Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়া যে কঠিন রোগের লক্ষণ

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
Image

গরমে অতিরিক্ত শরীর ঘামার কারণে বারবার পানি পিপাসা পেতে পারে। এ কারণে গলা শুকিয়ে যাওয়ার অনুভূতিও হতে পারে।

তবে সব সময়ই যদি গলা শুকিয়ে যাওয়ার অনুভূতি হয় তাহলে দুশ্চিন্তার বিষয়! কারণ বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়ার এ সমস্যা হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ।

বর্তমানে প্রায় সবার ঘরেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবুও এ রোগ নিয়ে কেউ তেমন সচেতন নন। অনিয়মিত জীবনযাপনই এই রোগের মূল কারণ।

বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়া যে কঠিন রোগের লক্ষণ

যে কোনো রোগ বাসা বাঁধলে কোনো না কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় শরীরে। ঠিক একইভাবে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলেও শরীরে বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায়। যার মধ্যে অন্যতম হলো বারবার গলা শুকিয়ে আসা।

অথচ বেশিরভাগ মানুষই জানেন না যে, এই সমস্যার ডায়াবেটিসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিস থেকে হতে পারে মুখের একাধিক সমস্যা।

মাঝেমাধ্যেই মুখে ঘা হওয়া কিংবা গলা শুকিয়ে যাওয়া, ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি লক্ষণ হতে পারে ডায়াবেটিসের। ডায়াবেটিসের অন্যান্য উপসর্গগুলো কী কী?

>> রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে দাঁতে ক্ষয় হতে পারে।

>> মাড়িতে জ্বালাপোড়া করা বা লালচে হয়ে যাওয়া শুধু দাঁতের সমস্যাই নয়, বরং ডায়াবেটিস বাসা বাঁধলেও এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

>> ঘুম থেকে উঠে গলা শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণ টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ইঙ্গিত দেয়। ডায়াবেটিসের কারণে জিভে লালার পরিমাণ কমে যায়।

বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়া যে কঠিন রোগের লক্ষণ

সে কারণে গলা শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যাও হয় ও পিপাসা পায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণে গলায় জ্বালাপোড়া, আলসার ও সংক্রমণ পর্যন্ত হতে পারে।

>> ডায়াবেটিস বেড়ে গেলে জিভ, মাড়ি, গাল ও তালুতে লাল-সাদা দাগ দেখা যায়। এর থেকে মুখের বিভিন্ন অংশে ব্যথাও হতে পারে।

>> মুখের ভেতরের অংশ ও জিভে মাঝেমধ্যেই জ্বালাপোড়া করার সমস্যা হলে এড়িয়ে যাবেন না। ডায়াবেটিসের কারণে এমন হতেই পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে এ ধরনের সমস্যা বাড়ে।

মুখের এসব সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই রক্তে শর্করার পরিমাণ মাপুন ও সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করুন। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জীবন ধারায় পরিবর্তন আনুন।

সূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক


আরও খবর



চলন্ত বাসে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, বিকাশ পরিবহনের চালক গ্রেফতার

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

রাজধানীতে বিকাশ পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে চালক মো. মাহবুবুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ থানা পুলিশ। এ সময় ওই বাসটিও (ঢাকা-মেট্রো-ব-১২-০৬০৫) জব্দ করা হয়।

বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (চকবাজার জোন ও প্রশাসন লালবাগ বিভাগ) মো. কুদরত-ই-খুদা জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গত ২৪ জুলাই ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে ধানমন্ডি থেকে আজিমপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিকাশ পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসে উঠে কানে হেডফোন দিয়ে গান শুনতে শুনতে এক পর্যায়ে তিনি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।

‘পরে রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটের দিকে ভুক্তভোগী অনুভব করেন, তার শরীরে কেউ যেন হাত দিয়েছে। তাৎক্ষণিক তিনি তাকিয়ে দেখেন বাসে কোনো যাত্রী নেই এবং তার পাশের সিটে বাসটির হেলপার বসা।’

