Logo
আজঃ Wednesday ০৮ December ২০২১
শিরোনাম
নৌকা পরাজিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান হলো তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু! তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা কুমিল্লায় নৌকা পেয়েও সরে দাড়ালেন বাহালুল, প্রাথমিক সদস্য না হয়েও মনোনীত নূরুল! মাতুয়াইলে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্ধোধন করলেন সংসদ সদস্য কাজী মনু পলো উৎসবে মাছ ধরায় মেতেছে মানুষ, চির চেনা বাংলা গাজীপুরে ৩০ সেকেন্ডেই মা-মেয়ের জীবন শেষ করল দুই খুনি হয়নি হাফ পাসের সিদ্ধান্ত,টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব আলেম-ওলামাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা-ভক্তি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রংপুরের তারাগঞ্জে ট্রাকচাপায় তিন নারী শ্রমিক নিহত কুমিল্লার তিতাস ও মেঘনা উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী যারা !

বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ, সঙ্গে লজ্জার হার

প্রকাশিত:Tuesday ০২ November 2০২1 | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ December ২০২১ | ১৭০জন দেখেছেন
স্পোর্টস ডেস্ক

Image


 

আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নামার আগে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের ক্ষীণ স্বপ্ন বেঁচে ছিল। তবে মাঠের লড়াইয়ে তা উবে যেতে সময় লাগেনি। ব্যাটে বলে হতাশাজনক পারফরম্যান্সে লজ্জার হার হেরেছে টাইগাররা।বাংলাদেশের দেওয়া ৮৫ রানের লক্ষ্য ৪ উইকেট হারিয়েই পেরিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। বাকি ছিল আরো ৩৯ বল।

 

আগে ব্যাট করে প্রোটিয়া বোলারদের তোপে ২০ ওভারও টিকতে পারেনি বাংলাদেশ। ১৮.২ ওভারে অল আউট হওয়ার আগে টাইগাররা করতে পারে মাত্র ৮৪ রান। নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এ ম্যাচে বাংলাদেশের পাঁচজন ব্যাটসম্যান কোনো রানই করতে পারেননি।

 

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৭০ রান। ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লজ্জার এই রেকর্ড গড়েছিল টাইগাররা। এছাড়া ২০০৭ বিশ্বকাপে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৮৩ রানে অল আউট হয়েছিল লাল-সবুজরা।

 

বাংলাদেশের দেওয়া মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নামেন কুইন্টন ডি কক ও রেজা হেন্ড্রিক্স। প্রথম ওভারেই তাসকিনের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ৪ রান করা হেন্ড্রিক্স। এরপর নিজের প্রথম ওভারে আঘাত হানেন মাহেদী হাসান। তার বলে বোল্ড হওয়ার আগে কুইন্টন ডি কক করেন ১৬ রান।

 

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে তাসকিনের বলে ০ রানে এইডেন মার্করাম আউট হলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ। তবে সেই পর্যন্তই। রাসি ফন ডার ডুসেন ও টেম্বা বাভুমা মিলে দলকে জয়ের বন্দরের কাছে নিয়ে যান।

২২ রান করে ডুসেন যখন আউট হন, জয় থেকে মাত্র ৫ রান দূরে ছিল প্রোটিয়ারা। বাভুমা ও ডেভিড মিলার সহজেই এটুকু পথ বাকী দেন। দুজন অপরাজিত ছিলেন যথাক্রমে ৩১ ও ৫ রানে।

 

বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ। এছাড়া নাসুম আহমেদ ও মাহেদী একটি করে উইকেট নেন।

আবু ধাবির জাইয়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন লিটন দাস ও নাইম শেখ। প্রথম ৩ ওভার দেখে খেললেও চতুর্থ ওভারে আর উইকেট পতন ঠেকাতে পারেনি টাইগাররা।

কাগিসো রাবাদা পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরান নাইম ও সৌম্য সরকারকে। নাইম ৯ রান করলেও সৌম্য গোল্ডেন ডাক মারেন। নিজের পরের ওভারে আবারো আঘাত হানেন রাবাদা। এবার মুশফিকুর রহিম রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন।

সৌম্যের মতো প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেন। এর আগে ৩ রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছিলেন লিটন দাস। তবে তার প্রতিরোধ ভেঙে দেন তাবরাইজ শামসি। টাইগার ওপেনার ফেরার আগে করেন ২৪ রান।

