Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

দেশসেরা স্কুল রাজশাহীর পিএন, কলেজ ঢাকা রেসিডেনসিয়াল

প্রকাশিত:Friday ১৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

চলতি বছরের দেশসেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সেরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের নাম ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বুধবার (১৬ জুন) অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

এ বছর স্কুলপর্যায়ের সেরা নির্বাচিত হয়েছে রাজশাহীর সরকারি পি এন (প্রমথনাথ) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। আর কলেজপর্যায়ে সেরা নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ। এছাড়া কারিগরি বিভাগে সেরা হয়েছে রংপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

শ্রেষ্ঠ শিক্ষক
২০২২ সালের দেশের শ্রেষ্ঠ স্কুলশিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের তামিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান জাবেদা আক্তার জাহান, শ্রেষ্ঠ কলেজশিক্ষক হয়েছেন মানিকগঞ্জের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, শ্রেষ্ঠ মাদরাসাশিক্ষক ডেমরার তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার প্রধান ড. মুহাম্মদ আবু ইউছুফ।

এছাড়া কারিগরি বিভাগে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রধান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বিজয়ী হয়েছেন।

শ্রেষ্ঠ শ্রেণিশিক্ষক
চলতি বছর স্কুলপর্যায়ে সেরা শ্রেণিশিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন বরিশালের সরকারি ডব্লিউ বি ইউনিয়ন মডেল ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক মোসা. সেলিনা আক্তার, কলেজপর্যায়ে সাভার সরকারি কলেজের শিক্ষক ড. এ কে এম সাঈদ হাসান, মাদরাসা বিভাগে বরিশালের সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগে দিনাজপুরের পার্বতীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক পবন কুমার সরকার।

শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী
স্কুলপর্যায়ে ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজপর্যায়ে রাজবাড়ী সরকারি কলেজ, মাদরাসাপর্যায়ে চট্টগ্রামের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসা ও কারিগরিপর্যায়ে লালমনিরহাটের সরকারি আদিতমারী গিরিজা শংকর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা সেরা নির্বাচিত হয়েছে।

শ্রেষ্ঠ জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা
চলতি বছর শ্রেষ্ঠ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এছাড়া উপজেলাপর্যায়ে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ভুঞা শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে, গত ৫-৬ জুন কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীতে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে ১৫ ক্যাটাগরিতে সাংস্কৃতিক কারিকুলামসহ মোট ২১৩ জনকে ২০২২ সালের বর্ষসেরা ঘোষণা করা হয়।

সাংস্কৃতিক কারিকুলামের মধ্যে ছিল কেরাতপাঠ, হামদ/নাত, বাংলা রচনা, ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতা, ইংরেজি বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, বাংলা কবিতা আবৃত্তি, বিতর্ক (একক), দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্র ও নজরুল, উচ্চাঙ্গ সংগীত, লোকসংগীত (ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, পল্লীগীতি, লালনগীতি), জারি গান (দলভিত্তিক), নির্ধারিত বক্তৃতা, নৃত্য (উচ্চাঙ্গ) ও লোকনৃত্য।

এতে দেশের ৯ বিভাগের প্রতিযোগিদের চারটি গ্রুপে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি গ্রুপে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের হিসেবে মোট ১৮০ জনকে বিজয়ী হিসেবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এসব প্রতিযোগিতায় সারাদেশের মোট ৮৩৬ জন অংশ নেয়। এছাড়াও বিএনসিসি, রোভার, স্কাউট, গার্ল গাইডস ও রেঞ্জার ক্যাটাগরিতে তিনজন করে ৯ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য জাগো নিউজকে বলেন, চলতি বছরের মার্চে উপজেলাপর্যায়ের প্রতিযোগিতা দিয়ে শিক্ষা সপ্তাহ প্রতিযোগিতা-২০২২-এর আয়োজন শুরু হয়। সেখানে বিজয়ীদের জেলাপর্যায়ে, এরপর বিভাগীয় ও সর্বশেষ গত ৫ ও ৬ জুন ঢাকায় চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২১৩ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে ক্রেস্ট, মেডেল, সনদ ও ৫-১০ হাজার টাকা উপহার হিসেবে দেওয়া হবে। এর বাইরে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা ও শিক্ষকদের ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে।’


আরও খবর



স্বীকৃতি চেয়ে নির্বাচন কমিশনে এলডিপির একাংশের চিঠি

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

নিজেদের অংশের স্বীকৃতি চেয়ে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি পুনর্গঠন করে ৭১ সদস্য কমিটি গঠনের কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) চিঠি দিয়েছে আবদুল করিম আব্বাসী ও শাহাদাত হোসেন সেলিমের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) নির্বাচন কমিশনের সচিব বরাবর এ চিঠি পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

