Logo
আজঃ Tuesday ২৬ October ২০২১
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে চুরির ঘটনা বেড়েছে

চুরি আতঙ্ক, রাত জেগে এলাকাবাসীর পাহারা

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
Image


জেলা সংবাদদাতা :

 

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে চুরির ঘটনা বেড়েছে। শুধু রাতে নয়, দিনের বেলাতেও চুরির ঘটনা ঘটছে। খাবারে ওষুধ মিশিয়ে বাড়ির লোকজনকে অচেতন করে সব চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ দল। এতে উপজেলাজুড়ে চুরি-আতঙ্ক বিরাজ করছে। চোরদের হাত থেকে রক্ষা পেতে লাঠি-সোটা নিয়ে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন এলাকাবাসী।

 

শনিবার (৯ অক্টোবর) রাত ৯টায় উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের সৌলাপুকুর গ্রামে এ দৃশ্য দেখা গেছে। একদল যুবক সময় ভাগ করে নিয়ে রাতে বাড়িঘর পাহারা দিচ্ছেন।

 

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুধু অক্টোবর মাসের প্রথম ১০ দিনেই দুওসুও ও পাড়িয়া ইউনিয়নে পাঁচটি দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি চুরি হয়েছে দিনের বেলায়, অপরটি ঘটেছে বাড়ির লোকজনকে অচেতন করে। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং সাবেক এক ইউপি সদস্যের (মেম্বার) বাড়িতে তিনটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

 

এলাকাবাসী বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানানোর পরও চুরি বন্ধ হয়নি। সবাই চুরি আতঙ্কে রয়েছেন। উপায় না পেয়ে নিজেদের সম্পদ রক্ষা করতে নিজেরাই টর্চলাইট ও লাঠি নিয়ে রাত জেগে পাহারা বসিয়েছেন। তবে পুলিশ বলছে, চুরির ঘটনা ঠেকাতে তারা তৎপর রয়েছেন। খুব শিগগিরই সব চুরির ঘটনার রহস্য উন্মোচন হবে।

 

গত ৬-৮ অক্টোবর উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামে তিনজনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি হয়েছে। এদের মধ্যে সৌলাপুকুর গ্রামের গয়া প্রসাদের বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে সাত ভরি স্বর্ণ ও নগদ লাখ টাকা, পানিশাল গ্রামের নাজমুল হকের বাড়িতে তিন লাখ টাকা ও ছয় ভরি স্বর্ণ এবং লোহাগাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অতুল প্রসাদ সিংহের বাড়ি থেকে মোবাইল ও আসবাবপত্র চুরির ঘটনা ঘটেছে।

 

এর আগে ৫ অক্টোবর বালিয়াডাঙ্গী-নেকমরদহ মহাসড়কের পাশে সমিরউদ্দিন স্মৃতি কলেজের বিপরীতে স্কুলশিক্ষক আসাদ আলীর বাড়িতে দুপুরে চোরেরা চার ভরি স্বর্ণ চুরি করে নিয়ে গেছে। পরের দিন দুওসুও ইউনিয়নের হাসান মেম্বারপাড়া এলাকার রাজু হোসেন ও তার চাচার বাড়ির লোকজনকে অচেতন করে তিন লক্ষাধিক নগদ টাকা চুরি হয়েছে।

 

স্কুলশিক্ষক আসাদ আলী বলেন, চুরির ঘটনা পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এরপর আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি। এ পর্যন্তই শেষ। কোনো ফল পাওয়া যায়নি। পাড়িয়া গ্রামের নাজমুল হক বলেন, চুরির ঘটনায় পরিবার নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।

সৌলাপুকুর গ্রামে রাত জেগে পাহারা দেওয়া কয়েকজন যুবক বলেন, চুরির ঘটনা ঠেকাতে সময় ভাগ করে আমরা ১৫ জন যুবক পাহারা দিচ্ছি। চুরি বন্ধ এবং পুলিশ তিনটি চুরির রহস্য উন্মোচন না করা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

পাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী রুবেল বলেন, চুরির ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক শুরু হয়েছে। ঘটনাগুলো তদন্ত করে চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারসহ চোরদের গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।

শনিবার রাতে পাড়িয়া ইউনিয়নে সংঘটিত দুটি চুরির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল হক প্রধান, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সোবহান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে থানার ওসি হাবিবুল হক প্রধান বলেন, ঘটনাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। পরিবারের সবার ঘুম ঘুম ভাব এলে স্থানীয় চেয়ারম্যান অথবা থানাকে জানিয়ে রাখবেন। প্রয়োজনে আমরা পোশাক ছাড়া আপনাদের বাড়িতে এসে অবস্থান নেবো। চোরদের ধরতে স্থানীয়দের সহযোগিতা চান তিনি।

খবর প্রতিদিন /সি.বা

  


আরও খবর



প্রায় ৪ হাজার বিঘা ৩ ফসলি জমি বছরের ৮/৯ মাস জলাবদ্ধ

নাটোর বড়াইগ্রামে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:Sunday ১৭ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১৭৯জন দেখেছেন
Image


 

নাটোর প্রতিনিধি :

 

নাটোরের বড়াইগ্রামে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।রবিবার সকালে উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের ভেদাগাড়ি বিলের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে চামটা,বর্নি এবং জোনাইল গ্রামের প্রায় ৪ শতাধিক জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

 

এ সময় অত্র এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মোঃ রওশন আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন - জোনাইল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মো: ইমদাদুল হক, মো: তরিকুল ইসলাম, ফ্রান্সিস রোজারিও, মো: জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

 

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন- প্রায় ৪ হাজার বিঘা ৩ ফসলি জমি বছরের ৮/৯ মাস জলাবদ্ধ হয়ে থাকায় কোন ফসল ফলানো সম্ভব হয় না, ফলে এই এলাকার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ভেঙে পড়ায় সাধারণ মানুষ দারিদ্রতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। চামটা-দিয়ারপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা, মসজিদ, কবরস্থান সহ প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়িতে দির্ঘ সময় জলাবদ্ধতা থাকে, এতে বয়োবৃদ্ধ ও শিশুরা সংক্রমিত হয় পানিবাহিত ও চর্ম রোগে। ২৫/৩০ বছরের সমস্যার স্থায়ীভাবে সমাধান চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এলাকাবাসী।

 

 

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মো: খলিলুর রহমান, মোঃ নজিমুল্লা, জুব্বার ফকির, সুনিল গোমেজসহ অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বঙ্গে এসেছে হেমন্ত

আজি বাংলায় নেমেছে হেমন্ত

প্রকাশিত:Sunday ১৭ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১২৮জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

শীত-শরতের সেতু বাঁধতে বঙ্গের ভূমিতে নেমেছে হেমন্তের দিন। মাঠে মাঠে হালকা বাতাসে দুলছে সোনার ধান। কার্তিকের সবুজ মধ্যাহ্নে ফসলের মাঠে চোখজুড়ে স্বপ্ন বুনছে কৃষান-কৃষানিরা। স্কুল বালিকারা ধানক্ষেতের আল ডিঙিয়ে হেঁটে যাচ্ছে শিশিরভেজা পায়ে, নদীতে হাঁসের বাথান মেতেছে জলকেলিতে, সারি সারি ডিঙি নৌকা দেহ এলিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে আছে আকাশের তলে। দূরের অরণ্যঘেরা পাহাড়টা ক্রমে ঢেকে দিচ্ছে মৃদু কুয়াশা। জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা এ বাংলায় এমনই বিচিত্র দৃশ্যের আবাহন নিয়ে হাজির হয়েছে চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। এরই মধ্য দিয়ে প্রকৃতিও শোনাচ্ছে শীতের পূর্বাভাস

 

