Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

বানভাসীদের পাশে ‘কুঁড়েঘর’ ব্যান্ডের তাশরীফ

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

জলে ভাসছে সিলেট৷ সিলেট ও মৌলভীবাজারের প্রায় ৫০ লাখ মানুষ পানিতে বন্দী হয়ে আছেন। মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা।

ক্রমশ অবনতি ঘটছে পরিস্থিতির। এরইমধ্যে বাংলাদেশের নানা অঙ্গনের তারকারা সক্রিয় হয়েছেন। নানাভাবে তারা বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন।

সে ধারাবাহিকতায় চমকে দিয়েছেন ‘কুঁড়েঘর’ ব্যান্ডের জনপ্রিয় তরুণ সংগীতশিল্পী তাশরীফ খান। এক ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে তিনি জানান, দুই দিনে ১৬ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করেছেন তিনি।

তাশরীফ লাইভে বলেন, ‘দুই দিনে ১৬ লাখ টাকা অনুদান এসেছে। আমাদের সব নম্বরের লিমিট শেষ। এখন কেউ টাকা পাঠাইয়েন না। আমরা এইটা ডিস্ট্রিবিউট করার পর প্রয়োজন হলে আবার জানাব।’

বেশ কিছুদিন ধরেই সিলেটে অবস্থান করছেন তাশরীফ। সহযোগীদের নিয়ে বন্যাকবলিত মানুষদের সাহায্য করছেন। অন্যরাও যাতে এই সাহায্যে এগিয়ে আসে এ কারণে লাইভ করে সবাইকে জানাচ্ছেন।

তার এই উদ্যোগ এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। সবাই বাহবা দিচ্ছেন তরুণ এই গায়ককে।


আরও খবর



২৮ রানে ৯ উইকেট হারালো শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২৪ June ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

শুরুর সঙ্গে শেষটা মিললো না। ১১.৫ ওভার শেষে ছিল ১ উইকেটে ১০০ রান। সেখান থেকে আর মাত্র ২৮ রান তুলতেই বাকি ৯ উইকেট হারালো শ্রীলঙ্কা। জস হ্যাজেলউডের এক ওভারের ধাক্কায় সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের লড়াকু পুঁজি পাওয়া হলো না।

অথচ কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়েছিলেন দানুষ্কা গুনাথিলাকা। ১৫ বলে ২৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে তিনি সাজঘরে ফেরার পরও অনেকটা সময় ভালো অবস্থানে ছিল লঙ্কানরা।

১২তম ওভারের শেষ বলে মিচেল স্টার্কের বলে বোল্ড হন পাথুম নিশাঙ্কা (৩১ বলে ৩৬)। সেই শুরু। এক ওভার পর এসে হ্যাজেলউড তুলে নেন ৩ ব্যাটারকে। কুশল মেন্ডিস (১), ভানুকা রাজাপাকসে (০) আর দাসুন শানাকা (০) দলকে বিপদে ফেলেই সাজঘরের পথ ধরেন।

চারিথ আসালাঙ্কা ভালোই খেলছিলেন। কিন্তু দলীয় ১১৬ রানের মাথায় তিনিও (৩৪ বলে ৩৮) রানআউট হয়ে গেলে লঙ্কানদের ধস ঠেকানো যায়নি। ইনিংসের ৩ বল বাকি থাকতে ১২৮ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল জস হ্যাজেলউড। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচায় ৪টি উইকেট শিকার করেছেন এই পেসার।


আরও খবর



মিরসরাইয়ে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ২

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় মালবাহী ট্রাকচাপায় অটোরিকশার চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি সড়কের করেরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. রুবেল (৩০) স্থানীয় করেরহাট ইউনিয়নের ঘেঁড়ামারা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। অপর নিহত মো. ইউসুফ একই ইউনিয়নের পূর্বঅলীনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক।

আহতরা হলেন- খোরশেদ আলম ও নাজমুল হোসেন। তাদের বারইয়ারহাট পৌর এলাকার কমফোর্ট নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

