Logo
আজঃ রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ৬ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৩২২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির এমপিদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ছয়টি সংসদীয় আসনে ভোট শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সব কয়টি আসনে ভোট হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন করার জন্য যা যা করার দরকার, সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। ইভিএমে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটার এডুকেশন যথেষ্ট করা হচ্ছে। সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।’

এই ছয়টি আসনের ভোট নিয়ে উৎসব-আমেজ না থাকলেও প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি নেই। নিরুত্তাপ ভোটে সবার নজর কেড়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন। এই আসন থেকে পদত্যাগ করা বিএনপির সংসদ সদস্য উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এই আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয়নি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ উকিল সাত্তারকে প্রকাশ্য সমর্থন দিয়েছে।

এদিকে এ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ নিখোঁজ। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, শুক্রবার রাত থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদকে কোনো বাহিনী তুলে নেয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান।

আজকের উপনির্বাচনে অনেকের নজর কেড়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। আলোচিত এই ‘অভিনেতা’ বগুড়া-৬ (সদর) ও ৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) দুটি আসনেই উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রথমে রিটার্নিং অফিসার ও পরে নির্বাচন কমিশন তার দুটি আসনের প্রার্থিতা বাতিল করলেও উচ্চ আদালতের আদেশে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪ ও ৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ ও ৩ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এই ৬টি আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৮৬৭টি। ভোটকক্ষ ৫ হাজার ৮৯৮টি। মোট ভোটার ২২ লাখ ৫৪ হাজার ২১৭ জন। ৬টি আসনে মোট ৪০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মাত্র তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। আসনগুলো হলো- বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ এবং ৩।


আরও খবর



ঢাবি'র অধ্যাপক ড.জিয়া রহমান এর প্রয়ানে স্মরনসভা ও দোয়া মাহফিল

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ ঢাবি'র অধ্যাপক ড.জিয়া রহমান এর প্রয়ানে স্মরনসভা ও দোয়া মাহফিলঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ক্রিমিনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম অধ্যাপক ড.জিয়া রহমানেরপ্রয়ানে স্মরনসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ৩০ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ মিলনায়তনে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড.আতিয়ার রহমান।পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) প্রধান মনিরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া,ও সাধারণ সম্পাদক জিনাত হুদা, ঢাবি পদার্থ বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজওয়ানুল ইসলাম, সাংবাদিকতা ও গণ যোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক সায়ন্তি, ডিবিসি টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলাম, অপ্রয়াত অধ্যাপক ড. জিয়ার স্ত্রী ফৌজিয়া খান (শীলা) সহ ক্রিমিনোলজি বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থী,ও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক বৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন,জিয়া রহমান সকলের সাথে হাসি মুখে কথা বলতেন, সবার সাথে চলাফেরা করতেন। তিনি আমার বন্ধু ছিলেন, খুব ক্লোজ চলাফেরা ছিলো আমাদের। আমরা সকলেই চলে যাবো, কিন্তু কোনো কোনো মৃত্যু একটা বড় ক্ষতি করে যায় আমাদের জন্যে ও প্রতিষ্ঠানের জন্যে। জিয়া রহমানের মৃত্যু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা বড় ক্ষতি। 

অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন, ক্রিমিনোলোজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সিনেট সদস্য, শিক্ষক সমিতি ও নীলদলের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের সাবেক প্রাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।ড. জিয়া রহমান গত ২৩ মার্চ রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


আরও খবর



বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ ৭ এপ্রিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত প্রতিপাদ্যের আলোকে দিবসটি উদযাপন করছে বাংলাদেশও। এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিতে: কাজ করি একসাথে’।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেইসঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো।

এ বছর দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সেমিনার আয়োজন, স্যুভেনির প্রকাশ, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদর্শনী, জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, সড়কদ্বীপ সজ্জিতকরণ, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য কার্যক্রম।

১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ। একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন। সেইসঙ্গে গৃহীত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন। ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এ আইন। একইসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে নির্ধারিত হয় দিনটি।

