Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে ওয়াই-ফাই ৭ নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই ৭ অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। দেশে এই প্রথমবারের মতো ওয়াই-ফাই ৭ ব্যবহার উপযোগী অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য উন্মোচন করা হয়েছে। সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বাধুনিক ফিচারের এই ওয়াই-ফাই পণ্যগুলো নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সরবরাহের মাধ্যমে সর্বোচ্চমানের সংযোগ দিতে সক্ষম। 

বাংলাদেশে নানা ব্যবসায়িক প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ছয়টি ভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই পণ্য উন্মোচন করে হুয়াওয়ে। কক্সবাজারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের ভাইস প্রসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যালেন লিউ, হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিকের নেটওয়ার্ক সিটিও ও প্রিন্সিপাল অ্যার্কিটেক্ট ভিক্টর লাপিয়ান, হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক সলিউশন সেলসের ডিরেক্টর ম্যানফ্রেড কাই এবং হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার ডাটা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক সলিউশন্ বিভাগের নেটওয়ার্ক সলিউশন ডিরেক্টর মির্জা মো. আনজামুল বাশেদ (মারুফ) উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা, উৎপাদন লাইন এবং মেটাভার্স সম্পর্কিত শিল্পগুলোর পাশাপাশি এআর/ভিআর এডুকেশন, অটোমেটিক অপটিক্যাল ইন্সপেকশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে পণ্যগুলো ব্যবহারের সুফল পাওয়া যাবে। এসব পণ্য বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকেও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য মাল্টি-আরইউ ও মাল্টি-লিংক অপারেশন্সের (এমএলও) মতো উন্নতমানের ফিচার সমৃদ্ধ এসব ওয়াই-ফাই পণ্যগুলো আগের প্রজন্মের ওয়াই-ফাইয়ের তুলনায় ল্যাটেন্সি কমিয়ে নির্ভরযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেবে। এগুলো ওয়াই-ফাই ৬ পণ্যের তুলনায় তিনগুণ বেশি ব্যান্ডউইথ দেওয়ার পাশাপাশি চারগুণ বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারীকে সংযোগ দিতে সক্ষম। এছাড়া ওয়াই-ফাই ৬ পণ্যের তুলনায় এগুলি দশগুণ বেশি নির্ভরশীল। পণ্যগুলোর মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ডেটা চুরি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না।

অ্যালেন লিউ বলেন, “সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটি খাত এগিয়ে যাচ্ছে। হুয়াওয়ে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক ও উদ্ভাবনী পণ্য সরবরাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই জন্যই বাংলাদেশে আমরা ওয়াই-ফাই ৭ নিয়ে এসেছি। এটি শুধু একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নয়; এটি নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত সংযোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে যাত্রা।”

বাজারে আসা ছয়টি ডিভাইসগুলো হলো এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২১, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২২পি, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২৩এইচ, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২৩এইচডাব্লিউ, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৬-২৬, এবং এয়ারইঞ্জিন ৬৭৭৬-৫৬টিপি। ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি এবং স্মার্ট অ্যান্টেনার বিবেচনায় এই ভ্যারিয়েন্টগুলো আনা হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে যেমন অফিস, স্কুল এবং স্টেডিয়ামে এয়ারইঞ্জিন ৬৭৭৬-৫৬টিপি  কার্যকর। এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৬-২৬, এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২৩এইচ, ৫৭৭৩-২৩ এইচডব্লিউ, এয়ার ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২২পি এবং এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২১ ডিভাইসগুলো ছোট ও মাঝারি আকারের ব্যবসায়িক কর্মক্ষেত্র, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ভিতরে নেটওয়ার্ক কাভারেজের জন্য উপযুক্ত। 


আরও খবর



আমতলীতে ৩জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা, বেহাল দশা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৮১জন দেখেছেন

Image

আব্দুল্লাহ আল নোমান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:আমতলী উপজেলায় চিকিৎসক সংকট মারাত্মক আকার ধারন করেছে। ৫০ শয্যার হাসপাতালে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ  ৩১টি পদের মধ্যে ৩জন চিকিৎসক রয়েছে। ২৮টি চিকিৎসকের পদ শুন্য থাকায়  উপজেলায় আড়াই লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় ৩জন চিকিৎসক কোনই কাজে আসছে না ফলে আমতলীতে স্বাস্থ্য সেবা একে বারেই ভেঙ্গে পড়েছে।

