Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম
বাকেরগঞ্জে শাশুড়িকে খুন

বরিশালের বাকেরগঞ্জে সন্তানের দুধ কিনতে টাকা না দেওয়ায় শাশুড়িকে খুন

প্রকাশিত:Friday ১৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২১২জন দেখেছেন
Image

বরিশাল প্রতিনিধিঃ


সন্তানের দুধ কেনার জন্য গচ্ছিত দুই হাজার টাকা রাখা ছিল আলমারিতে। চাবি না দেওয়ায় পুত্রবধূ শাশুড়ির সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির শুরু করেন। এ সময় শাশুড়ি নাজনীন বেগম পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি বের করেন। পরে পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যান।


বৃহস্পতিবার (১২ মে) বরিশালের বাকেরগঞ্জ আমলি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে এসব কথা বলেন অভিযুক্ত পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার লাবণ্য।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সত্যরঞ্জন খাসকেল। তিনি জানান, অভিযুক্তর দুগ্ধপোষ্য ছয় মাস বয়সী এক ছেলে রয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকেও মায়ের সঙ্গে থাকার অনুমতি দিয়েছে।


হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিতভাবে করেছেন বলে ধারণা করে পরিদর্শক বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে আর কারও সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলেও স্বামীর অব্যাহত অবহেলা ও শাশুড়ির অত্যাচারে এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন লাবণ্য।


 অভিযানিক দল যখন লাবণ্যকে গ্রেফতারে যায়, তখন তিনি জায়নামাজে বসা ছিলেন। তিনি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন।


আদালতের বরাত দিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, নিহত শাশুড়ি নাজনীন বেগমের স্বামী হানিফ হাওলাদার গত বছরের শেষ দিকে মারা যান। তার আগে থেকেই লাবণ্যর বাবা খলিল হাওলাদারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল তার শাশুড়ির। 



আবার লাবণ্যর স্বামী উজ্জল হাওলাদার ঢাকায় একটি চশমার দোকানে কারিগর হিসেবে কাজ করেন। তিনিও সেখানে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দুটি বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে উজ্জল বাড়িতে আসেন। তখন এসব বিষয় নিয়ে কথা উঠলে ৮ মে লাবণ্যকে বাড়ি থেকে বের করে দেন স্বামী ও শাশুড়ি। ১০ মে আবার ঢাকায় চলে যান উজ্জল।


এরপর প্রতিদিন উজ্জলকে ফোন করতেন লাবণ্য। শাশুড়ির কাছেও জানাতেন তার ছয় মাস বয়সী সন্তান মুজাহিদুল ইসলামের দুধ কেনার টাকা নেই। কিন্তু স্বামী ও শাশুড়ি এতে কোনো গুরুত্ব দেননি।



 বুধবার (১১ মে) সন্ধ্যায় শাশুড়ির কাছে আসেন লাবণ্য। আলমারির চাবি চান। শাশুড়িকে জানান, আলমারিতে দুই হাজার টাকা আছে তা নিয়ে ছেলের জন্য দুধ কিনবেন। কিন্তু শাশুড়ি চাবি দিতে রাজি হননি। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হলে শাশুড়ি পুত্রবধূকে হত্যার জন্য ছুরি নেন। সেই ছুরি কেড়ে নিয়ে শাশুড়িকে উপর্যুপরি কুপিয়ে চলে যান লাবণ্য।


শাশুড়ির গলায় দুটি ও বুকে তিনটি ছুরির কোপ ছিল। ছুরির আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় বলে মনে করেন এই পুলিশ পরিদর্শক।


তবে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুরো ঘটনা অনুসন্ধানে মনে হয়েছে হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত। কারণ, অভিযুক্ত নারী যখন শাশুড়ির কাছে আসেন, তখন তার সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আসেননি। এমনকি সঙ্গে মোবাইলও আনেননি। সঙ্গে ছুরি নিয়ে এসেছিলেন। বোরকা পরে এসে শাশুড়িকে কুপিয়ে বাসায় গিয়ে সন্তানকে দুধ খাইয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়তে বসেন। লাবণ্য ভারতীয় সিরিয়াল সিআইডি দেখে হত্যার পরিকল্পনা করেন এবং সে অনুসারে হত্যাকাণ্ড ঘটান।


প্রসঙ্গত, বুধবার (১১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামে রক্তাক্ত নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে উজ্জল বাদী হয়ে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন|


