Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

বিধিনিষেধ না মানলে লকডাউন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:Saturday ১৫ January ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৬৫জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান ১১ দফা বিধিনিষেধ অমান্য করলে লকডাউন দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস ইউনিট ও সিটি স্ক্যান মেশিন উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা এখন উর্দ্ধমুখী। গতকাল চার হাজার ৪০০ মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ১৩ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন যে হারে করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে তা আশঙ্কাজনক। আমি একটি সমীক্ষায় দেখেছি, আক্রান্ত যদি আড়াই হাজার হয়, সেখানে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে দুই থেকে তিন শতাধিক রোগী। এর মধ্যে বর্তমানে এক শতাংশ রোগীর আইসিইউ প্রয়োজন হচ্ছে। এভাবে রোগী ও সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে হাসপাতালে যায়গা হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় বেশীরভাগ লোকই মাস্ক ছাড়া। এটা খুবই দু:খজনক। তবে আশার আলো হচ্ছে আগের চেয়ে অনেক মানুষ মাস্ক পড়ে। তাই সকলকে মাস্ক পড়তে হবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে সাড়ে আট কোটি প্রথম ডোজ টিকা দিয়ে ফেলছি। ২য় ডোজও পৌঁনে ছয় কোটি দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। স্কুল শিক্ষার্থীদের ৭০ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের এক কোটি ২৫ লাখ টিকার প্রয়োজন পড়বে। এ মাসেই সকল শিক্ষার্থী আসলে সেটা পূরণ করা সম্ভব। যারা এখনো টিকা নেন নাই তাদেরও তিনি টিকার নেওয়ার আহ্বান করেন।’

এ সময় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি রমজান আলী, যুগ্ম সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, সদর উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকারসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



গাজীপুরে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত:Thursday ০৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক।।


 গাজীপুরে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মানবাধিকার কর্মী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।


আজ বৃহস্পতিবার ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা মো. শাহীন আলমের (৩২) বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই নারী। 


লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের প্রথম দিকে শ্রীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি শাহীন আলম তাকে অনুসরণ করেন। 


গত বছরের ৮ জুলাই রাতে শাহীন আলম ফেসবুক মেসেঞ্জারে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবসা সংক্রান্ত আলাপ করেন।


এক পর্যায়ে শাহীন ওই নারীকে পণ্য নিয়ে দেখা করতে বললে তিনি পরদিন তার সঙ্গে দেখা করতে যান।


সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেখা হওয়ার পর শাহীন ওই নারীকে তার অফিসে নিয়ে ধর্ষণ করেন।


ওই নারী জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা তখন তাকে মামলা না করতে প্রভাবিত করেন।


আরও খবর



থানা হচ্ছে না তেঁতুলতলা মাঠে

প্রকাশিত:Thursday ২৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ২৭৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠের মালিকানা পুলিশের থাকলেও সেখানে থানা ভবনের নির্মাণকাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।


বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।


তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালে আমরা ওই জায়গাটির জন্য এপ্লাই (আবেদন) করেছিলাম। তবে খোঁজ নিয়ে দেখলাম ওই এলাকায় খেলার জায়গা নেই। প্রধানমন্ত্রীও পরামর্শ দিয়েছেন, যেহেতু খালি জায়গা নেই, বিনোদনের কিছু নেই সেজন্য তিনি বলেছেন পুলিশের জমি সেভাবে থাকুক। কোনো কনস্ট্রাকশন যেন না হয়। যেভাবে চলছে চলতে থাকুক। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।’


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জায়গাটি তো পুলিশেরই। প্রাচীর যতটুকু হয়েছে সেভাবেই। আগে যেভাবে ব্যবহার হতো সেভাবেই এলাকাবাসী ব্যবহার করবেন। প্রাচীর খুব বেশি হয়নি। যদি কোনো অসুবিধা হয় আমরা দেখবো। কিন্তু জায়গাটি পুলিশের, পুলিশেরই থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ পুলিশ করবে।


কলাবাগান থানা কোথায় হবে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খান বলেন, সেটা আমরা দেখবো। ভবিষ্যতের কথা ভবিষ্যতে। এখন আপাতত কিছু হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ তো অবশ্যই বন্ধ থাকবে। খেলার মাঠের জন্য উপযোগী জায়গা সেটি নয়। যেভাবে ইউজ করা হচ্ছিলো, সেই এলাকার লোক যেভাবে ইউজ করছে সেভাবেই থাকবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে।


আরও খবর



ফেরিতে জুয়ার আসর বসানোর দায়ে চার জুয়ারী আটক

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৮৬জন দেখেছেন
Image

এ আর হনিফঃ

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে চলাচলরত ফেরিগুলোতে জুয়ারীদের উপদ্রব বেড়েছে।



 এসব জুয়াড়িরা ফেরিতে জুয়া খেলার আয়োজন করে নিঃস্ব করছে যাত্রী ও চালকদের। 


শুক্রবার (২০ মে) দিবাগত রাতে দৌলতদিয়ার ৫নং ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া রো রো ফেরি কেরামত আলী মাঝ নদীতে পৌঁছালে যাত্রী বেশে থাকা নৌ-পুলিশ চার জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে।


তারা হলেন- গোয়ালন্দ উপজেলার উত্তর দৌলতদিয়া সিদ্দিক কাজীপাড়া এলাকার মৃত মোবারক মোল্লার ছেলে বরকত মোল্লা (৪২), উত্তর দৌলতদিয়া ঢল্লাপাড়া এলাকার মৃত নবু খাঁর ছেলে নুরু খাঁ (৫৩), বাহিরচর দৌলতদিয়া শাহাদৎ মেম্বারপাড়া এলাকার অকেল মোল্লার ছেলে উসমান মোল্লা (৫৪) ও একই গ্রামের মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে সাগর হোসেন (৩৭)।


গ্রেফতার জুয়াড়িদের দেওয়া ভাষ্যমতে একই গ্রামের মৃত মোহন সিকদারের ছেলে রেজাউল সিকদারও (৩০) ফেরিটিতে ছিলেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যান।


 এ সময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে তাস, কুপি বাতি, জুয়া খেলার একটি বোর্ড ও নগদ টাকা জব্দ করে। তাদেরকে আজ দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুল হক খান।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে নেশা ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে উসমান মোল্লা ফেরিতে জুয়া খেলার সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। কারাগার থেকে গত বৃহস্পতিবার বের হয়ে আবার ফেরিতে জুয়া খেলা শুরু করেন।


ঘাট সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় রাতে ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি মাঝ নদীতে পৌঁছলে ইঞ্জিন চালিত নৌকা থেকে তারা ফেরিতে উঠে পড়ে। 


ফেরির এক কোনায় কুপি বাতি জ্বালিয়ে প্রথমে নিজেরা ৪-৫ জন বসে তাস নিয়ে খেলা শুরু করে। এ সময় যাত্রী বা গাড়ি চালক খেলায় আগ্রহ দেখালে সংঘবদ্ধ সদস্যরা টাকা পয়সা, মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে নেয়। কেউ এগিয়ে গেলে ধারালো ছুরি বা চাকু দিয়ে আঘাত করে দ্রুত নৌকা নিয়ে সটকে পড়ে।


দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, ‘শুক্রবার রাত পৌনে ১২টার দিকে দৌলতদিয়ার ৫নং ঘাট থেকে ছাড়া কেরামত আলী রো রো ফেরিতে জুয়াড়ি চক্রের সদস্যরা উঠছে সংবাদ পেয়ে যাত্রী বেশে কয়েকজন পুলিশ আগে থেকে অবস্থান নেয়। ফেরিটি কিছু দূর যেতেই কুপি বাতি জালিয়ে জুয়া খেলা শুরু করলে হাতেনাতে চার জনকে আটক করি।’


তিনি আরও বলেন, ‘এরা নেশার সঙ্গে জড়িত থাকায় টাকা জোগাড় করতে এ ধরনের কাজে জড়িয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি ফেরিতে পুলিশ দেওয়া সম্ভব হয় না। যে ফেরিতে পুলিশ থাকে না নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ফেরিতেই জুয়ার আসর বসায়। এ ছাড়া যে ফেরিতে তারা জুয়ার আসর বসায়, সেই ফেরিতে থাকা ডিম বিক্রেতা, ঝাল মুড়ি বিক্রেতাসহ বিভিন্ন হকাররা জুয়াড়িদের গোপনে খবর আদান প্রদান করে। বিনিময়ে জুয়াড়িরা হকারদের কিছু টাকা দেয়।’



আরও খবর



রান্না করা মাংস ও সালাদের দোকানে কাজ করতেন টাইটানিক ছবির নায়িকা

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

 বিনোদন ডেস্ক।

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেট উইন্সলেট। ‘টাইটানিক’ সিনেমায় রোজের চরিত্রে অভিনয় করে জয় করে নিয়েছেন অস্কার। হয়েছেন কালজয়ী সিনেমার অংশ।


দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে উইন্সলেটের নমনীয়তা স্পষ্ট। তিনি ‘টাইটানিক’ এবং দার্শনিক ‘রেব্যুলোশনারি রোড’- এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমায় অভিনয় করার পাশাপাশি। এইচবিওর ‘মিলড্রেড পিয়ার্স’ এবং ‘মেয়ার অফ ইস্টটাউন’- এর মতো ড্রামাতেও অভিনয় করেছেন। হয়েছেন বিখ্যাত।



