Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ২১৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতারা।
আজ শুক্রবার সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান দলের নেতাকর্মীরা। সংগঠনের সভাপতি বেনজীর আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের নেতৃত্বে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহবুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ফজলুল হক, কাজী শওকত হোসেন, মিজানুর রহমান, যুগ্ম

সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সিরাজ উদ্দিন সিরাজ, ফখরুল আলম সমর, সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমা আক্তার লাবণ্য প্রমুখ।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদ বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগামী নির্বাচনে ঢাকা জেলার প্রতিটি আসন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে উপহার দেব। নির্বাচনে দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আমাদের ঢাকা জেলার প্রতিটি নেতাকর্মী সেই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ বলেন, ‘ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ বরাবরই শক্তিশালী। আমরা আরও বেশি শক্তিশালী করার চেষ্টায় আছি। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। জ্বালাও-পোড়াও করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। বাংলার জনগণ শেখ হাসিনার প্রতি আস্থাশীল। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকবে।’

গত বছর ২৯ অক্টোবর শেরেবাংলা নগরে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নতুন কমিটির সভাপতি বেনজীর আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে পনিরুজ্জামান তরুণের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনের ৯ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়।


আরও খবর



নওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদে এসব কি হচ্ছে!

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মহাদেবপুরে আত্রাই নদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের পক্ষপাতিত্ব, স্বজনপ্রীতি, দূর্নীতি আর সীমাহীন অনিয়মে এসব প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। কয়েকশ’ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব প্রকল্প স্থানীয়দের সুবিধার পরিবর্তে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব প্রকল্প জনগণের কোনই কাজে আসছে না।

প্রকল্পগুলো কেন ও কার স্বার্থে নেয়া হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, প্রকল্পের শত কোটি টাকা পানিতে গচ্ছা গেছে।

জেলার ধামইরহাট, পত্নীতলা ও মহাদেবপুর  উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রাই নদের ড্রেজিং, বাঁধ সংস্কার ও তীর প্রতিরক্ষার তিনটি প্রকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ড একশ’ ৮৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। শতকরা ১০ ভাগ কম মূল্যে টেন্ডারে এটির ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ১ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে গতবছর ৩০ জুন শেষ হবার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হলেও এখনও এর কাজ শেষ করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় ধামইরহাট উপজেলার শিমুলতলী থেকে মহাদেবপুর উপজেলার কালনা ব্রীজ পর্যন্ত মোট ২৭ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং করা হয়। ড্রেজিংয়ের ফলে নদের ডুবোচর বিলুপ্ত, নদেরভাঙন থেকে রক্ষা, নদের গতিপথ পরিবর্তন বন্ধ হওয়া সংক্রান্ত ভাঙন রোধ, নদের পানিধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, নাব্যতা বৃদ্ধি, কৃষি সেঁচের আওতা বাড়া, পানি ডিসচার্জ ক্যাপাসিটি বাড়া, এলাকার পানি নিস্কাষন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হওয়ার মধ্য দিয়ে সাগর বিপ্লব সংঘটিত হওয়া প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল।কিন্তু প্রকল্পের কাজ এতই নিম্নমানের করা হয়েছে যে, এসব কোনটিরই বাস্তবায়ন করা  হয়নি। ড্রেজিং কাজ নামমাত্র করায় নদের পানি প্রবাহ বাড়েনি। বরং এই নদ এখনও আগের মতই শুকিয়ে রয়েছে। শুষ্ক মওসুমে পুরো নদ জুড়ে পানির বদলে বালি আর মাটি দেখা যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ এটি একটি লোক দেখানো টাকা লোপাটের প্রকল্প। প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থ কাজ না করেই আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে তাদের মন্তব্য।

এ প্রকল্পে ২৫ কিলোমিটার নদের পশ্চিম তীরের বাঁধ পূণঃআকৃতিকরণ (রিসেকশন) করার কথা। এতে বর্তমান অবস্থা থেকে বাঁধ দেড় মিটার উঁচু ও ৫ মিটার চওড়া হবে। মহাদেবপুর এলাকায় এ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার প্রকল্পে যেকোন বৈধ স্থান থেকে মাটি এনে দিতে বাধ্য থাকলেও একের পর এক অবৈধ স্থান থেকে মাটি এনে এখানে দেওয়া হয়েছে। প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে মাঠের পর মাঠ ফসলি জমি থেকে উর্বর টপ সয়েল কেটে এনে এ প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে। ফসলি জমি নষ্ট করে বেআইনীভাবে শতাধিক পুকুর খনন করে সেই মাটি পরিবহণ করে এ প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে। দূর থেকে খোলা ট্রাক্টরে করে মাটি পরিবহণ করায় পাকা রাস্তায় মাটি পড়ে কাদায় সয়লাব হয়েছে। শুষ্ক মওসুমে পুরো এলাকা ধুলোময় হয়েছে। মানুষ স্বাভাবিক চলাচল ও জীবন ধারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। এমনকি এই প্রকল্পে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারিরা প্রকাশ্যে নদীতে ভেক্যু মেশিন বসিয়ে মাটি চুরি করে বাঁধে দিয়েছে। এভাবে বেআইনীভাবে ঠিকাদারকে সহযোগিতা করে বিশাল অংকের অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বাঁধে বালুকা মাটি না দিয়ে লাল এঁটেল মাটি দেওয়ায় বর্ষার সময় পুরো বাঁধ কর্দমাক্ত হয়ে থাকে। ফলে বাঁধের উপর দিয়ে কোন যানবাহন বা মানুষ চলাচল করতে পারে না। বাঁধের আশেপাশের মানুষ এ সময় বাড়িতে একরকম বন্দি অবস্থায় থাকেন। 

এ বাঁধ পূণঃআকৃতিকরণে বাঁধসংলগ্ন লক্ষাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। অনেক জায়গায় ব্যক্তি মালিকানার গাছও কেটে সাবাড় করা হয়েছে। ফলে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পরিবর্তে প্রকৃতির মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়েছে। বেশিরভাগ জায়গায় বাঁধ সম্প্রসারণে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি। ফলে স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।এ বাঁধ নিয়ে সবচেয়ে নেতিবাচক যে প্রচারটা হচ্ছে তা হলো, নদের পশ্চিম তীরে দুই যুগ আগে বিশ্ববাঁধ নির্মাণ করা হয়। এর উপর দিয়ে আবার নতুন করে বাঁধ নির্মাণের কোন প্রয়োজন ছিল না বলে স্থানীয়রা মনে করেন।মহাদেবপুরে সর্বশেষ বন্যা হয়েছে ১৯৯৬ সালে। গত ২৮ বছরে এ উপজেলায় কোন বন্যা হয়নি। বরং বছরের পর বছর ধরে পানির প্রবাহ না থাকায় এ নদ।একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদে যেখানে পানিই নেই, সেখানে শতকোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ সম্প্রসারণ কার জন্য তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।এছাড়া নদের তীর প্রতিরক্ষায় বাঁধের ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সিসি ব্লক ফেলার কাজও করা হচ্ছে। এখানেও নিম্নমানের ব্লক তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে।

জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ফইজুর রহমান অবৈধভাবে ঠিকাদারকে সহযোগিতার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, নদ থেকে মাটি বাঁধে যায়নি।

মহাদেবপুরে আত্রাই নদের ভাটি অংকে কোন বালু না থাকায় এবার প্রথম পর্যায়ে এ অংশের ডাক দেওয়া হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে মাটি ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভাটি অংশের শুধুমাত্র মহাদেবপুর ও দারিয়াপুর মৌজার বালুমহাল ১৬ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়। মহাদেবপুর মৌজায় পাশাপাশি একটি ঢালাই ব্রীজ ও একটি বেইলী ব্রীজ রয়েছে। এর এক কিলোমিটার পরেই অন্য মৌজা। এ ছাড়া দরিয়াপুর মৌজার এক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে শিবগঞ্জ খেয়াঘাটে নির্মিত হচ্ছে আরো একটি ঢালাই ব্রীজ। এসব ব্রীজের এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলনের জন্য কিভাবে ইজারা দেওয়া হলো তা নিয়ে স্থানীয়দের হাজারো প্রশ্ন। বালু না থাকায় ইজারাদার নদের  মধ্যে সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে বাঁধ দিয়ে বাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে ভেক্যু মেশিন দিয়ে গভীর গর্ত করে লাল মাটি তুলে বিক্রি করছে। ফলে একদিকে বিস্তর টাকা খরচ করে বাঁধ সংস্কার করা হচ্ছে, অন্যদিকে মাটি কেটে ও বাঁধের উপর দিয়ে মাটি পরিবহণ করে বাঁধকে হুমকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে।জানতে চাইলে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা জানান, বালুমহাল ইজারা নিয়ে কোনক্রমেই মাটি কাটা যাবেনা। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নির্দিষ্ট দূরত্বে না হলে বালুও তোলা যাবেনা বলেও তিনি সাংবাদিকদের জানান।

২০১৮ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর মহাদেবপুরে আত্রাই নদের হাতুড় ইউনিয়নের কালনা ঘাট ও উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের শিবগঞ্জ ঘাটে দুটি ব্রীজ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়। এজন্য বরাদ্দ করা হয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আত্রাই নদের মহিষবাথান ঘাটে একটি ব্রীজ নির্মাণের। এখানে ঐতিহ্যবাহী হাট, প্রতিদিনের বাজার, স্কুল, মাদরাসা, ব্যাংক, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি রয়েছে। কিন্তু সিংহভাগ জনতার দাবি উপেক্ষা করে সেসময় এখানে ব্রীজটি নির্মাণ না করে এখান থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে একটি ফাঁকা জায়গায় কালনা ঘাটে এটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর কারণ হিসেবে জানা যায়, মহিষবাথান হাটের কাছাকাছি বালুর পয়েন্ট ছিল। এখানে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে নদের ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলনের ফলে একশ’ ফুটের বেশি গভীর খাদে পরিণত হয়েছিল। ওই বালুর পয়েন্ট ঠিক রাখতে ব্রীজ নির্মাণের স্থান একটি জনমানবহীন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। মহিষবাথান হাট এলাকায় আত্রাই নদের সাথে মহাদেবপুর-পত্নীতলা পাকা সড়ক ও মহাদেবপুর-সরাইগাছী পাকা সড়কের সংযোগ সড়কও রয়েছে। কিন্তু কালনা ঘাটে কোন সংযোগ সড়ক নেই। জনতার স্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়ে কার স্বার্থে ব্রীজটি কালনা ঘাটে নির্মাণ করা হচ্ছে তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

এ ব্রীজটি নির্মাণের সময় এর দৈর্ঘ্য ধরা হয় ৩৫০ মিটার। ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের এমপি ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। কিন্তু কাজ শুরু হবার কিছুদিন পর জানা যায়, এস্টিমেট ভূল হয়েছে। তখন কাজ বন্ধ রেখে নতুন করে এস্টিমেট করা হয়। নতুন এস্টিমেটে এটির দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় মাত্র ২৬২ মিটার। তিন বছর এর নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকার পর ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি এর কাজ আবার শুরু করা হয়। গতবছর ১০ জুলাই নির্মাণ কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও আজও এটির ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়নি। শিবগঞ্জ ঘাটের ব্রীজটিরও একই অবস্থা। বিষয়টি জানতে তদানিন্তন উপজেলা প্রকৌশলী সৈকত দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রথমে এই নদীকে ‘‘ক’’ শ্রেণির হিসেবে গণ্য করে হাই ফ্লাড লেভেল থেকে ৮ মিটার উঁচুতে ব্রীজের পাটাতন বসানোর প্ল্যান করা হয়েছিল জন্য ব্রীজের দৈর্ঘ্য বেশি হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানতে পারেন যে, এই নদী ‘‘ক’’ শ্রেণির নয়, বরং ‘‘খ’’ শ্রেণির। তাই হাই ফ্লাড লেভেলের ৫ মিটার উঁচুতে পাটাতন বসানোর এস্টিমেট করা হয়। এতে ব্রীজের দৈর্ঘ্য কমে আসে। ব্রীজ দুটির ডিজাইন সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীরা করেছিলেন বলেও তিনি জানান। তবে যারা এই ভূল কাজটি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা তা তিনি জানাতে পারেননি।

ভূল ডিজাইন করে বেশি এস্টিমেট দেখিয়ে ওই প্রকৌশলীরা কার স্বার্থ রক্ষা করেছিলেন তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই ব্রীজ দুটি নির্মাণে এত বেশি সময় লাগাতে স্থানীয়দের দূর্ভোগের দায় কে নেবে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

এছাড়া এই নদে প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে উপজেলার সবরকমের ময়লা আবর্জনা, হাঁস-মুরগি, মাছ, গরু খাসির নারীভুড়ি ও উচ্ছিষ্ট। ফলে নদী দুষণ বাড়ছে। এনিয়ে একাধিকবার উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা ও সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচনা করা হলেও নদীতে ময়লা ফেলা বন্ধ হয়নি।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার নিয়ে অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টের রুল

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিদ্যুতের বিল আদায় স্বচ্ছতা, অতিরিক্ত চার্জের রিফান্ডসহ এ-সংক্রান্ত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মাসুদ হোসেন দোলন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ৬ জুন জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুতের বিল ব্যবস্থা পর্যালোচনা এবং নিরীক্ষা, স্বচ্ছতা, অতিরিক্ত চার্জের রিফান্ড, গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নীতি সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাইফুল্লাহ মামুন, জামিউল হক ফয়সাল ও আব্দুল্লাহ আল হাদী।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সচিব, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ডেসকো, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি ও ডিপিডিসির কর্তৃপক্ষকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়, বাংলাদেশে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার চালু করা হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সব বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীকে এর আওতায় আনা হবে বলে ঘোষণা রয়েছে। এরপরও গ্রাহকরা অতিরিক্ত চার্জ, গোপন চার্জ, স্বচ্ছতার অভাবসহ নানাভাবে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।


আরও খবর



শাহবাগ থানা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শাহবাগ থানা স্থানান্তর করা হবে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্প এলাকার অভ্যন্তর থেকে। স্থানান্তর করে এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর পাশে নেওয়া হবে।

সোমবার (৩ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ (তৃতীয় পর্যায়) (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প এলাকার অভ্যন্তর থেকে শাহবাগ থানা স্থানান্তরের বিষয়টি মন্ত্রিসভার নির্দেশনার জন্য বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে মন্ত্রিসভা এ সিদ্ধান্ত দেয়।


আরও খবর



ফুলবাড়ী পৌরসভার ড্রেনের পানিতে বাড়ীঘর ঝুকি পূর্ণ

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭২জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভা এলাকার পশ্চিম গৌরীপাড়া গ্রামে বর্ষাকালে ড্রেনের পানির স্রোতে, ড্রেনের মুখে থাকা বাড়ীঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে। ফুলবাড়ী পৌরসভা কর্তৃক জাইকা প্রকল্পের আওতায় পৌরসভা থেকে প্রায় ১ হাজার ফিট পাকা ড্রেন নির্মাণ হয়ে নিমতলা মোড় হয়ে ফুলবাড়ী উর্বসী সিনেমা হল এর উত্তর দিক হয়ে যমুনা নদীর মুখে গিয়ে শেষ হয়। ড্রেনটি নির্মাণ করার পর বিভিন্ন বাসা বাড়ীর পাইপ লাইন সংযোগ ড্রেনে দেওয়া হয়। এমনকি লিং ড্রেন গুলিও মুল ড্রেনে সংযোজন করা হয়। ফলে বর্ষা কাল এলে এই ড্রেন দিয়ে তীব্র বেগে পানি প্রবাহিত হয়। এই কারণে ড্রেনের মূখে থাকা ঘর বাড়ীগুলি ভেঙ্গে পড়ছে। ড্রেনের সঙ্গে থাকা বাড়ীর মালিক মোঃ ইব্রাহীম, মোঃ কাদের , মোঃ মমিনুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল, মোঃ গোলজার ও দুখুমিয়ার বাড়ী রয়েছে। এই বাড়ীগুলি ঝুকির মধ্যে রয়েছে। এরা গরিব মানুষ এখানে বাড়ীঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। তাদের এই বাড়ীঘর গুলি ড্রেনে ভেঙ্গে পড়লে তারা সর্বশান্ত হয়ে পড়বে। মোঃ মমিনুল ইসলাম জানান, বর্ষার আগে ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মোঃ মামুনুর রশিদ মামুন কে বিষয়টি অবগত করি এবং কয়েকবার পৌর সভায় গিয়ে পৌর চেয়ারম্যান কেও বিষয়টি মৌখিকভাবে অবগত করি।  

ফুলবাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মাহমুদ আলম লিটন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি ইতিপূর্বেও অবগত হয়েছি, সরেজমিনে গিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ফুলবাড়ী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মোঃ মামুনুর রশিদ মামুন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আগামী মাসিক মিটিং এ বিষয়টি তুলে ধরা হবে। আসলে এই জায়গাটি ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবস্থা না নিলে ড্রেন সংলগ্ন বাড়ীগুলি রক্ষা করা সম্ভব নয়। 

এ ব্যাপারে ভূক্তভূগিরা জরুরীভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কর্তৃপক্ষের অসু-হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আমাদের নতুন সময় পত্রিকার এমিরেটাস সম্পাদক এবং আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার সাবেক সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর নতুন প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ।বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপন বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) সরকারের সচিব পদমর্যাদা ও ৭৮ হাজার টাকা নির্ধারিত বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদিসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত অনুমোদিত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও এতে জানানো হয়।

এর আগে, গত ২৮ মে নাঈমুল ইসলাম খানের নিয়োগের সারসংক্ষেপ অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত অনুমোদনের পর তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় আদেশ জারি করেছে মন্ত্রণালয়।

গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমের মৃত্যুর পর থেকেই এই পদটি শূন্য ছিল। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নাঈমুল ইসলাম খানের নিয়োগ চূড়ান্ত হলো।

উল্লেখ্য, নাঈমুল ইসলাম খানকে নতুন ধারার সাংবাদিকতা শুরুর ক্ষেত্রে পথিকৃৎ মনে করা হয়। বিশেষ করে ইত্তেফাক ও সংবাদ যুগের পর আজকের কাগজের মাধ্যমে বাংলাদেশে সাংবাদিকতার যে নতুন বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল, সেই বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি। ভোরের কাগজের সম্পাদক থেকে পদত্যাগ করার পর তিনি আমাদের সময় পত্রিকাটি চালু করেন। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পত্রিকাটি দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

নাঈমুল ইসলাম খান ১৯৫৮ সালের ২১ জানুয়ারি কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা নুরুল ইসলাম খান ছিলেন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী। মা নূরুন নাহার খানের ৬ সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৭ সালে তিনি সাংবাদিকতা ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে ঢাকা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন।


আরও খবর