Accident-2.jpg

হাসপাতালটির কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাহিদ বলেন, আহতদের মধ্যে খোরশেদ ও নাজমুলকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেছি। নাজমুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুফল চন্দ্র সিংহ বলেন, ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক মো. ইউসুফ ও যাত্রী মো. রুবেল ঘটনাস্থলেই মারা যান। বাকি আহত দুই যাত্রীকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত রিকশা ও ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ট্রাকের চালক ঘটনার পরপর পালিয়ে গেছে।


আরও খবর



স্বপ্নজয়ের পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

প্রকাশিত:Friday ২৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুন উর রশীদ, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজতর করার লক্ষ্যে দেশের বৃহৎ নদীসমূহের উপর দিয়ে সেতু নির্মাণ করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪ জুলাই ২০০১ তারিখে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ২০১৫ সালে দেশের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। জাতির আস্থার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে দেশের উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন ভৌত অবকাঠামো নির্মাণে তাদের মেধা, প্রজ্ঞা, সততা এবং নির্ভরশীলতার প্রতিফলন রেখে আসছে।

একই সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কোন কোন কেপিআই এর নিরাপত্তা কাজেও সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত রয়েছে। যমুনা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুর নিরাপত্তাকল্পে যেভাবে যমুনা পাড়ে গড়ে উঠেছে বঙ্গবন্ধু সেনানিবাস- সেভাবেই পদ্মার উভয় পাড়ে তৈরি হয়েছে শেখ রাসেল সেনানিবাস (মাওয়া-জাজিরা)। এরই ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে সেতু বিভাগের সাথে সমন্বয়ক পূর্বক পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণশৈলীতে ইঞ্জিনিয়ার পরামর্শক নিয়োগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পদ্মা সেতু প্রকল্পের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক সম্পাদিত পদ্মা সেতু প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য নিরাপত্তা দায়িত্বগুলো হলো- মাওয়া প্রান্তে ৭৭ বর্গ কিঃ মিঃ ও জাজিরা প্রান্তে ১৩২ বর্গ কিঃ মিঃ এলাকার নিরাপত্তা বিধান এবং সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে ৬ কিঃ মিঃ নদীপথ প্রত্যক্ষভাবে নজরদারিতে রাখা এবং সেতুর নির্মাণ কার্য সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশী ব্যক্তিবর্গের, শ্রমিকদের, আগত অতিথিবৃন্দের এবং সকল সরঞ্জামাদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

jagonews24মাওয়া-জাজিরা ও নদীপথে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড কর্তৃক পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে নিরাপত্তা প্রদান

পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং সেতু কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিঃ জাতীয় নিরাপত্তা ও আর্থ-সামাজিক মূল্যায়নে পদ্মা সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম। এটি বাংলাদেশের এই পর্যন্ত সর্ববৃহৎ ভৌত অবকাঠামো। এই সেতুর সাথে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং জাতি হিসেবে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প প্রভাষিত। এপ্রেক্ষিতে পদ্মা সেতুর উপর নির্মাণকালীন এবং নির্মাণ পরবর্তী যে কোন ঝুঁকি বা হুমকি জাতীয় নিরাপত্তার প্রেক্ষিত হুমকি হিসেবে বিবেচ্য।

পদ্মা সেতু দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার সাথে শুধু সংযোগই করবে না, এটি এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্ককে যুক্ত করবে। অন্যদিকে পায়রা ও মংলা বন্দরসহ দক্ষিণের সকল উৎপাদনশীল কল-কারখানা, সংস্থা, প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি সংযোগ জাতীয় অর্থনীতি উন্নয়নে অভাবনীয় ভূমিকা রাখবে। কাজেই বাংলাদেশের অহঙ্কার এবং জাতীয় অর্থনীতির উন্নয়নের বাহক এই বৃহৎ প্রকল্পের উপর নির্মাণকালীন এবং নির্মাণ পরবর্তী নাশকতা পরিকল্পনার বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া সমীচীন হবে না। প্রকল্পের শুরু হতেই প্রকল্প কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি (সর্বোচ্চ ১২৯৬ জন বিদেশি নাগরিক একই সময়ে ছিলেন) গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের ক্ষতিসাধন, প্রকল্প এলাকার ভেতর শ্রমিক অসন্তোষ, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অতিমূল্যবান দ্রব্যসামগ্রী ও সরঞ্জামাদি পাচার অথবা ক্ষতিসাধন, সেতু সংলগ্ন অথবা নদী শাসন এলাকা হতে অবৈধ বালু উত্তোলন,ব্রিজের পিলারে নৌযানসমূহের ধাক্কা, প্রকল্প এলাকায় শ্রমিকদের মধ্যে মাদকের প্রভাব ইত্যাদি সম্ভাব্য ঘটনাসমূহ প্রকল্পের উপর প্রত্যক্ষ হুমকি ছিল।

এর পাশাপাশি পদ্মা সেতু প্রকল্প এবং তদসংলগ্ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, সড়ক দুর্ঘটনা, প্রকল্পের মালামাল পরিবহনে যানযট এবং অবৈধ চাঁদা আদায়, দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, শীতকালে নদীর নাব্যতা হারানোর মতো অনাকাঙ্খিত ঘটনাও পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজকে বিঘ্নিত করার আশঙ্কা ছিল।

jagonews24মাওয়া-জাজিরা ও নদীপথে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড কর্তৃক পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পে নিরাপত্তা প্রদান

এ সকল বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে এ নিয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয় যার উল্লেখযোগ্য অংশ হলো- মাওয়া ও জাজিরা এলাকায় স্থাপিত ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড ভূমিতে এবং নদীতে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি এবং সরঞ্জামাদির নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্থায়ী নিরাপত্তা চৌকি ও অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করবে এবং দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা টহল ও নৌ টহল পরিচালনা করবে- মাওয়া-জাজিরা প্রান্তে এবং নদীপথে যে কোন উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য একটি করে ইমারজেন্সী রেসপন্স দল প্রস্তুত থাকবে এবং সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় পূর্বক প্রকল্প এলাকার বাইরে যেকোন অনভিপ্রেত ঘটনা যা সেতু প্রকল্পের নির্মাণ কাজে প্রভাব ফেলতে পারে তা নিরসনের জন্য সকল কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানকল্পে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে মাওয়া এবং জাজিরা প্রান্তে দুটি অস্থায়ী সেনানিবাস স্থাপন করা হয়। গত ২৯ মে ২০২২ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাজিরা প্রান্তে ‘শেখ রাসেল সেনানিবাস’ নামে একটি স্থায়ী সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন। এই সেনানিবাস ভবিষ্যতেও পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তি মোতাবেক সেনাবাহিনী কর্তৃক সম্পাদিত নিরাপত্তার দায়িত্বসমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা এখানে তুলে ধরা হলোঃ

(১) মাওয়া-জাজিরা ও নদীপথে নিরাপত্তা প্রদানঃ মাওয়া প্রান্তে অবস্থিত পদাতিক ব্যাটালিয়নটি মাওয়া প্রান্তে ১ নং পিলার হতে ধলেশ্বরী ব্রিজ পর্যন্ত ৭৭ বর্গ কিঃ মিঃ এবং জাজিরা প্রান্তের পদাতিক ব্যাটালিয়ন পদ্মা ব্রিজের ৪১ নং পিলার হতে পাঁচ্চর পর্যন্ত ১৩২ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় দিনে ও রাতে সার্বক্ষণিক সরাসরি নজরদারির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আসছে। অন্যদিকে রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ব্রিজ এর পূর্বে এবং পশ্চিমে ৬ কিলোমিটার নদীপথের নিরাপত্তা বিধান করে আসছে।

