Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৫০০জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক: যক্ষ্মা পৃথিবীর প্রাচীন রোগগুলোর একটি। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন থেকে যক্ষ্মা সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে চিকিৎসায় কাজ চলছে। কিন্তু যক্ষ্মা থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। বরং যক্ষ্মা থেকেও মারাত্মক মাল্টিড্রাগ রেজিস্ট্যান্স (এমডিআর) যক্ষ্মা দিন দিন বাড়ছে। দেশে এখন ১০ হাজারের বেশি এমডিআর যক্ষ্মা রোগী রয়েছে।

আজ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘হ্যাঁ আমরা যক্ষ্মা নির্মূল করতে পারি।

সাধারণ যক্ষ্মা রোগীদের সঠিক চিকিৎসা না হওয়া, অর্ধেক ওষুধ খেয়ে সুস্থ বোধ করলেই অনেকেই সাধারণ যক্ষ্মার ওষুধের পুরো কোর্স সম্পন্ন করেন না। ফলে যক্ষ্মার জীবাণুরা আরো শক্তিশালী হয়ে এমডিআর টিবিতে পরিণত হয়। একজন এমডিআর যক্ষ্মারোগী অন্যদের মধ্যে ভয়ঙ্কর এমডিআর যক্ষ্মাই ছড়িয়ে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচলিত ওষুধে না গিয়ে টিকা ব্যবহারের দিকে আমাদের যাওয়া উচিত। পৃথিবীর কয়েকটি দেশে যক্ষ্মার বিরুদ্ধে টিকা ব্যবহারে সফলতা এসেছে।

এ ব্যাপারে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির বিভাগীয় যক্ষ্মা বিশেষজ্ঞ ডা: আহমেদ পারভেজ জাবীন বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়া ও জাম্বিয়ায় গ্ল্যাক্সো অ্যান্ড স্মিথক্লাইনের (জিএসকে) তৈরি টিবি ‘ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট এম৭২/এএসও আইই’ নামক যক্ষ্মার টিকার দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে।’ এই দেশগুলোতে জিএসকের ৯ হাজার ভায়াল টিকার সফল পরীক্ষা হয়েছে বলে ডা: জাবীন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘যক্ষ্মার টিকাকে সব দেশেই উৎপাদনের অনুমতি দিয়ে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে অবদান রাখার সুযোগ দেয়া হোক।’

যে হারে সাধারণ যক্ষ্মা থেকে এমডিআর যক্ষ্মা হচ্ছে এবং এমডিআর যক্ষ্মার জীবাণুও ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে আরো ভয়ঙ্কর এক্সটেনসিভলি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স টিবি (এক্সডিআর। জীবাণুতে পরিণত হচ্ছে এবং এই এক্সডিআর টিবি থেকে আরো ভয়ঙ্কর যক্ষ্মার জীবাণু আরআর টিবি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যক্ষ্মা রোগে ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক থেকে এখন বের হয়ে আসা উচিত এবং টিকার দিকে যেতে হবে।

১৯৯৫ থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে প্রায় ত্রিশ লাখ যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে শিশু রয়েছে প্রায় ২০ হাজার।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন পরিচালকের দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ‘বাংলাদেশে ২০২১ সালে প্রতি ১২ মিনিটে একজন মানুষ যক্ষ্মায় মারা গেছে। ২০২১ সালে বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ ৭৫ হাজার মানুষ লোক যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় এবং ৪২ হাজার মৃত্যুবরণ করে। অর্থাৎ প্রতি ১২ মিনিটে যক্ষ্মার কারণে একজনের মৃত্যু হয়েছে।’


আরও খবর



ehp[

ঈদযাত্রার শেষ দিনেও কাউন্টারে মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে শেষ দিনেও রাজধানী থেকে বাড়ি ফিরছে মানুষ। সকাল থেকেই বাস কাউন্টারে অপেক্ষা করছেন অনেকে। বাস পেলেই রওনা হচ্ছেন বাড়ির পথে।রোববার (১৬ জুন) সকালে রাজধানীর ধোলাইপাড়, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

যাত্রীরা বলছেন, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা। তবে গাড়ি সেভাবে মিলছে না। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর মিলছে গাড়ি। তবে কষ্ট করে হলেও পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে চান তারা।


আরও খবর



নেপালে আটক সিয়াম কলকাতা সিআইডির হেফাজতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শুক্রবার (৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান জানান।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা মামলায় নেপাল থেকে গ্রেপ্তার আরেক আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে কলকাতা সিআইডি।তিনি জানান, কলকাতা সিআইডি এই হত্যা মামলাটি তদন্ত করছে। তাদের কাছে দুইজন আসামি আছে।

একজনকে তারা নেপাল থেকে নিয়েছে। আরেকজনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে।ডিএমপি কমিশনার জানান, আনার হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত একজন নেপালে পালিয়ে ছিলেন। পরে তাকে নেপাল পুলিশ আটক করে। কলকাতার সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

অবশ্য এই আসামির নাম উল্লেখ করেননি ডিএমপি কমিশনার। তবে, দেশের গোয়েন্দা সূত্র বলছে, এই আসামি হলেন নেপালে পালিয়ে থাকা সিয়াম।আনার হত্যার বিচার কোন দেশে হবে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হাবিবুর রহমান বলেন, সেখানে ঘটনা তদন্ত সংঘটিত হয়, সেখানেই তদন্ত হয়। এটি একটি সেট রুল। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের আইনেও বলা আছে, বিদেশে যদি কেউ অপরাধ করে থাকে, সেক্ষেত্রে সেই অপরাধীকে আমরা বাংলাদেশে এনে বিচার করতে পারি...। আমরাও তদন্ত করছি, তারাও (কলকাতা) তদন্ত করছে। একপর্যায়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে যেকোনো জায়গায় এই বিচারটি হতে পারে।

এমপি আনার হত্যা মামলায় সিয়াম ছাড়াও আরও পাঁচজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশে গ্রেপ্তাররা হলেন, আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল ভুঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুঁইয়া, তানভীর ভুঁইয়া ও সেলেস্টি রহমান। ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন জিহাদ ও আরেকজন।

এর আগে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যায় অন্যতম সন্দেহভাজন মো. সিয়াম হোসেন নেপালে আটক হওয়ার খবর পায় ডিবি। পরে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের একটি দল নেপালে যায়। গত মঙ্গলবার দেশে ফিরে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ডিবি প্রধান হারুন। আটক সিয়ামকে নেপাল থেকে নেওয়ার জন্য ভারতও চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



অনন্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে টেকনো’র যুগান্তকারী এআই ফিচার

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:একটি ঝড়ো সকাল, কাজে তাড়াহুড়ো করে এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ করতে ভুলে যান এবং আপনার হাতের কাছে আপনার রিমোট খুঁজে পাচ্ছেন না। এখন আপনার হাতে থাকা টেকনো স্মার্টফোনের আইআর ব্লাস্টার দিয়ে এসি বন্ধ করতে পারবেন। ফলে, আপনি বিদ্যুৎ খরচ আর দুশ্চিন্তা এই দুই থেকেই মুক্ত থাকতে পারবেন। এরকম বহু এআই-নির্ভর প্রযুক্তি আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে আমরা কীভাবে দিনদিন প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি এবং এর উপযুক্ত ব্যবহার আমাদের জীবনকে সহজ করে তুলছে।স্মার্টফোন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, আর ক্রেতাদের চাহিদাও যেন এর সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

টেকনো’র মতো গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো সর্বাধুনিক এআই সক্ষমতা ব্যবহার করে ক্রেতাদের এসব চাহিদা পূরণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিশেষ করে, স্মার্টফোন ফটোগ্রাফিতে উদ্ভাবনের ছোঁয়া লাগাতে টেকনো এর ক্যামন ৩০ সিরিজের জন্য সনির সাথে কোলাবেরেশন করেছে। এমনকি কম আলোতেও নিখুঁত ও ঝকঝকে ছবি তোলা নিশ্চিত করতে এই সিরিজে সনি সেন্সর ও পোলারএইস এআই ইমেজ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে।

পাশাপাশি, ব্যবহারকারীরা টেকনো’র এআই ইমেজ জেনারেটর (এআইজিসি) কাজে লাগিয়ে ৪৮০টি স্টাইলে ব্যক্তিনির্ভর (কাস্টমাইজড) এআই পোর্ট্রেট তৈরি করতে পারবেন। ব্যবহারকারীদের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এলা ভয়েস অ্যাসিসট্যান্ট, এলা ট্রান্সলেটর, আস্ক এআই এবং এআই স্কেচ ড্রয়িংয়ের মত এআই ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে ক্যামন ৩০ সিরিজে।

এআই-নির্ভর স্মার্টফোনের চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে। আইডিসি’র ধারণা অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বে ১৭০ মিলিয়ন এআই স্মার্টফোন বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর প্রযুক্তিপ্রেমী ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন পূরণের উপযোগী ডিভাইস তৈরি করার মাধ্যমে এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিচ্ছে টেকনো।


আরও খবর



ইসলামপুরে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বাঁশ ও বেত শিল্প

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন প্রতিনিধি,ইসলামপুর(জামালপুর)প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ ও বেত শিল্প। বাড়ির পাশে বাঁশ বা বেতের ঝাড় গ্রাম বাংলার চিরায়ত রূপ। কিন্তু বনাঞ্চলের বাইরেও এখন যেভাবে গ্রামীণ বৃক্ষরাজি উজাড় হচ্ছে তাতে হারিয়ে যাচ্ছে এ জাতীয় গাছপালা। এক সময় এ দেশেই বিস্তীর্ণ জনপদে বাশ-বেত দিয়ে তৈরি হত হাজারো গৃহস্থালী ও সৌখিন পণ্যসামগ্রী। ঘরের কাছের ঝাড় থেকে তরতজা বাঁশ-বেত কেটে গৃহিনীরা তৈরি করতো হরেক রকম জিনিস। অনেকে আবার এসব বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। দরিদ্র পরিবারের অনেক লোকের উপার্জনের একমাত্র পথও ছিল এগুলো। কিন্তু আজ ইসলামপুর সহ সারাদেশে কয়টি গ্রামে এ হস্ত শিল্পটি উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে আছে তা এখন ভাবনার বিষয়। এখন সচরাচর গ্রামীণ উৎসব বা মেলাতে বাঁশ ও বেতজাত শিল্পীদের তৈরি উন্নতমানের খোল, চাটাই, খালুই, ধামা, টোনা, পাল্লা, মোড়া, বুকসেল্ফ চোখে পড়ে খুব । যেখানে তালপাতার হাতপাখারই কদর নেই, সেখানে এগুলো তো দূরের কথা। 

