Logo
আজঃ রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কর্মীদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে কত বিলিয়ন অনুদান-ঋণ দেবে চীন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী নাসিরনগরে খুনের মামলার বাদীর এখন দিন কাটছে আতংকে মধুপুরে ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত এবার কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেন আয়মান সাদিক ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশি সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশের কর্ণধার: ধর্মমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন
তারেক-জেবায়দার মামলা

বিচারকের সামনে হাতাহাতি, বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের নামে জিডি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৩০৯জন দেখেছেন

Image

আদালত প্রতিবেদকবিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্য নেওয়ার সময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটার পর রাতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদ তালুকদারসহ ২৮ আইনজীবীর বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডিতে বিএনপিপনন্থী আরও ১০০-১৫০ জন আইনজীবীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার ছাড়াও যাদের নামে জিডি করা হয়েছে তারা হলেন আইনজীবী সেলিম, মিলন, মিনহাজ রানা, আনোয়ার হোসেন, মো. জাবেদ, শফিকুল ইসলাম শফিক, আব্দুল হান্নান, আব্দুল খালেক মিলন, জহিরুল ইসলাম কাইয়ুম, তাহমিনা আক্তার হাশমী, শামিমা আক্তার শাম্মি, নারগিস সুলতানা মুক্তি, ওমর ফারুক ফারুকী, মো. নিজাম উদ্দিন নিজাম, মো. ইব্রাহীম স্বপন, মো. মোয়াজ্জেম, মো. নুরুজ্জামান, এইচ এম মাসুম, মো. হিরা, মো. সামছুজ্জামান দিপু, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মাসুম হাসান, মো. নিহার হোসেন ফারুক, মো. তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ, মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ, জহিরুল ইসলাম মুকুল ও নুরুজ্জামান তপন।

জিডিতে বলা হয়, মঙ্গলবার মহানগর দায়রা জজ কোর্ট ও বিশেষ ট্রাইবুনাল-১-এ তারেক রহমান ও জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। দুপুরের বিরতির পর মহানগর দায়রা জজ বিকেল ৩টায় মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মামলার বিচারিক কার্যক্রম ব্যাহত করার লক্ষ্যে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মামলার সাক্ষীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে আদালতের ভেতর হট্টগোলসহ সাক্ষীদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। আদালতে উপস্থিত অ্যাডিশনাল পিপি তাপস পাল ও দুদকের পিপি জাহাঙ্গীর হোসাইন তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমান বলেন, ‘আদালতে হট্টগোলের ঘটনায় একটি জিডি করেছেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের নাজির শাহ মো. মামুন। মঙ্গলবার রাতেই জিডি হয়েছে। তদন্ত করে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

উল্লেখ্য, গত রোববার থেকে মামলাটিতে প্রতিদিন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য রাখা হচ্ছিল। তাই গত সোমবার বিএনপিদলীয় আইনীজীবী, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ফারুকী মামলাটির সাক্ষ্য চলাকালে বিচারক ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আছাদুজ্জামানকে বলেন, ‘মামলাটিতে প্রতিদিন সাক্ষ্যগ্রহণের বিষয়টি দৃষ্টিকটূ। আমরা চাই এভাবে যেন প্রতিদিন সাক্ষ্যগ্রহণ না করা হয়।’ তখন বিচারক বলেছিলেন, তিনি বিষয়টি দেখবেন।

এরপরও গতকাল আবার মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য থাকায় এ আইনজীবী বিএনপিপন্থী কয়েকজন আইনজীবীর উপস্থিতিতে বিষয়টি আবার আদালতে মেনশন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের একজন প্রসিকিউটর বিচারককে মেনশন করা আইনজীবী ফারুকীর বক্তব্য ভিডিও করছিলেন। তখন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা ভিডিও করতে বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। তখন বিচারক এজলাস ছেড়ে যান।

খবর পেয়ে আওয়ামী লীগদলীয় আইনজীবীরাও ওই আদালতে আসেন। তখন উভয়পক্ষের আইনজীবীরা একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আদালত কক্ষে অবস্থানের পর তারা চলে যান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিচারক পুনরায় এজলাসে ওঠেন। তিনি ২৫ মিনিট অবস্থান করে সাক্ষীর অবশিষ্ট জবানবন্দি শেষ করেন।


