Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ঢাবি শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস নেন না: অতিরিক্ত সচিব

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষকরা নিজ বিভাগের নিয়মিত ক্লাস নেন না, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি মনোযোগ বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আবু ইউসুফ মিয়া।

এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের শিক্ষক প্রতিনিধিরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বলেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিকেলে অনুষ্ঠিত হওয়া সিনেট অধিবেশনে অতিরিক্ত সচিবের বক্তব্যের সময় এ ঘটনা ঘটে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচিত প্রতিনিধির বাইরেও উপাচার্য, রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়। অতিরিক্ত সচিব মো. আবু ইউসুফ মিয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের থেকে মনোনীত সিনেট সদস্য।

সিনেটে তার বক্তব্যের সময় তিনি বলেন, আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম, তখন শিক্ষকরা যেভাবে ক্লাস নিতো এখনও সেভাবে নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার কথা। কিন্তু নিয়মিত ক্লাস না নিয়ে সব ক্লাস একেবারে নিচ্ছে। এই অভিযোগটা আছে।

এসময় ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক ভূঁইয়া এ কথার প্রতিবাদ জানান।

তিনি বলেন, আমি মনে করি শিক্ষকরা যথাসময়ে ক্লাস নিচ্ছেন। কোনো শিক্ষার্থী বলতে পারবে না যে শিক্ষকরা ক্লাস নিচ্ছেন না।

এসময় তিনি অতিরিক্ত সচিবকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করেন।

অপরদিকে শিক্ষক প্রতিনিধির চেয়ারে থাকা নীল দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক আব্দুস সামাদ, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মঈন, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহাবুব হাসান ও অধ্যাপক আ জ ম শফিউল আলম ভূঁইয়া সচিবের বক্তব্যের বিরোধিতায় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেন।

একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান অতিরিক্ত সচিবের বক্তব্য প্রত্যাহার করেন। পরে অতিরিক্ত সচিব তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।


আরও খবর



সীতাকুণ্ড বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও এক ফায়ার সার্ভিসকর্মীর মৃত্যু

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্য গাউসুল আজম মারা গেছেন।

রোববার (১২ জুন) ভোরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে সীতাকুণ্ড বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হলো ৪৭ জন।

সকালে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. আইউব হোসেন জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের সদস্য গাউসুল আজম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (রোববার) ভোরে মারা গেছেন। তার শরীরের ৭০ শতাংশ অংশ দগ্ধ ছিল।’

গত ৪ জুন (শনিবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। রাত ১০টার পর আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। ১১টার দিকে দাহ্য পদার্থ থাকা বেশ কয়েকটি কনটেইনার বিস্ফোরিত হয়। রাত ১২টার পর থেকে আসতে থাকে মৃত্যুর খবর। সময় যত গড়াতে থাকে, মৃতের সংখ্যাও তত বাড়তে থাকে।

এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৪৬ জনের মধ্যে ২৭ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এসব মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এখনো ১৯ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের মধ্যে এখনো ৯৯ জন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতাল, আগ্রাবাদ মা-শিশু হাসপাতাল, পার্কভিউ হসপিটালসহ ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটেও ভর্তি অনেকে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।


আরও খবর



‘গোখরা নিয়ে খেলতে গেলে খেয়াল রাখতে হয়, যেকোনো সময় ছোবল দিতে পারে’

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

‘গোখরা সাপ নিয়ে খেলার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, এটি যে কোনো সময় ছোবল দিতে পারে। যারা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত, তারা হয়তো ধারণা করতে পারেননি এত বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা জানতে পারেননি কোন কনটেইনারে কী আছে। কোনটি দাহ্য পদার্থ আছে জানা গেলে তারা এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে পারতেন।’

রোববার (৫ জুন) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন ও বিস্ফোরণ সম্পর্কে জানতে চাইলে জাগো নিউজকে একথা বলেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স বাহিনীর সাবেক পরিচালক ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মেজর (অব.) শাকিল নেওয়াজ।

ফায়ার সার্ভিসের সাবেক এই কর্মকর্তা বলেন, অন্যদিকে ডিপো কর্তৃপক্ষ বলছে, এ ধরনের দুর্ঘটনা মোকাবিলায় তাদের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছিল না। হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের মতো পদার্থ আমদানির বিষয়েও তারা অবগত ছিলেন না। যদিও তাদের এই দাবি ঘিরে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের নজর ফাঁকি দিয়ে কীভাবে এ ধরনের পদার্থ ডিপোতে রাখা হলো? এই দায় কি তারা চাইলেই এড়াতে পারেন?