আমতলী উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলা সদরে ৫০ শয্যায় হাসপাতাল ১টি, কুকুয়া ইউনিয়নের আজিমপুর বাজারে ১০ শয্যার হাসপাতাল ১টি, এবং আঠারগাছিয়া ইউনিয়নের গাজীপুর বাজারে ও গুলিশাখালী ইউনিয়নের গুলিশাখালী বাজারে ১টি করে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। এসকল হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মোট ৩১ জন ডাক্তারের পদ রয়েছে। এর মধ্যে ১জন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ১জন জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জন, ১জন জুনিয়র মেডিসিন কনসালটেন্ট, ১জন গাইনি কনসালটেন্ট, ১জন ডেন্টাল সার্জন, ১জন অঞ্জানবিদ,  জুনিয়র কনসালটেন্ট নাক, কান, গলা, চোখ ও চর্ম রোগের প্রতিটি পদের জন্য মোট ৬জন, ১জন আরএমও ও ২জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা। বর্তমানে ৩১ জন চিকিৎসকের মধ্যে  ২জন মেডিকেল অফিসার ও উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আছেন আর বাকী ২৮টি চিকিৎসকের পদ দীর্ঘ দিন খালি রয়েছে। ২জন মেডিকেল অফিসার তাও আবার গুলিশাখালী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও হলদিয়া ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ২জন চিকিৎসক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী ভিত্তিতে আনা হয়েছে প্রেষনে। আমতলী হাসপাতালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৯ ফেব্রুয়ারি সকালে ডা. ফায়জুর রহমান নামে একজন আবাসিক মেডিকেল অফিসার যোগদান করেন। যোগদানের পর ওই দিন বিকেল থেকেই এখন পর্যন্ত কর্মস্থলে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারন জানতে চেয়ে তাকে দু’দফা কারন দর্শাও নোটিশ দেওয়াসহ তার বেতন ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে। এ বিষয়য়ে তার নিকট মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি কোন সদোত্তর দিতে পারেননি। 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা অফিসিয়াল ও প্রশাসনিক কাজের জন্য সব সময় ব্যস্ত থাকেন। এ অবস্থায় ২জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে ৫০ শয্যায় হাসপাতালের বহি:বিভাগ, আন্ত:বিভাগ ও জরুরী বিভাগ চালানো মোটেই সম্ভব নয়। এ অবস্থায় অনেক রোগী চিকিসা সেবা না পেয়ে আমতলী হাসপাতালে এসে পেরৎ যাচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে  রাব্বি বৃহস্পতিবার দুপুরে এসেছিলেন আমতলী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে। কিন্ত চিকিৎসক সংকটের কারনে চিকিৎসা সেবা না পেয়ে চলে যান পটুয়াখালী জেলারেল হাসপাতালে। বৃস্পতিবার সকালে আমতলী হাসপাতা সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, আগের মত হাসপাতালে এখন আর তেমন রোগী নেই। বহি:বিভাগের অধিকাংশ চিকিৎসকের রুম তালাবদ্ধ। রোগীরা এসে ঘুরে ফিরে আবার চলে যাচ্ছে। এসময় কথা হয় হলদিয়া থেকে আসা রুশিয়া নামের ষাটোর্ধ এক রোগীর সাথে তিনি জানালেন, শরীর খাউজায় (চুলকায়) এইর লইগ্যা আইছিলাম ডাক্তার দেহাইতে। হুনলাম এহানে কোন ডাক্তার নাই। মোরা গরীব মানুষ মোগো হগল জায়গায় মরন দশা। টাহা নাই এহন কই যামু ডাক্তার দেহাইতে। 

এদিকে কুকুয়ার আজিমপুর বাজারে ১০ শয্যার হাসপাতাল, গাজীপুর ও গুলিশাখালী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোন চিকিৎসক না থাকায় মাষাধিকাল ধরে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। 