দিবসটি ঘিরে প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।


আরও খবর



উন্নয়ন প্রকল্প কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্নের জন্য তাগিদ দেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪ | ১৬২জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর প্রতিমন্ত্রী  কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি পার্বত্য চট্টগ্রামে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প কাজ ও স্কিমসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের জোর তাগিদ দেন। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তুলনা দিয়ে বলেন, সচিব এর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের কাজগুলো অত্যন্ত সূচারুরূপে পদ্ধতিগতভাবে সম্পন্ন করে থাকেন। তিন জেলায় কর্মরত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধুমাত্র উন্নয়ন সভায় উপস্থিত থাকলেই চলবে না, মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকলকে যখন তখন মন্ত্রণালয়ে আসতে হবে। সকল কাজের তদারকি, পরামর্শ গ্রহণ ও দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার কৌশলগুলো জানতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪মার্চ) রাজধানীর বেইলী রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় ও এর অন্তর্ভুক্ত দপ্তরসমূহের উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করলে এলাকার মানুষের জন্য সুফল বয়ে আসবে। তিনি বলেন, আমাদের চিন্তা, চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা হতে পারে, কিন্তু দেশ আমাদের- দেশের মানুষ আমাদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরির্বতন করে যাচ্ছেন। দেশের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। আমাদের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং তা দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি আরও বলেন, বাংলাদেশে উন্নয়নের যে ধারা,  সে ধারায় পার্বত্য চট্টগ্রামকে নিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের সকলকে অধিকতর দায়িত্বশীল থেকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদকে সচল হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহরে বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাস্তবায়না ধীন এডিপিভুক্ত প্রকল্প ও স্কিমসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বরাদ্দ এবং অননুমোদিত নতুন প্রকল্পের কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা; ২০২৪-২৫ অর্থবছরে নতুন স্কিম গ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, ক্লাইমেট রিজিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট এন্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট ইন দ্য চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস প্রকল্প, পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলা চাষ বৃদ্ধি ও কৃষকদের দারিদ্র্য বিমোচন প্রকল্প, কফি ও কাজুবাদাম চাষের মাধ্যমে দারিদ্র্যহ্রাসকরণ প্রকল্প, সুগারক্রপ চাষাবাদ জোরদারকরণ প্রকল্প, পার্বত্য অঞ্চলে পল্লী সড়ক নির্মাণ প্রকল্প, জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য মাস্টার ড্রেইন নির্মাণ ইত্যাদি প্রকল্পসমূহের উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে  পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম এনডিসি, যুগ্মসচিব মো. হুজুর আলী, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর-রশীদ, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপুসহ পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ, তিন জেলা পরিষদ ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



২০২৪-২৫ সেশনে নারীদের জন্য স্টেম স্কলারশিপ নিয়ে এলো ব্রিটিশ কাউন্সিল

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:যুক্তরাজ্যের শিক্ষার সুযোগ ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক নিশ্চিতের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ কাউন্সিল, সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে ‘ব্রিটিশ কাউন্সিল স্কলারশিপ ফর ইউমেন ইন স্টেম’ প্রোগ্রাম চালুর ঘোষণা দিয়েছে। স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) বিষয়ে যুক্তরাজ্যে স্নাতকোত্তর করতে আগ্রহী নারীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।বৈচিত্র্য, ভিন্নমত ও উদ্ভাবন নিশ্চিত ও প্রসার করতে স্টেম খাতে নারীদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

নারীদের অংশগ্রহণ কেবল লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনবে না, তাদের অনন্য দক্ষতা কর্মক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলবে; যা সর্বোপরি সমাজকে বিজ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি জেন্ডার অ্যাসেসমেন্ট ২০২১ এর হিসাব অনুযায়ী, দেশের স্টেম পেশাজীবীদের মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ নারী। গবেষণায় দেখা যায়, সরকারি প্রতিষ্ঠানে নারী শিক্ষার্থীদের স্টেম বিষয়ে ভর্তির হার মাত্র ৩৮ শতাংশ, আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির হার ৪৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলোর স্টেম বিষয়ে অধ্যয়নরত নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি স্কলারশিপ ঘোষণা করা হয়েছে। কুইন মেরী ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন, অ্যাংলিয়া রাসকিন ইউনিভার্সিটি, গ্রিনিচ ইউনিভার্সিটি, দ্য ইউনিভার্সিটি অব সাউথ্যাম্পটন ও কভেন্ট্রি ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্যের এই ৫টি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নের ক্ষেত্রে স্কলারশিপের সুযোগ থাকছে। যুক্তরাজ্যের সমৃদ্ধ স্টেম খাতে অধ্যয়নের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজ দেশে গবেষণা ও উদ্ভাবন এগিয়ে নিতে এবং এই খাতে নিজেদের ক্যারিয়ার গঠন করতে বৃত্তিপ্রাপ্তদের দক্ষ করে তুলবে এই স্কলারশিপ। সাইটেবল রিসার্চের (গবেষণা) ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য বর্তমানে বিশ্বের ৩য় অবস্থানে রয়েছে এবং যুক্তরাজ্যে ভিত্তিক সমস্ত প্রকাশনার ৫৫.২ শতাংশই সম্মিলিত প্রচেষ্টার (সহযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক গবেষণা) মাধ্যমে সম্পূর্ণ করা হয়।

এই স্কলারশিপের আওতায় টিউশন ফি, স্টাইপেন্ড, ভ্রমণ খরচ, ভিসা, হেলথ কভারেজ ফি ও ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ সাপোর্ট থাকছে। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি ডেটা সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স,ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং,ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট, ইনটেলিজেন্ট হেলথকেয়ার এবং

অ্যাকচুয়ারিয়াল সায়েন্সে পড়ার সুযোগ পাবেন।এ বিষয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের হেড অব এডুকেশন বাংলাদেশ তৌফিক হাসান বলেন, “বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনংসংখ্যাই নারী, প্রতিনিধিত্ব করছেন গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় মেধাশক্তির। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞান ও গবেষণায় নারীদের পূর্ণ অংশগ্রহণ প্রয়োজন। কেবল ধারণা হিসেবে নয়, বরং মানবজাতির সমৃদ্ধির জন্যই এখন লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করা জরুরি। উইমেন ইন স্টেম স্কলারশিপের মতো আমাদের এই উদ্যোগের লক্ষ্য স্টেম বিষয়ে শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা প্রদান, তাদের সক্ষমতার বিকাশে সাহায্য করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান নিশ্চিত করা।”


২০২০ সাল থেকে এই প্রোগ্রামটি ৩০০টি’রও বেশি স্কলারশিপ প্রদান করেছে। বৈশ্বিকভাবে ২০২৩-২৪ সেশনে নির্ধারিত কোর্সে ৯২জন শিক্ষার্থী এই সুযোগ পেয়েছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে নারীদেরকে সফল হতে এবং স্টেম খাত সংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক স্বীকৃতি পাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়ার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কাউন্সিলের অব্যহত প্রতিশ্রুতির অংশ এই স্কলারশিপ।নারীদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং নিজ দেশ ও যুক্তরাজ্যে স্টেম বিষয়ে অধ্যয়নরত নারীদের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে স্টেম খাতে ক্যারিয়ার গঠন ও অবদান রাখার জন্য নারীদের অনুপ্রাণিত করাই এই স্কলারশিপের লক্ষ্য। নারীরা ডিপেন্ডেন্ড সহ (নির্ভরশীল সদস্য) এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে

পারবেন, সেক্ষেত্রে তারা অতিরিক্ত কিছু সহযোগিতাও পাবেন।
এবছরের মার্চ থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে আবেদন গ্রহণের শেষ সময় যা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পূর্ণাঙ্গ তালিকা, কোর্সের তালিকা,

নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের শেষ সময়, ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা বা অন্য যেকোনোতথ্যের জন্য ভিজিট করুন https://www.britishcouncil.in/study-uk/scholarships/womeninstem-
scholarships

আরও খবর



বিরামপুরে এক কেজি সাপের বিষ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ১০ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ৪২জন দেখেছেন

Image

মিজানুর রহমান মিজান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃদিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্তে ভারতে পাচার কালে এক কেজি সাপের বিষ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড ঘাসুডিয়া ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা।

জয়পুরহাট-২০ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ তানজিলুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জয়পুরহাট-২০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ তানজিলুর রহমান ভূঁইয়া জানান, বুধবার (১০ এপ্রিল ) রাত পৌনে তিনটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমার নির্দেশে উপ-অধিনায়ক মেজর আফিক হাসান নেতৃত্বে ও ঘাসুড়িয়া ক্যাম্পের বিজিবি'র  টহল কমান্ডার নায়েক মোঃ আসাদুজ্জামান এর সহযোগিতায় দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকা অভিযান চালান। এসময় হতে অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে সাপের বিষ পাচারের চেষ্টাকালে এক কেজি সাপের বিষ উদ্ধার করেন বিরামপুর সীমান্তের ঘাসুড়িয়া ক্যাম্পের বিজিবি'র একটি বিশেষ টহলদল।

তিনি আরো জানান, সীমান্ত পিলার ২৮৯/১-এস হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ওসমান মোড়, ঈদগাহ মাঠ নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে এক কেজি সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সাপের বিষের আনুমানিক মূল্য এক কোটি বিশ লক্ষ টাকা। এবিষয়ে চোরাচালান আইনে বিরামপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজিবি'র এই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।


আরও খবর