‘২০১১ সাল থেকে এই ডিপোটির কার্যক্রম চালু হয়। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি অবশ্যই আরও আগে দেখা দরকার ছিল। এখন বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা জানে না হাইড্রোজেন পার অক্সাইড এসেছে। অথচ এই পদার্থ অনেক কাজে লাগে। যেমন- মাউথ ওয়াশ, নেইল রিমুভার, কিচেন ক্লিন, কাপড় পরিষ্কার ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রে কাজে লাগে। এখন বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে তাদের অনুমোদন ছিল না। তাহলে কীভাবে এলো এগুলো?’

jagonews24

আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত থেকে প্রাণহানির শিকার কর্মীদের কেমিক্যাল সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ছিল কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন রেখে শাকিল নেওয়াজ বলেন, যারা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন তারা কেমিক্যাল বিষয়ে প্রশিক্ষিত ছিলেন কি না, সেটি দেখতে হবে। কারণ এ ধরনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দূরত্ব রক্ষা করে কাজ করতে হয়। ১০০ মিটারকে বলা হয় হটজোন। ৩০০ মিটারকে বলা হয় ওয়ার্মজোন। তারপরের অংশ হচ্ছে কুলজোন। হটজোনে একমাত্র কেমিক্যাল এক্সপার্ট লোক ঢুকবে। ওয়ার্মজোনে ফায়ার ফাইটার, অ্যাম্বুলেন্স তারা তৈরি থাকবে। আর কুলজোনে সাধারণ মানুষ থাকবে। সীতাকুণ্ডের ঘটনায় এই শৃঙ্খলা মানা হয়েছে কি না, সেটি দেখার বিষয়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রাণহানির ঘটনা দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনি ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে কাজ করছেন, যে ধরনের সতর্কতা দরকার ছিল তা ছিল কিনা, সেটি এখন বড় প্রশ্ন। সতর্কতা থাকলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের এত প্রাণহানি হয়তো ঘটতো না। আগুন লেগেছে, এখন সবাই ঝাঁপিয়ে পড়লো নেভানোর জন্য, এটা ঠিক হয়নি। সঠিক জ্ঞান বা প্রশিক্ষণ না থাকায় দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েছে।

ডিপোর স্টোরিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফায়ার সার্ভিসের সাবেক এই পরিচালক বলেন, ডিপোতে কনটেইনারগুলো স্টোরিংয়ে বড় ঘাটতি ছিল। কেমিক্যাল সব সময় আলাদা জায়গায় রাখতে হয়। একটি কনটেইনার থেকে আরেকটি কনটেইনারের মধ্যে নিরাপদ দূরত্বও থাকতে হবে। যাতে একটি বিস্ফোরণ বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে অন্যটি কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এ ধরনের কেমিক্যাল হালকা ঠান্ডা তাপমাত্রায় রাখতে হয়।

কী কারণে এই আগুন লাগতে পারে? এমন প্রশ্নের জবাবে মেজর (অব.) শাকিল নেওয়াজ বলেন, তিন কারণে আগুন লাগতে পারে। একটি হচ্ছে প্রাকৃতিক আগুন। অর্থাৎ বজ্রপাত থেকে। দ্বিতীয়ত দুর্ঘটনাবশত আগুন লাগতে পারে। যেমন- মানুষের অসতর্ক চলাফেরা, বৈদ্যুতিক ত্রুটি, ধূমপান, গ্রেইনডিং, ওয়েল্ডিং ইত্যাদি। তৃতীয়ত হচ্ছে শত্রুতা করে বা পরিকল্পনা করে কেউ আগুন দিলে। যেহেতু শনিবার রাতে সেখানে কোনো বজ্রপাত হয়নি তাই দ্বিতীয় এবং তৃতীয় কারণ দুটো অনুসন্ধান করতে হবে।

jagonews24'

এর আগে শনিবার (৪ জুন) রাত ১১টার দিকে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এসময় এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে ছড়িয়ে পড়তে থাকে আগুন। কিছু কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। ভেঙে পড়ে আশপাশের বাড়িঘরের জানালার কাচ।

রোববার (৫ জুন) রাত ৯টা পর্যন্ত ৪৯ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াছ চৌধুরী। এর মধ্যে আটজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী। আহত আছেন কয়েকশ। ডিপোটিতে ১৩শ কনটেইনার ছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রাথমিকভাবে এ আগুনে নয়শ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অপরদিকে নিহত ও আহত শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছে শ্রম মন্ত্রণালয়। নিহত শ্রমিকদের ২ লাখ টাকা ও আহতদের চিকিৎসায় ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। আর নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএম কনটেইনার ডিপো কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এ দুর্ঘটনায় যারা অঙ্গ হারিয়েছেন তাদের ৬ লাখ এবং আহতদের ৪ লাখ টাকা করে দেবে প্রতিষ্ঠানটি।


আরও খবর



ধর্ষণের বিচার চেয়ে হাইকোর্টে আসা তরুণীর পক্ষে লিগ্যাল এইডের আপিল

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

ধর্ষণের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়া বিজিবি সদস্যের বিচার চেয়ে হাইকোর্টের এজলাসের সামনে দাঁড়ানো সেই কিশোরীর পক্ষে আপিল করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুন) কিশোরীর পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী বদরুন নাহার এ আপিল করেন।

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী নিজে। আপিলে নারাজি আবেদন গ্রহণ করার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আপিল আবেদনের ওপর হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে।

এর আগে গত ১৫ জুন সকালে ওই কিশোরী তার মাকে সঙ্গে নিয়ে বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আসেন। এসময় ওই কিশোরী আদালতের এজলাস কক্ষের ডায়াসের সামনে গিয়ে দাঁড়ান।

আদালত জানতে চান, কে আপনারা? কী চান? জবাবে ওই কিশোরী নিজের নাম ও পরিচয় জানিয়ে সঙ্গে থাকা ব্যক্তি তার মা বলে আদালতকে জানায়।

কিশোরী আরও বলেন, আমার বয়স ১৫ বছর। আমি ধর্ষণের শিকার। একজন বিজিবি সদস্য আমাকে ধর্ষণ করেছে। কিন্তু নীলফামারীর আদালত (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) তাকে খালাস দিয়ে দিয়েছে। আমরা গরিব মানুষ, আমাদের টাকা পয়সা নাই। আমরা আপনার কাছে বিচার চাই।

এরপর আদালত ওই কিশোরীর কাছে জানতে চান, যে তার কাছে মামলা সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র আছে কি না? তখন কিশোরী মামলার কাগজ আছে বলে আদালতকে জানান। এসময় আদালতে উপস্থিত সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের আইনজীবী বদরুন নাহারকে মামলাটির দেখভাল করতে বলেন।

জানা গেছে, নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার এক ভ্যানচালকের সন্তান ওই ভুক্তভোগী কিশোরী। কিশোরী মেয়েকে নিয়ে বিজিবি সদস্য আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ২১ নভেম্বর মামলা করেন কিশোরীর মা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর বিকেলে সৈয়দপুর শহরের সাজেদা ক্লিনিকে জন্ম নেওয়া বোনের নবজাতককে দেখানোর কথা বলে বিজিবি সদস্য আক্তারুজ্জামান তার প্রতিবেশি বাড়ির কিশোরীকে (ধর্ষণের শিকার কিশোরী) তার বাড়ির কাউকে কিছু না জানিয়ে মোটরসাইকেলে করে শহরে নিয়ে যায়। মোটরসাইকেলে দুজনের শহরের দিকে যাওয়ার বিষয়টি দেখে তাদের ডাক দেওয়া হলেও সাড়া মেলেনি কোনো।

এরপর সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিশোরীর বড় বোন তাদের মাকে জানায়, আক্তারুজ্জামানের বোন তাকে জানিয়েছে (ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে) তার ছোটো মেয়ে আজ ফিরবে না। পরদিন সকাল ৮টায় আক্তারুজ্জামানের বোন ভুক্তভোগী কিশোরীর জন্য জামা নিতে তাদের বাড়িতে আসে। মাংসের ঝোল লাগায় আগের দিন পড়ে থাকা জামা ধুয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আক্তারুজ্জামানের বোন কিশোরীর ঘর থেকে তার আরেকটি জামা নিয়ে যায়। এরপর রাত ৯টার দিকে আক্তারুজ্জামান মোটরসাইকেলে করে ভুক্তভোগী কিশোরীকে তার বাড়িতে রেখে যায়।

