুজুর রহমান ইলিয়াস, আনোয়ার হোসেন (চাদ), মো আরিফ, সোহেল উদ্দিন রানা, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী (বাবু), মুক্তা বেগম, মোজ্জাম্মেল হক, রেজাউল হক রিয়াজ ও রুবিনা আক্তার (রুবা)।


আরও খবর



নওগাঁয় ঝুঁকিপূর্ণ উপকরণ দিয়ে তৈরি করছে ভেজাল লাচ্ছা সেমাই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে ভেজাল লাচ্ছা সেমাই তৈরির করছে নওগাঁ সদর উপজেলার বর্ষাইল ইউনিয়নের তেতুলিয়া বাজারে নূর নেহা লাচ্ছা সেমাই কারখানায় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রং ও ঝুঁকিপূর্ণ উপকরণ দিয়ে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই। ভেজালবিরোধী অভিযান শিথিল হওয়ায় বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নাম্বার যেটা আছে (বিডিএস ১৬২০) সেই নাম্বার আবার নওগাঁ সদর উপজেলার মাসুদ রানা নামের এক ব্যক্তি নিজের লাকী লাচ্ছা সেমাই নামে ( বিডিএস ১৬২০) দাবী করেন।  এছাড়াও এই কারখানায় নেই কোন পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, যার কারণে কারখানার পরিবেশটাও নোংরা। এই কারখানায় নিম্নমানের পাম অয়েল ও ডালডা দিয়ে তৈরি করছে এসব সেমাই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে তৈরি করা সেমাই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য চিকিৎসকদের। 

স্থানীয়রা বলছেন, ঈদ সামনে রেখে তেতুলিয়া বাজারে নুর নেহা ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে বিস্কুটের কাজ বন্ধ রেখে গড়ে তুলেছেন লাচ্ছা সেমাইয়ের কারখানা। মাঝেমধ্যেই ভ্রাম্যমান আদাল এসে লিখিত নিয়ে জরিমানা করেন। তারপরেও কারখানাটির মালিক মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিক (ফারুক) ইসলামী আন্দোলন দলের নেতা হওয়ায় নিজের প্রভাব খাটিয়ে  অধিক মুনাফা পাওয়ার আশায় ভেজাল পন্য তৈরি করেন। 

তেতুলিয়া বাজারের স্থানীয় (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এক দোকানদার বলেন, প্রশাসনের দুর্বলতার সুযোগে ও তদারকির অভাবে ভেজাল লাচ্ছা তৈরির করছেন ফারুক’ এই কারখানার  কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া উচিত তা না হলে এই ভেজাল লাচ্ছা সেমাই খেয়ে শিশু বৃদ্ধসহ সকলেই অসুস্থ হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে কারখানাটির মালিক মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিক (ফারুক) এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি নিজেকে ইসলামী আন্দোলনের নেতা পরিচয় দিয়ে বলেন, আমার কারখানায় মাঝেমধ্যেই ভ্রাম্যমান আদালত আসে তারা এসে ২.৪.৫ হাজার টাকা জরিমানা করে চলে যায় আমার কিছুই করতে পারে না। আমি কিভাবে ব্যবসা করছি এটা আমার বিষয় আপনাদের সমস্যা কি আপনারা থাকেন আমার লোকজন যাচ্ছে আপনার কি করতে আমার কারখানায় আসছেন সেটা আমি দেখছি।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদ জানান, পচা ডিম, অ্যানিমেল চর্বি এবং কৃত্রিম ঘি ও সুগন্ধি মিশ্রিত সেমাই তৈরি যাতে না হয়, সে জন্য কারখানাগুলোতে নজরদারি রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়ে এসব ভেজাল কারখানায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং আমরা এই বিষয়ে জেনেছি ব্যবস্থা নিব।

আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪




মধুপুরে ৩ দিন ব্যাপি ট্রেনিং অব সেকেন্ডারী স্কুল টিচার্স অন এ্যাডোলসেন্ট হেলথ্ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ১৫৩জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ-

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আয়োজনে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ্যাডোলসেন্ট এন্ড স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম এর ব্যবস্থাপনায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষকদের নিয়ে কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯মার্চ) সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে মধুপুর উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।


স্বাস্থ্যসেবা প্রশিক্ষণে  কিশোর কিশোরীদের কৈশোরকালিন স্বাস্থ্য বিষয়  নিয়ে আলোচনা করা হয়।উক্ত প্রশিক্ষনের প্রথম দিনে  আলোচনা করেন মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডাঃ ফাতেমা-তুজ-জহুরা, এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক  শিক্ষা অফিসার  আব্দুর রশিদ ও উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স এর সহকারী সার্জন ডাঃ বিশ্বজিত চন্দ্র দাস।  এসময় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকাগন প্রশিক্ষণে উপস্হিত ছিলেন।


উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সাইদুর রহমান  জানান, কৈশোর ও  বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে ছেলেে মেয়েদের শরীরে ও  মনে পরিবর্তন শুরু হয় এবং যৌবনের লক্ষন সমুহ প্রকাশ পেতে শুরু করে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্হা সংজ্ঞা অনুযায়ী ১০ হতে ১৯ বৎসর বয়সটাই হল কৈশোরকাল। এ সময়টাতে ছেলে মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয় এসব বিষয় নিয়েই শিক্ষকদের মাঝে বিষদ আলোচনা করা হয়। যাতে শিক্ষকগন স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  এ বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে  আলোচনা করতে পারেন। তিনি আরও জানান, এ প্রশিক্ষণ তিনদিন ব্যাপী চলমান থাকবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪




নারায়ণগঞ্জে ‘মমতাময় নারায়ণগঞ্জ’ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image
নিজস্ব প্রতিবেদক:‘মমতাময় নারায়ণগঞ্জ’ প্রকল্পের আওতায় আয়াত এডুকেশনের আয়োজনে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৫ মার্চ) সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন অফিসের সভা কক্ষে এ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আয়াত এডুকেশনের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর লায়লা করিম’র সভাপতিত্বে অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ আবুল ফজল মুহম্মদ মুশিউর রহমান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার শর্মা, বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মু. বেলায়েত হোসেন। এছাড়াও সভায় সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসারবৃন্দ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মেডিকেল অফিসার, স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা পাবলিক হেলথ্ নার্স প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রকল্পের এডভোকেসি, কমিউনিটি মবিলাইজেশন, এ্যাওয়ারনেস কার্যক্রম বিষয়ে উপস্থাপনা করেন আয়াত এডুকেশন’র প্রকল্প সমন্বয়কারী সুমিত বণিক। সভায় অন্যান্যের মাঝে মমতাময় নারায়ণগঞ্জ প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার মোঃ হাসান হাফিজুর রহমান, সংবাদকর্মী ইউসুফ আলী প্রধান, স্বেচ্ছাসেবক পান্না আক্তার, আয়াত এডুকেশনের এ্যাসিস্ট্যান্ট ফিল্ড অফিসার সারোয়ার আলম, কমিউনিটি মবিলাইজার অনন্যা রহমান ও ফাহিম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



কালিয়াকৈরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর ক্ষতিগ্রস্থ মহল্লায় অগ্নিনির্বাপণ প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১৩১জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অগ্নিকান্ডে শিশু ও নারীসহ ৩৬ জন দগ্ধের পর টনক নড়েছে ফায়ার সার্ভিসের। এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর ওই ক্ষতিগ্রস্থ মহল্লায় প্রতিরোধ ও অগ্নি নির্বাপণ প্রশিক্ষণ দিয়েছে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার তেলিরচালা এলাকায় এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যা পৌণে ৬টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার তেলিরচালা এলাকায় শফিক খানের বাসা বাড়িতে ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। ওই আগুনে দগ্ধ হন শিশু, নারীসহ ৩৬ জন। এদের মধ্যে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ৩৪ জন ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে গুরুতর পাঁচজন আইসিওতে ভর্তি আছেন। এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর টনক নড়েছে প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের। বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্থ মহল্লায় প্রতিরোধ ও অগ্নি নির্বাপণ প্রশিক্ষণ দিয়েছে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস। কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর ইফতেখার রায়হান চৌধুরীর নেতৃত্বে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসময় শতাধিক ব্যক্তিকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। ওই প্রশিক্ষণ দেখে দেখে আরো শত শত মানুষ শিখেছে এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ফায়ার সার্ভিস প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, ওই প্রশিক্ষণের পর এমন দুর্ঘটনা আর ঘটবে না। ওই প্রশিক্ষণে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিস, কালিয়াকৈর থানা ও জেলা পুলিশসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর ইফতেখার রায়হান চৌধুরী জানান, ওই মহল্লাটি খুবই ঘনবসতিপূর্ণ। এখানে যারা থাকেন, তাদের গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে অভিজ্ঞতা কম। যার কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর না ঘটে। সে জন্য এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহম্মেদ জানান, ওই এলাকার মানুষ গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে অভিজ্ঞতা কম। এ জন্য ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ওই এলাকায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।এতে প্রশিক্ষণার্থী নিজে ও পরিবারও সচেতন হবে। ফলে এ ধরণের দুর্ঘটনা আর পূণরাবৃত্তি হবে না বলেও মনে করছেন এই কর্মকর্তা। এছাড়াও গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলারশিপের বৈধতা আছে কিনা? উায়ার সার্ভিসকে সেটাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



কালিয়াকৈরে শিলাবৃষ্টিতে তছনছ গ্রামগুলো পরিদর্শন করলেন ডিসি

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি;গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হঠাৎ দুই দফায় ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে তছনছ হওয়া সেই গ্রামের পর গ্রাম পরিদর্শন করেছেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম। সোমবার সকালে তিনি এসব গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর-ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেন।

এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন-কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহম্মেদ,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রজত বিশ্বাস উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সারোয়ার আলম, ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ আলম সরকার, বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবজাল হোসেনসহ উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউপি সদস্য ও স্থানীয় লোকজন।

শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন ঘরবাড়ি ও ফসলের মাঠ পরিদর্শন কালে তিনি বাড়ির মালিক এবং কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শন শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের কথা ব্যক্ত করেন এবং তা যাতে সুষ্ঠুভাবে বন্টিন হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন ডিসি।


আরও খবর

স্বাগত ১৪৩১, আজ পহেলা বৈশাখ

রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