Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

বঙ্গবন্ধু ও বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র এবং আজকের প্রযুক্তি

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১১৩জন দেখেছেন
Image

১৪ জুন বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধনের ৪৭ বছরপূর্ণ হলো। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতিতে বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়– এই তিন দেশপ্রেমিকের অবদান সবচেয়ে বেশি। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় যে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন তারই পথপরিক্রমায় শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের যোগাযোগ মাধ্যমকে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করিয়ে দিয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয় এদেশকে ডিজিটাল সংস্কৃতিতে উত্তীর্ণ করার সব প্রক্রিয়া দেখিয়ে ও পরামর্শ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিপ্লব সাধন করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে। এর মাধ্যমে মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ থাকা দেশগুলোর তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশের নাম। এর আগে বিশ্বের ৫৬টি দেশ মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে। তবে বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু।

১৯৭৫ সালের ১৪ জুন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজ হাতে উদ্বোধন করেছিলেন বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি। গ্রীষ্মের গরমে কিন্তু প্রকৃতির সুশীতল স্নিগ্ধ ছায়াময় বাগানে বসেই বঙ্গবন্ধু চা-পান করেছিলেন। অদূরে শুয়ে থাকা একটি কুকুরকে দেখে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘তুইও আমার মতো ভুখা? হাতের বিস্কুট ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘নে খা’। সেসময় চারপাশে ছিল ছোট ছোট পাহাড়। জনমানবহীন পাহাড়গুলো ছিল সবুজের গালিচা।

১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেলা ১১টায় বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রের প্রথম গেটে একটি হাতি বঙ্গবন্ধুকে অভ্যর্থনা জানায় এবং তাকে ফুলের মালা পরিয়ে দেয়। তিনি খুব খুশি হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি আজ আবার গুরুত্ব পেয়ে দেশ-বিদেশে পরিচিতি পাচ্ছে। বেতবুনিয়া কেন্দ্র শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত। দেশে সাবমেরিন ক্যাবল যুক্ত হওয়ায় এর ব্যবহার আপাতত সীমিত হয়ে পড়েছে। তবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর এ কেন্দ্রের কার্যকারিতা আরও বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মিত্র শক্তি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী জাতির পিতাকে ভারতের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির কাজ সম্পাদনের কথা বললেও সেই সময় বঙ্গবন্ধু এই আহ্বান বিনয়ের সাথে প্রত্যাখ্যান করে নিজ দেশে স্বাধীনভাবে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনার মাধ্যমেই স্বাধীন দেশে এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি চালু করেন।

প্রায় ১২৮ একরের জায়গার ওপর স্থাপিত কেন্দ্রটি, ঊর্ধ্বাকাশে স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষার ব্যবস্থা সচল হয়েছিল। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে ১১টি দেশের সঙ্গে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স ইত্যাদি আদান-প্রদান শুরু করা হয়। প্রায় ৩৫ হাজার ৯০০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বাকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে শক্তিশালী অ্যান্টেনা দিয়ে বার্তা/তথ্য আদান-প্রদানের কাজ সম্পাদিত হয়েছে ২০১৮ সালের আগ অবধি। তবে দীর্ঘ সময়ে এর উন্নয়নের আর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হ নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের নৃশংসভাবে হত্যার পর ক্ষমতায় আসীন পরবর্তী স্বৈরাচারী সরকার এবং ১৯৯০-এর পরে দু’দফায় দেশ পরিচালনায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটিকে কার্যত অচল করে দেয়। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের নিজস্ব ভূ-উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু কৃত্রিম উপগ্রহ ঊর্ধ্বাকাশে স্থাপনের পর, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রকে দ্বিতীয় স্টেশন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলেই ভূ-উপগ্রহটি নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নে স্থাপিত বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এজন্য বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা ঢেলে সাজানো হয়। কয়েকশ গজ ব্যবধানে দুটি ফটক পার করে যেতে হয় মূল কেন্দ্রে। পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। অর্ধ শতাব্দী ধরে মূল ভবনের জৌলুস যেন অমলিন রয়েছে। পাশেই বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী মঞ্চ আর বিশালাকার এন্টেনা (ডিশ)। ডান পাশের দেয়ালজুড়ে আছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামাঙ্কিত ফলক।

তিনি এর উদ্বোধন করেন ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন। এদিন একটি ডাকটিকিটও অবমুক্ত করেন বঙ্গবন্ধু। একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন জাতির পিতা যে স্থানে দাঁড়িয়ে এ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছিলেন সেই স্থানটি। যেটিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ফলক উন্মোচনী পাথরটি বসানো হয়েছে মূল কার্যালয়ের সম্মুখভাগে। কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে যে জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধু হেলিকপ্টারযোগে উড্ডয়ন করেছিলেন সেই জায়গাটিকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

পাহাড়বেষ্টিত ১২৮ একর সমতল জমিতে স্থাপন করা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও গত শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যয়বহুল স্থাপনাটি মূলত কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে শক্তিশালী এন্টেনার মাধ্যমে ওভারসিস সিগন্যাল গ্রহণ করে বহির্বিশ্বের সঙ্গে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স আদান-প্রদান করে আসছে। বর্তমানে এ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের মাধ্যমে সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, হংকং, ওমান, পাকিস্তান, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মুম্বাই অর্থাৎ মোট ১১টি দেশের সঙ্গে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স ইত্যাদি আদান-প্রদান করা হয়।

অর্থাৎ বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি এখন গুরুত্ববহ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু-১ কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের সুবিধা অনেক। সাধারণত টিভি চ্যানেলগুলো তাদের সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এতকাল বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া করা হতো। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট চ্যানেলের মাধ্যমে এই ভাড়া বাংলাদেশ সংগ্রহ করছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে।

এছাড়া অন্য দেশের টিভি চ্যানেলর কাছে ভাড়া দিতে পারছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। এই কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে মাধ্যমে ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট টু হোম ডিশ সার্ভিস চালু করা সম্ভব হয়েছে। এই কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মোট ফ্রিকোয়েন্সি ক্ষমতা হলো ১ হাজার ৬০০ মেগাহার্টজ। এর ব্যান্ডউইডথ ও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ইন্টারনেট থেকে বঞ্চিত দূরবর্তী অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া যাচ্ছে। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট ও ব্যাংকিংসেবা, টেলিমেডিসিন ও দূরনিয়ন্ত্রিত শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারেও ব্যবহৃত হচ্ছে। বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়লে-এর মাধ্যমে ওই সব অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখা সম্ভব হবে। এদিকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন পর আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে পাহাড়ের অবহেলিত জেলার প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটিতে। এলাকার বেকারত্ব লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আসলে ২০২০ থেকে ২০২১ সালে করোনা মহামারিতে লকডাউনের মধ্যে অনলাইন প্লাটফরম বেশি গুরুত্ব পাওয়া শুরু করলে ইন্টারনেট নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়। তখন ভূ-উপগ্রহের মর্ম আমরা উপলব্ধি করতে সক্ষম হই।বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রে এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে দেশের টেলিযোগাযোগের প্রথম এন্টেনাটি। কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে এটি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্রুততার সাথে তথ্য আদান-প্রদানের কাজ পরিচালিত হচ্ছে।

একসময় সমগ্র বাংলাদেশে বৈদেশিক কল গ্রহণ ও পাঠানোর একমাত্র মাধ্যম ছিল রাঙ্গামাটির এ কেন্দ্র। সরকার তথা রাষ্ট্র, বিদেশি কূটনীতিক কিংবা ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সব যোগাযোগ হতো এর মাধ্যমে। স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ গঠনে এ কেন্দ্রের অবদান ছিল অপরিসীম। আশির দশকের বিশ্বকাপ ফুটবলে ম্যারাডোনার খেলা আর মুষ্টিযুদ্ধে সারা দুনিয়ার সেরা মোহাম্মদ আলীর খেলা হলে এ কেন্দ্রের মাধ্যমেই সমগ্র বাংলাদেশে তা দেখানো হতো। এমনকি বাইরের সব অনুষ্ঠান সম্প্রচার হতো এর মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উদ্বোধনের পর দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতিতে আরও একধাপ এগিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময় ফোর-জি বা চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রচলনের মধ্য দিয়ে আমাদের ডিজিটাল যুগের আরও উন্নতি সম্পন্ন হয়েছে। এর আগের প্রজন্মের প্রযুক্তি ছিল টু-জি এবং থ্রি-জি। টু-জিতে কেবল ফোন কল করা এবং টেক্সট মেসেজ পাঠানো যেতো। থ্রি-জি প্রযুক্তিতে মোবাইল ফোন থেকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল করা এবং মিউজিক ও ভিডিও ডাউনলোড করার সুযোগ তৈরি হয়। থ্রি-জিতে যা যা করা সম্ভব, তার সবকিছু ফোর-জিতেও করা যায়, তবে দ্রুতগতিতে এবং ভালোভাবে। অর্থাৎ সুবিধাগুলো পরিষ্কার— থ্রিজিতে ইন্টারনেট ডাউনলোড বা আপলোডে যে সময় লাগত, ফোর-জিতে সে সময় কম লাগে।

