Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চুম্বনদৃশ্যে অভিনয়ে আপত্তি, ছেড়েছেন অনেক ছবি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩৬৯জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:টলিউড অভিনেত্রী বাসবদত্তা চট্টোপোধ্যায়। সিনেমায় অভিনয় করলেও টেলিভিশন ধারাবাহিকেই তাকে বেশি দেখা যায়। তার অভিনয় দক্ষতা যতটা, তার চেয়ে কম কাজে তাকে দেখা যায় বলে মনে করেন অনেকেই। এসব বিষয়েই তিনি কথা বলেছেন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনের সঙ্গে।  

শুটিংয়ের সেটে কখনো রাগারাগি করেছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বাসবদত্তা বলেন, ‘হ্যাঁ, বহুবার করেছি। আমার সামনে কোনো পরিচালক, প্রযোজক, প্রোগ্রামার আছে তাতে কোনো যায় আসে না। হয়তো বাজে ভাষা ব্যবহার করিনি। তবে ভুল দেখলে আমি আমি চুপ থাকি না। ভুলটা স্বীকার করলেই মিটে যায়। এ জন্য অনেকে মনে করেন আমি ঠোঁটকাটা, নাকউঁচু। সেই ভাবনা আমায় খুব একটা প্রভাবিত করে না।

তিনি বলেন, ‘আবার অনেক সময় যে দিন ছুটি চেয়েছি সে দিনই যদি আমার ডেট দরকার হয়, তখন কথা কাটাকাটি তো হবেই। আর আমি আগে থেকে ছুটি নিয়েছি, তার পর যদি শেষ মুহূর্তে আমাকে আসতে বলা হয়, আমি বাড়িতে বসে থাকব তবু ডেট দেব না।

কিন্তু ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে এত কম সিনেমা বা সিরিয়াল করেছেন। ধীর গতিতে এগোচ্ছেন বলে মনে হয়- এ প্রশ্নের জবাবে অভিনেত্রী বলেন, ‘দোষ কিছুটা আমার। আমি বেছে কাজ করতেই পছন্দ করি। তিনটি সিরিয়ালে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছি। একটা সিরিয়াল শেষ হওয়ার পর নিজের জন্য একটু সময় দরকার হয় আমার। আবার অনেক ক্ষেত্রে এমনও ঘটেছে কাজের কথা অনেক এগিয়ে যাওয়ার পরেও কাজটা আর হয়নি।

এমন ঘটনার সম্পর্কে জানতে চাইলে বাসবদত্তা বলেন, ‘আমার সঙ্গে এমন ঘটনা প্রচুর হয়েছে। বর্তমানে তারা প্রথম সারির পরিচালক। বড় ব্যানারে ছবি তৈরি করছেন। তারাই এমনটা করেছেন। একজনের নাম নিতে চাই না। আমি তখন ‘‘নেতাজি’’ সিরিয়াল করছি। তিনি দুই বছর ধরে আমার সঙ্গে যোগাযোগে ছিলেন। শুটিংয়ে কত দিন আমাকে দরকার, সেটাও কথা হয়ে গেল। চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল যে চরিত্রটি আমিই করছি। সেটে আমি কথাও বলে রাখলাম।

তিনি বলেন, ‘দুইদিন পরে আমি পত্রিকায় পড়েছি সেই পরিচালক অন্য অভিনেত্রীকে নিয়ে ছবির কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তারপর আমি তাকে মেসেজ করে লিখেছিলাম, আপনি যেটা করলেন, আমি আর কখনো আপনার সঙ্গে কাজ করব না। এখানে জানানোর ভদ্রতাটুকু মানুষের নেই।

সিরিয়াল, সিনেমায় তো কাজ করেছেন। ‘ওটিটি’ প্ল্যাটফর্মে কাজের সুযোগ এসেছে কি না, জানতে চাইলে বাসবদত্তা বলেন, ‘ওটিটির থেকে কাজের সুযোগ কম এসেছে। যখন ‘‘মন নিয়ে কাছাকাছি’’ সিরিয়ালটিতে অভিনয় করতাম তখন ‘‘হইচই’’ থেকে বেশ কিছু কাজের সুযোগ আসে। কিন্তু ওদের কনটেন্ট আমার জন্য ঠিক নয় বলে মনে হয়েছিল। তাই না করে দিয়েছিলাম।

চরিত্র বাছাইয়ে সময় আপনি কি অনেক শর্ত রাখেন? ছোট পোশাক পরা বা চুম্বনদৃশ্যে অভিনয় করতে নারাজ? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, তা আপনি বলতেই পারেন। হাঁটুর উপরে পোশাক পরতে আমার তেমন সমস্যা নেই। তবে দৃশ্য নিয়ে সমস্যা আছে। যেমন উদাহরণ দিই। ‘‘উড়োজাহাজ’’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য আমাকে ডেকেছিলেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। দেখাও করেছিলাম। কিন্তু সেখানেও একটি দৃশ্য ছিল, যেটা শুনে বলেছিলাম আমি ওই দৃশ্যে অভিনয় করতে পারব না।