বাকী পথে একাই লড়াই করেন মাহেদী হাসান। নবম উইকেট হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কাগিসো রাবাদা ও আনরিখ নর্টজে তিনটি করে উইকেট শিকার করেন। এছাড়া তাবরাইজ শামসি দুটি ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস একটি উইকেট নেন।

 

-খবর প্রতিদিন /সি.বা 

নিউজ ট্যাগ: টি-২০ বিশ্বকাপ

আরও খবর



তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

প্রকাশিত:Sunday ২৮ November ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ December ২০২১ | ১৫৬জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

দেশের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে এবং ১০ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা।

তৃতীয় ধাপের এ ভোটগ্রহণ রোববার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবার ৩৩টি ইউপিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম), বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।

সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ উপলক্ষে সতর্ক অবস্থায় ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়া প্রতিটি ইউপিতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

সারাদেশে তৃতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে ১০১ জন চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। চেয়ারম্যান ছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৩৩৭ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩২ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

ইসি সূত্রে জানা যায়, তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ কোটি ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ২ লাখ ১৫ হাজার ৪২৩ জন, মহিলা ভোটার ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৮ জন এবং হিজড়া ভোটার ১৯ জন। এই ধাপের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১০ হাজার ১৫৯টি এবং ভোটকক্ষের সংখ্যা ৬১টি হাজার ৮৩০টি।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



নৌকা পরাজিত স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান হলো তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু!

প্রকাশিত:Sunday ২৮ November ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ December ২০২১ | ২৮২জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

 

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ৬নম্বর ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে আনারস প্রতীকের তৃতীয় লিঙ্গের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম ঋতু জয় লাভ করেছেন।

 

রবিবার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন নজরুল ইসলাম ঋতু। নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীকের নজরুল ইসলাম ছানা ও হাতপাখা প্রতীকের মাহবুবুর রহমানকে পরাজিত করেছেন।

 

উপজেলা নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ঋতু ৯ হাজার ৫৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের নজরুল ইসলাম ছানা পেয়েছেন ৪ হাজার ৪০৪ ভোট। বিজয়ী চেয়ারম্যান ঋতু উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের দাদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের সন্তান।

 

জয়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া সাংবাদিকদের ঋতু বলেন, এ জয় ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নবাসীর। প্রতিটি মানুষের কাছে আমি ঋণী। কাজের মাধ্যমে মানুষের ঋণ শোধ করার চেষ্টা করব।

 

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 

নিউজ ট্যাগ: ইউনিয়ন নির্বাচন

আরও খবর



গাজীপুরে ৩০ সেকেন্ডেই মা-মেয়ের জীবন শেষ করল দুই খুনি

প্রকাশিত:Saturday ২৭ November ২০২১ | হালনাগাদ:Wednesday ০৮ December ২০২১ | ৩২৫জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image

 

 

 গাজীপুরে মা-মেয়েকে গলা কেটে হত্যার রহস্য ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে দুই খুনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাত্র ৩০-৪০ সেকেন্ডেই মা-মেয়েকে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন তারা।

 

জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার সালদিয়া গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- একই গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও মনির হোসেনের ছেলে মহিউদ্দিন ওরফে বাবু।

শনিবার দুপুরে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. জাকির হাসান।

তিনি জানান, ১২ বছর আগে রাজশাহী জেলার বাসিন্দা জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে ফেরদৌসীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে ১১ বছরের মেয়ে হাফসা ও চার বছরের তাসমিয়া রয়েছে। কিন্তু বনিবনা না হওয়ায় স্বামীকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন ফেরদৌসী। এরপর মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তিন বছর আগে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রবিউল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। রবিউলেরও আরেক সংসার ছিল। কিন্তু দুই বছর আগে তার সঙ্গেও ফেরদৌসীর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

 

এরপর দুই মেয়েকে নিয়ে হাড়িনাল এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডে চাকরি করেন। এছাড়া তিন মাস আগে স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয় বাবুর। পরে ফেরদৌসীর সহায়তায় একই কোম্পানিতে চাকরি নেন বাবু। কিন্তু বিচ্ছেদের ঘটনায় ফেরদৌসীকেই দায়ী মনে করেন তিনি। আর এ প্রতিশোধ নিতেই হত্যার পরিকল্পনা।