আজ পহেলা কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, হেমন্তের প্রথম দিন। জীবন ও প্রকৃতিতে এক আশ্চর্য বিভোরতা-রোমান্টিকতা নিয়ে আসে হেমন্ত। বাংলা সাহিত্যে কবি-শিল্পীদের সৃজনে নানা মাত্রিকতা ও আঙ্গিকে ধরা দিয়েছে নবান্নের এ ঋতু। বাংলা কবিতায় হেমন্ত বন্দনা সবিশেষ স্থানজুড়ে বিরাজ করছে। তিমির হননের কবি জীবনানন্দ দাশ তো পরাবাস্তবতাকেই জীবন ও কবিতার সারবস্তু হিসেবে প্রত্যক্ষ করেছেন। শঙ্খচিল, শালিক কিংবা ভোরের কাক হয়ে বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায় বারবার ফেরার আকুতি প্রকাশ করেছেন।

 

এ বিভোরতা নিয়ে কবিতায় লিখেছেন- ‘প্রথম ফসল গেছে ঘরে,-/ হেমন্তের মাঠে মাঠে ঝরে/ শুধু শিশিরের জল; অঘ্রানের নদীটির শ্বাসে/ হিম হয়ে আসে/ বাঁশ পাতা মরা ঘাস- আকাশের তারা!/ বরফের মতো চাঁদ ঢালিছে ফোয়ারা !/ ধানক্ষেতে মাঠে/ জমিছে ধোঁয়াটে/ ধারালো কুয়াশা!/ ঘরে গেছে চাষা ;/ ঝিমায়াছে এ- পৃথিবী ,- তবু পাই টের/ কার যেন দুটো চোখে নাই এ ঘুমের কোনো সাধ!’ [কবিতা- পেঁচা (মাঠের গল্প)]

ধান মাঠের দৃশ্য শিকারি কবি নবান্নের অবিচ্ছিন্ন অনুভবে লিখেছেন- ধান কাটা হয়ে গেছে কবে যেন ক্ষেত মাঠে পড়ে আছে খড়/ পাতা কুটো ভাঙা ডিম সাপের খোলস নীড় শীত। এই সব উৎরায়ে ওইখানে মাঠের ভিতর/ ঘুমাতেছে কয়েকটি পরিচিত লোক আজ কেমন নিবিড়। [কবিতা- ধান কাটা হয়ে গেছে]

 

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতায়ও হেমন্তগীত দুর্দান্তভাবে উদ্ভাসিত হয়েছে। তার লেখায়- ‘অন্ন জোটে না, কথা জোটে মেলা,/ নিশিদিন ধরে এ কি ছেলেখেলা!/ ভারতীরে ছাড়ি ধরো এইবেলা/ লক্ষ্মীর উপাসনা।’ [কবিতা- পুরস্কার]

ষড়ঋতুর এ দেশে কার্তিক-অগ্রহায়ণ দুই মাস হেমন্তকাল। এখন ধীরে কমছে সূর্যের প্রখরতা, ছোট হয়ে আসছে দিনের আয়ু। কদিন বাদেই এ ভূ-ভাগে জেঁকে বসবে শীত। শীতের পূর্বভাগে মূলত এ ঋতু ঘিরে বাঙালির চিরায়ত যে নবান্নের ছোঁয়া তা দিন দিনই মলিন হয়ে যাচ্ছে। নবান্ন উৎসবের ঐতিহ্যগত যে কদর, সেটিও যেন বিবর্ণ অনেকটাই। তবুও সব মলিনতা তুচ্ছ করে অপরূপ রূপে সেজেছে হেমন্ত।

 

বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম কবিতায় হেমন্তের বন্দনায় লিখেছেন- ‘ঋতুর খাঞ্চা ভরিয়া এল কি ধরণির সওগাত?/ নবীন ধানের আঘ্রাণে আজি অঘ্রাণ হল মাত।/ ‘গিন্নি-পাগল’ চালের ফিরনি/ তশতরি ভরে নবীনা গিন্নি/ হাসিতে হাসিতে দিতেছে স্বামীরে, খুশিতে কাঁপিছে হাত।/ শিরনি বাঁধেন বড়ো বিবি, বাড়ি গন্ধে তেলেসমাত!’ [কবিতা- অঘ্রাণের সওগাত]