এ অভিনেত্রী বলেন, ‘এমন আরও একটি কাজ এসেছিল, যেখানে একটি ‘‘লিপলক’’-এর দৃশ্য ছিল। তাই সেটাও না করে দিই। আমার নিজের কিছু নীতি আছে সেটা থেকে সরতে পারব না। এত কিছুর পরেও তো ভালো কাজ করছি।


আরও খবর



র‌্যাবের নতুন মুখপাত্র লে. কর্নেল মো. মুনীম ফেরদৌস

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মুনীম ফেরদৌস র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন । তিনি র‌্যাবের ১৩তম মুখপাত্র হবেন।

রোববার (৭ জুলাই) র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে সদ্য সাবেক মিডিয়া উইং কমান্ডার আরাফাত ইসলামকে র‌্যাব-৮ বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া র‌্যাব-৪ এর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রহমানকে র‌্যাব সদর অপস্‌ উইংয়ে, লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী যোবায়ের আলম শোভনকে র‌্যাব-৮ থেকে র‌্যাব-৩ এ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফিরোজ কবীরকে র‌্যাব-৩ থেকে র‌্যাব-৫ এ বদলি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক হিসেবে রাজশাহীতে কর্মরত। অল্পদিন র‌্যাব-৫ এর দায়িত্ব পাওয়া মুনীমের বেশ কয়েকটি অভিযান প্রশংসিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে দুবাই পালানোর চেষ্টাকালে এনজিও পরিচালককে গ্রেপ্তার, শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা দেওয়ার নামে ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার, ১০ আগ্নেয়াস্ত্রসহ শ্বশুরবাড়িতে জামাই গ্রেপ্তার, নারীদের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করতেন স্বামী আলমগীর রয়েল ভিডিও করতেন স্ত্রী হেলেনা খাতুন। এই ঘটনায় এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এছাড়া নওগাঁর মান্দায় কাভার্ড ভ্যানের ভেতর কৌশলে আনা বিপুল মাদক উদ্ধার, রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের আইনবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান ওরফে মিজুকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ১১ সদস্য হাতে-নামে গ্রেপ্তার, গোদাগাড়ীতে মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখা তিন কেজি হেরোইন উদ্ধার অভিযান উল্লেখযোগ্য।

এদিকে আড়াই মাসেরও কম সময় র‌্যাব মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বরিশাল র‌্যাব-৮ এর অধিনায়ক হয়েছেন। তিনি চলতি সপ্তাহে দায়িত্ব বুঝে নেবেন বলে জানা গেছে।


-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



জাল-নৌকা-ই ঠিকানা ভোলার জেলে পল্লীর শিশুদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলার মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা ভোলারচর, মাঝেরচর, মদনপুর চর, চটকিমারা চর, রামদাসপুর এবং মেঘনার কুলের বিভিন্ন বেরি বাঁধ এলাকার জেলেপাড়া। সেখানে হাজার হাজার জেলেদের বসবাস। নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা ঐ জনপদের বসতি ছাড়া আর কিছু নেই। নদীতে মাছ শিকার ও কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই। পৈত্রিক পেশাকে ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে হাজার হাজার পরিবার। এসব অঞ্চলে প্রাথমিক বা কিছু জায়গায় মাধ্যমিকের আলো পৌঁছালেও যেন শিক্ষা গ্রহণ না করেই জেলে বা কৃষক হিসেবে গড়ে উঠছে তাদের শিশুরা। দারিদ্র্যের সংসারে একটু আয়ের আশায় এখানকার শিশুরা খুব কম বয়সেই বেছে নিতে বাধ্য হয় জেলে অথবা কৃষি জীবন। যেখানে তাদের এই বয়সে হাসি-খুশি ও আনন্দ-উল্লাসে বেড়ে ওঠার কথা, সেখানে শুধুই দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত। যে বয়সে  শিশুটির হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, সেই শিশুটির হাতে আজ মাছ ধরার জাল। দিন কাটে তার নদীর বুকে। সন্তানদের পড়ালেখা করানোর প্রতি আগ্রহ নেই তাদের বাবা মায়ের। আধুনিক সভ্যতা থেকে পিছিয়ে পড়া এই জনপদের অভিভাবকদের অসচেতনতা ও নদী ভাঙ্গনের কারণে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না এখানকার শিশুরা। চরাঞ্চল ও  জেলে পল্লীর অধিকাংশ শিশুদের জীবনের গল্প এমন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলে নৌকায় কাজ করা অধিকাংশের বয়স ৮ থেকে ১৫ বছর। জীবনের প্রয়োজনে তারা এই বয়সে হয়ে ওঠে দক্ষ মাঝি বা জেলে। এই শিশুদের কেউ বাবার সঙ্গে জাল টানে, কেউ নৌকার বৈঠা ধরে, কেউবা জাল থেকে মাছ ছাড়িয়ে ঝুড়িতে তোলে। আকৃতি অনুযায়ী মাছ বাছাই করার কাজও তারা করে। এভাবেই নিচ্ছে তারা দক্ষ জেলেতে পরিণত হওয়ার শিক্ষা। মাঝে মাঝে বাবার কাজের দায়ভারও তাদের বইতে হয়। ধরা মাছ নিয়ে বাবা হাটে গেলে বাবার অনুপস্থিতিতে উত্তাল নদীতে নৌকা নিয়ে চলে যায় শিশুটি। জোয়ার ভাটা ওদের মুখস্থ। দিন শেষে এই মাছ বিক্রি করে যা পায় তা দিয়ে কিছুটা হলেও উপকৃত হয় তাদের পরিবারের মানুষগুলো।

