Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

ডেমরার বাওয়ানী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস

প্রকাশিত:Monday ১১ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২৩৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এহিয়া বাওয়ানী নামে একজন শিল্পদ্যোক্তা কর্তৃক১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ডেমরার বাওয়ানী উচ্চ বিদ্যালয়।স্কুলটির বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো ইসমাইল হোসেন ।ডেমরা এলাকার ঐতিহ্যবাহী বাওয়ানী উচ্চ বিদ্যালয়টির রয়েছে সোনালী অতীত।সুলতানা কামাল সেতুর পাশে ডেমরার কামারগোপ এলাকায় বিদ্যালয়টির অবস্থান।



১৯৪৬ সালে ডেমরা বলরাম শ্যামলাল ইনষ্টিটিউট নামে ডেমরায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল।১৯৪৮ সালে শ্রী সত্য গোপাল পাল নামক এক হিন্দু লোক একটি ইংরেজী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১২ শতাংশ জমি দান করেন। এরপর বলরাম পোদ্দার কর্তৃক আরো ১২ শতাংশ জমি দান করা হয়।এদের জমিদান ও সার্বিক প্রচেষ্টায় কামারগোপ এলাকায়  ললিতা সুন্দরী বলরাম মধ্য ইংরেজী নামে একটি  বিদ্যালয় প্রতিষ্টা হয়।



সেই সময়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক ছিলেন শফিউল হক প্রধান।সহকারী শিক্ষক ছিলেন বড়দা ঠাকুর,মোজাফফর মাষ্টার,দীনেশ চন্দ্র রায়,রমেশ চন্দ্র রায়,গৌড়াঙ্গ রায়।তাদের অব্যাহত প্রচেষ্টায় এ অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ে।


পরবর্তীতে১৯৫৭ সালে যখন এহিয়া বাওয়ানী নামক ধনাঢ্য ব্যাক্তি ডেমরা অঞ্চলে বিশাল আকারের মিল স্থাপন করতে আসেন তখন তার উদ্যোগে এবং এলাকাবাসীর সহযোগীতায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে ডেমরার বাওয়ানী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।


১৯৮০ সালে ঢাকার তৎকালীন বিভাগীয় কমিশনার খান-এআলম খাঁন কর্তৃক বিদ্যালয়টি সরকারী অনুদানে ৩য় তলা ভবনে উন্নীত হয়।


বর্তমানে বিদ্যালয়টি এল প্যার্টানে পশ্চিম অংশে ৫ তলা ভবন উত্তর অংশে ৩ তলা ভবন এবং পুর্বপাশে ২ তলা ভবন রয়েছে।


বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে মোহাম্মদ তৈয়ব এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে আব্দুল মালেক ভূইয়া দীর্ঘ ৩৮ বছর কৃতিত্বের সঙ্গে কর্মরত ছিলেন।১৯৮৪ সালে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়।বিদ্যালয়টি থেকে ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম ৯ জন পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ নেয়।এদের মধ্য থেকে ২য় বিভাগে ২ জন এবং ৩য় বিভাগে ৫ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ন হয়।


আরও খবর



ডেমরায় অটো রিক্সা চুরির দায়ে গ্রেফতার -১

প্রকাশিত:Tuesday ১০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চুরির ঘটনা ঘটেছে।



অটোরিকশা চুরির দায়ে মিরাজ জমাদার (২৮) নামে এক চোরকে গ্রেফতার করেছে ডেমরা থানা পুলিশ। 


এ সময় আল-আমিন (২৫) নামে সহযোগী আরেক চোর পালিয়ে যায়।



রবিবার দুপুরে মিরাজ সরদারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে পালানোর সময় টহলরত পুলিশ পূর্ব ডগাইর মদিনাবাগ কোদালদোয়া এলাকা থেকে মিরাজ সরদারকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।


সে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চরখালি গ্রামের মৃত হোসেন জমাদারের ছেলে।


 এ বিষয়ে শনিবার রাতে ডেমরা থানায় উক্ত দুই চোরের বিরুদ্ধে মামলা করেন অটোরিকশার মালিক মো. মিজানুর রহমান (৫২)।



বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ওসি অপারেশন সুব্রত কুমার পোদ্দার বলেন, গত ১ বছর ধরে মিজানুর রহমান ওই রিকশাটি কিনে নিজেই চালাতেন। গত ৭ মে শনিবার ভোরে গ্যারেজ থেকে রিকশাটি চুরি করে পালাচ্ছিল মিরাজ ও ফার্মের মোড় এলাকায় বসবাসরত পলাতক চোর আল আমিন। 


এ সময় টহলরত পুলিশ তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। তখন দৌড়ে পালিয়ে যায় আল আমিন।