চিঠিতে এলডিপি মহাসচিব উল্লেখ করেন, সম্প্রতি অলি আহমদের নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে অনেক নেতাকর্মী আবদুল করিম আব্বাসী ও শাহাদাত হোসেন সেলিম নেতৃত্বাধীন এলডিপিতে যোগদান করেন। যা গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন ও সংযোজন করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। যা আপনার অবগতির জন্য পেশ করা হলো।’

চিঠিতে ইসি-সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেন এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম।


আরও খবর



অপ্রদর্শিত আয়ের সুযোগ হলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়বে

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

গত অর্থবছরের মতো প্রস্তাবিত ২০২৩-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব। আর অপ্রদর্শিত আয়ের সুযোগ হলে আবাসন খাতে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়বে বলে দাবি করছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে বলে জানিয়েছে রিহ্যাব।

শনিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ঘোষিত জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩ সম্পর্কিত রিহ্যাবের প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এসব তথ্য জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল, রিহ্যাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইন্তেখাবুল হামিদ, সহ-সভাপতি (প্রথম) কামাল মাহমুদ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলাল, লায়ন শরীফ আলী খান এবং প্রকৌশলী মোহাম্মদ সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের নেতারা জানান, বাংলাদেশের গৃহায়ণ শিল্প প্রতি বছর প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহে কার্যকর ভূমিকা রাখছিল। রিহ্যাব সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আবাসনের মালিকানা সহজলভ্য করে মানুষের মনে আত্মনির্ভরতা সৃষ্টি করছে। এছাড়া সরকারের রাজস্ব আয়, কর্মসংস্থান, লিংকেজ শিল্প প্রসারের মাধ্যমে সমগ্র নির্মাণখাত জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের আবাসন শিল্প শুধু আবাসনই সরবরাহ করছে না, একই সঙ্গে ৪০ লাখ শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল দুই কোটি মানুষের অন্নের জোগান দিচ্ছে। সৃষ্টি করছে নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের, যা প্রকারান্তরে দেশের উন্নয়নে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে।

অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি সরকারি অর্থনৈতিক ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে বলেছেন, অপ্রদর্শিত অর্থ উৎপাদনের জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থাটাই দায়ী। হঠাৎ করে বা রাতারাতি সিস্টেম পরিবর্তন করা সম্ভব না। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে নিবন্ধন ব্যয় ১২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২-৩ শতাংশে নিয়ে এসে ধীরে ধীরে সিস্টেম পরিবর্তন করলে তবেই সঠিক মূল্যে রেজিস্ট্রেশন হবে এবং সার্বিক অর্থনীতিতে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ বলে গণ্য করা যাবে। ঘোষিত বাজেটে পাচারকৃত টাকা দেশে আনার বিষয়ে আইন করা হয়েছে, এটি সাহসী পদক্ষেপ কিন্তু দেশ থেকে যাতে টাকা পাচার না হয় সেদিকেই আমাদের বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। বিনা প্রশ্নে উত্তম বিনিয়োগের সুযোগ ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে নির্দেশিত নির্দেশনার আদলে এখন বাস্তবসম্মত ও সময় উপযোগী।

এসময় রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল বলেন, আমরা অন্তত দুই/তিন বছরের জন্য অপ্রদর্শিত টাকা আবাসনখাতে বিনিয়োগের সুযোগ চাই। এতে এই দু/তিন বছরের প্রতি বছর ৫০ হাজার টাকা করে এ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। এতে দেশ থেকে কোনো টাকা পাচার হবে না। আবাসন খাতে বিনিয়োগ হলে এ খাত যেমন ঘুরে দাঁড়াবে, একই সঙ্গে বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান হবে। সরকার নির্মাণশিল্প থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে। যদি আবাসন সেক্টরসহ উৎপাদনমূখী খাতগুলো গতিশীল থাকে, তবে বাজেটে যে প্রবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে তা সম্ভব হবে। অর্থনীতি হবে আরও সমৃদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আমাদের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের একান্ত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা এ খাত সম্প্রতি নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন। উদীয়মান এই খাতে নানা কর আরোপ ও সরকারের নীতি সহায়তার অভাবে ক্রমে দেশের আবাসনখাত মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পতিত হয়েছে। কোভিড মহামারির ধাক্কা, নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি, মানুষের সামর্থ্যরে মধ্যে মাসিক কিস্তি সুবিধা দেওয়ার মতো এই খাতে পর্যাপ্ত আর্থিক ঋণ প্রবাহ না থাকায় অনেকের বাসস্থানের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না। নতুন করে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে ভবন নির্মাণে সিটি করপোরেশনের অনাপত্তি সনদ।