ভোলার খাল, ইলিশা বেরিবাঁধ, মাঝেরচর, মদনপুরসহ এসব অঞ্চলের জেলে পরিবারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রতিনিয়ত অনিশ্চতায় বিবর্ণ হয়ে ওঠে জেলে পল্লীর হাজারো শিশুর শৈশব। শিশুশ্রমের বেড়াজালে বন্দিজীবন আর বাবার কষ্টের সঙ্গী হতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে আর পড়া হয় না অধিকাংশ শিশুর। ফলে কোমলমতি সব শিশুর কাঁধে ওঠে সংসারের বোঝা। বাবা-মা ছোট ভাইবোন নিয়ে বেঁচে থাকাই তখন তাদের জীবনের মূলমন্ত্র। চর অঞ্চলের  অনেক শিশুর স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও সম্ভব হয়ে ওঠে না যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায়।

ইলিশা তেমাথা ঘাটের কাছেই বাবার মাছ ধরার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন ১০ বছরের শিশু হাসিব। হাসিবের  ভাষ্য ‘স্কুলে যাইতে তো ইচ্ছা করে তয় কামের লাইগ্যা যাইতে পারি না। জোয়ার আওয়ার আগেই জাল পাতি, আর ভাটায় পানি টানলে মাছ লইয়া আইতে আইতে স্কুল ছুটি হইয়া যায়।

এ ঘাটেই কথা হয় আরো কিছু জেলে শিশুর সঙ্গে। মনির, আব্বাস ও রুবেল নামের এই শিশুরাও বলছে, বাবার কাজের সঙ্গী হতে হয় বলেই তারা স্কুলে যেতে পারে না। মদনপুরের কয়েকজন জেলের সাথে কথা বললে তারা জানান, মাছ ধরা আমাদের পৈত্রিক পেশা। এই পেশাকে ধরে রেখেছি এখনো। আমাদের সন্তানরা সেই পেশা ধরে রাখবে। ইচ্ছা থাকলেও ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করানোর খরচ নেই। তাই মাছ ধরার কাজ শিখাচ্ছি। 

ছেলে বেলা থেকে কাজ শিখলে বড় হয়ে একজন দক্ষ মাঝি হিসাবে নিজেদের গড়তে পারবে ওরা। রাজাপুরের জেলে ইউসুফ (৪৫) বলেন, সব পরিবারই এখন বোঝে যে, তাদের পোলাপাইনগুলারে পড়ানো উচিৎ। কিন্তু পেটের তাগিদে সবাই তো পড়াইতে পারে না। 

ভোলার খালের মাছ ব্যবসায়ী আরিফ জানান, নৌকায় একজন জেলের পক্ষে জাল টেনে মাছ ধরা কষ্টকর। মাছ ধরতে হলে আরো লোকের দরকার হয়। দরিদ্র জেলেরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার পরিবারের মানুষগুলোকে সহকারী হিসেবে ব্যবহার করে। মূলত এই কারণে শিশুগুলোকে স্কুল ছাড়তে হয়।

স্থানীয় দৈনিক ভোলার বাণী’র সম্পাদক মাকসুদ রহমান বলেন, জেলে পল্লীর শিশুদের শিক্ষিত করতে হবে এমন প্রবণতা কম। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, দরিদ্র ও অভাবী মানুষের বিচরণ বেশি। শিশুদের শিক্ষিত করার প্রবণতা তখন বৃদ্ধি পাবে যখন সমাজ থেকে অভাব দূর করা যাবে। প্রতিটি শিশুর জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পরিবারকে সচেতন করতে পারলে কমে আসবে শিক্ষাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা।


