Logo
আজঃ রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল: মাঠে বসে ফাইনাল দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ২২৫জন দেখেছেন

Image

 স্পোর্টস ডেস্ক ;প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ফাইনাল খেলাগুলো দেখবেন এবং খেলোয়াড়দের পুরস্কার প্রদান করবেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই।’

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিশুদের খেলাধুলায় আকৃষ্ট করার জন্য প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করে দিচ্ছি। সেই সঙ্গে আন্তবিদ্যালয় থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করছি।’

‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২’ এবং ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২২’ এর অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইলের নলমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অন্যদিকে, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে পরস্পরের মুখোমুখি হবে রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার বিনোদপুর কলেজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার পূর্ব পঞ্চপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।


আরও খবর



তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা আয়োজন করা হয়।


মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. হারুনুর রশীদ মোল্লাহ্। এ সময় কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ও সিবিএ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


এছাড়া তিতাস গ্যাস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।



আরও খবর



জিম্মি নাবিকরা জাহাজে ঈদের নামাজ আদায় করলেন

প্রকাশিত:বুধবার ১০ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা জাহাজে ঈদের নামাজ আদায় করলেন।

বুধবার (১০ এপ্রিল) বিভিন্ন দেশের মতো সোমালিয়ায় ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য এদিন নাবিকদের জাহাজের ডকে যাওয়ার সুযোগ দেয় দস্যুরা। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে নাবিকদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয় বলেও জানা গেছে।

নামাজের পরে তারা কোলাকুলি করেন, পরস্পরের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এবং একসঙ্গে ছবিও তোলেন। ছবিটি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে।


আরও খবর



ব্রিটিশ কাউন্সিল ও এইচএসবিসি’র আয়োজনে ‘ইংলিশ অ্যান্ড ডিজিটাল ফর গার্লস ১শ’ কিশোরীকে স্বীকৃতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ফুলার রোড মিলনায়তনে সম্প্রতি এজ (ইংলিশ অ্যান্ড ডিজিটাল ফর গার্লস এডুকেশন) প্রোগ্রাম সম্পন্নকারীদের নিয়ে একটি গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্রিটিশ কাউন্সিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এজ প্রোগ্রাম সফলভাবে শেষ করা ১শ’ জন কিশোরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান, এমপি। এছাড়া, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর ম্যাট ক্যানেল, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী মো. মাহবুব উর রহমান, বাংলাদেশ ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রোগ্রামস ডিরেক্টর ডেভিড নক্স এবং স্পৃহা বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ও ডিনেট সহ অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে আশঙ্কাজনকভাবে লিঙ্গ-অসমতার বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের ক্ষেত্রে এসব জনগোষ্ঠীর মেয়েরা নানান বাধার শিকার হচ্ছেন; ইংরেজি বা ডিজিটাল স্বাক্ষরতার মতো প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অপ্রতুল সুযোগ পাচ্ছেন তারা। শিক্ষাখাতে লিঙ্গবৈষম্যের এই বিষয়টিকে চিহ্নিত করে ব্রিটিশ কাউন্সিল বিভিন্ন অংশীদারের সহযোগিতায় ১২ বছর ধরে বাংলাদেশে এজ প্রোগ্রামটি বাস্তবায়ন করে আসছে।

এইচএসবিসি এবং স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা স্পৃহা বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ও ডিনেটের সহযোগিতায় এজ প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ২৬’শ চল্লিশ জন কিশোরীর কাছে পৌঁছায় ব্রিটিশ কাউন্সিল। গত দুই বছরে ২২০ জন পিয়ার গ্রুপ লিডারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যারা ১১০টি গার্লস ক্লাবের ২,৪২০ জন কিশোরী মেয়েকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

এজ প্রোগ্রাম শেষ করা কিশোরীদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান, এমপি বলেন, “আপনাদের আত্মবিশ্বাস আমাকে উদ্দীপিত করেছে; আমি আপনাদের জন্য গর্বিত। আমার পরামর্শ হচ্ছে, আপনারা আপনাদের শিকড় ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে ভুলে যাবেন না।” প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণীদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে এজের মতো কর্মসূচি নিয়ে কাজ করার জন্য তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল ও এইচএসবিসি -কে ধন্যবাদ জানান।

এ বিষয়ে বাংলাদেশস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর ম্যাট ক্যানেল বলেন, “সকল মেয়েদের জন্য ১২ বছরের মানসম্মত শিক্ষা, শিক্ষায় অর্থায়ন এবং মৌলিক শিক্ষাগ্রহণ অর্থাৎ দক্ষতার উন্নয়নে বিনিয়োগের ওপর বর্তমানে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করছে ব্রিটিশ হাই কমিশন। বাংলাদেশে মেয়েদের শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের সামগ্রিক কার্যক্রমের উল্লেখযোগ্য অংশ এই এজ প্রোগ্রাম; একইসাথে, এটি মেয়েদের শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী সরকারি ও

বেসরকারি খাতগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার চমৎকার একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে।” বাংলাদেশ ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিরেক্টর প্রোগ্রামস ডেভিড নক্স বলেন “এইচএসবিসি’র সাথে সফল অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এবং স্থানীয় অংশীদারদের সহযোগিতায় আমরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ২৬’শ চল্লিশ জন কিশোরীর কাছে পৌঁছাতে পেরেছি। আন্তর্জাতিক সহযোগী, সরকার ও বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানের সাথে

কাজ করার আরও অনেক সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং এই প্রোগ্রামগুলোকে আরও টেকসই ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যেআমরা এ ধরনের সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে আগ্রহী।” এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, “আজকের বিশ্বায়ন ও ডিজিটাল যুগে

আমরা মেয়েদের ইংরেজি দক্ষতা, ডিজিটাল স্বাক্ষরতা, সামাজিক সচেতনতা ও উদ্যোগ গ্রহণের সক্ষমতার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাই। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা শিক্ষার পরিবর্তনশীল সক্ষমতার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী। ফলে, আমরা মেয়েদের ক্ষমতায়ন ও তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্যের পথকে সুগম করতে এ ধরনের প্রোগ্রামে আরও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

অনুষ্ঠানে ২শ’ বিশ জন পিয়ার গ্রুপ লিডারের (পিজিএল) মধ্যে ঢাকাভিত্তিক ১শ’ জন এজ ক্লাবের সদস্য সনদ ও ক্রেস্ট গ্রহণ করেন। বাকি ১শ’ বিশ জন পিজিএল ও ২৪’শ বিশ ক্লাব সদস্যকে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হবে।


আরও খবর



উন্নয়ন প্রকল্প কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্নের জন্য তাগিদ দেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | ১৬২জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রী  কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি পার্বত্য চট্টগ্রামে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প কাজ ও স্কিমসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের জোর তাগিদ দেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তুলনা দিয়ে বলেন, সচিব এর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের কাজগুলো অত্যন্ত সূচারুরূপে পদ্ধতিগতভাবে সম্পন্ন করে থাকেন। তিন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র উন্নয়ন সভায় উপস্থিত থাকলেই চলবে না, মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকলকে যখন তখন মন্ত্রণালয়ে আসতে হবে। সকল কাজের তদারকি, পরামর্শ গ্রহণ ও দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার কৌশলগুলো জানতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪মার্চ) রাজধানীর বেইলী রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় ও এর অন্তর্ভুক্ত দপ্তরসমূহের উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করলে এলাকার মানুষের জন্য সুফল বয়ে আসবে। তিনি বলেন, আমাদের চিন্তা, চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হতে পারে, কিন্তু দেশ আমাদের- দেশের মানুষ আমাদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরির্বতন করে যাচ্ছেন। দেশের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। আমাদের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়নের যে ধারা,  সে ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের সকলকে অধিকতর দায়িত্বশীল থেকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদকে সচল হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহরে বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাস্তবায়না ধীন এডিপিভুক্ত প্রকল্প ও স্কিমসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বরাদ্দ এবং অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নতুন স্কিম গ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট এন্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট ইন দ্য চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষকদের দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প, কফি ও কাজুবাদাম চাষের মাধ্যমে দারিদ্র্যহ্রাসকরণ প্রকল্প, সুগারক্রপ চাষাবাদ জোরদারকরণ প্রকল্প, পার্বত্য অঞ্চলে পল্লী সড়ক নির্মাণ প্রকল্প, জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য মাস্টার ড্রেইন নির্মাণ ইত্যাদি প্রকল্পসমূহের উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব মো. হুজুর আলী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর-রশীদ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপুসহ পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



বাকেরগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত রানাসহ ৩ জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image
বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:বরিশালের বাকেরগঞ্জে ওসি আফজালের তৎপরতায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত রানাসহ ৩ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন মোঃ রানা খান (২৬), মোঃ সোহেল খান (২৮) ও মোঃ সাব্বির খান (২২)।

সোমবার দিবাগত রাত ১.১৫ টার সময় উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের পশ্চিম শ্যামপুর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সেখান থেকে তাদের আটক করা হয়।

বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আফজাল হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১.১৫ টার দিকে রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের পশ্চিম শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়ে থাকা ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে ৩ ডাকাতে আটক করে। পুলিশের অভিযান টের পেয়ে পেশাদার ডাকাত কবির চৌকিদারসহ কয়েকজন পালিয়ে যায়। 

আটককৃত ডাকাতরা হলেন উপজেলার কবাই ইউনিয়নের বাসিন্দা নুর ইসালম খানের পুত্র সোহেল খান (২৮), একই উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠী গ্রামের আঃ রাজ্জাক খানের পুত্র রানা খান (২৬) ও মামুন খানের পুত্র সাব্বির খান (২২)।

তাদের কাছ থেকে একটি ছেনা, দুইটি স্কুড্রাইভার, একটি কাটার, একটি ছুরিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও দুইটি মোবাইল উদ্ধার করে জব্দ করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, গরু চুরি, হত্যা ও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।

আরও খবর