‘বাড়িতে রেখে যাওয়ার পর মেয়ে ভুলভাল বকতে থাকায় পরদিন ১১ নভেম্বর স্থানীয় হুজুরের কাছে মেয়েকে নিয়ে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করানো হয়। এতেও মেয়ে সুস্থ না হওয়ায় ১২ নভেম্বর সকালে নীলফামারীর আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। ওইদিনই মেয়েকে ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার-ওসিসিতে স্থানান্তর করা হয়।’

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য নীলফামারীর ওই হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালের ছাড়পত্রে ‘যৌন নিপীড়নের’ কথা উল্লেখ করা হয়। পরে এই ঘটনায় কিশোরীর মা একই বছরের ২১ নভেম্বর মামলা দায়ের করেন।

তবে তদন্তের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ার কথা বলা হলে নীলফামারীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গত ১৭ মে আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। এরপরই ওই কিশোরী বিচার চেয়ে হাইকোর্টে আসেন।


আরও খবর



সেপটিক ট্যাংকে নেমে একে একে প্রাণ গেলো ৩ শ্রমিকের

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

নরসিংদীর মাধবদীতে মাদরাসার সেপটিক ট্যাংকে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ জুন) বিকেলে উপজেলার নুরালাপুর ইউনিয়নের গদাইরচর আছিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শ্রমিক হলেন- নরসিংদীর বাসাইল এলাকার মৃত এরশাদ মিয়ার ছেলে স্যানিটারি মিস্ত্রি জাহিদ (৩২) ও উত্তর সাটিরপাড়া এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে রং মিস্ত্রি বায়েজিদ (২২) ও মাধবদীর গদাইরচর এলাকার কাউছার মিয়ার ছেলে আনিছ মিয়া (১৬)।

স্থানীয়রা জানান, বিকেলে গদাইরচর আফিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার নবনির্মিত চারতলা ভবনের পূর্ব পাশের দেওয়ালে দড়ি বেঁধে মিস্ত্রিরা রং করছিলেন। এ সময় রং মিস্ত্রিদের কাজ করার একটি যন্ত্র মাদরাসার সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায়। পরে স্যানিটারি মিস্ত্রি জাহিদ তা তুলতে বাঁশ দিয়ে ট্যাংকের ভেতরে নামেন। তিনি সেখানে নেমে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার শুরু করেন।

তাকে উদ্ধার করতে বায়েজিদ ট্যাংকে নামলে তারও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এরপর তাদের উদ্ধারে আনিছ ভেতরে নামলে তারও সাড়া শব্দ পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে মাধবদী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তিনজনকে উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে জাহিদ ও বায়েজিদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আর আনিসকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।

মাধবদী ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার সুলতান মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করি। এদের মধ্যে দুজন ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই মারা যান। আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে পথে তিনিও মারা যান। মূলত বিষাক্ত গ্যাসের কারণে অক্সিজেন স্বল্পতায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর



শরৎচন্দ্র পণ্ডিতের মজার ঘটনা: মৃত্যুশয্যায়

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

বাংলা সাহিত্যের এক রসিক লেখক দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র। হাস্যরস ছিল তার জীবনজয়ের মন্ত্র। অসম্ভব চরিত্রের দৃঢ়তা, অনমনীয় মানসিক শক্তি, কঠোর কর্তব্যপরায়নতা। দাদাঠাকুর ছিলেন স্বভাব কবি এবং তীক্ষ্ণধী, সমাজ সচেতন লেখক। তবে দাদাঠাকুর সেসময় সবার কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন তার রসবোধের জন্য।

তখন দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্ৰ পণ্ডিত মৃত্যুশয্যায়। মৃত্যুশয্যায় শুয়েও তিনি স্বাভাবসুলভ রসিকতা করতে ছাড়েননি। তার চিকিৎসা করতেন পারিবারিক চিকিৎসক ডা. মণি চট্টোপাধ্যায়। ডাক্তারবাবুকে আসতে দেখে একজন বললেন, দাদাঠাকুর, মণি ডাক্তার এসেছেন।

উত্তরে দাদাঠাকুর মজা করে বললেন, নো মোর মণি নিডেড।

এ কথা শুনে মণি ডাক্তার হেসে ফেলে বললেন, দাদাঠাকুর, কই জিভটা একবার দেখান।

লেখা: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রিয় পাঠক, আপনিও অংশ নিতে পারেন আমাদের এ আয়োজনে। আপনার মজার (রম্য) গল্পটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়। লেখা মনোনীত হলেই যে কোনো শুক্রবার প্রকাশিত হবে।


আরও খবর