আরও খবর

আমতলীতে ৩দিন ব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




মাগুরা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীরা মঙ্গলবার সকালে তাদের কার্যালয় প্রাঙ্গনে কর্মবিরতি কর্মসুচি পালন করে। এ সময় বক্তরা বলেন,

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সমুহকে একীভূতকরণসহ অভিন্ন চাকুরী বিধি বাস্তবায়ন এবং সকল চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকুরী নিয়মিতকরণের দাবি ও পল্লী বিদ্যুৎ  সমিতির কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপর নির্যাতন - নিপীড়ন শোষন এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কতৃক মানহীন বৈদ্যুতিক মালামাল  ক্রয়ের কারনে গ্রাহক ভোগান্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা  কর্মচারী গত ৫ মে জরুরী বিদ্যুৎ সেবা চালু রেখে কর্মবিরতিতে নামে এবং স্মারকলিপি প্রদান করে। এর ফলে বিআরবি সারা দেশে সাময়িক বরখাস্থ, সংযুক্তি, স্ট্যান্ড রিলিজ ও হয়রানীমূলক বদলী শুরু করে। এ কারনে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় যৌতিক যে কোন দাবি পূরনে প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনা উপেক্ষা করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কতৃক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সমুহে নির্যাতন বন্ধের দাবিতে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় তিন শতাধীক কর্মকর্তা তাদের অফিস প্রাঙ্গনে জড় হয়ে কর্মবিরতির সাথে মানব বন্ধন করে। এসময় বক্তব্য রাখেন মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম রঞ্জন কুমার ঘোষ, ডিজিএম মোঃ রাহাত,ডিজিএম আলোমগীর হোসেন, এজিএম মাসুদ রানা,  বিলিং সহকারি শাহনাজ প্রমুখ।


আরও খবর



প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান রানাকে ফুলেল সংবর্ধনা

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image
মুনিরুজ্জামান নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি:বগুড়ার নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানাকে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুলাই) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কক্ষে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। 

সেসময় উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাজমুল হুদা, সহসভাপতি মিনহাজুর রহমান হাবিব, একাব্বর হোসেন পুটু, সাধারণ সম্পাদক মুনিরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বেনজির, দপ্তর সম্পাদক অদ্বৈত কুমার আকাশ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জিল্লুর রহমান রয়েল, অর্থ সম্পাদক জোবায়ের হোসেন রানা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাব্বির হোসেন, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক টিপু সুলতান, কার্যনির্বাহী সদস্য অসিম কুমার রায় ও সোহেল বিশ্বাস প্রমুখ। 

এরপর তার সাথে নন্দীগ্রাম উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের সেবামূলক কাজ নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



সৈয়দপুরে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৮জন দেখেছেন

Image
জহুরুল ইসলাম খোকন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:চলমান কোটা সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগে সরকারি পরিপত্র বহাল রাখার দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষনা করে নীলফামারীর সৈয়দপুরে সড়ক অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা আনুমানিক সাড়ে সারে ৩ টায় স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ওই কর্মসূচী পালন করেন তারা। এইদিন শিক্ষার্থীরা সৈয়দপুর সরকারী বিজ্ঞান কলেজ সংলগ্ন শহীদ স্মৃতি চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে স্মৃতি অম্লান চত্বরে এসে মানববন্ধন কর্মসূচিতে মিলিত হয়। এ সময় জামে মসজিদ থেকে জিআরপি পুলিশ সুপার কার্যালয় পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ করে ২ ঘন্টা ধরে অবস্থান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রাসেল পারভেজ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে সড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু আন্দোলনকারীরা তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভুয়া ভুয়া শ্লোগানে অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে। এ দিন শিক্ষার্থীরা বৈষম্য বিরোধী নানা ফেস্টুন ও ব্যনার নিয়ে উল্লেখিত স্থানে অবস্থান করে। চলমান আন্দোলনের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে, সুযোগের সমতা নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।বক্তব্য দেন রাফায়েতুজ্জাহান, আদিব, মনিন সরকার রাপী, তাওহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আব্দুর রহমান, কাওমিন, তৌহিদ আল রাজী, রাশেদুজ্জামান, রিফাত সান, রাজু ইসলাম, সিয়াম প্রমূখ। তারা বলেন, সরকারি সকল চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদান করতে হবে। কোটা বাতিল না হলে দেশ মেধাশুন্য হয়ে পড়বে। কোটা বাতিলের দাবি দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে এতে এখন পর্যন্ত যে সকল ব্যক্তি নিহত ও আহত হয়েছেন তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক আন্দোলনে নিহত আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর বিচার দাবি করে এবং ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলার উচিত জবাব দেয়ার হুশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা। 

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর