Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন কে বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা

প্রকাশিত:Friday ১৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৩৩জন দেখেছেন
Image


রুবেল মিয়াঃ(সরাইল)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিদায়ী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন কে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।


আজ বৃহস্পতিবার (১৩-০১-২০২২ খ্রিঃ) পুলিশ লাইন্স ড্রীলশেডে অনুষ্ঠিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কে “বিদায় সংবর্ধনা” স্বারক প্রদান করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ আনিসুর রহমান।


উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) আবু সাঈদ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মোঃসিরাজুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহ জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ইনচার্জগন।


আরও খবর



চাষের মাছ উৎপাদনে সেরা তিন দেশের তালিকায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

মৎস্য খাতে বাংলাদেশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও স্বীকৃতি পেয়েছে। একই সঙ্গে দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, রপ্তানি বাণিজ্যের প্রসারে অবদান রাখছে মৎস্য খাত। এছাড়াও বর্তমানে দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ জোগান দিচ্ছে মাছ।

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। বিশ্বে স্বাদুপানির মাছের ১১ শতাংশ এখন বাংলাদেশে উৎপাদন হচ্ছে। চাষের মাছ উৎপাদনে সেরা তিন দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। তালিকার অন্য দুই দেশ ভিয়েতনাম এবং মিশর।

মৎস্য আহরণ ও উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গৌরবের অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ তৃতীয়, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম, ইলিশ আহরণে ১ম ও তেলাপিয়া উৎপাদনে ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে। ‘দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার, ২০২২’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও চাষের মাছ উৎপাদনে তিনটি দেশ বিশ্বের জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করছে। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম এবং আফ্রিকায় মিশর এই সাফল্য দেখিয়েছে।

বর্তমানে দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ জোগান দিচ্ছে মাছ। মাথাপিছু প্রতিদিন ৬০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে মানুষ এখন ৬২ দশমিক ৫৮ গ্রাম মাছ গ্রহণ করছে। দেশের মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপির ২৬ দশমিক ৫০ শতাংশ এখন মৎস্য খাতের অবদান। বিগত ১২ বছরে মৎস্য খাতে জিডিপির গড় প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ২ শতাংশ। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মোট মাছের উৎপাদন ছিল ২৭ দশমিক ১ লাখ মেট্রিক টন, যা ২০২০-২১ অর্থবছরে বেড়ে হয়েছে ৪৬ দশমিক ২১ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে সামুদ্রিক মাছের অবদান ৬ দশমিক ৮১ লাখ মেট্রিক টন, যা দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের ১৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৯৯ হাজার মেট্রিক টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

ইলিশ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল

বিশ্বে ইলিশ আহরণকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষে। ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ এবং নবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ। বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের ১২ দশমিক ২২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে। দেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১ শতাংশের অধিক, যা একক প্রজাতি হিসেবে সর্বোচ্চ। ২০১৭ সালে ‘বাংলাদেশের ইলিশ’ ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই সনদ লাভ করেছে। ফলে পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ আহরণকারী বাংলাদেশ এখন থেকে বিশ্বে উপস্থাপিত হবে ইলিশের দেশ হিসেবে।

ইলিশ সম্পদ রক্ষায় এবং উৎপাদন বাড়াতে সরকার নানা কর্মসূচি নিয়েছে। জাটকা সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। পাশাপাশি নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন এবং জাটকা আহরণ নিষিদ্ধকালে জেলেদের চার মাস ভিজিএফ খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও মা-ইলিশ রক্ষায় প্রধান প্রজনন মৌসুমে মোট ২২ দিন দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, পরিবহন ও মজুত বন্ধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

jagonews24সরকারের নানা উদ্যোগে দেশে ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে

সরকারের এ ব্যাপক কর্মযজ্ঞের কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টন ইলিশ আহরণ হয়েছে। এটি ২০১০-১১ অর্থবছরে ইলিশের মোট উৎপাদনের (৩ দশমিক ৪০ লাখ মেট্রিক টন) চেয়ে ৬৬ দশমিক ১৭ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ‘হিলশা ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ফলে ইলিশের উৎপাদন ২০০৪-০৫ থেকে ২০১৪-১৫ সাল পর্যন্ত গড়ে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ফেরাতে উদ্যোগ

দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ বাঙালির পাতে ফিরিয়ে আনতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গবেষণা এবং উদ্ভাবনে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশীয় মাছ সংরক্ষণে এ পর্যন্ত ৩৬ প্রজাতির দেশীয় বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজনন কৌশল ও চাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহে প্রতিষ্ঠা করেছে দেশীয় মাছের লাইভ জিন ব্যাংক। এই জিন ব্যাংকে এখন পর্যন্ত ১০২ প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সম্প্রতি দেশের ১০ জেলার ৪৯ উপজেলায় ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মৎস্য অধিদপ্তর। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও চাষ সম্প্রসারণ, শামুক ও ঝিনুক সংরক্ষণ এবং মুক্তা চাষ সম্প্রসারণে এ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

jagonews24

বাংলাদেশে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি দ্রুত বর্ধনশীল ও প্রায় ২০ শতাংশ অধিক উৎপাদনশীল উন্নত জাতের ‘বিএফআরআই-সুবর্ণ রুই’ উদ্ভাবন করেছে। এছাড়া উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রজাতি বৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে নিয়মিতভাবে পোনা অবমুক্ত ও বিল নার্সারি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিপন্নপ্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, অবাধ প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে ৪৯৪টি অভয়াশ্রম রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন মৎস্য ও মৎস্যপণ্যের রপ্তানি নিশ্চিতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় তিনটি মাননিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাগার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ি রপ্তানি অব্যাহত রাখতে চাষি পর্যায়ে রোগমুক্ত এবং মানসম্পন্ন পোনা সরবরাহে কক্সবাজার, সাতক্ষীরা ও খুলনায় তিনটি পিসিআর ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মৎস্যচাষ পর্যায়ে ওষুধের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ‘অ্যাকোয়াকালচার মেডিসিনাল প্রোডাক্টস নিয়ন্ত্রণ নির্দেশিকা’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

রপ্তানিতে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের অবদান

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য মৎস্য ও মৎস্যজাত দ্রব্য। বর্তমানে বিশ্বের ৫২টি দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি অপ্রচলিত মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন এবং এসব পণ্যের রপ্তানি উৎসাহিত করতে দেশব্যাপী কাঁকড়া, কুঁচিয়া ও সিউইডের চাষ সম্প্রসারণ কার্যক্রম চলমান।

jagonews24২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথম লাইভ জিন ব্যাংকের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

বাংলাদেশ থেকে প্রধানত গলদা, বাগদা, হরিণাসহ বিভিন্ন জাতের চিংড়ি; স্বাদুপানির মাছ যেমন- রুই, কাতলা, মৃগেল, আইড়, টেংরা, বোয়াল, পাবদা, কৈ প্রভৃতি এবং সামুদ্রিক মাছের মধ্যে ভেটকি, দাতিনা, রূপচাঁদা, কাটল ফিশ, কাঁকড়া ইত্যাদি রপ্তানি হয়। এছাড়াও শুঁটকি মাছ, মাছের আঁশ এবং চিংড়ির খোলসও রপ্তানি হয়। বর্তমানে চাষসহ প্রাকৃতিক উৎস থেকে আহরিত কাঁকড়া ও কুঁচিয়া বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।

রপ্তানি করা এসব মৎস্যজাত পণ্যের প্রায় ৭০ শতাংশই ভ্যালু অ্যাডেড প্রোডাক্টস। বাংলাদেশ থেকে সাধারণত আইকিউএফ, কুকড, ফিশ ফিলেট ইত্যাদি ভ্যালু অ্যাডেড মৎস্যপণ্য রপ্তানি হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহ, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, রাশিয়া, চীনসহ বিশ্বের ৫২টি দেশে বাংলাদেশের মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রপ্তানি হয়। কোভিড-১৯ এর কারণে বিশ্ববাজারে আর্থিক মন্দাবস্থা থাকা সত্ত্বেও সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ফলে সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭৪ হাজার ৪২ দশমিক ৬৭ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মাধ্যমে ৫ হাজার ১৯১ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা আয় হয়েছে, যা বিগত বছরের চেয়ে ২৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি।

১৯৭৪ সালে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট’ প্রণয়ন করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এর মাধ্যমে সমুদ্র ও এর সম্পদের ওপর বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকারের দাবি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক দূরদর্শিতা ও প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার সামুদ্রিক জলসীমায় আমাদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এর মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন হয়েছে।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের মজুত নিরূপণ, এ খাতে দক্ষ জনবল সৃষ্টি, যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন এবং গভীর সমুদ্রে মাছের টেকসই আহরণের মাধ্যমে সমুদ্র অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব। এই লক্ষ্যে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উপকূলীয় জলাশয়ে মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া ও সিউইড চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এ বিষয়ে কাজ করছে।

‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ প্রকল্পের আওতায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের সর্বোত্তম আহরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বঙ্গোপসাগরে এ পর্যন্ত ৩৮টি সার্ভে ক্রুজ পরিচালনা করা হয়েছে। আরভি ‘মীন সন্ধানী’ নামক মৎস্য গবেষণা ও জরিপ জাহাজের মাধ্যমে চালানো অনুসন্ধানে ৪৫৭ প্রজাতির মৎস্য ও মৎস্যজাতীয় প্রাণী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়াও সমুদ্রে টুনা ও পেলাজিক মৎস্য আহরণের জন্য আরেকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০২০ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনের আওতায় প্রতি বছরের ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সামুদ্রিক জলসীমায় সব ধরনের নৌযান দিয়ে মৎস্য আহরণ বন্ধ হচ্ছে। ফলে বঙ্গোপসাগরে বিলুপ্তপ্রায় মাছের মজুত বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন মাছ নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ পাচ্ছে। সরকার গৃহীত নানামুখী পদক্ষেপের কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে সামুদ্র্রিক মাছের উৎপাদন ৬ দশমিক ৮১ লাখ মেট্রিক টনে উন্নিত হয়েছে, যা ২০১০-১১ অর্থবছরে মোট উৎপাদনের (৫ দশমিক ৪৬ লাখ মেট্রিক টন) চেয়ে ২৪ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি।

jagonews24সাগরের মাছ আহরণ ও রপ্তানিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রোজাউল করিম জাগো নিউজকে বলেন, দেশের মৎস্য খাতে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও স্বীকৃতি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় সরকারের সময়োপযোগী ও বাস্তবভিত্তিক নীতি গ্রহণ, মৎস্য গবেষণার উন্নয়ন ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন, মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তি সম্প্রসারণসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়নের কারণে এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। দেশে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গবেষণা ও উদ্ভাবনে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের উদ্যোগে দেশীয় মাছের লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ১০২ প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে। দেশের কোনো অঞ্চল থেকে কোনো বিশেষ প্রজাতির মাছ হারিয়ে গেলে জিন ব্যাংক থেকে সেসব অঞ্চলে হারিয়ে যাওয়া মাছ আবার চাষ করা সম্ভব হবে। এছাড়াও উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রজাতি-বৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে নিয়মিতভাবে পোনা অবমুক্তি ও বিল নার্সারি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে আমরা মাছে-ভাতে বাঙালির পুরনো ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চাই।

পাশাপাশি রপ্তানির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখার অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে আমরা মৎস্য খাতকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তবে শুধু মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, বরং মানসম্মত ও নিরাপদ মাছ উৎপাদন ও সরবরাহে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের মাননিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন ও তার প্রয়োগ, উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলনসহ নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে- যোগ করেন মন্ত্রী।


আরও খবর



বোয়ালখালীর বুড়া মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া গেলো ৮ লাখ টাকা

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর বুড়া মসজিদের দানবাক্সে এবার আট লাখ ১০ হাজার ৬৬০ টাকা পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) দিনব্যাপী টাকা গণনা শেষে তা মসজিদের ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়।

মসজিদের মোতোয়াল্লি মো. নুরন্নবী চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, থানা পুলিশের উপস্থিতিতে এসব টাকা গোনা হয়। এবারসহ ৩৭ বারের মতো এই টাকা গণনা করা হলো বুড়া মসজিদে।

নুরন্নবী চৌধুরী বলেন, প্রশাসনের উপস্থিতিতে দানবাক্সের এসব টাকা গণনা করে তা ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়েছে।

টাকা গণনাকালে মাওলানা মাহফুজুল হক আলকাদেরী, মাওলানা আবদুল করিম, মো. ফরিদ উদ্দিন, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. হোসাইন, মো. এয়াকুব, মো. সোহেল আজাদ, অভি চৌধুরী, এহসানুল করিম, মো. ইব্রাহীম চৌধুরী, মো. ফয়সাল, আবু তাহের, জহির চৌধুরী, মো. শাকিল, মো. ইমাম, মো. মুন্না, মো. তামিম, আশরাফ আলী, নূর বক্স, আহমদ মিয়া, মো. হানিফ, মো. লোকমান, এয়াকুব আলী বালি, মাহবু ফকির, শাহ আলম, বখতেয়ার মিয়া, মুছা মিয়া, মো. সাব্বির, নুরুল আবচার, মো. সুমন, গিয়াস উদ্দিন, আবদুল খালেক অংশ নেন।


আরও খবর



বিয়ে করা হলো না, সহযাত্রী নিয়ে ফিরে গেলেন বর

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

ফরিদপুরে প্রশাসন ও একটি নারী সংগঠনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ১৩ বছরের এক কিশোরী। সে একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি ফরিদপুর শহরতলীর কানাইপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে।

সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ওই কিশোরীর সঙ্গে রাজবাড়ী জেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের এক যুবকের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। সহযাত্রী নিয়ে যথারীতি কনের বাড়িতে হাজির হন বর। খবর পেয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন ঢালী বাল্যবিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেন। তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহায়তা করে নারী সংগঠন ‘নন্দিতা সুরক্ষা’।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ওই কিশোরীর বাড়িতে বিয়ে উপলক্ষে রান্নাবান্না করা হয়। মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার নিয়ে বরযাত্রীরা হাজির হন। পরে প্রশাসন বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয়। তবে অতিথিদের খাইয়ে বিদায় করে দেওয়া হয়।

নারী সংগঠন নন্দিতা সুরক্ষার সভাপতি তাহিয়াতুল জান্নাত জাগো নিউজকে জানান, বাল্যবিয়েসহ কিশোরী ও নারী নির্যাতন দমনের জন্য তাদের একটি হেল্প লাইন আছে। ওই হেল্প লাইনে কিশোরীর বিদ্যালয়ের সহপাঠীরা বিষয়টি জানায়। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিটন ঢালী জাগো নিউজকে বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহায়তায় এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি কিশোরীর বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ের আয়োজন করা হবে না মর্মে অভিভাবকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। বিষয়টি নজরদারিতে রাখতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



জুলাইয়ে সড়কে ঝরেছে ৭৩৯ প্রাণ

প্রকাশিত:Saturday ০৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ১৬ August ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

চলতি বছরের মাঝামাঝিতে এসে গত জুলাই মাসে দেশের সড়কগুলোতে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৬৩২ টি। এরমধ্যে নিহত ৭৩৯ জন এবং আহত দুই হাজার ৪২ জন। নিহতের মধ্যে নারী ১০৫, শিশু ১০৯।

আর এদিকে শুধুমাত্র ২৯৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২৫১ জন, যা মোট নিহতের ৩৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১১৮ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ১৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ১৩৭ জন, অর্থাৎ ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

এই সময়ে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও সাত জন নিখোঁজ রয়েছে। ২৬টি রেলপথ দুর্ঘটনায় (রেলক্রসিং দুর্ঘটনাসহ) ৪১ জন নিহত ও ৩৩ জন আহত হয়েছে।

ঢাকা বিভাগে সবেচেয়ে বেশী ১৯৯টি দুর্ঘটনায় ২২৮ জন নিহত হয়েছে। আর শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকায় ৪১টি দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। শনিবার (৬ আগস্ট) পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানা গেছে। দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা এক হাজার ২১৮টি।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান:

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে, ১৯৯টি দুর্ঘটনায় ২২৮ জন নিহত। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৩১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ৪৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। একক জেলা হিসেবে গাজীপুর জেলায় সবচেয়ে বেশি ৪৪ জন নিহত হয়েছে। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঝালকাঠি, সুনামগঞ্জ ও ঠাকুরগাঁও জেলায়। এই ৩টি জেলায় ১১টি সাধারণ মাত্রার দুর্ঘটনা ঘটলেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

রাজধানী ঢাকায় ৪১টি দুর্ঘটনায় ২৯ জন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছে।


আরও খবর



এক লাখ আট হাজার ৭০ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

সদ্য বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্রসহ জাতীয় সঞ্চয় স্কিমগুলোতে এক লাখ আট হাজার ৭০ কোটি টাকা সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। এ অর্থের বিপরীতে মূল টাকা ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৮ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা।

বিদায়ী অর্থবছর শেষে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৯১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। যা বাজেট ঘাটতি মেটাতে এ খাতের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৬২.২৩ শতাংশ। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

অধিদপ্তরের প্রতিবেদন মতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে একক মাস হিসেবে চলতি বছরের জুনে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। আলোচিত সময়ে মূল ও মুনাফা বাবদ পরিশোধ হয়েছে আট হাজার ৯৬২ কোটি টাকা। এর ফলে জুন মাসে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭৪৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ওই অর্থবছরে এ খাত থেকে সরকার নিট ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল। সে হিসেবে ১২ মাসে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ঋণ এসেছে ৬২.২৩ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানান শর্ত জুড়ে দিয়েছে সরকার। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে সুদহার কমানো হয়েছে। এসব কারণে অনেকে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমিয়েছেন। আবার নতুন অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র কিনতে গ্রাহকের আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। এতে বিক্রি আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চলতি অর্থবছরে (২০২২-২৩) বাজেটে ঘাটতি মেটাতে সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে নতুন অর্থবছরে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে গ্রাহকের আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে ৪২ হাজার কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছিল সরকার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৯ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪৬ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ছিল ৫২ হাজার ৪১৭ কোটি টাকা।


আরও খবর