Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

চলতি সপ্তাহে বৃষ্টি, জানুয়ারিতে আসছে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ

প্রকাশিত:Monday ২৭ December ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩৪৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৭ ডিসেম্বর দিবাগত মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকা ও এর আশপাশের এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘চলতি মাসের একেবারে শেষদিকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। এরপর কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা। জানুয়ারি মাসের ২-৩ তারিখের দিকেই শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। ৪ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা হতে পারে। ৮-এর নিচে হলে তাকে আমরা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলি, আর ৪-৫ হলে তীব্র।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশে ২-৩টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস), মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। যার মধ্যে দুটি তীব্র অর্থাৎ ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিতে পারে।

এ ছাড়া এ মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদী অববাহিকায় মাঝারি বা ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা বা মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকা ও আশপাশের এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য এলাকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এ ছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় ১৫.৫, ময়মনসিংহে ১২.৭, চট্টগ্রামে ১৫.৫, সিলেটে ১৩.৭, রাজশাহীতে ১২,  রংপুরে ১৩,  খুলনায় ১৪.৫ এবং বরিশালে ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুল মান্নান বলেন, তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হলেও সেটি শহর এলাকার তুলনায় গ্রামে বেশি অনুভূত হবে। কারণ শহরের তাপমাত্রা গ্রামের তুলনায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বেশি থাকে। তিনি বলেন, শহরে শীতের তীব্রতা কিছুটা বাড়তে পারে ওই সময়।


আরও খবর



বিশ্ব রক্তদাতা দিবস আজ

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৭জন দেখেছেন
Image

স্বেচ্ছায় রক্তদান এক মহৎ কাজ। চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কাজে রক্তের হয় প্রয়োজন হয়। সময়ে রক্ত এতই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে যে, এছাড়া রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। আর যারা জীবন-মরণ প্রশ্নে স্বেচ্ছায় রক্তদান করছেন তাদের উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যেই পালিত হয় বিশ্ব রক্তদাতা দিবস।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। বিশ্বে প্রতি বছর এদিনে পালিত হয় দিবসটি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দিনটির স্লোগান নির্ধারণ করেছে ‌‘ডোনেটিং ব্লাড ইজ অ্যান অ্যাক্ট অব সোলিডারিটি, জয়েন দ্য ইফোর্ট অ্যান্ড সেভ লাইভ’ অর্থাৎ রক্তদান একটি সম্মিলিত প্রয়াস, এই প্রয়াসে সংযুক্ত হন, রক্তদান করুন ও জীবন বাঁচান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, দেশে অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসায় প্রতি বছর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ ব্যাগ রক্ত লাগে। সারা দেশে সরকারিভাবে ২২৩টি ব্লাড ব্যাংক বা রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্র রয়েছে।

এছাড়াও দেশে গত তিন বছরে বিভাগ ও জেলার সরকারি হাসপাতালের রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্রে (ব্লাড ব্যাংক) ২৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৩৭ জন স্বেচ্ছায় রক্তদাতার রক্ত পরিসঞ্চালন করা হয়েছে।

দিবসটি উদযাপনে সরকারি-বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সকাল ১০টায় জাতীয় জাদুঘর থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব পর্যন্ত পথযাত্রা অনিষ্ঠত হবে।

রক্তদাতাদের সম্মাননা জানানো হবে। এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালন, রক্তদানে উৎসাহ করতে দাতাদের সৌজন্য উপহার ও থেলাসেমিয়া রোগীদের বিনামূল্যে রক্তদান করা হবে। বিএসএমএমউতে ট্রান্সফিউশন বিভাগের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, স্বেচ্ছায় রক্তদাদের সম্মননা, থেলাসেমিয়া আক্রান্তদের বিনামূল্যে রক্ত দান ও উন্মুক্ত সেমিনার হবে।


আরও খবর



সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ৮ জনকে আসামি করে মামলা

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনায় আটজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অবহেলার কারণে দুর্ঘটনা এবং তাতে প্রাণহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে পুলিশ মামলার আসামিদের নাম-পরিচয় জানায়নি। সীতাকুণ্ড থানা সূত্র জানিয়েছে, মামলার সব আসামি বিএম ডিপোর বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার (৭ জুন) রাতে সীতাকুণ্ড থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফ সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিএম কনটেইনার ডিপোতে দুর্ঘটনায় আটজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।’

তবে মামলার আসামিদের নাম-পরিচয় জানতে চাওয়া হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি।

গত ৪ জুন রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। রাত ১০টার পর আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। ১১টার দিকে কেমিক্যালভর্তি কনটেইনার বিস্ফোরণ হয়। রাত ১২টার পর থেকে মৃতের খবর আসতে থাকে। সময় যত গড়াতে থাকে, মৃতের সংখ্যাও তত বাড়তে থাকে।

এদিকে, সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। ঘটনার পর এ নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন প্রতিষ্ঠান চার রকম তথ্য দেয়। রোববার (৫ জুন) রাতে দেওয়া তথ্য পরদিন সকালে সংশোধন করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

রোববার বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াস চৌধুরী জানান, মৃতের সংখ্যা ৪৯ জন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জেলা প্রশাসক মোমিনুর রহমান জানান, মৃতের সংখ্যা ৪৬। এরও পরে রাত ৯টায় জেলা প্রশাসনের নোটিশ বোর্ডেও জানানো হয় মৃতের সংখ্যা ৪৬।

তবে সোমবার (৬ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান জানান, মৃতের সংখ্যা ৪১ জন। তবে এর আগেই সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন নোটিশ বোর্ড সংশোধন করে মৃতের সংখ্যা ৪১ জন বলে জানায়।

এদিকে, এ দুর্ঘটনায় মঙ্গলবার (৭ জুন) আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেলে বুধবার (৮ জুন) দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪৪ জনে।


আরও খবর



পরিবেশ দূষণ রোধে করণীয়

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

আজ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) উদ্যোগে প্রতি বছর সারাবিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে ৫জুন ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘একটাই পৃথিবী: প্রকৃতির ঐক্যতানে টেকসই জীবন’।

পরিবেশ দিবসের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা। পরিবেশ দূষণ রোধ করে আরও বনায়ন বৃদ্ধি করা। পরিবেশের ভারসমাই রক্ষায় বৃক্ষের ভূমিকা অনেক। তবে বনায়ন কমে যাওয়ায় হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। প্রকৃতি আমাদের জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা হয়তো অনেকেই করোনা অতিমারীর পর কিছুটা বুঝতে পেরেছেন। পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে বহু বছর ধরে। তবে এখন অনেকেই এড়িয়ে চলেন সেই সচেতন বার্তা।

অজীব উপাদান, যেমন- মাটি, পানি, আলো, বাতাস, জলাশয়, হাওর, নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, পাহাড়-পর্বত, হিমবাহ, মরুভূমি, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, মেঘমালা, চন্দ্র, সূর্য ইত্যাদি এবং সজীব উপাদান, যেমন- উদ্ভিদ, প্রাণি, অণুজীব ইত্যাদির সমন্বয়ে সৃষ্টি হয়েছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। বিভিন্নভাবে দূষণ হচ্ছে পরিবেশ। চলুন জেনে নেওয়া যাক পরিবেশ দূষণ রোধে সবার করণীয়-

> বাতাসে অক্সিজেন ব্যতীত অন্যান্য গ্যাস ও ধূলিকণার পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে বায়ু দূষিত হয়। পৃথিবীর সব প্রাণি শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। অপর দিকে বৃক্ষরাজি কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ ও অক্সিজেন ত্যাগ করে। পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নির্বিচারে সবুজ বৃক্ষ নিধন করার কারণে বৃক্ষ হ্রাস পাচ্ছে। এজন্য বৃক্ষরোপণ করতে হবে। ইট-পাথরের শহরে গাছ লাগানোর জায়গার অভাব। বারান্দায় কিংবা ছাদে গাছ লাগাতে পারেন।

পরিবেশ দূষণ রোধে করণীয়

> পানি নিষ্কাশনের ড্রেনগুলো সাধারণত জলাশয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে শহর, হাট-বাজার, বাসাবাড়ির ময়লা-আর্বজনা, বিভিন্ন প্রাণীর মলমূত্র, খাল, বিল ও নদীতে পড়ে পানি দূষিত হচ্ছে। প্রতিটি শিল্পকারখানার সঙ্গে শোধনাগার বা অ্যাফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (ইটিপি) স্থাপন বাধ্যতামূলক। এছাড়াও বাড়ির ময়লা আবর্জনা পানিতে না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন। এতে পানি ও বায়ু দুটোই দূষণ রোধ হবে।

> বাস-ট্রাক, রেলগাড়ি, লঞ্চ-স্টিমারের হাইড্রোলিক হর্নের শব্দ, বিমানের বিকট শব্দ, শিল্পকারখানার শব্দ, ইট-পাথর ভাঙার শব্দ, মাইকের শব্দ, পটকার শব্দ, হাটবাজার, যানজট, জনসভায় মানুষের কোলাহলের শব্দ, ঢাক-ঢোলের শব্দ, ঝড়-তুফান, সাইক্লোন, বজ্রপাত ও সমুদ্রের গর্জন শব্দ দূষণের উন্নতম কারণ। শব্দ দূষণের কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস, মাথাব্যথা, হৃদরোগ, স্নায়ুবিক বৈকল্য, শিশুর মানসিক বিপর্যয়, অনিদ্রা, বিরক্তিভাব, মনোযোগ নষ্ট ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়। তাই শব্দ দূষণ হচ্ছে এমন কাজ পরিহার করুন।

> শুষ্ক ঋতুতে অনেকেই আবর্জনা সংগ্রহ করে তা পুড়িয়ে নষ্ট করেন। বিশেষ করে বনের শুকনো পাতা এভাবে নষ্ট ল্করা হয়। এ থেকে তৈরি ধোঁয়া পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এছাড়া ধূমপান বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ।

> এয়ার কন্ডিশনার পরিবর্তে ফ্যান ব্যবহার করুন। এসি ব্যবহারে প্রচুর শক্তি লাগে এবং প্রচুর তাপ নির্গত হয় যা পরিবেশের জন্য খারাপ। পাখার তুলনায় এসি কাজ করতে অনেক শক্তি এবং শক্তি নেয়।

পরিবেশ দূষণ রোধে করণীয়

> চিমনির জন্য ফিল্টার ব্যবহার করুন। ঘরবাড়ি এবং কারখানার ফায়ারপ্লেস থেকে যে গ্যাস নির্গত হয় তা বায়ু দূষণ করছে। ফিল্টারের ব্যবহার যেমন খরচ কমাবে তেমনি পরিবেশও দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

> পটকা বা বাজি ফাটানো এড়িয়ে চলুন। যে কোনো উৎসবে পটকা বা বাজির ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটি যেমন শব্দ দূষণ করছে। তেমনি বায়ু দূষণের জন্যও দায়ী। এছাড়াও এ থেকে দুর্ঘটনাও ঘটছে অনেক।

> অন্যদিকে কীটনাশক ব্যবহার পরিহার করতে হবে। জমিতে পোকা দমনের জন্য যে কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে তা মাটি, বায়ু ও পানি তিন ক্ষেত্রকেই দূষিত করছে। যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

> কমাতে হবে প্লাস্টিকের ব্যবহার। এটি পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। মাটি, পানি এবং বায়ু সব ক্ষেত্রেই দূষণ করছে প্লাস্টিক বর্জ্য।


আরও খবর



নওগাঁয় মিষ্টির কেজিতে দাম বেড়েছে ২০ টাকা

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মিষ্টি ও সন্দেশের দাম। নওগাঁয় প্রকারভেদে প্রতি কেজি মিষ্টি-সন্দেশে ২০-৪০ টাকা বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় মিষ্টর দাম বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি তাদের। সারা দই ও পাতিল দইয়ের দাম আগের মতোই আছে।

নওগাঁ পৌর শহরের ইসলামপুর রোডে মিষ্টিপট্টি। যেখানে সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভিড় থাকে। এসব দোকানে বিভিন্নপদের মিষ্টান্ন রয়েছে। শুক্রবার এসব দোকানে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দমতো দোকানে গিয়ে মিষ্টি কিনছেন। বলতে গেলে লাইন ধরে মিষ্টি কিনতে হচ্ছে। তবে মিষ্টির দাম অসন্তোষ প্রকাশ করছেন তারা। কিন্তু এরপরও কিনছেন।

মিষ্টিপট্টি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি শুকনো সাদা মিষ্টি বিক্রি হচ্ছে ২২০-২৪০ টাকা, কালো মিষ্টি, লাড্ডু ও রাজভোগ ২০০ টাকা, খেজুরি, রসকদম, দধিয়া ও রসমালাই ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রকারভেদে মিষ্টির দাম ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। এছাড়া সন্দেশ বা প্যারা সন্দেশ ৩৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা।

No-(4).jpg

বেসরকারি সংস্থাতে চাকরি করেন আসফাক হোসেন। থাকেন শহরের কোমাইগাড়ী মহল্লার ভাড়া বাসায়। তিনি বলেন, ‘আত্মীয়দের বাড়িতে যাওয়ার জন্য মিষ্টি কিনতে হয়েছে। যে মিষ্টি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা ছিল এখন সেটা কিনতে হয়েছে ২০০ টাকা ২১০ টাকা কেজিতে। বলার তো কিছু নাই। কারণ সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে।’

মেসার্স আল-আমিন সুইটসের ম্যানেজার তুষার হোসেন বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের লাগাম ছাড়া। আমাদের জন্য যেমন কষ্টসাধ্য হচ্ছে তেমনি ক্রেতাদের জন্যও। মিষ্টির দাম শুনার পর ক্রেতারা চমকে উঠছেন। কিন্তু কিছু বলার নাই। গত ছয় মাসে কেজিতে ২০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। বাধ্য হয়ে দাম বাড়াতে হয়েছে। তবে দাম বাড়ার পর স্থিতিশীল রয়েছে।’

No-(4).jpg

সাব্বির হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান বাজারে মিষ্টি তৈরির উপকরণের দাম বেড়েছে। সে তুলনায় মিষ্টি দাম তেমন বাড়েনি। আগামীতে মিষ্টির দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ঈদের মধ্যে ছানার দাম বেশি থাকায় কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। কারণ ঈদের মধ্যে মিষ্টির চাহিদা বেশি থাকায় দুধের দামও বেড়ে যায়। বেশি দামে দ্রব্য কিনতে হলে দামও বাড়াতে হয়। এখন দাম স্বাভাবিক আছে।’

নওগাঁ শহরের মিষ্টিপট্টির দাস মিষ্টান্ন ভান্ডারের সত্ত্বাধিকারী শিবু চন্দ্র দাস বলেন, ‘গত পাঁচ-ছয় মাসে দ্রব্যমূল্যে ঊর্ধ্বমুখী। দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় আমাদের লাভ কম হচ্ছে। তবে সে তুলনায় মিষ্টির দাম বাড়েনি। বর্তমানে শ্রমিকদের মজুরি ২০০ টাকা থেকে হয়েছে ৪০০ টাকা। আগে চিনি ছিল ৬০ টাকা কেজি, এখন ৮০ টাকা, সয়াবিন তেল ছিল ১০০ টাকা, এখন হয়েছে ২০০-২১০ টাকা, ১০০ টাকা কেজির ডালডা এখন ২২০ টাকা, ২০০ টাকা কেজির ছানা এখন ৩০০ টাকা, ৩৫ টাকা কেজির ময়দা কিনতে হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। আগে খড়ি ছিল ২০০ টাকা মণ, এখন ৩০০ টাকা। এভাবে যদি দ্রব্যমূল্যে দাম বাড়তে থাকে তাহলে আমাদের জন্য কষ্টসাধ্য আবার ক্রেতারাও বিভ্রান্ত হচ্ছে।’

নওগাঁ রেস্তোরা মালিক সমিতির সভাপতি কাজী জিয়াউর রহমান বাবলু জাগো নিউজকে বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মিষ্টির দাম কিছুটা বেড়েছে। এতের লাভের অঙ্কটাও কমেছে। তবে বিনিয়োগ করতে হচ্ছে বেশি। আগামীতে যদি মিষ্টি তৈরির উপকরণের দাম বাড়ে তাহলে মিষ্টির দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে। তবে সরকার যেভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে মনে হয় না দ্রব্যমূল্যের দাম ঊর্ধ্বগতি হবে।’


আরও খবর



কুমিল্লায় হত্যাসহ ১৫ মামলার আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকা থেকে হত্যাসহ ১৫ মামলার আসামি জুয়েল মিয়া (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। জুয়েল মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার উত্তর চকবস্তা গ্রামের মৃত আবুল বাসারের ছেলে।

রোববার (১২ জুন) র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সিনিয়র সহকারী পরিচালক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

jagonews24

রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযানে যায় র‌্যাবের একটি দল। এসময় ৬০০ পিস ইয়াবা, একটি বিদেশি রিভালবার ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধারসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার নামে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় হত্যা-মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৫ মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।


আরও খবর