Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

বাঁশের ঠিকা দিয়ে সরকারি কলেজে পাঠদান!

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

জামালপুরের মেলান্দহ সরকারি কলেজে বাঁশ ও কাঠের ঠিকা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। এতে ঝুঁকিতে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কলেজের দুইটি ভবন এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

জানা গেছে, কলেজটি ১৯৭২ সালে চার একর জমির ওপর নির্মিত হয়। ১৯৮৭ সালে এটি সরকারিকরণ হয়। আট বছর আগে কলেজের প্রশাসনিক ভবনসহ দুইটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে ২০১৬ সালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়।

পরে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পরিদর্শন শেষে ভবনটির অফিস রুম, কন্ট্রোল রুম ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেন এবং শর্ত সাপেক্ষে অন্যরুমগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেন। তবে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে এখনও ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এতে আতঙ্কে রয়েছেন অভিভাবকরা।

একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. লিটন জানান, কলেজের বিজ্ঞান ভবন, প্রশাসনিক ভবনসহ দুইটি ভবনে শ্যাওলা জমে রয়েছে। বিজ্ঞান ভবনের তৃতীয় ও দ্বিতীয় তলায় ভবনের বিভিন্ন জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়ছে। জানালা দরজাগুলোও ভেঙে পড়েছে। ভবনে প্রবেশ পথের প্রথম গেট ভেঙে পড়ে আছে। পলেস্তারা যেন খসে না পড়ে তার জন্য কাঠ ও বাঁশ দিয়ে ঠিকা দিয়ে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ভবন ভেঙে পড়ার ভয়ে মা বাড়ি থেকে কলেজে আসতে দেয় না। কখন যেন ভেঙে পড়ে এই আতঙ্ক সব সময়। কলেজের সব ক্লাসরুমে একই অবস্থা প্রায়। সিঁড়ির ছাদ থেকেও প্লাস্টার খসে খসে পড়ছে। ভেঙে পড়ার ভয়ে মাঝে মধ্যে ক্লাস করি।

একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী লিনা আক্তার বলেন, ক্লাসে ঢুকলে ভয় লাগে, কখন যেন ভেঙে পড়ে। আতঙ্ক নিয়ে প্রতিনিয়ত ক্লাস করে যাচ্ছি। এভাবে ক্লাস করা সম্ভব নয়। যদি কোনো সময় ভূমিকম্প হয় সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে পড়বে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে ক্লাস করে যাচ্ছি। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে কুলসুম বলেন, যেদিন আমার প্রথম ক্লাস ছিলো ওই দিনই চোখের সামনে ক্লাসরুমের জানালা ভেঙে পড়তে দেখেছি। এছাড়াও কিছুদিন আগে পরীক্ষা দেওয়ার সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে পরীক্ষা দিতে পারিনি। পরে অন্য রুমে গিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি।

আমিনুর রহমান নামে এক অভিভাবক জানান, একদিন কলেজে গিয়েছিলাম এক দরকারে। গিয়ে দেখি ছাদ থেকে ক্লাসরুমে পানি পড়ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্লাস্টার খসে পড়ে রড দেখা যাচ্ছে। তারপর থেকে আমার ছেলেকে আর কলেজে যেতে দেয়নি। টিসি নিয়ে অন্য কলেজে ভর্তি করিয়ে দেবো ভাবছি।

পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, সব সময় আতঙ্কের মধ্যে ক্লাস করাতে হয়। কখন যেন কী ঘটনা ঘটে। আমাদের সব সময় আতঙ্কে দিন কাটে। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

কলেজের অধ্যক্ষ হাসান তৌফিক মো. আলী নূর জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমানে সরকারি কলেজের অবকাঠামো অত্যন্ত নাজুক। ইতোমধ্যে প্রশাসনিক ভবনের একাংশ ও বিজ্ঞান ভবন মৌখিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রী ও আমরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করার ভয়ে অনেকে কলেজে আসতে অনীহা প্রকাশ করছে।

জামালপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, কলেজের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ থাকায় শিক্ষা-কার্যক্রম চালানো খুবই কষ্টসাধ্য। তাই ২০০৯ সালে একটি ভবন ও ২০১৮ সালে আরো একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এদিকে এমপি মহোদয়ের ডিও লেটারসহ ভবন বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে।