কেবল ইন্টারনেটই নয়, ভয়েস কলেও অগ্রগতি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোর-জি হ্যান্ডসেটের চাহিদা মেটাতে সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। কারণ ফোর-জি হ্যান্ডসেট মাত্র ২০ শতাংশ গ্রাহকের হাতে রয়েছে। সেবা নির্বিঘ্ন করতে একইসঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়নও দরকার। ফোর-জির দ্রুতগতি প্রান্তিক মানুষকে নানা কাজে উৎসাহী করেছে। ফলে তাদের শহরমুখী হতে হচ্ছে না। ই-কমার্স, আউটসোর্সিংসহ ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল মানুষের ডিজিটালসেবা নিশ্চিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক সমাজের সাংস্কৃতিক মানকে ডিজিটাল যুগের স্তরে উন্নীত করা একটি কঠিন কাজ। তার জন্য সঠিক নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দরকার ছিল। শেখ হাসিনা সেই কাজটি সুনিপুণ পরিকল্পনায় বাস্তবায়ন করে চলেছেন। মনে রাখতে হবে যে, এদেশে আমরা সর্বপ্রথম তাঁর মুখেই ডিজিটাল বাংলাদেশ ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির কথা শুনেছি। তাঁর নেতৃত্বেই সম্পন্ন হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তরের ইতিহাস। ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বোঝায় দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারার সক্ষমতা তৈরি করা। উপরন্তু তার চারপাশে এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলা যাতে তার জীবনধারাটি যন্ত্র-প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশের অনন্য নিদর্শন হিসেবে প্রতিভাত হয়। শিক্ষাসহ সরকারি-বেসরকারি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কল-কারখানা ও সেবাকে ডিজিটাল করা হচ্ছে। এতে দেশের মানুষের জীবনধারা ডিজিটাল যুগে পদার্পণ করেছে। শিগগির বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। এর মধ্য দিয়ে ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে প্রযুক্তি বিভেদমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উন্নত দেশ।

ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। এজন্য বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে দক্ষ জনবলের প্রয়োজন মেটাতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতি কমাতে ইতোমধ্যে সরকারি অফিসে ই-টেন্ডার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সারাদেশে তৈরি করা হয়েছে এক লাখ ওয়াই-ফাই জোন। মূলত দেশে থ্রি-জি সেবার জায়গায় ফোর-জি আনা হয়েছে। অবশ্য তার আগেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওয়েব পোর্টাল করেছি আমরা। সেখান থেকে যেকোনো তথ্যসেবা আমরা দিতে সক্ষম।

আইটি সেক্টরে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এবং আরও এগিয়ে যাবো। ১৩ বছর আগে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প বলে কিছু ছিল না। তখন আইটি খাত থেকে রপ্তানি আয় ছিল ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এখন ৫০০ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করে বেকারত্ব দূর করাকে অন্যতম এজেন্ডা হিসেবে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আইটি পার্ক, পাশাপাশি আইটি ইনস্টিটিউট, আইটি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নিরলস প্রচেষ্টায় আইটি খাত ইতোমধ্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এসবই সম্ভব হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে হাঁটার ফলে।

একটি সদ্য স্বাধীনপ্রাপ্ত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন এবং স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নত যোগাযোগ স্থাপনের জন্যই চালু করা হয় বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি। ১৯৭০ সালে এই কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হলেও কেন্দ্রটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার এবং কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নানান চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে কেন্দ্রটির কাজ অব্যাহত থাকে।

কেবল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে দ্রুততার সাথে তথ্য আদান প্রদানের কাজ পরিচালিত হচ্ছে এ কেন্দ্র থেকে। মনে রাখতে হবে নিজ দেশে স্বাধীনভাবে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সুদূরপ্রসারী চিন্তা-ভাবনা থেকেই ৪৭ বছর আগে এ দেশে বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি চালু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর হাত ধরেই আজকের প্রযুক্তি প্রসারের বাংলাদেশ গৌরবান্বিত।

লেখক: বঙ্গবন্ধু গবেষক এবং লেখক, কবি, কলামিস্ট। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য, সম্প্রীতি বাংলাদেশ এবং অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]


আরও খবর



ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবার সচেতনতা প্রয়োজন: মেয়র আতিক

প্রকাশিত:Saturday ০৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

শুধু সিটি করপোরেশন একা নয় বরং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবার সচেতনতা প্রয়োজন। আমরা নিজেরাই এডিসের লার্ভার প্রজননক্ষেত্র তৈরি করি। সিটি করপোরেশন নিয়মিত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। সবাই সচেতন না হলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মধুবাগ এলাকায় ডেঙ্গু বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারাভিযানে গিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতায় গত বছরের তুলনায় এবছর আমরা ডেঙ্গুকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। আমরা চাই ডেঙ্গুকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে। সেজন্য জনগণের সহযোগিতা চাই। প্রচারাভিযানে ডিএনসিসি মেয়র মধুবাগ এলাকায় বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরে ঘুরে জনসাধারণকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন এবং নিজে মাইকিং করে সচেতন করেন।

dncc1

ডিএনসিসি মেয়র মধুবাগের শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। ট্রাকে উঠে এডিস মশার উৎসস্থল-গাড়ীর পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা, মাটির পাত্র, খাবারের প্যাকেট, অব্যবহৃত কমোড এগুলো দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন তিনি।

এসময় শিক্ষার্থীরা মেয়রের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রতি শনিবার সকালে দশটায় দশ মিনিট বাসা-বাড়ি পরিষ্কার করার অঙ্গিকার করে।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, আপনারা শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করে তুলবেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সবাইকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। তিন দিনে একদিন জমা পানি ফেলে দিতে হবে। জমে থাকা পরিষ্কার পানিতেই এডিসের লার্ভা জন্মায়।

dncc1

ডিএনসিসি আওতাধীন এলাকায় এডিস মশার উৎস খুঁজতে ড্রোনের মাধ্যমে এক লাখ ২৮ হাজার বাড়ির ছাদ পরিদর্শন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডেঙ্গু বিরোধী সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান শেষে মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠেয় ডিএনসিসিতে অনলাইনে কর পরিশোধ বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।


আরও খবর



শিগগির যুক্তরাষ্ট্রের লিগে খেলবেন মেসি-রোনালদো!

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

গত কয়েক বছরে বহু গুণে বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) জনপ্রিয়তা। আসন্ন দিনগুলোতে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো বিশ্বসেরা ফুটবলারদেরও এমএলএসে দেখা যেতে পারে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক তারকা ল্যান্ডন ডনোভান।

চলতি মৌসুমের এমএলএসের দল লস অ্যাঞ্জেলস এফসির হয়ে খেলবেন জর্জিনিও কিয়েল্লিনি ও গ্যারেথ বেল এবং টরোন্টো এফসির হয়ে খেলবেন লরেঞ্জো ইনসিনিয়ে ও ফেডেরিক বার্নাডেস্কি। এছাড়া ডিসি ইউনাইটেডের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ওয়েইন রুনি।

এর বাইরে ডেভিড ব্যাকহাম জ্বলাতান ইব্রাহিমোভিচ, গনজালো হিগুয়াইনের মতো বিশ্ব তারকারাও এমএলএস মাতিয়েছেন। তাই ডনোভান মনে করছেন, শিগগির মেসি-রোনালদোরাও যুক্তরাষ্ট্রের লিগটিতে খেলবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডনোভান বলেছেন, 'বেকহ্যাম সবার জন্য পথটা খুলে দিয়েছিল। এখন আমাদের লিগ খুব দ্রুতই এগিয়ে যাচ্ছে এবং সবাই এখানে এসে খেলতে চায়। আমি মনে করি, একদিনি মেসি-রোনালদোও এখানে খেলবে।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'এমএলএস এখন দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার বার্তা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পেরেছে। কার্লোস ভেলা, চিচারিতো, গ্যারেথ বেলরা খেলছেন। আরও অনেক খেলোয়াড় এখানে এসে খেলতে চায়। তাদের এজেন্টরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চায়। আমি বিশ্বাস করি একদিন মেসি ও রোনালদো এখানে এসে খেলবে।'


আরও খবর



জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিইওকে হত্যার হুমকি, কাতারে প্রতিবাদ সভা

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

কানাডা প্রবাসী ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিইও আলিম উল্লাহ খোকনকে হত্যার হুমকিদাতা সোহেল রানার দ্রুত গ্রেফতার দাবিতে প্রতিবাদ সভা করেছে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মঞ্চ, কাতার।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় রাতে কাতারের রাজধানী দোহার নাজমা আফগান রেস্টুরেন্টে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করে আলিম উল্লাহ খোকনের মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন সোহেল রানা। সম্প্রতি সোহেল রানা জেল থেকে জামিনে বের হয়ে খোকনকে ওই মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকি দেন।

এ সময় বাংলাদেশ সরকারকে আলিম উল্লাহ খোকনের জীবনের নিরাপত্তার দিতে সোহেল রানাকে আবারো দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মঞ্চ কাতারের নেতারা।

jagonews24

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গীতিকার জসিম উদ্দিন আকাশের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন মামুনের পরিচালনায় এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য দেন আব্দুল জলিল, রাসেদুল হাসান সুমন, এসকে সফিক, ফয়েজ আহমেদ, আতিকুল মাওলা মিঠু, আলাউদ্দিন আলী, বাবুল আহমেদ ও শেখ আকতার হোসেন প্রমুখ।

এতে উপস্থিত ছিলেন ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, আমিন ব্যাপারী, মোশারফ হোসেন জনী, আবুল কালাম ফয়সাল, সাদ্দাম হোসেন, খালেদ আহমেদ, জয়নাল আবেদীন শক্তিসহ আরও অনেকে।


আরও খবর



রাশিয়ার নৌবহরের প্রধান কার্যালয়ে ইউক্রেনের হামলা

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার নৌবহরের প্রধান কার্যালয়ে ইউক্রেন ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রুশ নিয়ন্ত্রিত ক্রাইমিয়ার সেবাস্তপুলের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়। হামলার কারণে পূর্ব পরিকল্পিত নৌবাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব বাতিল করতে হয়েছে। খবর বিবিসির।

কৃষ্ণ সাগরের কাছে ক্রাইমিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী সেবাস্তপুলের গভর্নর মিখাইল রাযভোযায়েভ বলেন, আমাদের নৌদিবস পণ্ড করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউক্রেন। প্রাথমিক তথ্য বলছে, এটি একটি ড্রোন ছিল। যে পাঁচজন আহত হয়েছে তারা সবাই প্রধান কার্যালয়ের কর্মী।

তিনি বলছেন, নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নৌবাহিনী দিবসের আয়োজন বাতিল করা হয়েছে। তবে আহতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস এই হামলার তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন রাযভোযায়েভ। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, ক্রাইমিয়ার সিনেটর ওলগা কভিতিদি এটিকে সন্ত্রাসী হামলা বলে আখ্যা দিয়েছেন।

রাশিয়ার নৌবহরের প্রধান কার্যালয়ে ড্রোন হামলার অভিযোগ এমন সময়ে এলো যখন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার নিজ শহর সেইন্ট পিটার্সবার্গে গিয়ে নৌবাহিনী দিবস উদযাপনের আয়োজনে অংশ নিয়েছেন এবং তদারকি করছেন।

নৌবাহিনী দিবস রাশিয়ায় বার্ষিক ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। সে সময় দেশটির নৌবাহিনী কুচকাওয়াজ করে ও এই দিনে নাবিকদের সম্মান জানানো হয়।


আরও খবর



ডেপুটি ম্যানেজার পদে চাকরি দিচ্ছে মেঘনা গ্রুপ

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজে (এমজিআই) ‘ডেপুটি ম্যানেজার/ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)
বিভাগের নাম: আইটি কোর নেটওয়ার্ক অ্যান্ড ডেটা সেন্টার অপারেশন সাপোর্ট

পদের নাম: ডেপুটি ম্যানেজার/ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি (সিএসই)
অভিজ্ঞতা: ১০ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: নারায়ণগঞ্জ

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১২ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর