Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

বঙ্গবন্ধু কাপ ২০২৩ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুনামেন্ট শুরু হচ্ছে ১৩ মার্চ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৭৩৪জন দেখেছেন

Image

আজাদ হোসেন: আগামী ১৩ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু কাপ ২০২৩  আন্তর্জাতি কাবাডি’ টুর্নামেন্ট।  বাংলাদেশ কাবাডি  ফেডারেশনের  আয়োজনে  টুর্নামেন্টের তৃতীয়  আসরে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ মোট ১২টি দেশ অংশ নিচ্ছে টুর্নামেন্টে।

 এ-গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা। এ-গ্রুপের  অন্য চার দেশ ইরাক, নেপাল, ইংল্যান্ড ও পোল্যান্ড। বি-গ্রুপে রয়েছে কেনিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, চাইনিজ তাইপে ও থাইল্যান্ড। প্রত্যেকটি দল পাঁচটি করে ম্যাচ খেলবে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল খেলবে সেমিফাইনালে।

এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার চার মহাদেশের বাকি ১১ দল ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছেছে। শহিদ নুর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। 

কাল বেলা সাড়ে তিনটায় টুর্নামেন্টের প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তথ্যও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ। 

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক(আইজিপি) এবং কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী আজ  কাবাডি ফেডারেশনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক হাবিবুর রহমান। এ সময় যুগ্ম সম্পাদক ও পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি গাজী মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু কাপ কাবাডির গত দুই আসরে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। টানা তৃতীয় আসরেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন হাবিবুর রহমান, ‘আমাদের প্রস্তুতি যথেষ্ট ভালো। গত আসরের মতো এই আসরেও আমাদের লক্ষ্য শিরোপা জয়।’ গত দুই আসরে আমাদের প্রতিপক্ষে অপেক্ষাকৃত দুর্বল  ছিল। এবার তৃতীয় আসরে কাবাডি বিশ্বের সেরা দল আনার চেষ্টা থাকলেও সেটি সফল হয়নি উল্লেখ করে হাবিবুর রহমান আরো বলেন, ‘ইরান, ভারত, পাকিস্তান ও কোরিয়ার মতো দলকে আনার চেষ্টা করেছি; কিন্তু আন্তর্জাতিক সূচির ব্যস্ততায় তা সম্ভব হয়নি। এশিয়ান গেমসের আগে আমাদের দলকে বাইরে পাঠিয়ে অনুশীলনের ব্যবস্থা করা হবে।’ 

এ-গ্রুপ: আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ইরাক, নেপাল, ইংল্যান্ড ও পোল্যান্ড।

বি-গ্রুপ: কেনিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, চাইনিজ তাইপে ও থাইল্যান্ড। 


আরও খবর



নওগাঁয় অধ্যক্ষ-সভাপতির বিরুদ্ধে জাল সনদ সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ :নওগাঁর বদলগাছীর ধর্মপুর-গোয়ালভিটা আলিম এম মাদরাসা সভাপতি আবদুল বারেক ও অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে জাল সনদধারীকে দিয়ে চাকরি করানো, সরকারি বরাদ্ধের টাকা, প্রতিষ্ঠানের টাকা আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় স্থানীয় এক ব্যাক্তি এ অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঐতিহাসিক পাহাড়পুর ইউনিয়নের ধর্মপুর-গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদরাসাটি দীর্ঘকাল যাবৎ সুনামের সাথে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসলেও এর ম্যানেজিং কমিটি ও প্রিন্সিপালের বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম দূর্নীতিতে মাদরাসাটির বর্তমানে নাজেহাল অবস্হা বিরাজ করছে। এই মাদরাসা সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষিকা শাহানাজ পারভীন পরিচালনা কমিটি ও অধ্যক্ষকে হাত করে তাদের যোগশাজসে তার শিক্ষাজীবনের জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দিয়ে কয়েক বছর ধরে মাদরাসায় চাকুরী করে সরকারি বেতন-ভাতাদি উত্তোলন করেছেন। তার নিবন্ধন সনদ যাচাই করতে চাইলে মাদরাসা পরিচালনা কমিটি ও অধ্যক্ষ অতি সুকৌশলে তার সনদের বিষয়টি ফাঁস হওয়ার ভয়ে তাকে চাকুরী হইতে স্বেচ্ছায় অবসরে পাঠিয়েছেন এবং তার অবসর-কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা সরকারি কোষাগার হতে উত্তোলন করে আত্মসাতের পাঁয়তারা করে যাচ্ছেন। এবং ওই মাদরাসার আইসিটি বিষয়ের শিক্ষিকা আকলিমা খাতুন তিনিও তার (কম্পিউটার সাটিফিকেট) জাল সনদ দিয়ে এখন পর্যন্ত চাকুরীরত আছেন এবং সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ও বেতন-ভাতাদি ভোগ করে যাচ্ছেন।

