Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

বন্যার কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএড পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান ২০২০ সালের বিএড (অনার্স) প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টার ও দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্যা পরিস্থিতি অবনতির কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান শুধু ২০২০ সালের বিএড (অনার্স) ১ম বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টার এবং দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।

স্থগিত এই দুটি পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসএসসি-সমমান পরীক্ষা শুরু করা হবে বলে জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে আপাতত সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বাফুফের বিশেষ আয়োজন

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর নতুন এক সূর্য উদিত হবে বাংলাদেশের আকাশে। যে সূর্য সবাইকে ডেকে বলবে-আজ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের নুতন এক দিগন্ত খুলে যাওয়ার দিন। গোটা জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে কখন আসবে সেই ক্ষণ। কখন প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন স্বপ্নের পদ্মা সেতু।

দেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি সেক্টর এই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায়। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় করে রাখতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন রকম অনুষ্ঠান আয়োজন করছে।

এর বাইরে নয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনও (বাফুফে)। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় দেশের ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাটি আয়োজন করছে বিশেষ অনুষ্ঠান।

কী করবে বাফুফে? শনিবার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী যে আয়োজন করা হবে, তা সরাসরি সম্প্রচার হবে। বাফুফে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানটি বড় পর্দায় দেখাবে তাদের ভবনে।

এছাড়া দুপুর দুইটায় বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে নির্বাহী কমিটি ও অন্যান্য কর্মকর্তারা মিলে কেক কেটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উদযাপন করবেন।


আরও খবর



জনশুমারিতে তথ্য দিন, উন্নয়নে অংশ নিন

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

আজ থেকে সপ্তাহব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২। সবশেষ জনশুমারি হয়েছিল ২০১১ সালে। প্রতি ১০ বছর পরপর এমন জনশুমারি হওয়ার কথা।

দেশে প্রথম আদমশুমারি হয়েছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে। স্বাধীনতার পর এটিই প্রথম জনশুমারি। এর পর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও সবশেষ ২০১১ সালে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কোভিড মহামারির কারণে ২০২১ সালে শুমারি হয়নি। ২০২১ সালের ২ থেকে ৮ জানুয়ারি প্রথম জনশুমারির তারিখ নির্ধারণ করা হয়। করোনার জন্য পিছিয়ে ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর ও পরে ২৫ থেকে ৩১ ডিসেম্বর সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ট্যাব কেনাকাটার জটিলতার কারণে আজ ১৫ থেকে আগামী ২১ জুন সময় নির্ধারণ করা হয়।

আদমশুমারি একটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি আরও বেশি প্রয়োজন। আমাদের সম্পদ সীমিত। দেশের আয়তনও কম। সেই সঙ্গে আছে অধিক জনসংখ্যার চাপ। স্বাধীনতার সময় আমাদের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি। আজ তা ১৮ কোটি না ২০ কোটি এটি নিয়ে দ্বিমত আছে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। একটি দেশের উন্নয়ন আপনা-আপনি হয় না। হ্যা, স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় একটি পরিবর্তন তো হয়ই। আজ থেকে ২০ বছর আগের আমার গ্রাম আর আজকের সেই গ্রামের মধ্যে তফাৎ অনেক। পুরনো স্মৃতি মনে পড়লে আজকের সঙ্গে তা মেলানো কঠিন।

সেই শৈশবেই শুনেছিলাম আদম শুমারির কথা। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মানুষ গণনা করা হতো। আদমশুমারি বলতে তখন শুধু বুঝতাম মানুষ গণনা। প্রত্যেক বাড়ির ঘরে ঘরে গিয়ে শুমারিকারীরা মানুষ গণনা করতো। গণনা শেষে ঘরের দরজার চৌকাঠে নম্বর বসিয়ে দিতো চক বা আলকাতরার কালি দিয়ে। কোন কোন বাড়ি শুমারি হয়েছে আর কোন কোন বাড়ি এখনও শুমারি হয়নি তা এখান থেকেই বোঝা যেতো।

এখন সময় বদলেছে। সেই গ্রাম আজ শহর। আমরাতো বলছিই যে, গ্রাম হবে শহর। হয়েছেও তাই। রাজধানীর ভাড়া বাড়ির পার্কিং থেকে গাড়ি চালিয়ে গ্রামের নিজ বাড়ির উঠানো গিয়ে নামা যায়। সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঈর্ষণীয়। শুধু তাই নয়, মানুষের আয়ও বেড়েছে। মানুষ আজ না খেয়ে নাই। স্বাধীনতার পরে হাটিহাটি পা পা করে আমরা এগিয়েছি। রাজনৈতিক বাদানুবাদ আছে, ছিল। কিন্তু এরই মাঝে ধীরে ধীরে আমরা এগিয়েছি। হয়তো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। কিন্তু তাই বলে আমাদের উন্নয়নের যাত্রা থেমে নেই। কতটা এগুতো পারতাম সে প্রশ্ন করাই যায়। ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পানাকে আরও শাণিত করার জন্য এ প্রশ্ন বরং করাই উচিত। কিন্তু কর্ম পরিকল্পনা নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার আগে প্রয়োজন আমার সম্পদ ও সমস্যার একটি খতিয়ান। সেই হিসাব না থাকলে সুষম উন্নয়ন হবে না। হবে না সম্পদের সুষম বন্টন ও সঠিক ব্যবহারও।

আমার কী আছে আর কী নেই সেই হিসাবই যদি না থাকে তবে আমার কী লাগবে সে হিসাব কীভাবে করবো? সহজ কথায় আদম শুমারির এটাই উদ্দেশ্য। একটা সময় শুধু মানুষ গণনা করা হতো। এখন শুমারিতে শুধু মানুষ গণনা করা হয় না। এখন মানুষের পাশাপাশি মানুষের আরও বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হয় যাতে করে এ তথ্য-উপাত্তগুলো কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য সঠিক কর্ম ও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়।

সে কারণ এবারের শুমারিতে প্রশ্নের সংখ্যা কিছু বেশি। এগুলো সবেই প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন। কয়েকটি প্রশ্ন যেমন- বাড়ির উপাদান, ঘরে মোট লোক সংখ্যা, পরিবারের প্রধান পুরুষ না মহিলা, পানীয় জলের মূল উৎস, বাসা টয়লেট, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস বা না, ল্যাপটপ/কম্পিউটার বা না, টেলিফোন/মোবাইল ফোন/ স্মার্টফোন, গাড়ি/ জিপ/ভ্যান, মোবাইন নং ইত্যাদি। এছাড়া চাকরি ও কর্ম সংস্থানের তথ্য, সম্পদ বা আয়ের উৎস ইত্যাদি অপরাপর মৌলিক প্রশ্নগুলোতো থাকবেই। এরকম মোট ৪৫টি প্রশ্ন থাকবে।

সংগৃহীত তথ্যগুলো শুধু আদম শুমারির কাজে ব্যবহার করা যাবে। অন্য কোনোভাবে ও উদ্দেশ্যে প্রদেয় তথ্য ব্যবহার করা যাবে না। এটি নাগরিকের তথ্য ও তথ্যের গোপনীয়তার অধিকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

এবারের জনশুমারিতে প্রায় ৩ লক্ষ ৭০ হাজার গণনাকারী, ৬৪ হাজার সুপারভাইজার ও বিবিএস এর ৪ হাজার ৫০০ এর অধিক কর্মচারী নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও বিবিএস বহির্ভূত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রায় ৯০০ জন কর্মচারীও জোনাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এবারই প্রথম শুমারি হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি। এ লক্ষ্যে একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া Geographical Information System (GIS) পদ্ধতি ব্যবহারপূর্বক গণনা এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের কন্ট্রোল ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব কাজ সঠিকভাবে করার জন্য শুমারিকারীদের আগেই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আশা করি, সবকিছু ঠিকভাবেই সম্পন্ন হবে।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে শুমারি করার জন্য সরকারকে ট্যাব কিনতে হয়েছে। এই ট্যাব কেনা নিয়ে জটিলতার কারণেও যথা সময়ে শুমারি সম্পন্ন করা যায়নি। জটিলতা শেষে ওয়ালটন ৪৪৮ কোটি টাকা দর প্রস্তাব করে ও তাদের কাছ থেকেই ট্যাবগুলো কেনা হয়। ডিজিটাল পদ্ধতিতে শুমারি হচ্ছে এটি একটি ইতিবাচক দিক। তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এতে সহজ হয়। ব্যয়ও কম হওয়ার কথা। তবে, তথ্য-উপাত্ত যাতে সঠিকভাবে সংগৃহীত হয় ও সংরক্ষিত থাকে সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সেই সঙ্গে উপাত্ত বা Data ভাণ্ডারের যাতে কোনো অপব্যবহার না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

জনশুমারিতে তথ্য প্রদান আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। রাষ্ট্রকে সঠিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে তথ্য প্রদান করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ জন্য নাগরিককে কোনো টাকা-পয়সা খরচ করতে হবে না। থানায় বা কোথাও গিয়েও তথ্য দিতে হবে না। তথ্য সংগ্রহকারীরাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে। আমাদের শুধু তথ্য দিতে এগিয়ে আসতে হবে। এ বিষয় নেতিবাচক মনোভাব কাম্য নয়। জনশুমারিতে সকল নাগরিকের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক তথ্য দিতে হবে।

তবে সফল শুমারি পরিচালনার জন্য সরকারের কিছু দায়িত্ব ছিল বলে মনে করি। সরকার গণমাধ্যমে আরও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারতো। বেশিরভাগ লোকই জানে না যে আজ থেকে জনশুমারি শুরু হতে যাচ্ছে। যার জন্য শুমারি, যাকে নিয়ে শুমারি- সেই জনগণকে অন্ধকারে রেখে শুধু প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য শুমারি করা কোনো কাজের কথা নয়। জনগণকে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা যেতো বলে মনে করি।

এছাড়া ভরা বর্ষা মৌসুমে শুমারি করা বাস্তবসম্মত হয়নি বলেই মনে করি। এখন দেশজুড়ে পুরো বর্ষা মৌসুম চলছে। এছাড়া দেশের কয়েকটি অঞ্চলে প্রবল বা মৃদু বন্যাও হচ্ছে। ভোটও হচ্ছে কোথাও কোথাও। তথ্য সংগ্রহে এটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। বর্ষা মৌসুমে শুমারি করতে গিয়ে সরকারকে অতিরিক্ত ৩২ কোটি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। বর্ষার জন্য সাড়ে চার লাখ ছাতা কিনতে হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা। প্রতিটি ছাতা ২৬০ টাকা করে কেনা হয়। ট্যাবের জন্য পানিনিরোধক ব্যাগ কেনায় ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি টাকা। এছাড়া বৃষ্টিতে দুর্গম এলাকায় যেতে স্পিডবোট বা ট্রলারের পেছনেও খরচ আছে। এসবই বর্ষার খরচ।

অতীতেও এদেশে আদম শুমারি হতো। তখন আদম শুমারির উদ্দেশ্য ছিল প্রজা গণনা যাতে প্রজাদের কাছ থেকে ঠিকমতো খাজনা আদায় করা যায়। এছাড়া সেনাবাহিনী ও লস্কর বাহিনীতে লোক নিয়োগ দেয়াও এর উদ্দেশ্য ছিল। শুমারি করলে বোঝা যায় দেশের জনসংখ্যা কমে বা বেড়ে কত দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও জানা যায় শুমারির মাধ্যমে। জন্মমৃত্যুর হার, শিক্ষার হারসহ নানা তথ্য উঠে আসে শুমারি থেকে। শহরে কত লোক বাস করে, গ্রামে কত লোক বাস করে তাও জানা যায়। ভোটার তালিকার বিষয়টি তো রয়েছেই। এছাড়া আগের শুমারির সঙ্গে পরবর্তী শুমারির তুলনামূলক হিসাব করলে আরও অনেক তথ্য বের হয়ে আসে। সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তগুলোর প্রবণতাও এ থেকে বোঝা যায়।

কাজেই, শুমারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এটি দেশ ‍ও জনগণের স্বার্থে পরিচালিত একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এটিকে সফল করা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। তাই সঠিক তথ্য দিয়ে দেশ গড়ায় আমাদের এগিয়ে আসা উচিত।

লেখক: আইনজীবী, কলামিস্ট।


আরও খবর



গ্লাসে ফেনসিডিল ঢেলে দিচ্ছেন স্ত্রী, টাকা হাতে ইউপি মেম্বার

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৬৩জন দেখেছেন
Image

ইউপি মেম্বারের বাড়িতে মাদকের আসর। ক্রেতার গ্লাসে ফেনসিডিল ঢেলে দিচ্ছেন মেম্বারের স্ত্রী। টাকা নিয়ে দেনদরবারও চলছে। এমনই একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওই ইউপি মেম্বারের নাম বাদশা মিয়া। তিনি লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত। তিনি উপজেলার মালগাড়া গ্রামের মৃত ফজলের রহমানের ছেলে।

রোববার (১২ জুন) রাতে ইউপি মেম্বারের স্ত্রীর গ্লাসে ফেনসিডিল ঢেলে দেওয়ার ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

এ ঘটনায় বাদশা মিয়ার ছেলে শাহিন আলমকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসূল জাগো নিউজকে জানান, ইউপি মেম্বারের স্ত্রীর স্বপ্না বেগমকে (৩৫) এক বাড়িতে ঘিরে রাখা হয়েছে। নারী পুলিশ দিয়ে রাতেই গ্রেফতার করা হবে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ইউপি মেম্বারের স্ত্রী স্বপ্না বেগম ২০ টাকা কম পাওয়ায় এক ব্যক্তির সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। তখন ওই ব্যক্তি বলেন, এখানে প্রশাসন আসে না? স্বপ্না বেগম বলেন, এটা মেম্বারের বাড়ি। এখানে প্রশাসন ক্ষমতা রাখে না। ম্যাজিস্ট্রেট হলে সমস্যা থাকে।

স্বপ্না বেগমকে আরও বলতে শোনা যায়, আজ দাম বাড়ানোর জন্য ৫০০ মাল ফেরত দিয়েছি। যেখানে কম পাবেন, সেখানে গিয়ে খান। এখানে আসছেন কেন? ইনটেক খান, খোলা খাবেন কেন? তখন ওই ব্যক্তি বলেন, সবসময় ইউপি মেম্বারের বাড়িতে আসি। এখানে নিরাপত্তা বেশি। সেজন্য আসি। এটাকে দুর্বল ভাবেন কেন?

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ফেনসিডিলের টাকা সরাসরি ইউপি মেম্বার বাদশা মিয়ার হাতে দেওয়ার সময় তার স্ত্রীর খারাপ আচরণের বর্ণনা দেন এক ওই ক্রেতা। যা শুনে বাদশা তার স্ত্রীকে শাসন করেন। বলেন, ২০ টাকার জন্য তোকে এ কথা বলতে হবে কেন?

স্থানীয়রা জানান, কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়ন সীমান্তের নিকটবর্তী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসায় জড়িত বাদশা মিয়া। এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে গোড়ল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর ফের মাদক ব্যবসা শুরু করেছেন। রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানের লোকজন বাদশার বাড়িতে ফেনসিডিল খেতে আসেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক প্রতিবেশী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউপি মেম্বার বাদশা মাদক ব্যবসা করে আসছেন। তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ কিছু বলেন না। বললে মামলা-হামলার ভয় দেখান। এমনকী বড় ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও তার সখ্য রয়েছে। প্রতিদিন বিকেল হলেই দামি গাড়িতে করে অনেকেই তার বাড়িতে আসেন মদপান করতে।

এসব বিষয়ে জানতে গোড়ল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার বাদশা মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

গোড়ল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আমিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ওই ইউপি মেম্বার নির্বাচনের আগে মাদক মামলায় স্ত্রীসহ কারাগারে গিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কি না তা আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এই ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে আমি জেনেছি। এ ঘটনায় আজ সোমবার তার ছেলেকে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়।’

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম গোলাম রসুল জাগো নিউজকে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা যত বড় হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় ইউপি মেম্বারের ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।


আরও খবর



সিনিয়র অফিসার পদে চাকরি দেবে ব্র্যাক

প্রকাশিত:Thursday ০৯ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক লিমিটেডে ‘সিনিয়র অফিসার/অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক লিমিটেড
বিভাগের নাম: রিক্রুইটমেন্ট, এইচসিএমপি

পদের নাম: সিনিয়র অফিসার/আসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০২ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: কক্সবাজার (কক্সবাজার সদর)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs2.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৬ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইন নর্থ সাইপ্রাসের কমিটি ঘোষণা

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

ইউরোপের পূর্ব ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ দেশ নর্থ সাইপ্রাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইন নর্থ সাইপ্রাসের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় আলসাঞ্জেকের গিরনে কনফারেন্স হল রিভারসাইড হোটেলে এ কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত এ কমিটিতে সালেহ আহমেদকে প্রধান উপদেষ্টা, মিনাজ উদ্দিনকে সিনিয়র উপদেষ্টা, আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সভাপতি ও আরাফাতুল হককে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে।

আংশিক এই কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানিয়েছেন, পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। তারা বলেন, নর্থ সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির সামনে পড়তে হয়, যেগুলো সংগঠন থাকলে ঐক্যবদ্ধভাবে সমাধান করা সম্ভব।

এ সময় কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কাজ করার অঙ্গীকার করেন। এর মধ্যে রয়েছে- নর্থ সাইপ্রাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের বাসস্থানের ব্যাপারে সহায়তা করা, পড়ালেখা করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মেরিটের ভিত্তিতে স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে দেওয়া, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যারা সঠিক তথ্যের অভাবে ভিসা জটিলতায় পড়েন, তাদের গাইডলাইন করা এবং বিনা খরচে তাদের ভিসা জটিলতা দূর করতে সহায়তা করা।

এছাড়া প্রতি বছর একাডেমিক প্রকাশনা ও ফলাফলের ভিত্তিতে ‘বেস্ট স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেওয়া, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক আলোচনার ব্যবস্থা করা, নিবন্ধিত সংগঠন হিসেবে অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনা পর্ষদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে সহজেই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করা এবং নর্থ সাইপ্রাসে প্রবেশকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অবৈধ উপায় অবলম্বনে নিরুৎসাহিত করাসহ অন্যান্য কাজ করবে এই কমিটি।

কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন বর্তমানে সাইপ্রাস ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাতুল হক সাইপ্রাস সাইন্স ইউনিভার্সিটিতে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছেন।

এছাড়াও কমিটিতে সহসভাপতি পদে সাইদ আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রাইসা ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আল আমিন মামুন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক পদে আহসান জাহিদ, প্রচার সম্পাদক পদে সাইদুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে, ২০০০ সালে নর্থ সাইপ্রাসে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন মিনাজ উদ্দিন। তিনি ২০০৫ সালে জার্মান চলে যাবার পর দীর্ঘদিন সংগঠনটির কাজ বন্ধ থাকে। পরে ২০১৮ সালে মিনাজ আবারও সাইপ্রাস ফিরে এলে তার সম্মতিতে সালেহ আহমেদ সংগঠনটি ফের চালু করেন।


আরও খবর