আরও খবর



মালিতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে। গ্রামের মানুষের ওপর চালানো এই হামলায় নিহত হয়েছেন প্রায় ৪০ জন।

আফ্রিকার এই দেশটির মধ্যাঞ্চলে এই হামলার ঘটনা ঘটে এবং এই অঞ্চলটিতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো বহু বছর ধরে সক্রিয় রয়েছে। বুধবার (৩ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্রোহে জর্জরিত মধ্য মালির একটি গ্রামে অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তিদের হামলায় প্রায় ৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে মঙ্গলবার দেশটির স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সোমবার মোপ্তি অঞ্চলের ডিজিগুইবোম্বো গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। মূলত মালির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলীয় বেশ কয়েকটি অঞ্চলের মধ্যে এই এলাকাটিও রয়েছে যেখানে আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটের সাথে যুক্ত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় রয়েছে।

ব্যাঙ্কাসের মেয়র মৌলেয়ে গুইন্দো বলেছেন, অত্যন্ত গুরুতর আক্রমণ হয়েছে, সশস্ত্র লোকেরা গ্রামটি ঘিরে ফেলে এবং লোকজনকে গুলি করতে শুরু করে। তিনি মৃতের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলতে সক্ষম হননি, তবে দুই স্থানীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, হামলায় প্রায় ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘এটি ছিল গণহত্যা, হামলার আগে সন্ত্রাসীরা গ্রামটি ঘিরে ফেলে, সেখানে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল... হামলার ঘটনায় সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, কিছু লোক পালিয়ে যেতেও সক্ষম হয়, কিন্তু অনেককে হত্যা করা হয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগই পুরুষ।

মালির কর্মকর্তারা অবশ্য হামলাকারীদের শনাক্ত করেননি এবং কোনো গোষ্ঠী এখনও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। এছাড়া এ বিষয়ে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ দেশ মালি খুবই দরিদ্র। এছাড়া সাহেল অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে যে সংঘাত চলছে মালি তার উপকেন্দ্র। বছরের পর বছর ধরে দেশটিতে জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে হাজার হাজার সৈন্য ও বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং প্রায় ২০ লাখ মানুষ বাস্ত্যুচুত হয়েছেন।

প্রতিবেশী বুরকিনা ফাসো এবং নাইজারেও এই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে থাকায় মালিতে ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুটি অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এছাড়া এই নিরাপত্তাহীনতাই বুরকিনা ফাসোতে এবং নাইজারেও অভ্যুত্থান ঘটাতে সাহায্য করেছে।


আরও খবর



শাহবাগ এলাকার জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে কাজ করছে টিআই মঞ্জুরুল আলম

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ২০৬জন দেখেছেন

Image

কামাল হোসেন খানঃঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ট্রাফিক) যুগ্ম কমিশনার  মেহেদী হাসানের নির্দেশনায়, রমনা ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোঃ জয়নুল আবেদীন এর তত্ত্বাবধানে ট্রাফিক শাহবাগ জোনের সহকারি পুলিশ কমিশনার মেহেদী হাসান শাকিল এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ট্রাফিক পুলিশের শাহবাগ জোনের পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) এ কে এম মঞ্জুরুল আলম এর উদ্যোগে সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শাহবাগ মোড় থেকে আজিজ সুপার মার্কেট গ্যাপ পর্যন্ত মিডওয়ে আইল্যান্ডে বাঁশও কাঁটাতার দিয়ে বেরিয়ার তৈরি করেন। এবং এসব বেরিয়ার এর মধ্যে রিফ্লেক্টিভ স্টিকার সংযোজন করা হয়।যাতে জনসাধারণ বিশৃংখল ও অনিরাপদ ভাবে রাস্তা পারাপার না করতে পারে সেই সাথে ফুট ওভারব্রিজ ও জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করতে বাধ্য হন। রাস্তা পারাপারে সড়ক আইন মেনে চলে ফুট ওভারব্রিজ জেব্রা ক্রসিং ব্যবহারে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের এই কার্যক্রম প্রতিনিয়ত অব্যাহত আছে। এছাড়াও এসব এলাকায় ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদার ও হকার উচ্ছেদ করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের বহিঃ বিভাগ (পিজি-আউটডোর) ও বিসিএস একাডেমি গ্যাপ এলাকা হকার ও ভাসমান দোকান মুক্ত করা হয়। এর ফলে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও জনসাধারণের নির্বিঘ্নে চলাচল সুনিশ্চিত করা হয়। ইতোপূর্বে উক্ত এলাকাটি হকার ও ভাসমান দোকান এবং অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে জনসাধারণের চলাচলে বিপত্তি ঘটতো। ট্রাফিক পুলিশের অভিযানে এসব এলাকায় অবৈধ পার্কিং ও হকার উচ্ছেদের কারণে সড়ক গুলোতে শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। এতে করে পথচারীদের চলাচলে অনেকটাই স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ট্রাফিক রমনা বিভাগের অন্তর্গত শাহবাগ জোনের টিআই এ.কে.এম মঞ্জুরুল আলম জানান"ট্রাফিক পুলিশের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

শাহবাগ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি অবৈধ ভাসমান দোকান ও হকারমুক্ত হওয়ায় এবং মিডওয়ে আইল্যান্ডে বাঁশও কাঁটাতার দিয়ে বেরিয়ার দিয়ে সড়কটি পথচারীদের চলাচলের জন্য নির্বিঘ্ন করায় মানুষের কাছে প্রশংসা পেয়েছে রমনা ট্রাফিক বিভাগ।


আরও খবর



বন্যার্তদের পাশে থাকবে ছাত্রলীগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৭৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি দলে সিলেট বিভাগ এবং কুড়িগ্রামের নদ নদী ঝরনা-জলসের পানি বৃদ্ধির কারণে সিলেট সুনামগঞ্জ কুড়িগ্রাম তৎ সংশ্লিষ্ট এলাকা বন্যা পরিস্থিতি উদ্ভাট হবার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বন্যা পরিস্থিতি দুর্ভোগে পড়ার অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতার হাত জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান। 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয় । 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দদের এ সকল কাজ করতে। বন্যা সম্পর্কে সচেতন তৈরি, শুকনো প্রস্তুতকৃত খাবার সরবরাহ, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও পানি  বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ,পানিবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতন তৈরি করা ও স্যালাইন বিতরণ, উদ্ধার কর্মকান্ড পরিচালনা করা, ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, স্বাস্থ্য ক্যাম্প পরিচালনা ও বিনামূল্য ওষুধ বিতরণ। 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান বলেন,যেকোনো দুর্যোগে ছাত্রলীগ সবার আগে মানুষের পাশে থাকে। বন্যা তোদের পাশে আমরা সবসময় আছি ও থাকবো। ছাত্রলীগের যারা নেতাকর্মী আছেন তারা সব সময প্রস্তুত থাকবেন।

আরও খবর



খাস জমি দখল করে মাছচাষ, পানিবন্দি ৩০০ পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে সরকারি খাস জায়গা দখল করে খালের শ্রেণি পাল্টে মাছচাষ করায় বিপাকে পড়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার। টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে বসতঘরে থাকতে পারছেন না তারা। উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের চুনি মিঝির টেক এলাকায় অবৈধভাবে খালের জায়গা দখল করে মাছচাষ করায় পানিবন্দি রয়েছে পরিবারগুলো।

সরেজমিনে ইছাখালী ইউনিয়নের চুনি মিঝির টেক গিয়ে দেখা যায়, সরকারি খাস জমি দখল করে অনেকে দিঘী খনন করেছেন। আবার কেউ কেউ সড়কের পাশে ও ফসলি জমি কেটে দিঘী খনন করেছেন। পানি চলাচলের একমাত্র খাল দখল করে রেখেছেন তারা। সামান্য বৃষ্টি হলে পানি চলাচলের কোনো জায়গা থাকে না। এলাকার অধিকাংশ পরিবারের ঘরে ঢুকে যায় বৃষ্টির পানি। এতে বিপাকে পড়েছে ওই এলাকার প্রায় ৩০০ পরিবার।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ১০-১৫ জনের একটি সিন্ডিকেট ওই এলাকার কোম্পানী নগর খালটির জায়গা দখল করে দিঘী কেটে মাছচাষ করছে। এতে করে পানি নিষ্কাশনের জায়গা সংকুচিত হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি জমে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৩০০ পরিবার।

পানিবন্দি হয়ে থাকা গৃহবধূ নাছিমা জানান, তার দুই সন্তান এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। ঠিকমতো সন্তানদের খাবারও দিতে পারেন না। টিউবওয়েলে পানি ওঠে না। পানির জন্য ১ কিলোমিটার হাঁটা লাগে। দিঘীর পাশে বড় করে পানি চলাচলের জায়গা করলে পানি জমে থাকতো না বলে জানান তিনি।

ষাটোর্ধ্ব বিবি ছকিনা জানান, এই এলাকায় কখনো পানি উঠতো না। দিঘী খনন হওয়ার পর হালকা বৃষ্টি হলে ঘর বাড়িতে পানি উঠে যায়। দিঘীর মালিকদের কিছু বললে তারা ঘর-বাড়ি বিক্রি করে চলে যাওয়ার হুমকি দেন।

সাবেক ইউপি সদস্য সাহাব উদ্দিন বলেন, এই জায়গায় ৮৬ ফুট সরকারি খাস জায়গা ছিল। পানি চলাচলের জন্য অনেক বড় খাল ছিল। কিন্তু মাছচাষিরা দিঘী খনন করে খালের জায়গা দখল করে নিয়েছে। এখন পানি চলাচলের কোনো জায়গা নেই। হালকা বৃষ্টি হলে পানি জমে প্রায় ৩০০ পরিবার কষ্ট করে। খালের জায়গা উন্মুক্ত করে দিলে আর পানি জমে থাকবে না।

তবে খাল দখল করে দীঘি খনন করা ইয়াছিন ও হারুন অর রশিদ জানান, ইছাখালীতে শুধু আমরা না, অনেকে দীঘি খনন করে আসছে। তাদের বিষয়ে কেউ কিছু বলছে না। আমরা লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছি। পুরো দীঘির পাড় কেটে দিলে আমাদের অনেক লোকসান হবে। তবে বাড়িঘরের পানি কমে যাওয়ার জন্য আমরা প্রকল্প থেকে পানি যাওয়ার পাইপ বসিয়েছি।

ইছাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। মাছচাষিরা অবৈধভাবে দিঘী খনন করেছে। বিগত তিন বছর ধরে ওই এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে অনেক কষ্ট করছেন। বিষয়টি আমাদের এমপি মাহবুবউর রহমান রুহেল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একাধিকবার অবহিত করেছি। আশা করছি শিগগিরই তারা এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, আমি নিজে এই এলাকা পরিদর্শন করেছি। অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে রয়েছে। অবৈধ দিঘী খননের কারণে পানি জমে থাকে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর নজরদারি রয়েছে: সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে, বলেছেন,সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে শরীয়তপুরের শেখ রাসেল সেনানিবাসে নবগঠিত ১২৯ ব্রিগেড সিগন্যাল কোম্পানির পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের কথা একেবারে পরিষ্কার। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশে যদি ভবিষ্যতে আক্রমণ হয়, সেক্ষেত্রে প্রতিহত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে প্রস্তুত সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। বর্ডার ভায়োলেশন, যেমন রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ওইখানে কোস্ট গার্ড ও বিজিবি রয়েছে। তারা বিষয়টি সম্পূর্ণ তদারকি করছে। সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিচ্ছে। আমরা প্রস্তুত আছি, যদি লেভেল ক্লোজ করে তাহলে সমুচিত ব্যবস্থা আমরা নেব।

সেনাপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘ মিশনে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে কুয়েত ও কাতারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা সফলতার সঙ্গে কাজ করছে। ভবিষ্যতে এসব দেশে সেনাসদস্য সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক কাজ করছে শেখ রাসেল সেনানিবাস। আমার দায়িত্বকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেবার মানসিকতা নিয়ে প্রদত্ত দায়িত্বসমূহ যথাযথভাবে পালন করতে পারায় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

সেনা প্রধান আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত ও স্বাধীন ভূখণ্ড নিরাপদ রাখতে অর্পিত সকল দায়িত্ব পালন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের সংকটময় মুহূর্তসহ যেকোনো পরিস্থিতিতে অকুতোভয় দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে আকাশপথে বরিশাল থেকে শরীয়তপুরের শেখ রাসেল সেনানিবাসে আসেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।


আরও খবর