Logo
আজঃ Wednesday ০৮ February ২০২৩
শিরোনাম
ন্যায্য মূল্য পাওয়ায় মহেশখালীর পানচাষীদের মাঝে আনন্দের বন্যা কুড়িগ্রামে সাড়ে ২২ হাজার পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক সবার জন্য নিরাপদ ডিজিটাল বিশ্ব নিশ্চিতের লক্ষ্যে ‘সিকিউরিটি ডে’ পালন করল গ্রামীণফোন হোমনায় ইউএনওর বিদায় সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠিত কলারোয়ায় জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে টিকাদান অবহিতকরণ দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন সিভিল সার্জন বিএনপির ১০ দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা আগামী সপ্তাহে সংসদীয় আসনগুলোর সীমানার খসড়া প্রকাশ: ইসি ভূমিকম্পে তুরস্কে মৃতের সংখ্যা ৮ গুণ বাড়তে পারে: ডব্লিউএইচও এইচএসসির ফল কাল, জানা যাবে যেভাবে

বহাল থাকছে জি এম কাদেরের ওপর নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:Thursday ১৯ January ২০২৩ | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ February ২০২৩ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

আদালত প্রতিবেদক: জাতীয় পার্টির বহিস্কৃত নেতা জিয়াউল হক মৃধার মামলায় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের ওপর দলীয় কার্যক্রমে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তা বহাল রেখেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া এ আদেশ দেন।

গত বছরের ৩০ অক্টোবর পার্টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিলেন যুগ্ম জেলা জজ আদালত। ওই আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে এ আবেদন করা হয়। গত ৯ জানুয়ারি ওই আবেদনের উপর শুনানি শেষে আজ নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার আদেশ দিলেন আদালত।

এর আগে ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর জাপার বহিস্কৃত নেতা জিয়াউল হক মৃধা জি এম কাদেরকে জাপার চেয়ারম্যান হিসেবে অবৈধ ঘোষণার ডিক্রি চেয়ে আদালতে মামলা করেন। মামলার পর আদালত জি এম কাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন।

জিয়াউল হক মামলায় অভিযোগ করেন, ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই জাপার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর ছয় মাস আগে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি জি এম কাদের তার বড় ভাই এরশাদকে ভুল বুঝিয়ে ‘জাতীয় পার্টির জন্য ভবিষ্যৎ নির্দেশনা’ শিরোনামে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করান। এরপর জি এম কাদের প্রথমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, পরে চেয়ারম্যান হন। যা ছিল গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী।

এ নিয়ে দলের ভেতরে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে এরশাদ ২০১৯ সালের ২২ মার্চ জি এম কাদেরকে কো-চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি দেন। ৪ মে পুনরায় তাকে জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেন। তখন এরশাদ গুরুতর অসুস্থ থাকায় তিনি স্বাভাবিক বিবেচনা প্রয়োগে সক্ষম ছিলেন না বলে মামলায় দাবি করা হয়। এরশাদের মৃত্যুর পর ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা দেন জি এম কাদের। দলের গঠনতন্ত্রে এভাবে চেয়ারম্যান ঘোষণার কোনো বিধান নেই।

মামলার অভিযোগ আরও বলা হয়, জি এম কাদের নিজেকে জাপার চেয়ারম্যান দাবি করে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলন ডাকেন। এর কিছুদিন আগে ১৯ ডিসেম্বর এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান ঘোষণা কেন বেআইনি হবে না এই মর্মে রুল দেন হাইকোর্ট। এটি বিচারাধীন অবস্থায় দলের কাউন্সিল করেন জি এম কাদের। এরপর তিনি পার্টির চেয়ারম্যান হন। রুল থাকা অবস্থা জি এম কাদেরের পার্টির চেয়ারম্যান হওয়া কেন অবৈধ নয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

এছাড়া একই অভিযোগে জাপার সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা গত বছরের ২৩ অক্টোবর জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান হিসেবে বেআইনি ঘোষণার ডিক্রি চেয়ে আরেকটি মামলা করেন।

এদিকে মামলাটি দুইটি খারিজের জন্য আবেদন করেছেন জি এম কাদেরের আইনজীবীরা। এ বিষয়ে ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মাসুদুল হকের আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশে জন্য আগামী ১৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।


আরও খবর