রিহ্যাব নেতারা বলেন, এরই মধ্যে ঢাকার এক কাউন্সিলর নোটিশ দিয়েছেন, তার অনুমতি ছাড়া ভবন নির্মাণ করা যাবে না। আমরা কয়টা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সনদ গ্রহণ করবো? একের পর এক সমস্যা এই শিল্পকে সংকটে ঠেলে দিচ্ছে। এই অবস্থায় সরকারের আশু পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই সংকট উত্তরণ অসম্ভব। নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা কারণে সমগ্র গৃহায়ণখাতে বিক্রির পরিমাণ প্রায় হ্রাস পেয়েছে। এই মুহূর্তে যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে দেশের অর্থনীতিতে এর একটা বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে আমাদের শঙ্কা।


আরও খবর



মাত্র আড়াই মাসের গ্যাস রয়েছে জার্মানির, বড় বিপদের হাতছানি

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় বড় সংকটের মুখে জার্মানি। মাত্র আড়াই মাস চলার মতো গ্যাসের মজুত রয়েছে তাদের হাতে। ফলে নতুন সরবরাহ না পেলে খুব শিগগির বড় বিপদে পড়তে চলেছে জার্মানরা। দেশটিতে গ্যাসের দাম দুই-তিনগুণ বেড়ে যেতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে গ্যাস রেশনিংয়ের পথে হাঁটতে হতে পারে জার্মান সরকারকে।

ইউক্রেন আক্রমণের জেরে রাশিয়ার জ্বালানি আমদানি সীমিত করাসহ একঝাঁক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জবাবে, ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে মস্কো।

জার্মান অর্থ মন্ত্রী রবার্ট হাবেক বলেছেন, ইইউর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার জবাব দিতে গ্যাসকে ‘অস্ত্র’ হিসাবে ব্যবহার করছে রাশিয়া। তিনি বলেন, আমাদের চোখ বন্ধ করে থাকার কোনো মানে হয় না। গ্যাস সরবরাহ কেটে দেওয়া পরিষ্কার আমাদের ওপর [রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির] পুতিনের হামলা। জার্মানিকে এখন গ্যাসের ব্যবহার কমাতে হবে।

হাবেক বলেন, তিনি আশা করছেন, জার্মানিতে কখনোই শিল্পখাতে গ্যাস রেশনিংয়ের প্রয়োজন পড়বে না। তবে সেই সম্ভাবনা একেবারে নাকচ করেও দেওয়া যাচ্ছে না।

jagonews24

আপৎকালীন পরিকল্পনা
জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হলে বা চাহিদা খুব বেড়ে গেলে তা মোকাবিলায় তিন স্তরের একটি আপৎকালীন পরিকল্পনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) থেকে সেই পরিকল্পনার দ্বিতীয় স্তর কার্যকর করেছে দেশটি।

এখন গ্যাস মজুতকরণ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস ভর্তি করার জন্য জার্মান সরকার ১ হাজার ৫০০ কোটি ইউরো ঋণ দেবে। শিল্পখাতে গ্যাস নিলামে বিক্রি শুরু হবে, যেন যাতে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো কম গ্যাস ব্যবহার করতে উদ্যোগী হয়। এছাড়া গ্যাস কিনতে যে বাড়তি দাম লাগছে, তা ক্রেতাদের ওপর চাপানোর অনুমোদন দিয়েছে জার্মান সরকার।

ফেডারেল নেটওয়ার্ক এজেন্সির প্রধান মুলার বলেছেন, জার্মানির কাছে গ্যাসের পুরো সঞ্চয় থাকলে রাশিয়ার ওপর এখন নির্ভর করতে হতো না। তাদের হাতে মাত্র আড়াই মাস চলার মতো গ্যাস মজুত রয়েছে। তারপরই সব ট্যাংক খালি হয়ে যাবে। তার মতে, জার্মানিকে বড় সংকট থেকে বাঁচাতে হলে অন্য জায়গা থেকে গ্যাস আমদানির ব্যবস্থা করতে হবে।

অন্য একটি সাক্ষাৎকারে মুলার বলেছেন, গ্যাসের দাম তিনগুণ বাড়তে পারে। তিনি বলেন, জার্মানিকে এই পরিকল্পনার তৃতীয় স্তর কার্যকর করতে হলে পরিণতি হবে ভয়ংকর। তখন গ্যাস রেশনিং করতে হবে, প্রয়োজনভিত্তিক অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সরবরাহ কমিয়েছে রাশিয়া
ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে জার্মানিসহ ইইউর দেশগুলো রুশ তেল আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। তবে বার্লিন এখনো রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি বন্ধ করেনি।

এ অবস্থায় গত সপ্তাহে যন্ত্রপাতির সমস্যা হচ্ছে দাবি করে নর্ড স্ট্রিম-১ পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয় রাশিয়া, যার প্রভাব পড়েছে জার্মানিতে।

জার্মান অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন দিয়ে এখন স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অনেক কম গ্যাস আসছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী শীতে প্রয়োজনীয় মজুতের ৯০ শতাংশ নিশ্চিত করতে জার্মানিকে বেগ পেতে হবে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা গ্যাজপ্রম জানিয়েছে, নর্ড স্ট্রিমের মাধ্যমে তারা জার্মানিকে যে গ্যাস দেয়, তার সরবরাহ আরও কমিয়ে দেওয়া হবে। তারা ফ্রান্স, ইতালিকেও কম গ্যাস দিচ্ছে।

jagonews24

ঝুঁকিতে ইউরোপ
রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় সমস্যায় পড়েছে ইউরোপের অন্তত ১২টি দেশে। গত বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন ইইউ’র পরিবেশনীতি বিষয়ক প্রধান ফ্র্যান্স টিমারম্যান্স।

গ্যাস কেনার অর্থ রুশ মুদ্রা রুবলে পরিশোধের নীতি প্রত্যাখান করায় এরই মধ্যে পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া।

তেল ও গ্যাস বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ইনভেসটেকের প্রধান নাথান পাইপারের মতে, গ্রীষ্মের মাসগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া ততটা উদ্বেগের নয়। কিন্তু শীতের সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, সেসময় ঘরবাড়ি গরম রাখার জন্য গ্যাসের চাহিদা অনেক বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, জার্মানিকে আপৎকালীন ব্যবস্থার তৃতীয় স্তর কার্যকর করতে হয় কি না সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে। কিন্তু শীত মৌসুমে গ্যাসের দাম বেড়ে গেলে শিল্পখাতগুলো চাহিদা কমাতে বা নিজেরাই রেশন ব্যবস্থা চালু করতে চাইবে, এমন আশঙ্কা অনেক বেশি। কারণ মজুত গ্যাস ছেড়ে দেওয়া তখন অর্থকরী হবে না।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে, বিবিসি বাংলা


আরও খবর



দেশে অশান্তি তৈরি করলে দুকূল হারাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

দেশে অশান্তি ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিকারীদের সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ মুহূর্তে কেউ কোনো অশান্তি তৈরি করতে চাইলে একূল ওকূল দুকূল হারাতে হবে। এটা তাদের মনে রাখতে হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

দীর্ঘ আলোচনায় ৬ দফার পটভূমি, ইতিহাস ও ফলাফল তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছয় দফা দাবি আমাদের জন্য ছিল ম্যাগনাকার্টা। ৭০-এ যে নির্বাচন, তা ছিল ছয় দফার ভিত্তিতেই। যখনই ছয় দফা নিয়ে আলোচনা হতো, বাবা (শেখ মুজিব) বলতেন- ছয় দফা মানেই এক দফা; ‘স্বাধীনতা’।

এসময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, করোনা মহামারির কারণে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এর প্রভাবে বিশ্বের বড় বড় দেশ অর্থনৈতিকভাবে হিমশিম খাচ্ছে। উন্নত দেশ ইংল্যান্ডে মুদ্রাস্ফীতি ১০ শতাংশ, আমেরিকায় যেখানে মুদ্রাস্ফীতি ১ শতাংশের বেশি হতো না, সেখানে এখন ১০ শতাংশ। প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে। ইংল্যান্ডে যারা তিনবেলা খেতো, তারা একবেলা খাবার কমিয়ে দিয়েছে। তাদের সীমিত বিদ্যুৎ ব্যবহার, এক লিটারের বেশি ভোজ্যতেল না কেনার মতো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মুদ্রাস্ফীতি ১৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে, সেসব দেশেও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি।

তিনি বলেন, আমরা ভর্তুকি দিয়ে দ্রব্যমূল্য যতটুকু পারছি নিয়ন্ত্রণে রাখছি। আমাদের রিজার্ভ প্রায় ৪৮ বিলিয়নে তুলেছিলাম। আজকে সেই রিজার্ভের টাকা ভেঙে ভেঙে বিদ্যুৎ, গ্যাস, কৃষি ও স্বাস্থ্যের জন্য ভর্তুকি ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। এভাবে কোনো দেশ করেনি। তারপরও যদি কেউ গোলমাল করার চেষ্টা করে, আর তাতে যদি দেশটা একেবারে স্থবির হয়ে যায়, সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে?

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের মানুষ অনেক ভালো আছে। তারা যেন ভালো থাকে, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিচ্ছি। সবাইকে বলছি, এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। বিশ্বব্যাপী যে খাদ্যাভাব, মন্দা; সেখানে আমাদের মাটি আছে মানুষ আছে, আমাদের ফসল ফলাতে হবে। নিজের খাবারের ব্যবস্থা নিজেরাই করবো। এটাই বাস্তবতা।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন তো বন্ধ হয়নি। আমরা প্রণোদনা দিয়েছি। ভর্তুকি দিয়ে গার্মন্টস শ্রমিকদের মোবাইলে আমরাই বেতন দিয়েছি। মালিকদের হাতে তো দিইনি। আজকে যদি তারা বেতন-ভাতা বাড়ানোর জন্য আন্দোলন করে, আর এতে যদি রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তো গার্মেন্টস কারখানাগুলোই বন্ধ হয়ে যাবে। তখন তো আমও যাবে, ছালাও যাবে। বেতন আর বাড়বে না। তখন চাকুরিই চলে যাবে। ঘরে ফিরে যেতে হবে। তখন কী করবে?

পোশাককর্মীদের আল্দোলনে উসকানি বিষয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, এ আন্দোলনে যে নেতারা উসকানি দিচ্ছে, কাদের প্ররোচনায় এ উসকানি, সেটাও ভেবে দেখতে হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, উন্নত দেশগুলোতে আমরা গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি করি। এখন আমরা (বাংলাদেশ) এ খাতে একটা ভালো সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি, ভালো আছি। কিন্তু যারা গার্মেন্টস পণ্য কিনবে তাদের ক্রয়ক্ষমতা তো কমে যাচ্ছে। তাদের অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। সে তুলনায় বাংলাদেশে এখনো মানুষকে আমরা খাদ্য, ওষুধ ও ভ্যাকসিন দিয়ে যাচ্ছি। তারপরও যদি কেউ কোনো অশান্তি তৈরি করতে চায়, তাহলে কিন্তু একূল ওকূল দুকূল হারাবে। এটাও যেন সবাই মনে রাখে।

আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারো কথায় দেশে অশান্তি তৈরি করলে নিজেরও ক্ষতি, দেশেরও ক্ষতি। উসকানি দিয়ে যারা পোশাক শ্রমিকদের রাস্তায় নামায় তারা তো টাকা পায়। শ্রমিক আর মালিক তো পায় না।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সবাইকে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ যুদ্ধ সহজে থামবে না মনে হয়। যুদ্ধের প্রভাবে আমদানি ব্যয় বাড়ছে। জিনিসের দাম তো বাড়বেই। আরও কত বাড়বে ঠিক নেই। তবে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার। কিন্তু আমরা কতটুকু ভর্তুকি দেবো? এজন্য সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে। কোনো খাদ্য অপচয় যেন না হয়। প্রত্যেককেই সঞ্চয়ী হতে হবে।

সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাইকে একটু সচেতন থাকা দরকার। সীতাকুণ্ডে এরকম একটা ঘটনা (কেমিক্যাল কনটেইনার বিস্ফোরণ) ঘটলো, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা ২৫ তারিখ পদ্মাসেতু উদ্বোধন করবো। নিজের অর্থায়নে এ সেতু করেছি।

এসময় তিনি হাসতে হাসতে দলের নেতাদের উদ্দেশে বলেন, একজনও মাস্ক পরেনি। যারা মাস্ক পরেনি, তাদের ফাইন করা হবে।

আলোচনা সভায় ছয় দফার ওপর বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও দলটির শ্রম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ। এসময় দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রানসামগ্রী বিতরণ

প্রকাশিত:Thursday ২৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

মোঃ আব্দুল হান্নানঃনাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ।


২১ জুন ২০২২ রোজ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর এসইএসডিপি মডেল হাই স্কুল

আশ্রয় কেন্দ্রে বন্যা কবলিত ৬৬ জন পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১৫ কেজি চাউল ও ২৫০ কেজি রেডি ব্যাগ ফিট গোখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে।


 এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রাফি উদ্দিন আহম্মদ,বন্যা কবলিত এলাকায় বিশেষ দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার বিজয়নগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মেহেদী হাসান খান শাওন, নাসিরনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোনাববর হোসেন,প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নুর আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ রায়হান আলী ভূইয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল চৌধুরী, বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল চৌধুরী, চাতলপাড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম ভূইয়া,সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগণ। 


আরও খবর