 

হেমন্তের প্রথম মাস কার্তিক ও দ্বিতীয় মাস অগ্রহায়ণেরও রয়েছে ভিন্ন রূপ। হেমন্ত একদিকে যেমন শরতের বিদায় টঙ্কা বাজায়, অন্যদিকে শীতের আগমনী বার্তা শোনায়। এখন কৃষকের গোলার ধান প্রায় শেষ দিকে। এ কারণে অনেকে এ মাসকে ‘মরা কার্তিক’ বলেও অভিহিত করে। তবে অগ্রহায়ণে ধান কাটা শেষে কার্তিকের শূন্য গোলা ভরে উঠে সোনার ধানে। গ্রামীণ জীবনে তখন কেবলই ছড়ায় পাকা ধানের মিষ্টি ঘ্রাণ। রাতে প্রতিবেশী বধূদের ঢেঁকিতে ধান ভানার শব্দ ভেসে আসে দূর থেকে।

 

দেশের কিছু অঞ্চলে এরই মধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। এটা আগাম আমন ধান কাটার মৌসুম। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে মহাধুমধামে চলছে ফসল কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। কার্তিকের মাঝামাঝি সারাদেশেই ফসলের মাঠে ব্যস্ততা বাড়বে। ধুম পড়বে সোনার ধান ঘরে তোলার। এরপরই নতুন চালে শুরু হবে নবান্ন। পিঠা-পুলির উৎসব।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



হলে ফিরছেন দর্শক, প্রশংসা পাচ্ছে ‘পদ্মাপুরাণ’

‘পদ্মাপুরাণ’ দেখতে হলে ফিরছেন দর্শক

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১৮৬জন দেখেছেন
বিনোদন ডেস্ক

Image


বিনোদন ডেস্ক :

 

মুক্তির আগেই আলোচনায় ছিল তরুণ নির্মাতা রাশিদ পলাশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘পদ্মাপুরাণ’। নানান চমকের পর এবার ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। গেল শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দেশের বড় কিছু প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে এটি। মুক্তির দুই দিনেই বেশ ভালো সাড়া মিলেছে দর্শকের।

 

বিশেষ করে সিনেপ্লেক্সগুলোতে মুক্তি পাওয়ায় শহরের দর্শক ছবিটি দেখতে আসছেন আশা জাগিয়ে। পরিচালকের ভাষ্যে, ‘করোনাকালীন অনেক মন্দ সময় গেছে আমাদের। সিনেমা নিয়েও আমরা একটা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিলাম। এখনো করোনা পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। তাই একটা আতঙ্ক তো ছিলোই সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে।

 

তবে আশার কথা হলো বেশ ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। প্রথম দিন কয়েকটি হলে শো ফুলহাউজ গেছে। আমার প্রথম সিনেমা এটি, তাই দর্শকের এই সাড়া আমার জন্য দারুণ অনুভূতির।

তিনি দাবি করেন, দর্শক সিনেমাটি দেখে প্রশংসা করছেন। ছবির গল্প, শিল্পীদের অভিনয় নিয়ে আলোচনা করছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও দর্শক ছবিটি দেখার তৃপ্তির কথা লিখছেন। অনেকে কিছু সমালোচনাও করছেন। সেগুলোকে নির্মাতা ভুল হিসেবে নিয়ে পরবর্তীতে তা শোধরে নেয়ার চেষ্টা হিসেবেই দেখছেন।

 

‘পদ্মাপুরাণ’ ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদিয়া মাহি, প্রসূন আজাদ, শম্পা রেজা, জয়রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, কায়েস চৌধুরী, সূচনা শিকদার, রেশমী, হেদায়েত নান্নু, আশরাফুল আশিষ, সাদিয়া তানজিন প্রমুখ। এদের মধ্যে আলাদা করে আলোচনায় এসেছে সাদিয়া মাহি ও সুমিতের অভিনয়।