 

পরিকল্পনা অনুযায়ী বুধবার সন্ধ্যায় ইনস্যুরেন্সের টাকা দেওয়ার কথা বলে মোবাইল ফোনে ফেরদৌসীকে ডাকেন বাবুর বন্ধু জাহিদুল। ফোন পেয়ে মেয়ে তাসমিয়াকে নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের দেশীপাড়া এলাকায় যান ফেরদৌসী। সেখানে যেতেই তাকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কাটেন জাহিদুল ও বাবু। মাকে রক্তাক্ত দেখে চিৎকার করলে মেয়েকেও গলা কেটে হত্যা করেন তারা। দুটি খুন করতে তারা সময় নেন মাত্র ৩০-৪০ সেকেন্ড। এরপর তারা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান।

বুধবার রাতে দেশীপাড়া এলাকায় সড়কের পাশে মা-মেয়ের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন এক কেয়ারটেকার। পরে লাশ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ।

 

নিহতরা হলেন- গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের বড়াইয়া গ্রামের বাছির উদ্দিন বছুর মেয়ে ফেরদৌসী আক্তার ও তার চার বছর বয়সী মেয়ে তাসমিয়া আক্তার। ফেরদৌসী স্থানীয় চান্দনা চৌরাস্তার এলাকার গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের মাঠকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা


আরও খবর



হাজার হাজার শৌখিন মৎস শিকারিদের আনা গোনায় রহুল বিল

পলো উৎসবে মাছ ধরায় মেতেছে মানুষ, চির চেনা বাংলা

প্রকাশিত:Saturday ২৭ November ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ December ২০২১ | ১৬৬জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

মাছ ধরা বা মাছ শিকার করা বিলাঞ্চলের মানুষদের আজন্ম শখ। বিশেষ করে চলন বিল এলাকায় বর্ষা মৌসুমে নিম্নাঞ্চলের খাস বা সরকারি জলাভূমিতে পানি অল্প থাকাকালে মাছ শিকারিরা দল বদ্ধ হয়ে পলো, ছোট জাল নিয়ে একটি নিদিষ্ট দিনে মাছ শিকার করে থাকে। এলাকায় এটি পলো উৎসব বা বাউত উৎসব নামের পরিচিত।

 

শনিবার পাবনার ভাঙ্গুড়ার উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউপির বিল রুহুলে এমনই এক শৌখিন মাছ শিকারিদের মিলন মেলা হয়েছে। এতে সবার কাছে মাছ ধরা পড়ুক বা না পড়ুক এক সঙ্গে বছরের এই দিনে মাছ ধরতে আসার মজাই যেন অন্য রকম।

 

সরেজমিন শনিবার উপজেলার বিল রুহুল এলাকা ঘুরে দেখা যায় , পাবনাসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে শৌখিন মাছ শিকারিরা ভোর বেলার কুয়াশা ভেদ করেই বিভিন্ন যানবাহন বাস, নছিমন, আটো ভ্যান, ভটভটি যোগে এই বিল পাড়ে আসতে থাকে। তাদের হাতে পলো, জাল ঠেলাজাল, ধর্মখরাসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে বিলের পাড়ে এসে হাজির হয়ে এক সঙ্গে মাছ ধরতে পানিতে নামে। তারা মাছ ধরার সময় বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। কেউ মাছ পেলে সবাই মিলে তাকে আরো উৎসাহ দিতে থাকে।

 

এদিনে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিলপাড়ে বিস্কুট রুটি ও চায়ের দোকান নিয়েও বসেছে। মাৎস শিকারিদের কেউ কেউ পেয়েছে সোল, বোয়াল, রুই, গজার । আবার অনেকেই মাছ পায় নি। তবে প্রায় সবার মুখেই ছিল মাছ ধরতে আসতে পারায় আনন্দের ছোয়া।

শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধসহ সব ধরণের হাজার হাজার শৌখিন মৎস শিকারিদের আনা গোনায় রহুল বিল ছিল কানায় কানায় পরিপূর্ণ।

জানা গেছে, ভাঙ্গুড়া উপজেলার পারভাঙ্গুড়া ইউপি ও পার্শ্ববর্তী চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউপির কিছু অংশ নিয়ে কয়েক হাজার একর জমি নিয়ে রয়েছে রুহুল বিল। বিশেষত বর্ষার পানি চলে যাওয়ার পর কয়েক শ’ একর জমিতে বিভিন্ন গভীরতায় পানি থাকে। সেখানে বর্ষার পানিতে আটকে থাকা বোয়াল, সোল, গজার, পুঁটি, সিং সহ দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছ।

 

বছরের একটি নিদিষ্ট দিনে একে অন্যেরে সঙ্গে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ করে নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল থেকে বাস, ভটভটি, নছিমন যোগে ভোরে এই বিলে মাছ ধরার জন্য এসে হাজির হয়। এদিনে তাদের হাতে ধরা পড়ে নানা ধরণের মাছ। বেলা বাড়ার  সঙ্গে সঙ্গে মাছ শিকারির সংখ্যাও কমতে থাকে।

মাছ ধরতে আসা নাটোরের পঞ্চাশোর্ধ আলম হোসেন বলেন, এই দিনটিতে রহুল বিলে মাছ ধরার জন্য প্রতি বছর অপেক্ষা করে থাকি। লোক মুখে খবর পেয়ে মাছ ধরতে এসেছি।

টাঙ্গাইলের বাছের উদ্দীন বলেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মাছ ধরার খবর পেয়ে তারা একাধিক বাস রিজার্ভ করে পলো ও মাছ ধরার উপকরণ নিয়ে কয়েকশ শৌখিন মাৎস শিকারি মাছ ধরতে এসেছেন।

 

-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের বিষয়ে পরিষ্কার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি

হয়নি হাফ পাসের সিদ্ধান্ত,টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব

প্রকাশিত:Saturday ২৭ November ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ০৭ December ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের বিষয়ে পরিষ্কার কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও সড়ক-পরিবহন-মালিক-শ্রমিকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সমন্বিত করে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

শনিবার রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে বেলা পৌনে ১২টা থেকে দুপুর সোয়া ২টা পর্যন্ত চলা বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশনের সঙ্গে বিআরটিএসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠকে কয়েকটি প্রস্তাবের সঙ্গে এ প্রস্তাব আনা হয়।

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে হাফ পাসের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে কী কী কারণে বা কী উপায় হাফ পাসের দাবি পূরণ করা যায়, সে বিষয়ে সবার মধ্যে বিস্তর আলোচনা হয়। হাফ পাসের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে। পরিবহন নেতাদের পক্ষ থেকে টাস্কফোর্স গঠনসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবগুলো বিবেচনা নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। 

 

বৈঠক শেষে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিকভাবে সমাধানে চেষ্টা চলছে। ঢাকার ৮০ শতাংশ বাস মালিক গরিব। হাফ ভাড়া নিলে মালিকদের যে ক্ষতি হবে, তা সরকার কীভাবে পূরণ করবে? সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছি। সবার সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি। 

 

ছাত্রদের অনুরোধ জানিয়ে এ পরিবহন নেতা বলেন, হাফ ভাড়ার দাবিতে বাস ভাঙচুর, শ্রমিকদের মারধর অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, তারা যেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যায়। 

 

টাস্কফোর্স কবে গঠন করা হবে এ প্রশ্নে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, এটা নতুন প্রস্তাব। টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত হবে। টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত আসবে তা সেভাবে বাস্তবায়ন হবে।

তিনি আরো বলেন, পরিবহন নেতাদের পক্ষ থেকে কনসেশন (সুবিধা) দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। কত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কত ছাত্র, কতজন বাস ব্যবহার করে তার একটা পরিসংখ্যান চেয়েছেন নেতারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই তথ্য দেবে। 

 

টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ বলেন, বাসে হাফ ভাড়া বাস্তবায়নে পরিবহন নেতারা আন্তরিক। কিন্তু তাদের যে ক্ষতি হবে তা কীভাবে পূরণ করা হবে, কত ভর্তুকি দেবে সেসব বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য সরকার ও পরিবহনে সম্পৃক্তদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এসেছে। সরকারকে টাস্কফোর্সের বিষয়ে জানাবে।

 

এদিকে বাসে হাফ পাসের সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহবান জানিয়েছেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান এবং পরিবহন নেতারা।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা   


আরও খবর