আরও খবর



সমুদ্রে মৎস্য আহরণকারী ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১০৭জন দেখেছেন
Image

ঢাকা, ১১ মে ২০২২ (বুধবার)

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে।


এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে।


মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।


সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। 


নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



গ্যাস নির্গমনের জন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা বা কোন পাইপ ছিল না

ডগাইড় নতুন পাড়ায় সেপটিক ট্যাঙ্কির গ্যাস বিস্ফোরণ আহত ১

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ডগাইর নতুন পাড়া সাততলা মিনার মসজিদ সংলগ্ন ফজলুল হক চেয়ারম্যান বাড়ির ছয়তলা ভবন টির নিচতলা দক্ষিণ-পূর্ব কর্নারে সৃজন কনস্ট্রাকশন এর নিচে সেপটিক ট্যাঙ্কি বিস্ফোরণে বাবুল নামের একজন আহত হয়েছে। আহত বাবুল পাশের ভবনের নিচতলায় বিসমিল্লাহ ফার্নিচার এর কর্মচারী। 


বিস্ফোরণে সৃজন কনস্ট্রাকশনের মূল্যবান আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জরুরী কাগজপত্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সৃজন কনস্ট্রাকশনের ডেকোরেশন এর গ্লাস ভেঙ্গে বাবুলের পায়ে ঢুকে যায়। এতে তিনি আহত হন।


 ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর সারুলিয়া ডেমরা ইউনিট প্রধান ওসমান গনি জানান, সেপটিক ট্যাংকের গ্যাস নির্গমনের জন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা বা কোন পাইপ ছিল না বিধায় বিস্ফোরণটি ঘটে। পাশের বাড়ির গ্যাস লাইন লিকেজ থাকাতে এতে আগুন ধরে যায়, ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।


 সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায় সেপটিক ট্যাঙ্কির কোথাও কোনো রকম গ্যাস বাহির হওয়ার জন্য কোন ব্যবস্থা ছিলনা। এতেই গ্যাসের অতিরিক্ত চাপে বিস্ফোরণটি ঘটে। তবে ভবনের নিচতলার শুধুমাত্র সৃজান কনস্ট্রাকশন ব্যতীত অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি ।



আরও খবর



গাড়ি চালক হুমায়ুন কবিরের গানের প্রতিভা

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৫৬জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই নানা ভিডিও ভাইরাল হয়। কখনও নাচ, গান, কখনও বা পশু পাখির ভিডিও ভাইরাল হতে দেখা যায়। বহু মানুষের সুপ্ত প্রতিভাও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রতিভার যোগ্য সম্মানও পেয়েছেন অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতেই রাতারাতি ভাইরাল হয়ে গেছেন অনেকেই।



ফের এক প্রতিভা প্রকাশ পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি পেশায় একজন গাড়ি চালক।পেশায় একজন গাড়ি চালক হয়েও গান লিখেছেন ৫০ টির মতো।তার নাম হুমায়ুন কবির একাধারে কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার। দিন নেই রাত নেই, ডাক আসলেই ছুটতে হয় তাঁকে। মানুষকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর কাজ। এর জন্য দিন রাত এক করে খাটতে হয় তাঁকে। তবেই জোটে পেটের ভাত। 



কিন্তু এসব খাটনি দমাতে পারেনি তাঁর গানের সত্ত্বাকে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ইউটিউবে এইচ কে মিউজিক নামক চ্যানেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে তার গাওয়া গান মুক্তি পেয়েছে।


তার শৈশব কেটেছে বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালীতে।তিনি পেশায় একজন গাড়ি চালক হলেও তার প্রতিভা অসাধারন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে  নিয়ে গান লিখেছেন।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কে নিয়ে গান লিখেছেন।সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা কে নিয়েও তিনি গান লিখেছেন।সরকারের উন্নয়ন,শেখহাসিনাকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান বানিয়ে নিজেই তাতে কন্ঠ দেন।তার গাওয়া গান সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে ইউটিউবে প্রচারিত হচ্ছে।অনেকেই তাকে নিয়ে প্রশংসা করেছে।



গন মানুষের কাছে তিনি আজ সমাদৃত একজন শিল্পী।গীতিকার হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান।তিনি বলেন নিজের ব্যাক্তিগত তাগিদেই তিনি গান লিখেন নিজের গানে নিজেই সুর করেন নিজেইতাতে কন্ঠ দেন।পেশা যাই হোক না কেন, তার গানে জাদু আছে যা সহজেই শ্রোতাদের মনকে আকৃষ্ট করতেপারে।



তিনিজানান,"আমাদের বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে প্রান দিতে হয়েছে, তার কন্যা বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য কাজ করছেন,দেশে আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমুল উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এসব কিছু আমাকে ভাবায়,আমি সরকারের উন্নয়ন নিয়ে গানের মাধ্যমে তা মানুষ কে জানান দেই,বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করি"। গানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে মানুষের অন্তরে চিরদিন জাগ্রত করে রাখতে আমি গান করি।



হুমায়ুন কবির এর গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার পোনাপুরা গ্রামে।বর্তমানে স্ব-স্ত্রীক বসবাস করেন রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানা মাতুয়াইল আদর্শবাগ এলাকায়।ব্যাক্তি জীবনে তিনি চার কন্যা সন্তানের জনক।



গানটির লিংক দেয়া হলো https://www.youtube.com/watch?v=t2Qy3p7I-ko&ab_channel=HKMusic শুনে কমেন্ট ও শেয়ার করুন


আরও খবর



স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সব থেকে পরিবেশবান্ধব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  


গ্যাস ফুরিয়ে গেলে এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র আমাদের বিদ্যুৎ দেবে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।


বুধবার (১৮ মে) আওয়ামী লীগ আয়োজিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  


বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।


সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বাংলাদেশ পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেল।


এর ভেতরে আমাদের কিছু নতুন আঁতেল আবার জুটেছে। একজন অর্থনীতিবিদ বলেই দিলেন আমরা যে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছি এটা না কি অর্থনৈতিকভাবে ভীষণ ক্ষতিকর।


আমরা প্রশ্ন হচ্ছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এটা হচ্ছে সব থেকে পরিবেশবান্ধব। গ্যাস তো চিরদিন থাকে না। এক একটা কূপের তার তো সময় নির্দিষ্ট থাকে। তেলভিত্তিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ আমরা করি, অনেক খরচেরও ব্যাপার। যদি কোন দিন এমন হয় যে, আমাদের গ্যাস ফুরিয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের এই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টই বিদ্যুৎ দেবে। 


আর এটা পরিবেশবান্ধবও একটা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এখানে বিনিয়োগটা বড় করে দেখা যায়। কিন্তু এর বিদ্যুৎ যখন উৎপাদন হবে আর এর বিদ্যুৎ যখন মানুষ ব্যবহার করবে আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বেশি অবদান রাখবে। 


আজ আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছি বলেই সারা বাংলাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা যখন রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করলাম তখন কত সমালোচনা। আমরা যখন ডিজিটার বাংলাদেশ ঘোষণা দিলাম তখন কত সমালোচনা। এখন ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করেই আমাদের সমালোচনা করছে। তারা যে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন এটা কিন্তু আমরা দিচ্ছি। 


খালেদা জিয়ার আমলে, জিয়ার আমাল বা এরশাদের আমলে তাদের কি কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল। অধিকার ছিল, কতটুকু অধিকার ভোগ করতেন তারা। টক শো তারা করেই যাচ্ছেন, টক টক কথা বলেই যাচ্ছেন। তাদের তো গলাটিপে ধরি না, মুখ চিপেও ধরি না। বলেই যাচ্ছেন, সব কথা বলার শেষে বলে কথা বলতে দেওয়া হয় না। 


বিএনপির এক নেতা তো সারা দিন মাইক মুখে লাগিয়ে আছেন। সারাক্ষণ বলেই যাচ্ছেন। একবার কথা বলতে বলতে গলায় অসুখও হলো। চিকিৎসা করে তিনি আবার কথা বলছেন। কথা তো কেউ বন্ধ করছে না। তাদের আন্দোলনে যদি জনগণ সাড়া না দেয় সে দোষটা কাদের?


প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে যে, অর্থনীতিবিদ তিনি হিসাব দেখালেন তাকে আমি বলবো, তিনি কী এটা প্রকৃতপক্ষে জেনেই বলছেন, না কি না জেনেই বলছেন। আমি তার জ্ঞান নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলবো না কারণ তারা অনেক ভালো লেখাপড়া জানেন। 


কিন্তু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ পেয়ে একটি মানুষের বা একটা জাতি যে কতটুকু উন্নতি হতে পারে সে তো আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের উন্নয়নটা বাইরের লোকে দেখে কিন্তু তারা দেখে না চোখে।


পদ্মাসেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আরেকটি হচ্ছে পদ্মাসেতু, এই পদ্মাসেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনুস। কেন, গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকে উপদেষ্টা হতে। এমিরেটাস উপদ্ষ্টো হিসেবে থাকার জন্যে, আরও উচ্চ মানের। সেটায় সে থাকবে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। 


ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারবেন না ১০ বছর। গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে, তিনি মামলায় যে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয় ড. ইউনুস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাফুজ আনাম তারা আমেরিকায় চলে যায়, স্টেট ডিপার্টেটমেন্টে, হেলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। হিলারি লাস্ট একেবারে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে পদ্মাসেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। 


যাক একদিকে সাপে বর হয়েছে। বাংলাদেশের নিজের অর্থায়নে পদ্মাসেতু করতে পারে সেটা আজকে আমরা প্রমাণ দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এখানে একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন পদ্মাসেতু দিয়ে যে রেললাইন হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে, এ টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে এই ঋণ শোধ হবে কী করে কারণ দক্ষিণবঙ্গের কোনো মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন, এই রেল ভায়াবল হবে না। সেতুর কাজ হয়ে গেছে এখন সেতু নিয়ে আর কথা বলে পারছে না। রেলে কাজ চলছে, রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। আমার মনে হয় আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেলগাড়ি যখন চালু হবে উনাকে রেলে নিয়ে চড়ানো উচিত।


পদ্মাসেতু নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আর খালেদা জিয়া বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু করা হচ্ছে। কারণ স্প্যান‌গুলো যে বসাচ্ছে ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। বলেছিলেন জোড়াতালি দিয়ে পদ্মাসেতু বানাচ্ছে ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে। তার সঙ্গে তার কিছু দোসসরাও। তাদেরকে কী করা উচিত, পদ্মাসেতুতে নিয়ে যেয়ে ওখান থেকে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি একটা এমডি পদের জন্য পদ্মাসেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয় তাকেও পদ্মানদীতে নিয়ে দুটা চুবনি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়, একটু চুবনি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত, তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। 



বড় অর্থনীতিবিদ জ্ঞানীগুণী তারা এই ধরনের অর্বাচীনের মতো কথা বলে কিভাবে, সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে না কী খুব ভুল করছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাই উৎক্ষেপণ করেছি, এতো টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কি হবে এ প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাাদেশের জন্য ভালো কিছু করলেই তাদের গায়ে লাগে। কেন তারা কী এখনও সেই পাকিস্তানি জান্তাদের পদলেহনকারি খোসামোদি-তোসামোদি দল। 


গালিটালি দেই না, দেওয়ার রুচিও নাই তবু একটু না বলে পারি না পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী যেভাবে মেয়েদের ওপর নির্যাতন করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে, পেড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারি সারমেয়র দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত। এখনও এরা বাংণাদেশে ভালো কিছু হলে এরা ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না। 


তাদেরকে জিজ্ঞাসা করবো ভ্যাকসিনটা বিনা পয়সা দিয়েছি আমি, হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছি। সে ভ্যাকসিন তো এরা নিয়েছেন, এটা তো বাদ দেয়নি। আমরা বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। বুস্টার ডোজও আমরা শুরু করেছি। তারা তো নিশ্চয় দুটো ডোজ নিয়েছে, বুস্টার ডোজও নিয়েছেন।


 বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন নিতে পারলো আর আমাদের উন্নয়নটা চোখে পড়ে না। এখন কি ভ্যাকসিন চোখেও দিতে হবে না কি সেটাই মনে হচ্ছে, তাহলে যদি দেখে, তাছাড়া দেখবে না। ম্যাগা প্রজেক্ট জনগণের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে।


 আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশের এই উন্নতি হচ্ছে। এর আগে, যারা ক্ষমতায় ছিল তারা কি একটা দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবে যে তারা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করে বা দেশের কোনো উন্নয়ন করেছে বা বিদেশে ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে, করতে পারে নাই। বাংলাদেশকে ভিক্ষুকের জাতি বানিয়েছিলেন, আজকে আমরা মর্যাদাশীল জাতি। আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করেছি।


বিএনপি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেশি কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি, এদের নেতৃত্ব কোথায়, নেতৃত্ব নাই। সব তো সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি দিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। আর নির্বাচনে পরাজয় হবে জেনে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, কলুষিত করতে চায়। যারা একটু আমাদের জ্ঞানী-গুণী আঁতেলরাও উল্টোপাল্টা কথা বলেন তাদেরকেও বলবো দেশ চালাবার যদি ইচ্ছা থাকে তো মাঠে আসেন, ভোটে নামেন, কেউ ভোট কেড়ে নেবে না। আমরা বলতে পারি, আমরা ভোট কেড়ে নিতে যাই না। আমরা জনগণের ভোট পাই এবং আমরা পাবো কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করেছি। সেজন্যই জনগণ আমাদের ভোট দেবে।


সবশেষে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক দিন পর মন খুলে কথা বললাম। এ সময় তিনি বলেন, আসলে এই করোনা ভাইরাস বন্দি করে রেখে দিয়েছে আমাকে। ২০০৭ সালে ছিলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে বন্দি। এখন আমি নিজের হাতে নিজেই বন্দি।


আরও খবর