এছাড়াও ওই মাদরাসার সরকারের পারফরম্যান্স বেজড গ্র‍্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিমের আওতায় ৫ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান পেয়েছে। কিন্তু শিক্ষকদের অংশের টাকা বাদে সব টাকা অধ্যক্ষ ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটি আত্মসাৎ করাসহ বিগত কয়েক বছরে শিক্ষক- কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা করেছে। ওই মাদরাসাঢ যোগদানের পর থেকে তিনি  নিয়োগ বাণিজ্য করে আসছেন, নিয়োগ বাণিজ্যের প্রমাণ মিলবে তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বর যাচাই করলে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষক বলেন, প্রকল্পের টাকা থেকে শিক্ষকদের অংশের টাকা দেওয়া হয়েছে তবে শিক্ষার্থীদের টাকা দেওয়ার বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।

এবিষয়ে জানতে শিক্ষিকা শাহানাজ পারভীন ও আকলিমা খাতুনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটি রিসিভ না করায় তাদের কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

অভিযোগ গুলোর বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন ও সভাপতি বলেন, এ অভিযোগ গুলো সত্য নয়। সেই শিক্ষিকাদের কাগজপত্রসহ সরকারি প্রকল্পের টাকা ব্যয়ের ভাউচার এবং মাস্টার রোল দেখতে চাইলে তারা সেগুলো দেখাতে অস্বীকার করেন। 

অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, ওই মাদরাসার অনিয়মের বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আরও খবর



ডেমরায় ট্রাফিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন টিআই মৃদুল পাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ 

ডিএমপি'র ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ ডেমরা জোনের অন্তর্ভুক্ত ডেমরা, ষ্টাফ কোয়াটার, সুলতানা কামাল সেতু সহ আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মৃদুল পাল ট্রাফিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে টিআই মৃদুল পাল এলাকায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। অবৈধ ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা, নসিমন করিমন, ভটভটি,রুট পারমিট বিহীন মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি চলাচল কঠোর হস্তে দমন এবং নিয়মিত অবৈধ পার্কিং বন্ধে কাজ করে যাচ্ছেন। টিআই মৃদুল পাল একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত।গত কয়েক দিন পূর্বে তীব্র দাবদাহের সময় ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় এবং ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম এর তত্ত্বাবধানে ডেমরা ষ্টাফ কোয়াটার এলাকার পথচারী,যাত্রী,গাড়ির চালক-হেলপার সহ সর্বসাধারণের মাঝে বোতল পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করেন । অল্প সময়ে ডেমরা ষ্টাফ কোয়াটার এলাকার সড়কগুলো যানজট মুক্ত করায় জনসাধারণের দূর্ভোগ লাঘব হয়েছে অনেকটাই।

সড়কের পাশে বসা বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ  দোকান উচ্ছেদ করেছেন। ফুটপাত থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করে পথচারীদের নির্বিঘ্নে চলাচল স্বাভাবিক রেখছেন। কোথাও এখন আর যানবাহনের জটলা নেই আগের মতো।তিনচাকার ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা হাইওয়ে রোডে প্রবেশ করে যেন যানজট স্বৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মৃদুল পাল এর নিষ্ঠা এবং কর্তব্য পরায়ণতার কারণে এলাকার সড়কে চলাচল কারী অফিসগামী মানুষ নিয়মিত কর্মস্থলে পৌঁছতে পারছেন, স্কুল কলেজ গামী শিক্ষার্থীরা সময়মতো ক্লাস করতে পারছেন।

তার অধীনস্থ ট্রাফিক সার্জেন্ট এবং কনষ্টেবলদের সার্বক্ষণিক সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করতে নির্দেশনা দেয়ার পাশাপাশি নিজেও কাজ করছেন।

ডেমরা ষ্টাফ কোয়াটার এলাকার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর টিআই মৃদুল পাল বলেন, "সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও ট্রাফিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নে আমার যা যা করতে হয় আমি করবো"। 

ডেমরা এলাকায় যানজট নিরসনে প্রতিদিন দুই শিফটে ৩৫/৩৬ জন ট্রাফিক পুলিশ ও অফিসার কাজ করেন। নিয়মিত চারটি পোস্টে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কখনো কখনো পাঁচটি পোস্ট পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি পোস্টে একজন টিএসআই/এটিএসআই/ এএসআই, কনস্টেবল থাকে।


ট্রাফিক সার্জেন্ট আল মামুন জানান,টিআই স্যারের নেতৃত্বে ডেমরা সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে এবং সাধারন মানুষের সুবিধার জন্য কাজ করে যাচ্ছি, দিনরাত রাস্তায় থেকে সাধারণ মানুষদেরকে সেবা দেওয়ার জন্য কাজ করছি।বেপরোয়া গতিতে কেউ যেন গাড়ী না চালায় বাস,ট্রাক,কভার্ড ভ্যান গতি সীমা অতিক্রম না করে, ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা, সিএনজি, মহাসড়কে না ওঠে তা খেয়াল রাখছি।যে সব মোটরসাইকেলের নাম্বার নেই, গাড়ীর কাগজ পত্র ঠিক নেই, যারা হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালান তাদের প্রতি কঠোর হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ।এর পরও যদি কেউ এ আইন অমান্য করে তাহলে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়। 


টিআই মৃদুল পাল ডিএমপির অন্যতম একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘ বছর যাবত কর্মরত রয়েছেন। গাজীপুর এলাকার কৃতি সন্তান অত্যন্ত সদালাপি মিষ্টভাষী সাদা মনের মানুষ তিনি। গাজীপুর, কালিয়াকৈর থেকে এসএসসি,এইচএসসি ও মির্জাপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে বিএসসি পাশ করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে মাস্টার্স করেছেন। তিনি পুলিশ বাহিনীর চাকরির সুবাদে  থাইল্যান্ড থেকে ট্যুরিজম সিকিউরিটি এর উপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।



 


আরও খবর



পত্নীতলা উপজেলা নির্বাচনে গাফফার জয়ী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image
দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে নওগাঁর পত্নীতলায় সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল গাফ্ফার (মোটর সাইকেল) প্রতীকে ৬২ হাজার ৭৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল খালেক চৌধুরী (ঘোড়া প্রতীকে) পেয়েছেন ৫০ হাজার ৮৫৬ ভোট। 

ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আহাদ রাহাত (টিউবওয়েল প্রতীকে) ৬৭ হাজার ৮৬০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দিলিপ চৌহান (তালা প্রতীকে) পেয়েছেন ২৫ হাজার ৯৯৯ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাবিনা বেগম (কলস প্রতীকে) ৫৬ হাজার ৮০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক খাদিজাতুল কোবরা মুক্তা (হাঁস প্রতীকে) পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯১১ ভোট পেয়েছেন।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ৭৪টি কেন্দ্রে ৫৪২টি বুথে বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলে। পত্নীতলা উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ১ হাজার ৯২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৮৯০ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ১ হাজার ৩০ জন। উপজেলায় ভোট কাউন্ট হয়েছে প্রায় ৫৮শতাংশ। নির্বাচন চলাকালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন বলে উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাগেছে।

আরও খবর



মধুপুরে দিন ব্যাপি দুগ্ধ উৎপাদন প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৫২জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প(এল.ডি.ডি.পি) এর আওতাধীন প্রডিউসার গ্রুপ (পিজি)এর সদস্যদের নিয়ে ১দিন ব্যাপি দুগ্ধ উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (১৫মে) সকালে মধুপুর উপজেলাধীন আশ্রা প্রাণিসম্পদ কৃষক স্কুল মাঠে এ দুগ্ধ উৎপাদন প্রশিক্ষনের আয়োজন করেন মধুপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল। 

মধুপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিপ্লব কুমার পাল এর সভাপতি ত্বেউক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ মাহবুবুল ইসলাম। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সোহেল রানা ও জেলা ট্রেনিং কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ শহীদুল আলম।

এসময় আরও অন্যান্য কর্মকর্তা সহ উক্ত পিজির ৪০জন সদস্য ও খামারিগন উপস্থিত ছিলেন। বক্তরা, দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গাভীর বিভিন্ন রোগ ও রোগের প্রতিকার বিষয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জাহিদুল ইসলাম।

    -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



আক্কেলপুরে পুকুর সংস্কারের সময় প্রাচীন কালো পাথরের মূর্তি উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
আক্কেলপুর(জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে পুকুর সংস্কারের মাটি থেকে পাওয়া কালো পাথরের একটি মূর্তি উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার সকালে উপজেলার কাশিড়া ঘোষপাড়া গ্রামে ৫’শ ৬০ গ্রাম ওজনের এই কালো পাথরের মূর্তি উদ্ধার করা হয়। তবে এটিই হতে পারে প্রত্নতত্ত্ব  অধিদপ্তরের নিকট এই প্রথম পাওয়া রাজা-রাণী সাদৃশ্যের প্রথম পাথরের মূর্তি। 

ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের কাশিড়া ঘোষপাড়া কালিতলা পুকুর সংস্কারের কিছু মাটি ক্রয় করেন বেলি নামে মহিলা। সেই মাটি থেকেই তিনি একটি কালো রংয়ের পাথরের মূর্তি পান। পরে সেটি তিনি তার প্রতিবেশী স্থানীয় মূর্তি কারিগর বিনয় নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে দেন। পরে সেটি আবার ফেরৎ নিতে গেলে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পরে। সকাল থেকেই মূর্তিটি দেখতে ভীড় জমায় স্থানীরা। খবর পেয়ে শনিবার সকালে মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে আসেন আক্কেলপুর উপজেলা নির্বার্হী অফিসার। 

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কালো ওই মূর্তিটির ওজন ৫’শ ৬০ গ্রাম ও উচ্চতা ৬.২ ইঞ্চি এবং বাম পাশে কিছু অংশ ভাঙ্গা। তবে মূর্তিটি কোন ধরণের পাথরের তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মূর্তিটি পাওয়া নারী বেলি বেগম বলেন, আমি বিপ্লব সাখিদারের কাছ থেকে পুকুরের মাটি কিনেছি। ওই মাটি থেকে পাথরের মূর্তিটি পেয়ে স্থানীয় মূর্তি কারিগর বিনয়কে দিয়ে দেই। পরে প্রশাসন এসে সেটা নিয়ে যায়।

স্থানীয় মূর্তি কারিগর বিনয় জানান, মূর্তিটি পাওয়ার পরে আমরা প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছি। এটা সাধারণ পাথরের শীব-পার্বতীর মূর্তি বলে মনে হচ্ছে। পরে প্রশাসনকে জানালে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সেলিম হোসেন বলেন, শনিবার সকালে বিষয়টি জানার পর মূর্তিটি নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ইএনও মহোদয়কে হস্তান্তর করা হয়েছে।পাহাড়পুর প্রত্যতাত্ত্বিক জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মোহাম্মদ ফজলুল করিম বলেন, ছবি দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি পাথরের একটি দূর্লভ মূর্তি। আমাদের সংগ্রহে পাথরের যেসকল মূর্তি রয়েছে তাতে দেব-দেবীর আকৃতি রয়েছে। তবে এটি দেখে দেব-দেবীর আকৃতির মনে হচ্ছেনা। আমাদের জাদুঘরে এধরণের কালো পাথরের রাজা-রাণী ও তাদের কোলে বাচ্চার সাদৃশ্যের মূর্তি নেই। তবে পোড়া মাটির টেরাকোটা আছে। এটি প্রত্যহতত্ত্ব  দুতলা বাড়ি  অধিদপ্তরের নিকট এই প্রথম পাওয়া রাজা-রাণী সাদৃশ্যের পাথরের মূর্তি হতে পারে। এটি একটি অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক  সম্পদ। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে একটি কালো পাথরের মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। মুর্তিটি আপাতত জেলা ট্রেজারীতে রাখা হবে। পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক প্রত্নতত্ত্ব  বিভাগকে দিয়ে দেওয়া হবে।

আরও খবর