Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করা অপরাজনীতির বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:Friday ০৬ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪৭জন দেখেছেন
Image

পিরোজপুর, ৬ মে ২০২২ (শুক্রবার)

দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করা অপরাজনীতির বিপক্ষে দল-মত নির্বিশেষে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন  মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।


শুক্রবার (৬ মে) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে দুস্থ জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহারের শুকনো খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।


পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।


এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে যারা বাধা সৃষ্টি করে, যারা অপরাজনীতি করে, যারা ধ্বংসের রাজনীতি করে তাদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে। বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে স্বাধীনতাবিরোধীদের।


প্রত্যেকের মধ্যে নিজস্ব বিশ্বাস ও চেতনা থাকলেও স্বাধীনতাবিরোধীদের ভ্রান্ত, অন্ধকারাচ্ছন্ন জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সকলকে প্রগতিশীল রাজনীতিতে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, যদি কেউ ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম করতে চায়, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করতে চায়, মানুষকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দিকে নিয়ে যেতে চায় তাহলে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব আছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার।


এ জাতীয় অপরাজনীতি যারা করবে আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের যেকোন মূল্যে প্রতিহত করবে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, আমরা অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাচ্ছি। অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হচ্ছি। শেখ হাসিনা হচ্ছেন উন্নয়নের জাদুকর। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।


পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার, স্থানীয় অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


পরে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা কৃষি অফিস হলরুমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, দেশের অসহায় মানুষকে স্বাবলম্বী করাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য।


তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারে সময়ে দেশে কোনো মানুষ অভুক্ত থাকে না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করোনা মহামারীতেও দেশের উন্নয়ন থেমে নেই।



আরও খবর



শেখ হাসিনার অবদান, পদ্মা সেতু দৃশ্যমান

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

ইসমাইল হোসাইন রায়হান, স্পেন

তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আজ বিশ্বের কাছে পরিচিত বাংলাদেশ। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ নিশ্চিতকরণ, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিক পুলিশ বাহিনী, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা চলাকালীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা ধীরগতি হতে দেননি আমাদের সুপার অ্যানার্জেটিক প্রধানমন্ত্রী। যার নিরলস পরিশ্রমে আজ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। সেতুটির নাম পদ্মা সেতু হলেও বাংলার মানুষ এটি শেখ হাসিনা সেতু হিসেবেই জানবে আমৃত্যু।

যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিক সূচনা করবে পদ্মা সেতু। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে একে একে সেতু হয়েছে। মানুষের যোগাযোগ সহজ হয়েছে। পণ্য পরিবহন গতি পেয়েছে। বড় বাধা ছিল পদ্মা পারাপার। এই নদী পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলায় যাতায়াতে ফেরিঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো মানুষকে, পণ্যবাহী ট্রাককে। পদ্মা সেতু হওয়ায় ছয়খাতে বিপ্লব ঘটবে। এগুলো হলো- সংযোগ স্থাপন, ব্যবসা-আঞ্চলিক বাণিজ্য, কৃষি, শিল্প, পর্যটন এবং সামাজিক খাত।

তেঁতুলিয়া থেকে কুয়াকাটার দূরত্ব ৮০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। ঢাকা হয়ে পদ্মা নদীর ওপর দিয়ে এই পথ যেতে একটা সময় আটটি ফেরি পাড়ি দিতে হয়েছে। যমুনা নদীতে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার আগে ফেরি ছিল নয়টি। আজকের দিনের পর কেউ তেঁতুলিয়া থেকে এই পথে যাত্রা করলে কোনো ফেরিই পাড়ি দিতে হবে না।

পদ্মা সেতুর কারণে ফেরি পারাপারের আর ভোগান্তি থাকবে না দেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তের জেলা সিলেটের জাফলং থেকে খুলনায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও। এই পথের দূরত্ব প্রায় ৫৬৫ কিলোমিটার। ২০০৩ সালে ভৈরব ও আশুগঞ্জের মধ্যে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু চালুর পর সিলেট থেকে ঢাকায় সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়। পদ্মা সেতু চালুর ফলে হলে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ির ফেরি পারাপারও ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নিতে পারে।

