Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

দেশে ৩ মাসের মধ্যে এল সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ২৬৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; দেশে রেমিট্যান্সের ধারা নিম্নমুখী থেকে অবশেষে তা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করেছে। গত নভেম্বরে ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত ৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার। এরপর রেমিট্যান্স প্রবাহ ওঠানামা করলেও গত অক্টোবরে রেমিট্যান্স আগের ৮ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম এসেছিল। গত অক্টোবরে ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

২০২১ সালের অক্টোবরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৪ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। তবে চলতি নভেম্বর শেষে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২১ সালের নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ  মার্কিন ডলার, আগস্টে এসেছে ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং নভেম্বর এসেছে ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার।

বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আহরণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।

দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে বিভিন্নভাবে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ১৬ নভেম্বর বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে প্রবাসীদের উদ্দেশে জানানো হয়— বৈধপথে বা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠান, প্রিয়জনকে ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ রাখুন। হুন্ডি বা অন্য কোনও অবৈধ পথে রেমিট্যান্স না পাঠানোর জন্য এভাবে আহ্বান জানায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে (হুন্ডি বা অন্য কোনো অবৈধ পথে) পাঠানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এতে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


আরও খবর



রাস্তায় নিম্মমানের বিটুমিন ও সামগ্রী ব্যবহার ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) নেজামপুর-হাতিনান্দা পর্যন্ত্য ৩০০মিটার রাস্তা নির্মাণের কার্পেটিংয়ে নিম্নমাণের বিটুমিন ও বেডে নিম্নমাণের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, রাস্তা নির্মাণকাজের শুরুতেই ব্যাপক অনিযমের অভিযোগ এনে গ্রামবাসি নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন। সম্প্রতি ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি ফরহাদ প্রয়াত হবার সুযোগে সাব-ঠিকাদার সুরুজ আলী তার নিজের ইচ্ছেমতো কাজ করেছেন।স্থানীয় ইউপি সদস্যকে(মেম্বার) অবগত ও তার উপস্থিতি কাজ করার কথা থাকলেও তাকে জানানোই হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, রাস্তার সাববেইজ করার সময় ইটের খোয়া ও বালু একইরকম ব্যবহার করার কথা থাকলেও এখানে চার ভাগের একভাগ খোয়া ব্যবহার করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কার্যসহকারি বলেন, এমনিতে বিটুমিনের মান খারাপ তার ওপর প্রায় ২৫ কিলোমিটার দুরের পরানপুর মাঠ থেকে ট্রলিতে করে পাথর নিয়ে আশায় টেম্পারেচারের মান নস্ট হয়েছে।

জানা গেছে, দেশের সড়ক-মহাসড়ক উন্নত করার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে বিটুমিন ব্যবহার নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়। সেই প্রজ্ঞাপণে বিটুমিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইআরএল-এর বিটুমিন ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। সেটি পাওয়া না গেলে ৬০ থেকে ৭০ গ্রেডের 
বিটুমিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্ত্ত নেজামপুর রাস্তায় সেই মাণের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়নি। এখানে আমদানি করা নিম্নমাণের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে সাব-ঠিকাদার সুরুজ আলী বলেন,স্থানীয়রা যে অভিযোগ করছেন তা ঠিক নয়। তিনি বলেন, সিডিউল মোতাবেক কাজ করা হয়েছে।এছাড়াও প্রকাশনগর পরানপুর গ্রাম থেকে চরশত মিটার রাস্তাও একই ভাবে অনিয়ম করে কার্পেটিং করা হয়েছে। খোয়ার ওপর করা হয়েছে কার্পেটিং। 

সরেজমিনে এমন অবস্থা দেখলে এসও শাহিন সালাম দ্রুত শ্রমিকদের বলেন পরিস্কার করে পিচ দিয়ে কার্পেটিং করতে হবে। প্রায় প্রতিটি রাস্তা দরপত্রে যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পায় তার কাছ থেকে এলজিইডির একশ্রেণির কর্মকর্তারা পছন্দের ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করতে বলেন। প্রায় রাস্তা অগ্রিম লাভ দিয়ে কিনে করার কারনে ব্যাপক অনিয়ম করা হয় বলে অহরহ অভিযোগ থাকলেও রহস্য জনক কারনে কর্তৃপক্ষ একেবারেই নিরব। যার কারনে বিভিন্ন দোহায়ে ও এলজিইডি অফিস কে ম্যানেজ করে চলছে অনিয়ম দূর্নীতির কাজ৷ যা সরেজমিনে তদন্ত করলেই বেরিয়ে পড়বে ভয়াবহ দূর্নীতি। 
 
উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান বলেন, রাস্তার কাজের অনিয়মের ব্যাপারে আমার জানা নেই, কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। তিনি বলেন, রাস্তা পরিদর্শনে অনিয়মের কোনো সত্যতা পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) বুলু বলেন, ঠিকাদারের বিল পরিশোধের আগে, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রাস্তা সরেজমিন পরিদর্শনের দাবি জানান।

আরও খবর



সাংবাদিক আব্দুল হান্নান বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির যুগ্ন মহাসচিব নিবার্চিত

প্রকাশিত:শনিবার ১১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টারঃ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার  বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আশুরাইল গ্রামের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নানকে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ন মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়েছে।সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান দীর্ঘ প্রায় বিশ বছর যাবৎ এ পেশার সাথে জড়িত থেকে সসতা ও নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।


তিনি জাতীয় দৈনিক আমার দেশ,আমার সংবাদ,দেশ রূপান্তর,দৈনিক খোল কাগজ,দৈনিক জনতা,দৈনিক দেশের পত্র, বসুন্ধরা,ছাড়াও  স্টার লাইনে জেলা প্রতিনিধি,ভারতের বহুল প্রচারিত মানুষ পত্রিকা,স্থানীয় দৈনিক দিন দর্পন,কুরুলিয়া,আজকের ব্রাহ্মণবাড়িয়া,দৈনিক চলার পথে,ফ্রন্টইয়ার,দৈনিক লাল সবুজের দেশ, অপরাধ জগত,অপরাধ বিচিত্রা,বাংলা এফ এম রেডিও,এশিয়ান টেলিভিশন,এস টি বাংলা টেলিভিশনে বিশেষ প্রতিনিধি,এবিনিউজ সহ একাদিক অনলাইন পত্রিকায় কাজ করে আসছেন।


সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হান্নান বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএম এস এফ ও মানবাদিকার  সংস্থা  বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির  নাসিরনগর উপজেলা শাখার প্রতিষ্টাতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অত্যান্ত সুনামের সাথে পালন করেছেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



মধ্যরাতে দেশ ছাড়লেন শান্ত–সাকিবরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:দেশ ছাড়লেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাকিব আল হাসানরা আরও একটি বিশ্বকাপে নতুন কিছুর স্বপ্ন নিয়ে। গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাত ১.৪০ মিনিটের ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে উড়াল দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

সেই দলে স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটার, ট্রাভেলিং রিজার্ভ, টিম ম্যানেজমেন্ট ও কোচিং স্টাফের সদস্যরা রয়েছেন। তার আগে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ও অধিনায়ক শান্ত জানিয়েছেন– এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টাইগারদের প্রাথমিক লক্ষ্য ‘গ্রুপ পর্ব পার হওয়া’।

আগামী ২ জুন যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে বসতে যাচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর। আইসিসির মেগা আসরটিতে অংশ নেওয়ার আগে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি হিসেবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২১, ২৩ ও ২৫ মে হবে সিরিজের ম্যাচগুলো।


আরও খবর



সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন আদালত।

৮৩টি দলিল দুদক আদালতে দাখিল করেছে। তার ভিত্তিতে আজ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত এই সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত এক জাতীয় দৈনিকের দাবি, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খোঁজ মিলেছে। এরপর থেকেই বেশ আলোচনায় পুলিশের সাবেক এই আইজিপি।

জাতীয় ওই দৈনিকে ‘বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে যেখানে তার নানা অর্থ সম্পদের বিবরণ তুলে ধরা হয়। বেনজীরের বিপুল সম্পদের মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে সাভানা ইকো রিসোর্ট নামের এক অভিজাত ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র। এছাড়াও তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৬টি কোম্পানির খোঁজ পাওয়া গেছে। ৫টি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে বেনজীর আহমেদের দামি ফ্ল্যাট, বাড়ি আর ঢাকার কাছের এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমি রয়েছে। দুই মেয়ের নামে বেস্ট হোল্ডিংস ও পাঁচতারা হোটেল লা মেরিডিয়ানের রয়েছে ২ লাখ শেয়ার। পূর্বাচলে রয়েছে ৪০ কাঠার সুবিশাল জায়গাজুড়ে ডুপ্লেক্স বাড়ি, যার আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৪৫ কোটি টাকা। একই এলাকায় আছে ২২ কোটি টাকা মূল্যের আরও ১০ বিঘা জমি।

অথচ গত ৩৪ বছর সাত মাসের দীর্ঘ চাকরিজীবনে বেনজীর আহমেদ বেতন-ভাতা বাবদ মোট আয় ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকার মতো হওয়ার কথা। বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) চিঠি দেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ ৩৪ বছর ৭ মাস চাকরি করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে অবসরে যান। অবসর গ্রহণের পর দেখা যায়, বেনজীর আহমেদের স্ত্রী ও কন্যাদের নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি রয়েছে, যা তার আয়ের তুলনায় অসম।


আরও খবর



পার্বত্য চট্টগ্রামের বন ঝুঁকিপূর্ণ সংরক্ষণের জন্য এর জরিপ করা প্রয়োজন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বন ঝুঁকিপূর্ণ! বর্তমানে পার্বত্য অঞ্চলের বন সংরক্ষণের জন্য জরিপ করা প্রয়োজন। বৃক্ষ নিধন রোধ ও এর সংরক্ষণ করা না হলে পার্বত্য অঞ্চলের অপার সৌন্দর্য্য একদিন রূপকথায় পরিণত হবে।  

গতকাল খাগড়াছড়ি জেলা সদরের পর্যটন মোটেল অডিটোরিয়ামে দ্বিতীয় জাতীয় বৃক্ষ ও বন জরিপ-২০২৪ অবহিতকরণ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে পানির প্রবাহ ও লেয়ার যেভাবে কমে যাচ্ছে তাতে করে এমন এক সময় আসবে যেদিন পার্বত্য অঞ্চলে পানির ভীষণ ঘাটতি দেখা দিবে। তিনি বলেন, চেঙ্গী নদী, মাতামুহুরী ও মনু নদী একসময় পানির প্রচুর প্রবাহ ছিল। কিন্তু এখন পানির শূন্যতা দেখা দিয়েছে। নদীর নাব্যতা ও গভীরতা নেই বললেই চলে। নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব বেড়েছে। নির্বিচারে গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে। নব উদ্ভাবিত প্রযুক্তি নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ও দৃষ্টিভঙ্গি জনস্বার্থে চলমান থাকবেই। নাগরিক হিসেবে পরিবেশের সৌন্দর্য্য রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি আমাদেরও অনেক দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের দায়িত্ববোধের অবহেলা যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে ডোবা-নালা ভরাট করে যাতে বাড়ি ঘর বা ফসলী জমি না গড়া হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করতে আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে। আগামির প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

  পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, বন সংরক্ষণের জন্য তৈরি করা জোনগুলোর ব্যবহার যাতে সঠিক ও অক্ষুন্ন থাকে সেদিকে সকলের সতর্ক দৃষ্টি থাকতে হবে। বনাঞ্চলের বৃক্ষ, বন ও বনজ সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণ করা এবং বনাঞ্চলে কি কি প্রাণি রয়েছে তা নির্ণয় ও সংরক্ষণের প্রয়োজনে বন জরিপের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। একটি দেশের জন্য ২৫ ভাগ বন থাকা প্রয়োজন। সে জায়গায় আমরা পৌঁছাতে পারলাম কি না তা জানার জন্যও বন জরিপের গুরুত্ব অপরিসীম বলে জানান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি।

অবহিতকরণ সভায় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় পরামর্শক ও ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. নিখিল চাকমা প্রজেক্টরের সাহায্যে বাংলাদেশসহ পার্বত্য অঞ্চলে জোনিং পদ্ধতিতে বৃক্ষ ও বন সংরক্ষণের চিত্র তুলে ধরেন। 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য নিলোৎপল খীসা-এর সভাপতিত্বে  খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, পিপিএম(বার)  খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা, বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাহেদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর