Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

দেশবাসী কে ঈদের শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৬১জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

দেশের মানুষকে  ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা,ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ব বিদ্যিলয় শাখার সাবেক নেতা, ডেমরা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ সাইদুর রহমান বাবুল।




রবিবার (১ মে) প্রচার পত্র ও পোষ্টারের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা সাইদুর রহমান বাবুল এ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।




ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের ৭৩ নং ওয়ার্ড নেতা সাইদুর রহমান বাবুল বলেন, ‘এলাকার ও দেশের সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। একমাস সিয়াম সাধনার পর আবার এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানেই আনন্দ। আসুন, ঈদের আনন্দ সবাই ভাগাভাগি করে নেই। যে যার অবস্থান থেকে ঈদুল ফিতরের মহিমায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ঈদ মোবারক।’


আরও খবর



যুব কর্মসংস্থান বান্ধব বাজেট সময়ের দাবি

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
Image

বাজেট হতে হবে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নযোগ্য কাঠামোনির্ভর। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দক্ষতার ওপর জোর দিতে হবে। আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের অভাব, অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ পাচার— এসব বিষয়ে সুষ্ঠু নজরদারি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সংস্কার আনার বিকল্প নেই। পাশাপাশি যুব সমাজের সময়োপযোগী কর্মসংস্থানের বিষয়ে সঠিক কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে হবে৷

এবার ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব প্রণোদনার ক্ষেত্রে দেশীয় উদীয়মান শিল্পকে অগ্রাধিকার দেয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে। কর ছাড় থেকে শুরু করে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করা হবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে। প্রাথমিকভাবে ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকায় প্রাক্কলনে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ এবং চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে এটি ৭৪ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা বেশি।

চলতি অর্থবছরে ঘোষিত বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা এবং সেই হিসাবে আগামী অর্থবছরে বাজেটের আকার বাড়ছে ১২ দশমিক ৮ শতাংশ। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার এবং ঘাটতি ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা।আসন্ন বাজেটে প্রাধান্য পাচ্ছে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামাজিক নিরাপত্তা খাত। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দেয়া হবে ভোক্তার হাতে অর্থপ্রবাহ বাড়ানোর জন্য। বাড়বে ব্যক্তিকর আয়সীমা।

কর্মসংস্থানের এই তীব্র সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের যুব সমাজ আজ দিশেহারা। এ পরিস্থিতিতে দেশের ব্যাপক যুব সমাজের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যত নির্মাণের লক্ষ্যে প্রয়োজন যুব কর্মসংস্থান অনুযায়ী উন্নয়ন অবকাঠামো গড়ে তোলা। যা শুধু বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানই সৃষ্টি করবে না দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি শান্তি-শৃঙ্খলা ও অপরাধ নির্মূলেও গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই উদ্যোগ। কেননা, কর্মহীন যুবকদের বড় একটি অংশ অপরাধজগতে লিপ্ত হয় পেটের পায়ে কিংবা বিভিন্ন প্রলোভনে আজকাল যুক্ত হচ্ছে দেশদ্রোহী বিভিন্ন সংগঠনের সাথে। যারা কিনা অস্থিতিশীল করতে চায় বাংলাদেশের রাজনীতি তথা সার্বিক পরিবেশকে।

সে লক্ষ্যে এ বছর যুববান্ধব ও যুব কর্মসংস্থান উপযোগী বাজেট প্রণয়নে অধিক গুরুত্ব সময়ের দাবি। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ ধারণার জনক গ্যারি বেকারের মতে— অর্থনীতি শুধু সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের সূত্রমালা নয়। বরং অর্থনীতি একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে মানুষের আচরণ বিশ্লেষণ করা যায়। এ ধরনের বিশ্লেষণের জন্য জানতে হবে মানুষ কী চায়। (সূত্র: আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি, আকবর আলী খান)

যেহেতু শিক্ষিত যুব সমষ্টি ছাড়া কোন দেশের উন্নয়ন কোনভাবেই সম্ভব নয়। সেহেতু জাতীয় বাজেটের কমপক্ষে ৩০ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়া সময়ের দাবি। বরাদ্দকৃত অর্থ যাতে সঠিক খাতে ব্যয় হয় সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।যুবকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ যুবসমাজ তৈরির জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখতে হবে যাতে করে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাজারে ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে আমাদের দেশের যুবকরাই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারে।

যুবশক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মক্ষেত্র সৃষ্টির জন্য তিন ধাপে কাজ করা যেতে পারে। প্রথমটি - হলো স্থানীয় পর্যায়ে কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি। দ্বিতীয়টি - উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং তৃতীয়টি- বিদেশের বাজারে যুবদের কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি। এই তিন ধাপের জন্য অবশ্যই এবারের বাজেটে যথেষ্ট বরাদ্দ রাখতে হবে।

এক্ষেত্রে যুবনীতি ও বাজেটে যুবসমাজের মতামতের জন্য ইয়ুথ কাউন্সিল গঠন করা যেতে পারে। শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অধীনেও ইয়ুথ কাউন্সিল গঠন করা যেতে পারে। মেধা পাচার বন্ধ ও মেধাবী যুব সমাজকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর জন্য আগামী বাজেটে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আশার কথা হলো করোনার মধ্যেও বাংলাদেশ অর্থনীতিকে ভালোভাবে সামাল দিয়েছে। পরিসংখ্যান বলে করোনাকালের দুরবস্থা পেছনে ফেলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। বর্তমান সরকার টানা তিন মেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

গত ১৩ বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক। মাথাপিছু আয় বেড়েছে, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলমান। বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রসরমান দেশগুলোর তালিকায়ও রয়েছ বাংলাদেশের নাম। ফলে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী আদিবাসী, প্রত্যন্ত অঞ্চল, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গসহ পিছিয়ে পড়া যুবকদের কথা চিন্তা করে বাজেটে আলাদা আলাদা বরাদ্দ রাখতে হবে। যুবসমাজ যাতে মাদক, নেশা, অসামাজিক কাজ, বিদেশি অপসংস্কৃতি থেকে বের হয়ে দেশের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে তার ব্যবস্থা বাজেটে নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের বর্তমানে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে যুবকরাই প্রধান চালিকা শক্তি। তারা যদি দেশের সব কার্যক্রমে সম্মুখে থেকে সকল উন্নয়নে নেতৃত্ব দেয় তাহলেই আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা ও রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন করতে সক্ষম হবো। সুতরাং কর্মসংস্থানকে প্রাধান্য দিয়ে যুববান্ধব ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট সময়ের দাবি। যা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বির্ণিমানের অন্যতম একটি সময়োপযোগী ধাপ।

লেখক: উপ- তথ্য,যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে বন্ধ রয়েছে গ্যাস সরবরাহ

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সোমবার (১৩ জুন) রাত পৌনে ১২টা থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেড সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে গ্যাস সরবরাহের ৬ ইঞ্চি মেইন পাইপ লাইন লিকেজ হয়ে যায়।

সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের মৌলভী বাড়ি পাঠানপাড়া এলাকায় লাইনে এই লিকেজ হয়। রাতে এই কাজ শুরু করায় জেলা শহরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী শফিউল আলম জাগো নিউজকে জানান, কুমিল্লা থেকে টিম এসে সংযোগ মেরামতের কাজ করছে। তবে কখন গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।


আরও খবর



পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় বিএনপি নেতারা খুশি হননি: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় বিএনপি নেতারা খুশি হননি উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনে অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে বিএনপি প্রমাণ করেছে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করেছিল। সেটি সঠিক বলে তারা স্বীকার করে নিয়েছে।

রোববার (২৬ জুন) সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে পদ্মা সেতু কখনো হতো না, যদি আমাদের একজন শেখ হাসিনা না থাকতেন। সব রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্র, প্রতিবন্ধকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর সৎ সাহস বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনারই আছে।

তিনি বলেন, যারা এক সময় সমালোচনা করেছিলেন, আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন এই পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে কখনো করা সম্ভব নয়, তারাও আজকে অনেকে প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন তারা। এখন জাতির এই সক্ষমতায় তারাও আনন্দিত।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে অর্থায়ন প্রত্যাহার করেছিল, সেই বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর গতকাল (২৫ জুন) শাড়ি পরে সেখানে গিয়েছিলেন। তার ড্রেস (জাতীয় পোশাক) কিন্তু শাড়ি নয়। তিনি শাড়ি পরে সেখানে গিয়েছিলেন, আমাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করার জন্য। সেটিও একটি কারণ বলে আমি মনে করি। তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অভিনন্দন জানিয়েছে। প্রতিবেশী ভারত অভিনন্দন জানিয়েছে। পাকিস্তান অভিনন্দন জানিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বিএনপি অভিনন্দন জানাতে পারেনি। এটি করার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন, এই পদ্মা সেতু হওয়াতে সারাদেশের মানুষ উল্লসিত, আনন্দিত হলেও বিএনপি নেতারা খুশি হননি।

তিনি বলেন, তারা (বিএনপি নেতারা) অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়ে প্রমাণ করেছেন পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা যে ষড়যন্ত্র করেছিলেন, সেটি সঠিক বলে তারা স্বীকার করে নিয়েছেন। এরপরও এই পদ্মা সেতু সবার জন্য নির্মিত। প্রধানমন্ত্রী সবার জন্য নির্মাণ করেছেন।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পৃথিবীর বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় ফলাওভাবে প্রচারিত হয়েছে। জাতির সক্ষমতা প্রতীক, জাতির গর্বের প্রতীক হিসেবে এই পদ্মা সেতুকে স্থান করে নিয়েছে। এই গর্ব আমাদের সবার বলে উল্লেখ করেন ড. হাছান মাহমুদ।


আরও খবর



রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে পারবে ইউরোপ?

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৭জন দেখেছেন
Image

২০২১ সালে ইউরোপে ৪০ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ করেছে রাশিয়া। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আকস্মিক হামলা চালায় মস্কো। ওই হামলাকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তারপর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যেতে শুরু করে।

সে সময় রাশিয়া ঘোষণা দেয় যে, তারা ডলারের পরিবর্তে দেশটির নিজস্ব মুদ্রা রুবলেই ব্যবসায়িক লেনদেন করবে। কিন্তু রুবলের মাধ্যমে গ্যাসের অর্থ প্রদান করতে অস্বীকার করায় গত ৩১ মে নেদারল্যান্ডসের গ্যাসতেরা এবং ডেনমার্কের ওরস্টেড কোম্পানিকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয় রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রম। রাশিয়ার এমন সিদ্ধান্তকে অনেকটা প্রতিশোধমূলক বলেই মনে করা হচ্ছে।

কারণ এর একদিন আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ান তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে।রাশিয়া এরই মধ্যে বুলগেরিয়া, ফিনল্যান্ড এবং পোল্যান্ডের গ্যাস কোম্পানিকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

এদিকে রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করায় অনেক ইউরোপীয় দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং এশিয়া থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির দিকে ঝুঁকছে। জ্বালানি ইস্যুতে রাশিয়ার বিকল্প খুঁজছে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা দেশগুলো। তেল ও গ্যাসের ক্ষেত্রে রুশ নির্ভরশীলতা কমাতে চায় তারা।

গত এপ্রিলে এলএনজি আমদানি বার্ষিক ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্চের তুলনায় এই হার ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। ইউরোপে এই গ্যাস প্রক্রিয়াকরণের যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। রাশিয়ার পাইপলাইনের পরিবর্তে দুই-তৃতীয়াংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে ইউরোপ। এনার্জি ইন্টেলিজেন্সের মতে, ২০২১ সালে এই মহাদেশের টার্মিনালগুলোর মাত্র ৪৫ শতাংশ ব্যবহৃত হয়েছে।

কিন্তু রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া ইউরোপের অনেক দেশই এখন বিপাকে পড়েছে।
প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা এবং পরিবহনের জন্য পাইপলাইনের ঘাটতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইউরোপে এসব প্রক্রিয়াকরণের সুবিধা বেশিরভাগই দক্ষিণ ও পশ্চিমে অর্থাৎ ব্রিটেন ও স্পেনেই প্রায় অর্ধেক। পূর্বের স্থলবেষ্টিত দেশ যেখানে চাহিদা বেশি তাদের সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। যেখানে প্রয়োজন সেখানে গ্যাস পাঠানোর পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়গুলোতে যে দুটি পাইপলাইনের মাধ্যমে ব্রিটেন ইউরোপে গ্যাস পাঠায়, সেগুলোর কার্যক্রম শেষের দিকে।

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে জার্মানি। কারণ তারা তাদের শিল্প-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গ্যাসের ওপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল। কিন্তু সেখানে এখনও কোনো কার্যকরী টার্মিনাল নেই। যুদ্ধের আগে এটি রাশিয়ার কাছ থেকে ৫৫ শতাংশ গ্যাস পেয়েছে। দেশটিতে রাশিয়া সস্তায় গ্যাস সরবরাহ করেছে।

কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমাতে তৎপর হয়ে উঠেছে জার্মান সরকার। গত ১৯ মে দেশটির পার্লামেন্ট কিছু টার্মিনাল নির্মাণের অনুমোদন দিতে একটি আইন পাস করে। তবে উপকূলীয় সুবিধা আরও সহজ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। এক্ষেত্রে একটি দ্রুত সমাধান হলো ভাসমান সংরক্ষণ সুবিধা এবং পুনরায় গ্যাসীকরণ ইউনিট তৈরি যা তরল জ্বালানিকে আবারও গ্যাসে রূপান্তর করে।

জার্মানির সরকার প্রায় তিন দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার খরচ করে অদূর ভবিষ্যতে এ ধরনের চারটি ইউনিট তৈরির পরিকল্পনা করছে। নর্থ সী’র উইলহেলমশেভেনে কয়েক মাসের মধ্যেই প্রথম প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে এবং প্রতি বছর ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ঘনমিটার ক্ষমতা সম্পন্ন এই প্রকল্প জার্মানির গ্যাসের চাহিদার প্রায় সাড়ে ৮ শতাংশ পূরণ করতে পারবে।

অন্যান্য দেশগুলোও একই ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পোল্যান্ড তাদের চাহিদার প্রায় অর্ধেক গ্যাসের জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল ছিল। তারা ২০২৫ সালে একটি এফএসআরইউ চালু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এবং আরেকটি প্রকল্পের বিষয় বিবেচনা করছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি তারা চেক প্রজাতন্ত্র এবং স্লোভাকিয়ায় গ্যাস বিক্রি করতে পারবে।

ফ্রান্স এবং ইতালিও বিকল্প খুঁজছে। গত ৩০ মে এসএনএএম নামের একটি ইতালীয় সংস্থা জাহাজ কেনার জন্য সাড়ে তিনশ মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে পৌঁছায়। দীর্ঘমেয়াদে আরও কিছু পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এফএসআরইউএস-এর সঙ্গে যৌথভাবে জার্মানিও দুটি প্রক্ল্প হাতে নিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতি বছর ৫৩ বিলিয়ন ঘনমিটার আমদানি করা যাবে যা ২০২১ সালে রাশিয়া থেকে যা কেনা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। তৃতীয় একটি পরিকল্পনাও বিবেচনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ইউরোপের বেশিরভাগ দেশই এখন রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা কমানোর বিষয়টিকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট


আরও খবর



রাজ্যসভায় আসন সংখ্যা কমেছে বিজেপির

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

ভারতের মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক ও হরিয়ানায় রাজ্যসভা নির্বাচনে বাড়তি আসন পেয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। তবে মোট আসন আগের চেয়ে কম হয়েছে। ভোটের আগে রাজ্যসভায় বিজেপির আসন ছিল ৯৫টি। এখন আসন ৯২টি। এর চেয়ে কংগ্রেসের আসন ২৯ থেকে বেড়ে হলো ৩১টি।

গত মার্চে প্রায় তিন দশক পরে ভারতের কোনো একটি দল রাজ্যসভায় ১০০ আসন দখল করে। কিন্তু একাধিক সংসদ সদস্যের মেয়াদ শেষ হওয়ায় জুন মাসেই বিজেপির আসন সংখ্যা নেমে আসে ৯৫-তে। চলতি মাসে দেশের ১৫টি রাজ্যে ৫৭টি আসনে রাজ্যসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজেপির আসন সংখ্যা ৯৫ থেকে নেমে ৯২-তে এসে দাঁড়িয়েছে।

বিজেপির তরফে বলা হচ্ছে, পাঞ্জাব, ছত্তীসগড় বিধানসভায় খারাপ ফলাফল ও উত্তরপ্রদেশে গত বিধানসভার চেয়ে কম আসন পাওয়ার কারণে এ বার তিনটি আসন হারাতে হয়েছে।

বিজেপির এক নেতা বলেন, ‘তাও কর্ণাটক মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় একটি করে বাড়তি আসন লাভ করায় কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া গেছে। তা না হলে আসন সংখ্যা ৮৯-তে গিয়ে দাঁড়াতো। সে ক্ষেত্রে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে ভোটের ফারাক আরও বৃদ্ধি পেতো। আর ভবিষ্যতে রাজ্যসভায় কোনো বিল পাশের সময় ভোটাভুটির প্রশ্নে আগের চেয়ে দুর্বল অবস্থানে থাকতো দল।’

বর্তমানে প্রেসিডেন্ট মনোনীত সাতটি আসন ফাঁকা রয়েছে। ওই পদগুলোতে প্রার্থী দিলেই রাজ্যসভায় দলীয় সংসদ সদস্য সংখ্যা ফের একশোর কাছাকাছি হয়ে যাবে বলে দাবি করছেন বিজেপির নেতারা।

আঞ্চলিক দলের মধ্যে এ বারের নির্বাচনে ভাল ফল অর্জন করেছে অন্ধ্রপ্রদেশের শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টি। ওয়াইএসআর কংগ্রেস দলের সংসদ সদস্য সংখ্যা ৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯। যাতে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে শাসক দল বিজেপি। ওয়াইএসআর কংগ্রেস নিজেদের অ-কংগ্রেস এবং অ-বিজেপি দল হিসেবে দাবি করলেও, অতীতে রাজ্যসভায় ভোটাভুটির সময়ে ওই দলের সংসদ সদস্যরা হয় শাসক শিবিরকে সমর্থন করেছেন না হয় ভোট না দিয়ে ফায়দা করে দিয়েছেন শাসক শিবিরকে।

অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির সদস্য সংখ্যা ৮ থেকে বেড়ে হয়েছে ১০। সংখ্যার বিচারে এই মুহূর্তে রাজ্যসভায় চতুর্থ বৃহত্তম দল হলো আপ।

এছাড়া চলতি রাজ্যসভা ভোটের পরেও সংসদ সদস্য সংখ্যা একই রকম রয়েছে ডিএমকে (১০), বিজেডি (৯), টিআরএস (৭), জেডিইউ (৫), এনসিপি (৪) ও শিবসেনার (৩)। বড় দলের মধ্যে সমাজবাদী পার্টির আসন সংখ্যা পাঁচ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে তিনে। যদিও তাদের সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় জিতে এসেছেন কপিল সিব্বল ও আরএলডি-র জয়ন্ত চৌধুরী। মায়াবতীর দল বিএসপির সংসদ সদস্য সংখ্যা তিন থেকে নেমে এসেছে ১-এ।

সূত্র: আনন্দবাজার


আরও খবর