বিশ্বের বুকে পোশাক এবং ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বুকে বাংলাদেশের নতুন ব্র্যান্ড। যেসব বিশ্বরেকর্ড গড়ল পদ্মা সেতু:

১) পদ্মা সেতুর জন্য ১৪ কিলোমিটার নদীশাসন করা হয়েছে, যা বিশ্বের আর কোথাও নেই। এত গভীরে আর নদীশাসনও কোথাও হয়নি।

২) পদ্মা সেতু নির্মাণে পিলারের ওপর স্প্যান বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রেন ব্যবহার করা হয়েছে, যা একটি বিশ্বরেকর্ড। ক্রেনটি চীন থেকে আনা হয়। এর ভাড়া গুনতেও রেকর্ড গড়া হয়েছে। প্রতি মাসে এর ভাড়া বাবদ গুনতে হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। সাড়ে তিন বছরে মোট খরচ হয়েছে ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বিশ্বে প্রথম কোনো সেতু তৈরিতে এত দীর্ঘ সময় ক্রেনটি ভাড়ায় থেকেছে।

৩) পদ্মা সেতুতে মাটির ১২০ থেকে ১২৭ মিটার গভীরে গিয়ে পাইল বসানো হয়েছে। পৃথিবীর অন্য কোনো সেতু তৈরিতে এত গভীরে গিয়ে পাইল প্রবেশ করাতে হয়নি।

৪) পদ্মা সেতু নির্মাণে কংক্রিট এবং স্টিল উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্বে আর কোনো সেতু নির্মাণে কংক্রিট এবং স্টিল একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়নি। অর্থাৎ সেতুগুলো হয় কংক্রিটে নির্মিত, না হয় স্টিলের।

৫) ৭১টি পাইলিংয়ে বেজ গ্রাউন্ড করতে ব্যবহৃত হয়েছে মাইক্রো ফাইন সিমেন্ট, যা পৃথিবীর অন্যতম দামি সিমেন্ট। সাধারণ সিমেন্টের বস্তা প্রতি দাম ৫৫০ টাকা, যা মাইক্রো ফাইনের দাম ১৫ হাজার টাকা। অস্ট্রেলিয়া থেকে এই সিমেন্ট আনা হয়েছে।

৬) পদ্মায় মূল সেতু, নদীশাসন ও সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজে মোট বালু ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ ঘনমিটার, যা দিয়ে ১৯ কোটি ১২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট আয়তনের ভবন তৈরি করা যাবে। এই আয়তন প্রায় ৫৭টি বুর্জ খলিফার সমান। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার সব তলা মিলিয়ে আয়তন ৩৩ লাখ ৩১ হাজার বর্গফুট।

কেন দরকার এই পদ্মা সেতুর?

১) কৃষি পণ্য আনা নেওয়ায় সুবিধা বাড়বে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে।

২) স্থাপিত হবে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান। দূর হবে বেকারত্ব।

৩) পদ্মা সেতু ২১টি জেলাকে সংযুক্ত করবে। বৃহত্তর বরিশাল জেলাকে একত্রিত করবে রাজধানী ঢাকার সাথে।

৪) সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা প্রতি বছর ৭-৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং ২০৫০ সাল নাগাদ ৬৭ হাজার যানবাহন চলাচল করবে।

৫) দক্ষিণের জেলাসমূহের বার্ষিক জিডিপি ২.০ শতাংশ এবং দেশের সামগ্রিক জিডিপি ১.২ শতাংশের বেশি বাড়াতে সাহায্য করবে।

৬) ঢাকা থেকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায় যেতে সময় সাশ্রয় হবে। কুয়াকাটা, তালতলীর টেংরাগিরি, শুভসন্ধ্যা, বরগুনা, পাথরঘাটাসহ আশপাশের এলাকা, এমনকি সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনশিল্প বিকশিত হবে।

পদ্মা সেতু বাঙালির ইতিহাসে একটি মাইলফলক। অর্থনৈতিক মুক্তির পাশাপাশি এই সেতু বাঙালির জীবনের একটি বড় অর্জন। এই সেতুর সাথে মিশে আছে ১৭ কোটি বাঙালির সুখ-দুঃখ আর আর্থ-সামাজিক মুক্তির সোপান। ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম সেই স্বাধীনতারও মহানায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা। স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা দেখানোর মতে দুঃসাধ্য কারো ছিল না। নিজস্ব অর্থায়নে এতো বড় বাজেটের প্রকল্প বাস্তবায়ন করে বিশ্বকে অর্থনৈতিক সক্ষমতা দেখানোর সেই দুঃসাধ্য দেখালেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আরও খবর



চেক প্রতারণা মামলায় কণ্ঠশিল্পী আবদুল মান্নান রানার কারাদণ্ড

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

আশির দশকের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আবদুল মান্নান রানাকে দুটি পৃথক মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৭ জুন) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আফরোজা জেসমিন কলি পৃথক দুটি রায়ে এ দণ্ডাদেশ দেন।

আবদুল মান্নান রানা নগরীর গোসাইলডাঙ্গা এলাকার আবদুল আজিজের ছেলে।

প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চেক প্রতারণা মামলায় আবদুল মান্নান রানার বিরুদ্ধে মামলা দুটি দায়ের করেছিলেন তার ভগ্নিপতি আবদুল্লাহ আল হারুন।
তিনি নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন চৈতন্য গলি এলাকার বাসিন্দা।

এদিন আদালতের রায় ঘোষণার সময় আবদুল মান্নান রানা আদালতে হাজির ছিলেন না। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী তপন কুমার দাশ জানান, ২০১৪ সালের মে মাসে আবদুল মান্নান রানা ভগ্নিপতির কাছ থেকে দুই দফায় মোট এক কোটি ৮৮ লাখ ৮৯ হাজার ৮২৯ টাকা ঋণ নেন। ওই বছরের ২৮ মে তিনি ঋণের বিপরীতে দুটি চেক দেন। কিন্তু চেকগুলো নির্ধারিত সময়ে অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যাত) হয়। ওই বছরের ১১ আগস্ট আবদুল্লাহ আল হারুন বাদী হয়ে রানার বিরুদ্ধে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

দুই মামলায় শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার আদালত এ রায় দেন। মামলা দুটিতে পৃথকভাবে এক বছর করে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই রায়ে চেকে উল্লিখিত সমপরিমাণ টাকা অর্থদণ্ড দেন।


আরও খবর



গৌরীপুরে ফার্নিচার ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে ক্রেতা নিহত

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ফার্নিচার ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে আবুল কালাম (৫০) নামে এক ক্রেতা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের শাহগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কালাম উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের খান্দার গ্রামের মৃত জাফর মিয়ার ছেলে।

গৌরীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাইনুল রেজা জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি শাহগঞ্জ বাজারের এক ফার্নিচারের দোকানে খাটের অর্ডার দেন আবুল কালামের পরিবারের লোকজন। কিন্তু ফার্নিচার দোকানের মালিক খাট দেওয়া নিয়ে তালবাহানা শুরু করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ওই দোকানে খাট আনতে যান আবুল কালাম। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে ওই ফার্নিচারের দোকানের কেউ একজন আবুল কালামকে ছুরিকাঘাত করেন। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত বলা যাবে।


আরও খবর



নিখোঁজের ৫ দিন পর মেঘনায় মিললো স্কুলছাত্রের মরদেহ

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর আবির ইসলাম নামের স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের ফকিরের চর এলাকার মেঘনা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

আবির ইসলাম সেরাজ নগর এম এ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। সে পলাশতলী ইউনিয়নের খাকচক গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ৩১ মে মঙ্গলবার বিকেলে পান্থশালা ফেরি ঘাট এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যায় আবির। ওই দিন ঘাটে বাঁধা ফেরির জেটি থেকে পরে নদীতে তলিয়ে যান। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা চেষ্টা চালিয় তাকে উদ্ধার করা যায়নি। পরে রোববার দুপুরে ফকিরের চর এলাকায় মেঘনা নদীতে মরদেহ ভেসে উঠে।

রায়পুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান জানান, নদীতে মরদেহ ভেসে ওঠার খবর আবিরের পরিবারকে দেওয়া হয়। পরে তার মামা কাজী জামাল উদ্দিন আহমেদ আবিরের মরদেহ শনাক্ত করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



জুরাইনে পাশের বাড়ির উপড় ধসে পড়েছে সেই ঝুকিপুর্ন ভবনটি

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৮৬জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

রাজধানীর কদমতলী থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫২নং ওয়ার্ডের মুরাদপুর মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত ১৬৫ নং হোল্ডিংয়ের নির্মানধীন রাজউকের অনুমোদন বিহীন ভবনটির দক্ষিন পাশের একাংশ ধসে পড়েছে পার্শবর্তী বাড়ির উপড়।গত ২৩ জুন বৃস্পতিবার বিকেল ৪ টার সময় এ ঘটনা ঘটে।তবে ঘটনার সময় পাশের বাড়ির মালিক মোঃ ফাহাদ হোসেনের ঘরে কোন লোকজন না থাকায় দুর্ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।


ধসে পড়া ভবন মালিক মোঃ বিল্লাল হোসেন ৬ তলা বিশিষ্ট পুরাতন একটি ভবন রাজউকের নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ঝুকিপুর্নভাবে ভবনটির নির্মান কাজ চালিয়ে আসছিল।গত ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২ তারিখে ঝুকিপুর্ন ভবনটি নিয়ে দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকায় একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।স্থানীয় কাউন্সিলর কে বিষয়টি অবগত করা হয়।তবে শত অভিযোগের পরেও রাজউক কিংবা ঢাকা দক্ষিন সিটিকর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পক্ষ থেকে কোন ব্যাবস্থাই গ্রহন করা হয়নি।



তাছারাও একই স্থানে আরো ৫ টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছে দীর্ঘ বছর যাবৎ।এসব ভবনেও যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।ধসে পড়া ভবন মালিক মোঃ বিল্লাল হোসেনের কন্যা বিলকিস এর ৩ তলা ভবনটি অধিক ঝুকিপুর্ন বলেও জানায় পার্শবর্তী বাড়ির লোকজন।বাড়ির মালিক বিল্লাল ও তার ছোট মেয়ে বিলকিস এর সাথে কথা বললে তারা জানায়, "আমাদের ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ এটা নতুন কিছু না।স্থানীয় কমিশনারসহ এলাকার সকলেই অবগত আছেন, কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে তারা এ বিষয়টি দেখবেন।" 


স্থানীয়রা জানায় রাজউক কর্মকর্তা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা কয়েকবার এসেছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন পরিদর্শনে কিন্তু ওই কর্মকর্তারা বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে গোপনে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বার বার বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে রেখেছেন।



ঝুঁকিপূর্ণ ভবন গুলোর দিকে নজর নাই রাজধানী উন্নয়ন রাজউক কর্তৃপক্ষের, এমনকি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্তব্যরতদের। কয়েকজন ভাড়াটিয়ার সাথে কথা হলে তারা জানায় স্বল্প ভাড়ার কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব ভবনে বসবাস করছেন তারা।



স্থানীয় ৫২ নং ওয়ার্ড কমিশনার মোঃ রুহুল আমিন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান ভবনগুলো ঝুঁকিপূর্ণ তা সত্য তাছাড়াও আমার এলাকায় অগণিত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন আছে যা রাজউক কর্তৃপক্ষের নজরে নাই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোর বিষয়ে জরুরী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া জরুরী বলে মনে করছি।


আরও খবর