তৃণমুলে বিদ্যুৎ যেমন পাখার চাহিদা কমিয়েছে তেমনি, মৎস্য শিকার, চাষাবাদ, ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র সকল ক্ষেত্রেই কমেছে বাঁশ ও বেত জাতীয় হস্ত শিল্পের কদর। যতই দিন যাচ্ছে ততই কমে যাচ্ছে এই হস্তশিল্পের চাহিদা। ইটের ভাটায় পোড়ানোর জন্য বাঁশ এবং বেতও বাদ পড়ছে না। একদিকে মূল্যবৃদ্ধি, দুস্পাপ্যতা আর অন্যদিকে ক্ষতিকারক প্লাস্টিক, সিলভার, মেলামাইন জাতীয় হালকা কিন্তু টেকসই সামগ্রী নাগরিক জীবনে অপরিহার্য হয়ে পড়ছে। এমতাবস্থায় বাঁশ এবং বেত শিল্পীরা বেকার ও কর্মহীন হয়ে পড়ছে। 

ইসলামপুর পৌর এলাকার উত্তর দরিয়াবাদ গ্রামের বেত শিল্পী সায়েবালী শেখ,নায়েবালী শেখ ও গুলেছা বেগম বলেন,আগে রাস্তার পাশে,বাড়ীর আরা জঙ্গলে বেত পাওয়া যেত যখন মন চাইতো তখন কেটে নিয়ে এসে কাঠা,মুইনকা,ডালি,(ওজনকরা যন্ত্র) এসব হর হামেশাই তৈরি করে হাটে বিক্রি করে সংসার চালাতাম। এখন বেত পাওয়া অনেক কষ্টের ব্যাপার তবুও অনেক দুর থেকে এনে বাপদাদার ঐতিহ্য পেশা করেই সংসার চালাচ্ছি। তারা আরো জানান,এই পেশা করে জীবনের শেষ প্রান্তে আইছি কিন্তু কি খাই না খাই কেউ খোঁজ খবর আজো রাখেনি। সরকারের একটু সহযোগীতা পেলে এই শিল্পটা ধরে রাখতে পারতাম।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




নিটার কম্পিউটার ক্লাবের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি,নিটার:সাভারের নয়ারহাটে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ  (নিটার) এ গত ৪মে, ২০২৪ ইং রোজ মঙ্গলবার দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় নিটারের কনফারেন্স রুমে নিটার কম্পিউটার ক্লাব (এনসিসি) এর নতুন সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত এই ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুনাইবুর রশীদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিপার্টমেন্ট অব কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) এর লেকচারার মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর জনাব আনিসুর রহমান, লেকচারার শাকিলা শফিক, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সাদিয়া সাজ্জাদ, লেকচারার জারিন তাসনিম তামান্না সহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ডিপার্টমেন্ট অফ্ কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান মেজবাহ্ ও তাহমিনা খুরশেদ রিমঝিম।

ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের শুরুতে নিটার কম্পিউটার ক্লাব সম্পর্কে একে একে বিস্তারিত আলোচনার করেন ক্লাবটির বর্তমান সদস্যরা। পরবর্তীতে নিটার কম্পিউটার ক্লাবের (এনসিসি) এর বিভিন্ন টিম ও সেগমেন্ট সম্পর্কে নবীনদের অবগত করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং টিম, হ্যাকিং টিম, গেমিং টিম, রোবটিক্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি। নবীনদের মধ্যে বিষয়গুলো নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা যায়। পরবর্তীতে  অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী পর্ব। পূর্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সেগমেন্ট যেমন: লোগো ডিজাইন, ডিগ দ্যা ডাটা ২.০, প্রোগ্রামিং এ অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।

প্রোগ্রামের মাঝে অনুষ্ঠিত হয় "সারপ্রাইজ কুইজ" প্রতিযোগিতা। এক এক করে কুইজে অংশ নিয়ে পুরস্কৃত হয় শিক্ষার্থীরা এবং র‍্যাফেল ড্র এর মাধ্যমেও শিক্ষাথীরা পুরষ্কার লাভ করে। দারুন এক প্রতিযোগীতা মুখর পরিবেশের মাধ্য দিয়র অনুষ্ঠিত হয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামটি।

সবশেষে, প্রধান অতিথি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুনাইবুর রশীদ সকল পুরষ্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ফ্রেমে ক্যামেরা বন্দী করে দিনটি স্মরনীয় করে রাখেন এবং  ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে আগত সকল নবীনদের ক্লাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামটি।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