‘তখন ওই ছাত্রী বিপদ আঁচ করতে পেরে বাসের হেলপারকে তার পাশ থেকে ধাক্কা দিয়ে সরানোর চেষ্টা করেন। তখন ভুক্তভোগী সিট থেকে দাঁড়িয়ে নামার চেষ্টা করলে হেলপার তাকে পেছন থেকে এক হাতে মুখ চেপে ধরেন। ওই ছাত্রী নিজেকে বাঁচানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে হেলপারের কাছ থেকে ছুটে চালককে চিৎকার করে বাস থামাতে বলেন।’

‘কিন্তু চালক তখন বাস না থামিয়ে দ্রুতগতিতে ইডেন কলেজের সামনে দিয়ে আজিমপুরের দিকে যেতে থাকেন। এক পর্যায়ে আজিমপুর গার্লস স্কুলের কাছে বাসটি কিছুটা গতি কমালে ওই ছাত্রী লাফ দিয়ে বাস থেকে নেমে আত্মরক্ষা করেন।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রী ঘটনাটি ফেসবুকে শেয়ার করে একটি পোস্ট দেন। এরপর লালবাগ থানা পুলিশ প্রাথমিক অনুসন্ধান করে ভুক্তভোগীকে চিহ্নিত করে তথ্য সংগ্ৰহ করে। তাৎক্ষণিক সিসি ফুটেজ পর্যালোচনা ও আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বিকাশ পরিবহনের বাসটি শনাক্ত করা হয়।

‘এরপর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিকাশ পরিবহনের বাসচালক মো. মাহবুবুর রহমানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে বুধবার ঢাকার আশুলিয়া থানায় লালবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার কে এন রায় নিয়তির নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাসের হেলপারকে গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত আছে।’

এ ঘটনায় লালবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে বলেও জানান কুদরত-ই-খুদা।


আরও খবর



রূপগঞ্জে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসীদের বাঁধা, আতঙ্কিত এলাকাবাসী

প্রকাশিত:Saturday ১৬ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২১৯জন দেখেছেন
Image


রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ-মোঃ আবু কাওছার মিঠু 


রূপগঞ্জ থানা পুলিশের উদ্যোগে মাদক উদ্ধার, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, চাঁদাবাজি রোধ ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ গত তিন দিন ধরে ক্রাইম জোন খ্যাত চনপাড়া ও নাওড়া এলাকায় গত বুধবার থেকে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এসময় নাওড়া এলাকার কতিপয় সন্ত্রাসী পুলিশের অভিযানে বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে নাওড়া এলাকাবাসী আতঙ্ক নিয়ে জীবনযাপন করছে।


পুলিশ জানায়, গত বেশ কিছুদিন ধরে নাওড়া এলাকার কতিপয় সন্ত্রাসীরা মোশারফ মেম্বারের বাড়িসহ এলাকার নিরীহ মানুষের বাড়িঘরের হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনার পর এলাকাবাসী রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নাওড়া এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেন। 


নাওড়া এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সন্ত্রাসী ও ওয়ারেন্ট ভুক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান চালায়। চলমান অভিযানকে বাঁধাগ্রস্থ করতে নাওড়া এলাকার সন্ত্রাসীরা শুক্রবার রাতে পুলিশকে লক্ষ করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে চলমান অভিযানে বাঁধার সৃষ্টি করে।


এলাকাবাসী জানায়, নাওড়া এলাকায় কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের কারনে তারা বাড়িঘরের থাকতে পারছে না। পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পর রাতেই আবার সন্ত্রাসীরা বাড়িঘরের হামলা চালায়। তারা সন্ত্রাসীদের ভয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপনও করতে পারছেনা ।


স্থানীয় প্রশাসনের কাছে নাওড়া এলাকাবাসীর দাবী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।


রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এ এফ এম সায়েদ বলেন, রূপগঞ্জে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হতে দেওয়া যাবে না। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর



গাবতলী পশুহাটে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবস্থা করা হবে

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর গাবতলী পশুহাটকে ‘ডিজিটাল হাট’ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। বুধবার (৩ আগস্ট) গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট হার্ট’ শীর্ষক এক অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, গাবতলী ডিএনসিসির একটি স্থায়ী পশুহাট। এখানে সারা বছরই পশু বেচাকেনা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পশু নিয়ে আসেন বেপারীরা। তাই এই হাটটিকে আমরা স্মার্ট করতে চাই। গত ঈদুল আজহার সময় নিরাপদ ও সহজ লেনদেন নিশ্চিত করতে মোহাম্মদপুর (বছিলা), আফতাবনগর, ভাটারা, কাওলা, উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর ও গাবতলী পশুর হাটে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ বসিয়েছিল ডিএসসিসি।