তবে কেট উইন্সলেট বিখ্যাত এবং মিলিয়ন ডলার উপার্জন শুরু করার আগে বাকিদের মতো সাধারণ কাজ করতেন।


বার্কশায়ার লাইভ অনুসারে, উইন্সলেট বার্কশায়ারের রিডিং শহরে বেড়ে উঠেন। অভিনেত্রী হওয়ার আগে রান্না করা মাংস এবং তৈরি করা সালাদ ইত্যাদির দোকানে কাজ করতেন।



তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তার প্রথম সিনেমা ‘হেভেনলি ক্রিয়েচার’- এ অভিনয় করার সময় অভিনয়ের ক্যারিয়ারকে সুরক্ষিত করার আশায় পার্শ্ব কাজ হিসেবে তিনি ডেলিতে কাজ চালিয়ে যান। কেননা একজন অভিনেত্রী হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে যখন কেউ সবেমাত্র কাজ শুরু করে।


তিনি বলেন, ‘অবশ্য যখন আমি বিখ্যাত সিনেমাগুলোতে প্রধান চরিত্রে সুযোগ পেতে শুরু তখন সময়ের সঙ্গে সবকিছু বদলে যায়।’

১৯৯৪ সালে শোবিজ দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশের পর উইন্সলেটের পরবর্তী দুর্দান্ত হিট ছিল ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’ ছবিটি। এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অনেক দূর এগিয়ে শক্ত করে নিয়েছেন নিজের স্থান।


আরও খবর



কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

মানুষের কিডনি বেচা-কেনার দায়ে সাতজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Sunday ১৫ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে কিডনি বেচাকেনা চক্রের সঙ্গে জড়িত ৭ দালালকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ।  


শনিবার (১৪ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানিয়েছেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।


 গ্রেফতার দালাল চক্রের সদস্যরা হলেন- কালাই উপজেলার থল গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে সাহারুল ইসলাম (৩৮), একই উপজেলার উলিপুর গ্রামের ফরিদুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন ওরফে চপল (৩১), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন (৫৪), ভেরেন্ডি গ্রামের জাহান আলীর ছেলে শাহারুল ইসলাম (৩৫), জয়পুর বহুতি গ্রামের মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে মোকাররম হোসেন (৫৩), দূর্গাপুর গ্রামের মৃত বছির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাইদুল ইসলাম ফকির (৪৫) ও পাঁচবিবি উপজেলার গোড়না আবাসনের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪০)।  

  

পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাতে জয়পুরহাটের কালাই ও পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।


 


তিনি বলেন, দালালরা দীর্ঘদিন ধরে জয়পুরহাটের মাত্রাই ও উদয়পুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ, ঋণগ্রস্ত ও হতদরিদ্র মানুষদের ফুসলিয়ে টাকার লোভ এবং অল্প সময়ে বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে নারী এবং পুরুষদের কিডনি বিক্রি করাতেন। এসব নিরীহ মানুষরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দালালদের খপ্পরে পরে প্রথমে ৪-৫ লাখ টাকার চুক্তিতে তাদের মূল্যবান কিডনি বিক্রি করে দেন।


পরে ভারত ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে তাদের কিডনি দিয়ে নামমাত্র চিকিৎসা নিয়ে যখন দেশে ফেরেন, তখন দালালরা বিমান বন্দরেই তাদের হাতে ১-২ লাখ টাকা ধরিয়ে দিয়ে সেখান থেকে বিদায় করেন।


পরবর্তীকালে কিডনি দাতারা নিজের অঙ্গ বিক্রি করে ঝুঁকি নিয়ে জীবন অতিবাহিত করলেও লাভবান হচ্ছেন এসব দালালরা।


আবার নিজের কিডনি বিক্রি করে প্রতারিত হয়ে নতুন করে দালাল বনে যাচ্ছেন কোনো কোনো কিডনি দাতারা।  


তিনি আরও জানান, গ্রেফতার দালালরা কিডনি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবদে স্বীকার করেছেন। কিডনি বেচাকেনা প্রতিরোধে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।  


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন, সদর সার্কেল মোসফেকুর রহমান, পাঁচবিবি সার্কেল ইশতিয়াক আলমসহ পুলিশের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।


জানা যায়, বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫শ জনেরও বেশি অভাবী মানুষ তাদের শরীরের একটি করে কিডনি বিক্রি করেছেন। আর এসব ঘটনায় ১৫টি মামলায় এ পর্যন্ত ১২১ জনকে আসামি করা হলেও গ্রেফতার হয়েছে মাত্র ৪৭ জন।   



আরও খবর