অন্যদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিসংখ্যানবিদ, ক্যাশিয়ার, মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট, কার্ডিও গ্রাফার, ষ্টোর কিপার, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, কম্পাউন্ডারসহ দ্বিতীয় শ্রেণির ৯০টি পদের মধ্যে ৬০টি পদ  এবং তৃতীয় শ্রেণির ওয়ার্ডবয়, আয়া, মালী, বাবুর্চি নিরাপত্তা প্রহরী এবং পরিচ্ছন্নতাকার্মীসহ ৩৩ পদের  মধ্যে ১৯টি পদ প্রায় ৩বছর ধরে খালি রয়েছে। ধীর্ঘদিন ধরে এসকল পদ খালি থাকায় হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং  নিরাত্তায় মারাত্মতক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। অন্যান্য পদের কর্মচারী না থাকায় হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজেও মারাত্মক বিঘœ ঘটছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: চিন্ময় হাওলাদার জানান, চিকিৎসক সংকটের কথা জানিয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট চাহিদাপত্র দেওয়া হয়েছে এবং জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসক চাওয়া হয়েছে। চিকিৎসক পাওয়া গেলে আশা করি এ সংকট থাকবে না। 

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল বলেন, আমতলী হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কথা স্বাস্থ্য মহাপরিচালককে  জানানো হয়েছে এবং জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসক চাওয়া হয়েছে।  তিনি আরো বলেন, দুরের চিকিৎসকদের এ অঞ্চলে পদায়ন করা হলে তারা এখানে এসে থাকতে চায় না তাই নিজ উপজেলার চিকিৎসকদের পদায়ন করলে এ অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে।


আরও খবর

আমতলীতে ৩দিন ব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




মধুপুর বিদ্যুৎ অফিসের সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী টিমের উপর গ্রাহকদের হামলা

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৮৪জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুরে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জোনাল অফিসের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের লক্ষ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে বিচ্ছিন্নকারী টিমের উপর গ্রাহকদের অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। 

এঘটনায় হারুন অর রশিদ নামের একজন লাইন ক্রু লেভেল-১ গুরুতর ভাবে আহত হয়ে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২৭জুন) দুপুর ১২টার দিকে সরকারি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে মধুপুর জোনাল অফিসের মিটার টেস্টিং সুপারভাইজার শাহীনুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী টিম অরণখোলা ও বেরিবাইদ এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে উত্তেজিত গ্রাহক এই হামলার ঘটনাটি ঘটায় বলে জানা যায়। 

এঘটনায় আহত লাইন ক্রু হারুন অর রশিদ জানান, বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের লক্ষ্যে আমরা বেরিবাইদ এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে বেরিবাইদ গ্রামের আবাসিক গ্রাহক শ্রী গিরিশ চন্দ্র বৈষ্ণবের ছেলে শ্রী গনেশ চন্দ্র বৈষ্ণব এবং অরণখোলা এলাকার বানবের ছেলে পবিত্র ও প্রান কুমার সহ আরও ১০/১২ জন লোক একত্রিত হয়ে আমাদের সাথে কুরুচিপূর্ণ আচরণ করতে থাকে এবং সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকার কারণ এবং বিদ্যুৎ ছাড়াই বেশি বিল কিভাবে আসে এসব বিষয় নিয়ে  আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। 

কথা কাটাকাটির এক পর্ষায়ে তারা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। 

একপর্যায়ে আমাকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর ভাবে আহত করে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে টিমের অন্যান্য সদস্যগন ভয়ে দৌড়ে ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে মধুপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, এই প্রচন্ড গরমে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বিহীন থেকে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। 

তারা আরও জানান, এ প্রচন্ড তাপদাহে জনজীবনে স্বস্তির একমাত্র মাধ্যম হলো বিদ্যুৎ যা আমরা দিনরাত মিলিয়ে ৩/৪ ঘন্টাও পাইনা। 

উক্ত এলাকার মোদি দোকানদার কাজিম শেখ জানান, আগে দিনরাত ২০ ঘন্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে যে বিল আসতো বর্তমানে ৪/৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ চালিয়ে তার থেকে বেশি বিল আসে। এছাড়া যতটুকু পাওয়া যায় সেখানে ভোল্টেজ থাকে খুবই কম যে কারণে দুই দিনেও একটি মোবাইলের ব্যাটারী ফুল চার্জ করা সম্ভব হয়না। 

এসব বিষয় নিয়ে অনেক দিন ধরেই মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এদিকে জুন মাস ব্যাপি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়, অনাদায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান চলমান। 

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭জুন বৃহস্পতিবার অরণখোলা ও বেরিবাইদ এলাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনাটি ঘটে বলে এলাকাবাসি জানান। 

অত্র এলাকার বাসিন্দা শচীন চন্দ্র বৈষ্ণব জানান, কোরবানি ঈদের আগে থেকে শুরু করে টানা এক সপ্তাহ ১০মিনিটের জন্যও বিদ্যুৎ যায়নি তাহলে এখন সেই বিদ্যুৎ কোথায় গেলো। বিদ্যুতের জন্য ছেলে মেয়েরা পড়াশোনা করতে পারে না, ফ্রীজে রাখা মাছ মাংস এবং অন্যান্য খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং করার কারনে বয়স্ক লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী, বিদ্যুতের উর্ধতন কর্তৃপক্ষে নিকট অন্যান্য জেলা উপজেলার মতো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবি জানান।

ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন মধুপুর জোনাল অফিসের ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ নুরুল আমিন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

     -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



নিটারে কোটা বৈষম্য নিরসনে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image
মিঠুন দাস মিঠু, নিটার প্রতিনিধি:ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন  সাভারের নয়ারহাটে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ  (নিটার) এ আজ ১৩ই জুলাই, ২০২৪ইং সকাল ১০ ঘটিকায় নিটার মেইন গেইট সংলগ্ন এলাকায় সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে নিটারের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সারাদেশে বৈষম্য নিরসনের উদ্দেশ্যে চলমান একদফা দাবিসহ ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের উপর চালানো ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে এ "সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি" এর আয়োজন করেছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আয়োজিত এই অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে সকাল থেকেই নিটার গেইট সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকে এবং বেলা ১০ ঘটিকায় সকলে একত্রিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। পরবর্তীতে সকলে ঝটিকা মিছিল নিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে কিছুক্ষণ অবস্থান করে নিটার মেইন গেইট সংলগ্ন এলাকায় ফিরে আসে। এভাবেই সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



আজ বন্ধ থাকবে দেশের ব্যাংকিং সেবা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৫৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ব্যাংক হলিডে আজ সোমবার (১ জুলাই) ব্যাংকের সব ধরনের লেনদেন বন্ধ থাকবে। এর ফলে বন্ধ থাকবে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও গুরুত্বপূর্ণ শাখা খোলা থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সং‌শ্লিষ্টরা জানায়, ১ জুলাই ব্যাংকগু‌লোর বিভিন্ন শাখা থেকে পাঠানো হিসাব একত্রিত করে অর্ধ-বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। যে কারণে এ দিনটিকে ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়।

এদিন ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংক গ্রাহকদের সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন বা দাপ্তরিক কার্যক্রম করে না। একইভাবে ৩১ ডিসেম্বরও ব্যাংক হলিডে হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।

ওইদিন ব্যাংকগুলো পঞ্জিকা বছরের হিসাব শেষ করে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। যে কারণে ওই দিনটিকেও ‘ব্যাংক হলিডে’ হিসেবে ধরা হয়।


আরও খবর



মাত্র ৬ মাসেই খসরু চৌধুরী এমপির বাজিমাত, এ বছরের মধ্যই শেষ হবে শতাধিক রাস্তার সংস্কার কাজ

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি। সেই হিসাবে ৭ জুলাই ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য হিসাবে মো. খসরু চৌধুরীর ৬ মাস পূর্ণ হবে। এলাকার উন্নয়নে এই ৬ মাসে ব্যাপক কর্ম তৎপরতা চালিয়েছেন তিনি। ভাঙাচোরা রাস্তার সংস্কারে পর্যাপ্ত বরাদ্দ চেয়ে ও ঢাকা-১৮ আসনের হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফের দাবিতে সংসদে একাধিকবার বক্তব্য দিয়েছেন। দ্রুত রাস্তা মেরামতে বরাদ্দ পাস করাতে দৌড়-ঝাঁপ করেছেন সচিবালয় ও নগর ভবনে। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর শুরু করেছেন শতাধিক রাস্তার কাজ। যা শেষ হবে ২০২৪ সালের মধ্যে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে খসরু চৌধুরী ঘোষণা দিয়েছিলেন, তিনি নির্বাচিত হলে তার প্রথম কাজ হবে সর্বাধিক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয়-পূর্বক স্বল্পতম সময়ের মধ্যে টেকসই পরিবর্তন নিশ্চিত করা। এ কাজে তিনি সফল হয়েছেন। এমপি নির্বাচিত হয়েই খসরু চৌধুরী ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন কাজ শুরু করেছেন। বর্তমান ঢাকা-১৮ আসনে ১০০টিরও অধিক রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রীসহ বিভিন্ন দপ্তরে কথা বলে নতুন নতুন আরও কিছু উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করার চেষ্টা করছেন।

উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকায় গ্যাস সংকট চরমে। খসরু চৌধুরী এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে গ্যাস পাইপ লাইন সংস্কারের মাধ্যমে গ্যাস সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেছেন। ঢাকা-১৮ আসনকে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজ-মুক্ত করতে কাজ করছেন তিনি। তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছেন। ঢাকা-১৮ আসনের বিভিন্ন-স্পটকে চাঁদা-মুক্ত করেছেন। অটো-লেগুনার চাঁদা বন্ধ করেছেন। যানবাহন থেকে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করা হয়েছে। যারা এসব অবৈধ কাজে জড়িত ছিলো, দল-মত-নির্বিশেষে তাদের সকলের বিরুদ্ধেই জিরো টলারেন্স দেখিয়ে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

জাতীয় সংসদে দেওয়া প্রতিটি বক্তব্যে খসরু চৌধুরী অবহেলিত ঢাকা-১৮ আসনের উন্নয়নে পর্যাপ্ত বরাদ্দ চেয়েছেন। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ-মুক্ত ঢাকা-১৮ আসন গড়ার প্রত্যয় ব্যখ্ত করেছেন। ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ঢাকা-১৮ আসনের নাগরিকদের কর ও হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করার বিষয়ে একাধিকবার মাননীয় স্পিকার, অর্থমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

"সম্প্রতি জাতীয় সংসদে মোঃ খসরু চৌধুরী (১৯১ ঢাকা-১৮): স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (স্থানীয় সরকার বিভাগ) মন্ত্রীর কাছে ঢাকা-১৮ আসনের রাস্তাগুলোর কাজ কবে নাগাদ শেষ হবে সেটি জানতে চেয়েছিলেন। উত্তরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন,  ঢাকা-১৮ আসনের ইউনিয়ন হতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে সংযুক্ত ওয়ার্ডসমূহের (ওয়ার্ড নং-৪৪, ৪৫, ৪৬, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪) “নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত ১৮ (আঠারো)টি ওয়ার্ড উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইসিবি কর্তৃক রাস্তা উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। উক্ত কাজগুলো আগামী নভেম্বর ২০২৪ এর মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৭ এ সংযুক্ত ওয়ার্ডসমূহ (ওয়ার্ড নং- ৪৭, ৪৮, ৪৯ ও ৫০) এর ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাসমূহ উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়ন কাজ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।"

মো. খসরু চৌধুরী এমপির ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়ন করতে গিয়ে বৃহত্তর উত্তরা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উত্তরখান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মিলন বলেন, বিগত বছর গুলোতে ঢাকা-১৮ আসন ছিলো উন্নয়ন বঞ্চিত। তবে খসরু চৌধুরী ঢাকা-১৮ আসনের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে নিরলস-ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আশাকরি তিনি সফল হবেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী সালাউদ্দিন পিন্টু বলেন, এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগে খসরু চৌধুরী যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি তা বাস্তবায়ন করতে কাজ করছেন। তিনি ৫ বছর তথা ৬০ মাসের জন্য এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। মাত্র ৬ মাস অতিবাহিত হয়েছে সামনে রয়েছে ৫৪ মাস। তিনি আগে এমপি না হয়েও মানুষের জন্য কাজ করেছেন। এখন এমপি হয়ে দিনের পুরোটা সময়ই মানুষের জন্য কাজ করছেন। তিনি যে ইশতেহার দিয়েছেন তা শতভাগ বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ।


আরও খবর