এই হাটগুলো ক্রেতারা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এটিএম মেশিন থেকে টাকা তুলে বিক্রেতাকে পশুর মূল্য পরিশোধ করতে পেরেছেন। এছাড়া বিকাশ ও ইসলামী ব্যাংক এম ক্যাশের মাধ্যমেও মূল্য পরিশোধ করছেন ক্রেতারা। এসব বিষয় নিয়েই আজ ওই অভিজ্ঞতা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, স্মার্ট হাট, একটি স্মার্ট মুভমেন্ট। আমরা ক্যাশ টাকামুক্ত সোসাইটি করতে পারলে অনেক বিড়ম্বনা কমবে। উন্নত বিশ্বে এমনটাই হচ্ছে।এবার ওই ছয়টি পশুহাটে ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই নিরাপদে টাকা বহন করতে পেরেছেন।

গুলশান-বনানী এলাকায় পরীক্ষামূলক ৫০০ ব্যক্তিগত গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা তৈরি করা হবে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিএনসিসি এলাকার কোনো রাস্তায় গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ইজারা দেওয়া হয়নি। অনেকেই যেখানে-সেখানে গাড়ি পার্কিং করেন। এতে সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এই অবস্থান থেকে পরিত্রাণের জন্য গুলশান-বনানীতে ৫০০টি গাড়ি পার্কিং করা হবে। এটা ইজারাদার পরিচালনা করবে। প্রতিটি গাড়ি থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা নেবে। এটা সফল হলে পরে অন্যান্য এলাকায় পার্কিং করা হবে।


আরও খবর



ই-নামজারিতে কিউআর কোড, স্বাক্ষর লাগবে না ডিসিআর-খতিয়ানে

প্রকাশিত:Saturday ৩০ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

ই-নামজারি প্রক্রিয়ায় প্রণীত খতিয়ান ও ডিসিআরের নতুন ফরমেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করা হয়েছে। কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর (ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিপ্ট) ও খতিয়ানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা নাজিরের ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের (সরাসরি হাতে দেওয়া বা স্ক্যান/ছবি তুলে সংযুক্ত) প্রয়োজন নেই।

এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র এরই মধ্যে জারি করা হয়েছে বলে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ভূমিসেবা জনবান্ধব করার প্রত্যয়ে ভূমির সব সেবাকে ডিজিটাইজড করা হচ্ছে। এরই আলোকে ই-মিউটেশন প্রক্রিয়ায় প্রণীত খতিয়ান ও ডিসিআরের নতুন ফরমেটে কিউআর কোড যুক্ত করা হয়েছে।

কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দেওয়া ডিসিআর ও খতিয়ানের মতোই। এটি আইনগতভাবে বৈধ ও সর্বক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও ব্যবহারোপযোগী। কিউআর কোডযুক্ত ডিসিআর ও খতিয়ান প্রাপ্তির পর ভূমি অফিস থেকে ম্যানুয়াল ডিসিআর খতিয়ান সংগ্রহ করার প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা কাঠামো বা সরাসরি ই-নামজারি ওয়েবসাইটে গিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করে কোডযুক্ত অনলাইন ডিসিআর এবং কিউআর কোডযুক্ত অনলাইন খতিয়ানের বৈধতা সহজেই যাচাই করা যাবে।


আরও খবর



মাসিক বেতন-বোনাসে চাকরি করছে ১৬০০ হাঁস

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

ভোরের আলো ফুটতেই শুরু হয় কর্মময় আরও একটি দিন। সবাই চলছে যে যার কাজে। সেই ১০টা-৫টা অফিস শেষ করে আবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরা। এই চিরাচরিত দৃশ্য বিশ্বের সব শহরেই। তবে শুধু মানুষই নয়, ১০টা-৫টা অফিস করছে হাঁসেরাও। এজন্য মাসিক বেতন-বোনাসও পায় তারা।

‘প্যাঁক প্যাঁক’ শব্দ করতে করতে মাটির রাস্তা দিয়ে হেলতে দুলতে এগিয়ে চলেছে হাঁসের দল। একটি-দুটি নয়, হাজারেরও বেশি হাঁস ছুটছে কাজে। দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনের বাইরেই এরস্টে নদী-তীরবর্তী অঞ্চলের ভাইনইয়ার্ডগুলোতে এটি প্রতিদিনের দৃশ্য।

jagonews24

তবে হাঁসের দল যেদিকে ছুটছে সেদিকে নেই কোনো পুকুর। নদীর কিনারেও তোলা আছে উঁচু পাঁচিল। আসলে তারা যাচ্ছে অফিসে। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন। মানুষের মতো হাঁসেরাও চাকরি করে এদেশে। ভোরের আলো ফুটলেও তারাও দল বেঁধে কাজে যায়। বেতনও পায় মানুষের মতোই। অনেক বছর ধরে চলে আসছে এখানে হাঁস কর্মী।

বিশ্বের ওয়াইন উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ আফ্রিকা। সবমিলিয়ে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করে দক্ষিণ আফ্রিকার ভিনিকালচার শিল্প। শুধু মানুষই নয়, এই শিল্পক্ষেত্রে হাঁসেরাও মানুষের সহকর্মী। কেপ টাউনের ওয়াইন এস্টেট ভেরজেনোয়েড লো-তে হাঁসেদের ব্যবহার করা হয় কৃষিক্ষেত্রে। ভাইন ইয়ার্ড দেখাশোনা ও রক্ষা করার দায়িত্ব থাকে তাদের ওপরেই।

jagonews24

দক্ষিণ আফ্রিকার এই ভাইন ইয়ার্ডে কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। এমনকি কীটনাশকও ব্যবহৃত হয় না। পতঙ্গের উৎপাত এড়াতে সেখানকার কৃষকরা বেছে নিয়েছেন এই অদ্ভুত পন্থা। প্রতিদিন সকাল হলেই ভাইন ইয়ার্ডে নামানো হয় হাঁসের ব্যাটেলিয়ন। তারাই মাটি থেকে খুঁজে খুঁজে কীটপতঙ্গ, কৃমি, শামুক খেয়ে রক্ষা করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য। তাছাড়া তাদের মল-মূত্রই কাজ করে প্রাকৃতিক সার হিসেবে। ফলে এখানে কোনো কৃত্রিম ফার্টিলাইজারের প্রয়োজন হয় না।

কেপ টাউনের প্রতিটি ভাইনইয়ার্ডে ‘কাজ’ করে প্রায় ১৬০০-রও বেশি হাঁস। তবে এখানে সব প্রজাতির হাঁস নেই। এক্ষেত্রে ‘ইন্ডিয়ান রানার ডাক’ প্রজাতিকেই বেছে নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষকরা। কারণ এই বিশেষ প্রজাতির ঘ্রাণ শক্তি প্রবল। সহজে পোষও মানে তারা।

jagonews24

প্রতিদিন রাতে তাদের জন্য বরাদ্দ হয় বিশেষ প্রোটিনযুক্ত খাবার। মূলত এটিকেই ধরা হয় তাদের বেতন হিসেবে। বছরে একবার মাস খানেকের লম্বা ছুটিও পায় এই হাঁসেরা। সেটা মেলে ফসল কাটার মৌসুমে। মূলত এই সময়টায় নদীতেই সাঁতার কেটে বেড়ায় তারা। পাশাপাশি এ সময় বোনাসও পায় এই তারা। ভাইন ইয়ার্ডের সেরা আঙুরের একাংশ বরাদ্দ করা হয় হাঁসেদের জন্য।

দক্ষিণ আফ্রিকার এই প্রথা একদিকে যেমন রাসায়নিক দূষণে রেশ টেনেছে, তেমনই এই অবাক করা ‘আপিস’ হয়ে উঠেছে সেদেশের অন্যতম আকর্ষণ। হাঁসেদের এই কর্মকাণ্ড দেখতে এখন রীতিমতো ভিড় জমান পর্যটকরা। পৃথিবীর অন্যান্য দেশও কৃষিক্ষেত্রে এভাবে জৈব পথে হাঁটলে এক নিমিষে বদলে যেত পরিবেশের হাল। তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় এই অদ্ভুদ পদ্ধতি আজকের নয়। প্রায় ৩০০ বছর ধরে চলে আসছে এই পদ্ধতি।

সূত্র: সিএনএন ট্রাভেলস


আরও খবর