আরও খবর



আন্তর্জাতিক সিরিজ না হলেও কাছাকাছি স্বাদ পাব: মিঠুন

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ০৫ August ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

হোক তা টেস্ট, ওয়ানডে কিংবা টি টোয়েন্টি আসর- জাতীয় দলের খেলা মানেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। শুনতে কানে লাগলেও কঠিন সত্য হলো, ‘এ’ দলের খেলা কিন্তু সেটা নয়। সেখানে হয়তো প্রতিদ্বন্দ্বীতার বাতাবরণ থাকে। তবে তার গায়ে কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের লেভেল আঁটা থাকে না।

এখন বাংলাদেশ ‘এ’ দল যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাচ্ছে, সে সফরটিও কিন্তু তাই। সেখানে হয়তো ক্যারিবীয়দের ‘এ’ দলের সঙ্গে মোহাম্মদ মিঠুনের বাংলাদেশ ‘এ’ দলের জোর লড়াই হবে। তবে সিরিজটি কিন্তু আন্তর্জাতিক সিরিজ বলে গণ্য হবে না। তবে কি টাইগার এ দলের সফরটি অর্থহীন?

অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন অবশ্য মোটেও তা মনে করেন না। দেশ ত্যাগের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন বলেন, ‘আপনি যদি প্রতিযোগিতার কথা বলেন তখন ঘরোয়া ক্রিকেটের চেয়ে এ দলের সিরিজগুলো বেশি গুরুত্ব রাখে।’

তার কথা, ‘উইন্ডিজ এ দলের সঙ্গে আমি আগেও খেলেছি। ওদের জাতীয় দলের ক্রিকেটার যারা পাইপলাইনে থাকে ওরাই এ দলে খেলে। ওদের দলটা তাই বেশ শক্ত। আমি আশাকরি খুবই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট হবে। তো এটা আন্তর্জাতিক না হলেও কাছাকাছি স্বাদ পাব।‘

টাইগার ‘এ’ দলের ক্যাপ্টেন অকপটে স্বীকার করেছেন, ‘এ দলের কারো ভেতরে কোনোরকম প্রতিদ্বন্দ্বীতা নেই। নিজেদের মধ্যে কোন লড়াই নাই। আমরা তো কেউ কারও প্রতিযোগি নই। আমরা নিজেদের ভাল পারফরম্যান্স করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। এখানে আমরা সবাই মাথায় রাখি যে, আমি নিজে কি করছি। অন্য কেউ কি করছে এটা আমরা মাথায় রাখি না।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজে টাইগার ‘এ’ দলের লক্ষ্য কি? মিঠুন, সৌম্যরা কী জয়ের লক্ষ্য নিয়ে যাচ্ছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ? নাকি শুধুই বিদেশের মাটিতে খেলতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়া?

মিঠুনের কথা শুনে মনে হচ্ছে, তার দল জিততে চায়। তাই তো মুখে এমন কথা, ‘ওখানে আমাদের লক্ষ্য সিরিজ জেতা। এজন্য অনেক সেক্টরেই চ্যালেঞ্জ আসবে ও তা পার করতে হবে।’

মিঠুনের প্রত্যাশা যদি তারা একটি দল হয়ে খেলতে পারেন, সবাই সবার কাজ সঠিক সময়ে করতে পারলে জেতা সম্ভব। ‘এ জন্য ছোট ছোট কাজে সফল হতে চাই। ব্যক্তি পারফরম্যান্সের থেকে দল হয়ে কিভাবে পারফর্ম করতে পারি সেখানে ফোকাস রাখছি। এটা ধরে রাখতে পারলে ইতিবাচক কিছু হবে অবশ্যই।’

‘এ’ দল অধিনায়ক মিঠুন মনে করেন, তাদের পুরো জীবনটাই একটা অভিজ্ঞতা। ‘যেদিন থেকে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি, সেদিন থেকে জেনেছি অভিজ্ঞতা কাকে বলে। আমরা আলাদা একটা কন্ডিশনে খেলতে যাচ্ছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজে তো খুব বেশি ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাই না, আন্তর্জাতিক না, এ টিম বা অন্য সেক্টর তো বাদই দিলাম।’

‘তো ওখানে যদি আমরা খেলতে পারি, ওই কন্ডিশন সম্পর্কে একটা আইডিয়া হবে সফল হতে হলে কী করতে হবে।’


আরও খবর



শেওড়াপাড়ায় বর্জ্যের ভাগাড় নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর পূর্ব শেওড়াপাড়া এলাকার ইয়ুথ টাওয়ার গলিতে গৃহস্থালির বর্জ্য রাখার অস্থায়ী ভাগাড় বা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে ১০ জনের করা রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (৮ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাইনুল হাসান।

এর আগে পূর্ব শেওড়াপাড়া এলাকার ইয়ুথ টাওয়ার গলিতে গৃহস্থালির বর্জ্য রাখার অস্থায়ী ভাগাড় নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট করা হয়। ওই এলাকার অ্যাডভোকেট মো. জসিম উদ্দিনসহ ১০ জন বাসিন্দা এ রিট দায়ের করেন। রিট আবেদনে এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গৃহস্থালির বর্জ্য রাখার অস্থায়ী ভাগাড় বা সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণে আপত্তি জানিয়েছেন রাজধানীর পূর্ব শেওড়াপাড়া এলাকার ইয়ুথ টাওয়ার গলির বাসিন্দারা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র ও স্থানীয় ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছে ভাগাড়ের নির্মাণকাজ বন্ধের জন্য লিখিত আবেদনও করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছে করা আবেদনে এলাকাবাসীর পক্ষে বলা হয়, নির্মাণাধীন ভাগাড়ের চার মিটারের মধ্যে আবাসিক এলাকা। কাছেই অন্য একটি বেসরকারি বিদ্যালয়। তাই সেখানে ভাগাড় নির্মাণ করা হলে, পচা বর্জ্য থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধে বসবাসের পরিবেশ বিঘ্নিত হবে। যা পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।

আবেদনে আরও বলা হয়, গলির রাস্তার প্রশস্ততা কম। কোনোমতে একটি প্রাইভেটকার চলাচল করতে পারে। ভাগাড় থেকে ময়লা-আবর্জনা পরিবহনে ওই রাস্তায় বর্জ্য পরিবহনের ভ্যান ও বড় যানবাহন চলাচল করলে রাস্তাটি এলাকাবাসী ও জনসাধারণের চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাবে। এ ছাড়া ওই রাস্তায় শিশু ও বয়স্করা সকাল-সন্ধ্যা শরীরচর্চা করেন। ভাগাড়টি চালু হলে সেটি করাও সম্ভব হবে না।


আরও খবর



গুলশানে প্লট বরাদ্দ: জামিন হলেও মুক্তি মিলছে না কুতুবের

প্রকাশিত:Monday ১৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

ভুয়া আমমোক্তারের মাধ্যমে শ্বশুর ও আত্মীয়-স্বজনদের নামে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে। এ মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। সবশেষ কুতুব উদ্দিনকে হাইকোর্ট জামিন দিলেও মুক্তি দিতে পারবে না জেল কর্তৃপক্ষ।

ফলে আপাতত তাকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে। কারণ আপিল আবেদনটি শুনানি ও নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগার থেকে মুক্তি না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বারজজ আদালত।

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

জামিন বাতিল চেয়ে দুদকের আবেদন শুনানি নিয়ে সোমবার (১৮ জুলাই) আপিল বিভাগের বিচারপতি কৃষ্ণাদেব নাথের চেম্বারজজ আদালত এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সংস্থাটির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে গত ১৪ জুলাই তার জামিন মঞ্জুর করেছিলেন হাইকোর্ট। তবে সেই জামিন বাতিলের বিষয়ে আপিল করে দুদক। ওই আবেদনের ওপর আজ শুনানি শেষ না করে এই আদেশ দেন।

এর আগে ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দের মামলায় কুতুব উদ্দিনকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। ওইদিন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের একক বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কুতুব উদ্দিন আহমেদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এরপর গত ১৫ মার্চ নিম্ন আদালতে সাজার বিরুদ্ধে কুতুবের আপিল শুনানির জন্য নেন হাইকোর্ট।

২০১৮ সালের ৮ এপ্রিল কুতুব উদ্দিনকে গ্রেফতার করে দুদকের উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলমের নেতৃত্বাধীন একটি দল। এর আগে গুলশান থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন মির্জা জাহিদুল আলম।

কুতুব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার একটি প্লট তার শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দ করেন। শ্বশুর ও স্বজনদের নামে গুলশান অভিজাত এলাকায় সরকারি ১০ কাঠা জমি ক্রয় দেখিয়ে নিজেই বসবাস করেন।

ওই মামলায় কুতুবের সঙ্গে নাজমুল ইসলাম সাঈদকেও আসামি করা হয়। একই বছরের ১২ এপ্রিল কুতুবকে বরখাস্ত করে আদেশ জারি করে ভূমি মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



রূপগঞ্জে গাড়ি চাপায় পথচারী নিহত

প্রকাশিত:Tuesday ১২ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১৬০জন দেখেছেন
Image

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ আবু কাওছার মিঠু 


রূপগঞ্জে অজ্ঞাত এক গাড়ির ধাক্কায় আবু সাঈদ (৭৫) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছেন।


সোমবার (১১ জুলাই) সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের যাত্রামুড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাঈদ যাত্রামুড়া এলাকার মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের যাত্রামুড়া এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ি বৃদ্ধ পথচারীকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।


এ বিয়য়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেনু ঘোষণ দাস বলেন, খবর পেয়ে নিহত পথচারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার থানায় নিয়ে আসি। পরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



সাইকেল ছুড়ে ‘ডাকাত’ ধরার চেষ্টা সাহসী বালকের!

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

একটি চিপাগলির ভেতর সাইকেল চালিয়ে আসছিল এক বালক। এমন সময় মোটরসাইকেলে চড়ে সন্দেহভাজন এক ডাকাত অথবা ছিনতাইকারীকে এগিয়ে আসতে দেখে সে। এমন অবস্থায় বেশিরভাগ শিশুই ভয় পেয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ওই বালক তেমনটি নয়। সে দারুণভাবে নিজের বুদ্ধি আর সাহস কাজে লাগায়।

সন্দেহভাজন ডাকাতকে এগিয়ে আসতে দেখে ঝটপট সাইকেল থেকে নেমে গলির একপাশে দাঁড়িয়ে যায় ছেলেটি। কিন্তু এরপর যা করে তা অনেকটাই অপ্রত্যাশিত!

সন্দেহভাজন ডাকাতের মোটরসাইকেলের সামনে হঠাৎ নিজের সাইকেলটি ঠেলে দেয় বালক। তাতে ধাক্কা লেগে মুখ থুবড়ে পড়ে মোটরসাইকেলআরোহী। তবে আঘাত পাওয়া সত্ত্বেও দ্রুত উঠে দৌড় দেয় সেই ব্যক্তি।

ঘটনা এখানেও শেষ হয়নি। সন্দেহভাজন ডাকাতকে ভূপাতিত করে প্রথমে কিছুটা পিছিয়ে আসে ছেলেটি। তবে অন্যদের এগিয়ে আসতে দেখে আবারও সাহসী হয়ে ওঠে সে। এরপর বাকিদের পেছনে ফেলে সবার আগে ‘ডাকাত’ ধরতে দৌড় দেয় বালক।

সম্প্রতি এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। বিভিন্ন খবরে বলা হচ্ছে, এটি ভারতের গুজরাটের ফাতেপুরা এলাকার ঘটনা। তবে সেটি কবে ঘটেছে, অর্থাৎ ভিডিওটি সাম্প্রতিক নাকি পুরোনো, তা জানা যায়নি।

এতে অবশ্য ওই বালকের প্রশংসার কোনো কমতি হয়নি। একবাক্যে সবাই মেনে নিয়েছেন, ছেলেটি যেমন বুদ্ধিমান, তেমন সাহসী।

সূত্র: জিও নিউজ


আরও খবর