আরও খবর



ডেমরায় অটো রিক্সা চুরির দায়ে গ্রেফতার -১

প্রকাশিত:Tuesday ১০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১০১জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চুরির ঘটনা ঘটেছে।



অটোরিকশা চুরির দায়ে মিরাজ জমাদার (২৮) নামে এক চোরকে গ্রেফতার করেছে ডেমরা থানা পুলিশ। 


এ সময় আল-আমিন (২৫) নামে সহযোগী আরেক চোর পালিয়ে যায়।



রবিবার দুপুরে মিরাজ সরদারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে পালানোর সময় টহলরত পুলিশ পূর্ব ডগাইর মদিনাবাগ কোদালদোয়া এলাকা থেকে মিরাজ সরদারকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে।


সে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চরখালি গ্রামের মৃত হোসেন জমাদারের ছেলে।


 এ বিষয়ে শনিবার রাতে ডেমরা থানায় উক্ত দুই চোরের বিরুদ্ধে মামলা করেন অটোরিকশার মালিক মো. মিজানুর রহমান (৫২)।



বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ওসি অপারেশন সুব্রত কুমার পোদ্দার বলেন, গত ১ বছর ধরে মিজানুর রহমান ওই রিকশাটি কিনে নিজেই চালাতেন। গত ৭ মে শনিবার ভোরে গ্যারেজ থেকে রিকশাটি চুরি করে পালাচ্ছিল মিরাজ ও ফার্মের মোড় এলাকায় বসবাসরত পলাতক চোর আল আমিন। 


এ সময় টহলরত পুলিশ তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। তখন দৌড়ে পালিয়ে যায় আল আমিন।



আরও খবর



খিলক্ষেতে শশী আক্তার শাহীনার উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন

প্রকাশিত:Sunday ০১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৯৫জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

ঢাকা মহানগর উত্তর খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী শশী আক্তার শাহীনার উদ্যোগে গরীব অসহায় ওদুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে।রাজধানীর কুর্মিটোলা হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে ১ মে ২০২২ রবিবার  ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬০০ পরিবারের মধ্যে এসব শাড়ি,লুঙ্গি বিতরন করা হয়েছে।


ঢাকা-১৮ আসনের এমপি আলহাজ মো. হাবিব হাসান এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


দুস্থ ও অসহায় মানুষকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করে যেকোনো দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ঢাকা-১৮ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য।তিনি তার এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ড ও থানার জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন গত কয়েক দিন যাবৎ এবং এ ধারা অব্যাহত থাকবে আগামী দিনগুলোতেও।


শশী আক্তার শাহীনা বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শের ধারক একজন নারী নেত্রী।খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে গতিশীল করতে তিনি নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।তার নেতৃত্বে ঢাকামহানগর উত্তর খিলক্ষেত থানা মহিলা আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হয়েছে।ঢাকা-১৮ আসনের এমপি আলহাজ মো. হাবিব হাসানের একজন অনুগত কর্মী হিসেবে সব সময় অসহায় দুস্থ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেন শশী আক্তার শাহীনা।


আরও খবর



ডেসটিনির রফিকুল আমিনের ১২ বছর সাবেক সেনাপ্রধান হারুনের চার বছরের সাজা

প্রকাশিত:Thursday ১২ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এমএলএম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।


একইসঙ্গে গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের ৪ বছর, পলাতক আসামি জসিম উদ্দিন ভূঁইয়ার ১০ বছর এবং মামলার বাকি ৪৩ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 



বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।


এর আগে গত ২৭ মার্চ ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।



মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ মোট আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।



অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে পৃথক দুটি মামলা করেছিলেন।


২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।


এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।


মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।


ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন প্রজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।


অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। এরপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



সমুদ্রে মৎস্য আহরণকারী ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে

প্রকাশিত:Wednesday ১১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ১০৬জন দেখেছেন
Image

ঢাকা, ১১ মে ২০২২ (বুধবার)

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে।


এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে।


মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।


সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। 


নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



ট্রেনের সাথে পিকআপের সংঘর্ষ

গাজীপুরে ট্রেনের সাথে পিকআপের সংঘর্ষে তিনজন নিহত

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১২৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিগঞ্জ উপজেলায় ট্রেনের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আড়িখোলা রেল স্টেশনের অদূরে নলছাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনায় ঘটে।


এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপে থাকা তিনজন আরোহী মারা যান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।



আড়িখোলা রেল স্টেশনের মাস্টার কামরুল ইসলাম এ দুর্ঘটনা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



আরও খবর