(২) শ্রমিক অসন্তোষ দমনঃ ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড প্রকল্প কাজের সাথে নিয়োজিত ঊর্ধ্বতন দেশি-বিদেশি কর্মকর্তা/ প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা, সমন্বয় এবং এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে খাবারের মান উন্নয়ন, সঠিক সময়ে বেতন-ভাতা প্রদান, নামাজের বিরতিসহ সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে। সেতু কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ পুলিশের সাথে সমন্বয়পূর্বক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে ৯টি শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা দমন করা হয়েছে।

jagonews24৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড কর্তৃক শ্রমিক অসন্তোষ দমনে গৃহীত পদক্ষেপ

(৩) শ্রমিকদের নিরাপত্তাঃ পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান, চিকিৎসা সহায়তা এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় পূর্বক কোভিড ভ্যাকসিন আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এছাড়াও প্রকল্পের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে কাজের সময় যাতে কোন শ্রমিক সেফটি গিয়ার্স এর অভাবে অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনার সম্মুখীন না হয় এ বিষয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

(৪) অগ্নিনির্বাপণঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রকল্প এলাকায় অগ্নিকাণ্ড রোধকল্পে নিয়মিত অগ্নিনির্বাপণ সামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকল্প এলাকা ও তদসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এবং বড় ধরনের ক্ষতিসাধন থেকে জান ও মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

(৫) নির্মাণ সামগ্রী পাচার রোধঃ সেনাসদস্যরা পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের ছোট বড় অসংখ্য পাচারকারী (রড, লোহার এঙ্গেল, ব্যাটারি, ক্রেনের তার এবং তৈল চুরি) আটক করে এবং তাদেরকে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। এর মাধ্যমে প্রভূত অর্থনৈতিক ক্ষতি পরিহার করা সম্ভব হয়।

(৬) অবৈধ প্রবেশকারীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণঃ দেশি-বিদেশি নাগরিকগণের দ্বারা পদ্মা সেতুর ক্ষতিসাধন, প্রকল্প এলাকায় বিস্ফোরক স্থাপন, প্রকল্পের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার এবং বিদেশি প্রকৌশলীদের ক্ষতিসাধনসহ অনাকাঙ্খিত ঘটনা রোধকল্পে মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে স্থলপথ ও নদীপথে (মূল সেতু বরাবর চ্যানেল শুরুর পূর্ব পর্যন্ত) প্রয়োজনীয় জনবলসহ টহল পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধভাবে দেশি-বিদেশি প্রবেশকারীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ আসছে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড।

(৭) অবৈধ বালু উত্তোলন এবং পদ্মা সেতুর ক্ষতি রোধঃ জেলা প্রশাসন, সেতু কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয়পূর্বক পদ্মা বহুমুখী সেতু এলাকায় নদীপথে প্রভাব বিস্তারসহ বালু উত্তোলন, নদীতে ড্রেজিং, পাইলিং, নোঙ্গর করা ও প্রকল্প এলাকায় অবৈধ প্রবেশ রোধকল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

(৮) মাদক নিয়ন্ত্রণঃ সেনাবাহিনীর টহল ও নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্প এবং তদসংলগ্ন এলাকায় মাদকদ্রব্যের (ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজা) ব্যবসা সমূলে উৎপাটন করেছে সেনাবাহিনী।

(৯) উদ্ধারকার্যঃ পদ্মা সেতুর কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের যেকোন দুর্ঘটনায় উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে হাসপাতালে প্রেরণ এবং চিকিৎসা কার্যক্রম নিশ্চিত করছে সেনাবাহিনী।

jagonews24৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড কর্তৃক শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে পদক্ষেপ

(১০) ইমারজেন্সী রেসপন্স দলঃ মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে যেকোন উদ্ভুত পরিস্থিতি তাৎক্ষনিক মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও জনবলসহ ইমারজেন্সী রেসপন্স দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

(১১) ট্রাফিক ও যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণঃ পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকার ভেতরে ট্রাফিক পুলিশের সাথে সমন¡য়পূর্বক জাজিরা ও মাওয়ায় সেতু সংলগ্ন অ্যাপ্রোচ রোড ও সার্ভিস এরিয়া এবং ঢাকা হতে মাওয়া ও জাজিরা হতে ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেছে।

পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মানুষের একটি স্বপ্নের নাম - আজ এটি এক দৃশ্যমান বাস্তবতা। এটি জাতির সমৃদ্ধির প্রতীক। এই ধরনের একটি স্থাপনা রক্ষা করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব। পদ্মা সেতুর সার্বিক নিরাপত্তায় পেশাদার ও দেশপ্রেমী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ততা তাই একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। এছাড়াও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পদ্মা সেতু রেল লিঙ্ক প্রজেক্টের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। এই প্রবন্ধে পদ্মা সেতু নির্মাণাধীন সময়কালীন নিরাপত্তার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। পরবর্তীতে পদ্মা সেতু উদ্বোধন ও পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার দায়িত্বে বাংলাদেশের অন্যান্য সংস্থার সাথে সেনাবাহিনীর উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দৃঢ় প্রত্যয়ী। এছাড়াও সকল প্রয়োজনে জাতির আস্থার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদা তৎপর ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ সেতু বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, মুন্সীগঞ্জ, শরিয়তপুর ও মাদারীপুর জেলার প্রশাসন ও পুলিশ এবং অন্যান্য সকল সংস্থার সহযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার উপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করতে পেরেছে বলে সকলের নিকট বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও দেশের যে কোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।


আরও খবর



চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে বিদায় করে ইতিহাস গড়লো ক্রোয়েশিয়া

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

এই ফ্রান্সকে এর আগে কখনই হারাতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে ফরাসিদের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচটি শুরু হয়েছিল ২-১ গোলের হার দিয়ে।

এরপর আরও আটবারের চেষ্টায় ফ্রান্সের বিপক্ষে হতাশাই সঙ্গী হয়েছে তাদের। এর মধ্যে সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক ছিল ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনালে হার।

অবশেষে সেই জুজু কাটলো ক্রোয়েশিয়ার। উয়েফা নেশনস লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের বিদায় করেই ‘প্রতিশোধ’টা নিলো ক্রোয়াটরা, তুলে নিলো ফরাসিদের বিপক্ষে প্রথম জয়।

সোমবার রাতে ফ্রান্সকে তাদেরই মাঠে ১-০ গোলে হারিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোলটি করেন তারকা মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ।

ম্যাচে আক্রমণ কিংবা বল দখল সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল ফ্রান্স। তবে ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ার পর ঠিক গোছানো ফুটবল খেলতে পারেনি দিদিয়ের দেশমের দল।

ম্যাচে মোট ১৭টি শট নেয় ফ্রান্স, যার মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে নিজেদের বাঁচিয়ে খেলা ক্রোয়েশিয়া সুযোগ বুঝে আক্রমণ করেছে। ৪ শটের তিনটি ছিল তাদের লক্ষ্যে।

পঞ্চম মিনিটে ডি-বক্সে ক্রোয়েশিয়ার আন্তে বুদিমিরি ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। মদ্রিচের জোরালো স্পট কিকে গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁ বলে হাত লাগালেও রুখতে পারেননি।

গোল শোধে মরিয়া এরপর একের পর এক আক্রমণ করেছে। কিন্তু প্রতিপক্ষের রক্ষণ দুর্গ ভেঙে জাল কাঁপাতে পারেননি বেনজেমা-এমবাপেরা। একমাত্র গোল ধরে রেখে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ক্রোয়েশিয়া।


আরও খবর



হতাশার এক সেশন টাইগারদের, লিড নিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

সকালের সেশনে শেষ সময়ে এসে দারুণ চমক দেখিয়েছিলেন টাইগার বোলাররা। ১০০ রানের উদ্বোধনী জুটি তো ভেঙেছেই, এরপর ১ রানের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে লড়াইয়ে ফিরেছিল বাংলাদেশ।

কিন্তু প্রথম সেশনে সফরকারীদের হাসি দ্বিতীয় সেশনে মিলিয়ে দিলেন কাইল মায়ার্স আর জার্মেই ব্ল্যাকউড। ক্যারিবীয় এই যুগল গড়লেন ৩৩ ওভারে ১১৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।

যে জুটিতে ভর করে ইতোমধ্যে লিডও নিয়ে ফেলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেন্ট লুসিয়া টেস্টে বাংলাদেশের ২৩৪ রানের জবাবে ৪ উইকেটে ২৪৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতিতে গেছে স্বাগতিকরা।

সেট দুই ব্যাটারই ক্রিজে রয়ে গেছেন। মায়ার্স ৬০ আর ব্ল্যাকউড ৪০ রানে আছেন অপরাজিত। ৬ উইকেট হাতে রেখে ক্যারিবীয়দের লিড এখন ১৪ রানের।

এর আগে বিনা উইকেটে ৬৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম সেশনে ৪ উইকেটে তুলেছিল ১৩৭ রান। প্রথম ব্রেক থ্রুটা এনে দিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম।

দ্বিতীয় ব্রেক থ্রু পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি বাংলাদেশের। ১৩১ রানের মাথায় ক্যারিবীয়দের দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটায় টাইগাররা। এবার উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ।

এই ১৩১ রানের মাথায় বসিয়ে রেখে স্বাগতিকদের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন পেসার খালেদ আহমেদ। এরপর আর এক রান যোগ হতে খালেদের ঝুলিতে আরও ১ উইকেট। ১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা।

দ্বিতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে শুরু করেন দুই ক্যারিবীয় ওপেনার ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট এবং জন ক্যাম্পবেল। দু’জন মিলে ১০০ রানের জুটি গড়ে ফেলেন।

এরপরই স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ের ওপর প্রথম আঘাতটা হানেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার শরিফুল ইসলাম। ২৬তম ওভারে তার শেষ বলটি
ছিল শট পিচ করা। সঙ্গে এক্সট্রা বাউন্স হয়েছিল তাতে।

ক্যাম্পবেল চেষ্টা করেছিলেন পুল করতে। কিন্তু গতি আর এক্সট্রা বাউন্সের কাছে কুলিয়ে উঠতে পারেননি। বল গ্লাভসে লেগে চলে যায় উইকেটের পেছনে নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে। ৭৯ বল খেলে ৪৫ রান করে আউট হন ক্যারিবীয় ওপেনার।

এরপর মেহেদি হাসান মিরাজের আর্ম বলটাকে ফ্রন্ট ফুটে ডিফেন্ড করতে চেয়েছিলেন ব্র্যাথওয়েট। কিন্তু বলটাকে ঠিকমত পড়তে পারেননি। বলটা হালকা বাঁক খেয়ে গিয়ে সোজা আঘাত হানে তার স্ট্যাম্পে।

আউট হওয়ার আগে অবশ্য হাফসেঞ্চুরি করেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক। ১০৭ বলে ৫১ রানে থাকতেই মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলেন ব্র্যাথওয়েট।

এরপর এক ওভারে জোড়া চমক খালেদ আহমেদের। ৩৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলটি ছিল অফ স্ট্যাম্পের ওপর শট লেন্থের ডেলিভারির। স্টিয়ার করতে চেয়েছিলেন রেমন রেইফার। কিন্তু বল ভেতরের কানায় লেগে গিয়ে আঘাত হানে সোজা স্ট্যাম্পে। ২২ রান করে আউট হলেন রেইফার।

একই ওভারের শেষ বলে বোল্ড হন এনক্রুমাহ বোনারও। কোনো রানই করতে পারেননি তিনি। খালেদের গতিময় বলটি পা দিয়েও ঠেকাতে পারেননি বোনার। ১৩২ রানে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চতুর্থ উইকেট।


আরও খবর