 

ছবির গল্প ভাবনা জানিয়ে পরিচালক বলেন, ‘পদ্মার পাড়ের প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের লড়াইয়ে গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এ সিনেমায়। আমি বিশ্বাস করি অনেক ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে এই সিনেমা।সেই জায়গাটাই পর্দায় দেখানোর চেষ্টা করেছি। আমি কোনো মতামত দেয়ার পক্ষে না। আমি একটা ওপেন এন্ডিং রাখতে চেয়েছি দর্শক যে যার মতো করে ভেবে নেবে।

 

 ‘পদ্মাপুরাণ’- দেখা যাচ্ছে

 

স্টার সিনেপ্লেক্স (বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও সনি স্কয়ার মিরপু্র), শ্যামলী সিনেমা, যমুনা ব্লকবাস্টার (যমুনা ফিউচার পার্ক), সিনেস্কোপ (নারায়ণগঞ্জ), সুগন্ধা সিনেমা (চট্টগ্রাম)।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা


আরও খবর



গন্ডারের পঁচা মাংসে হাজী বিরিয়ানি, ৭০ কেজি কাঁচা ও ৩০ কেজি রান্না করা গন্ডারের পঁচা মাংস জব্দ

গন্ডারের পঁচা মাংস দিয়ে রান্না হচ্ছে স্বাদের হাজী বিরিয়ানি

প্রকাশিত:Sunday ১৭ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৩৯৪জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image



গন্ডারের পঁচা মাংস দিয়ে বিরিয়ানি বিক্রির দায়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর হাজী বিরিয়ানি হাউজকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর দোকানও সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে। এ সময় ৭০ কেজি কাঁচা ও ৩০ কেজি রান্না করা গন্ডারের পঁচা মাংস জব্দ করা হয়।

 

শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলুর রহমান।

 

সোনাইমুড়ী বাজারের বাসিন্দা খলিলুর রহমান বলেন, স্বাদের কারণে অনেক জনপ্রিয়তা অর্জন করে এই হাজী বিরিয়ানি হাউজ। কিন্তু জনপ্রিয়তার আড়ালে এমন ক্ষতিকর পঁচা মাংস বিক্রি করবে তা আমরা ভাবতেও পারিনি। প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকলে ভোক্তাদের ঠকাতে পারবে না তারা।

 

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলুর রহমান বলেন, সোনাইমুড়ী বাজারের হাজী বিরিয়ানি হাউজ দীর্ঘ দিন ধরে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ১০০ কেজি ক্ষতিকর ও গন্ডারের পঁচা মাংস জব্দ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

 

অভিযান পরিচালনার সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাফিজুল হক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



রংপুরে অগ্নিসংযোগের ঘটনার অন্যতম হোতাকে গ্রেফতার

পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লীতে হামলা-অগ্নিসংযোগের অন্যতম হোতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:Saturday ২৩ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১৭০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


সম্প্রতি রংপুরের পীরগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার অন্যতম হোতাকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) রাতে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তিনি বলেন, রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লীতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উদ্দেশ্যে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার অন্যতম হোতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

তবে গ্রেফতার ব্যক্তির নাম জানায়নি র্যাব। এ বিষয়ে আগামীকাল শনিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।

এদিকে, গত ১৯ অক্টোবর পীরগঞ্জের ১৩ নম্বর রামনাথপুর ইউনিয়নের মাঝিপাড়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেন, পীরগঞ্জে হিন্দুপল্লীতে হামলার ঘটনা পরিকল্পিত। পরিকল্পিত না হলে এত বড় ঘটনা ঘটতো না। এর গোড়ায় আমাদের যেতে হবে। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তদন্ত করলে বের হয়ে আসবে, এতে কারও ইন্ধন আছে কি না।

 

খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর