Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে আমরা নম্বর ওয়ান: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৫৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, ‘বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে আমরা নম্বর ওয়ান। আগামীতেও বিনিয়োগের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

আজ বুধবার নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ইউনিক মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের (ইউএমপিএল) ৫৮৪ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্রকল্প পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের অর্থনৈতিক ইউনিটের প্রধান জোসেফ গিবলিন, ইউএমপিএলের চেয়ারম্যান মোহা. নূর আলী, ইউএমপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জহির উদ্দিন মোল্লা ও জিই (জেনারেল ইলেকট্রিক) গ্যাস পাওয়ারের দক্ষিণ এশিয়ার সিইও দীপেশ নন্দা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ৯টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পিটার হাস হেলিকপ্টারে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় পৌঁছান। সেখানে চৌধুরী নাফিজ সরাফাত তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানান। প্রকল্প অফিস প্রাঙ্গণে পৌঁছানোর পর পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা টিম মি. পিটার হাস ও অন্যান্য অতিথিদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রদান করেন।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জিই গ্যাস পাওয়ারের সাইট ম্যানেজার কালুম ডেভিড কর্নফোর্থ পিটার হাসকে প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন।

এ সময় ইউএমপিএলের চেয়ারম্যান মোহা. নূর আলী বলেন, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সক্ষমতার প্রতীক। এটি একটি সর্বোচ্চ দক্ষ উচ্চ প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্র। কেন্দ্রটির কমদামের বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণেই বিপিডিবির কাছে মেরিট অর্ডারে শীর্ষস্থান দখল করবে।

তিনি বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের মাস্টার প্ল্যান ও ভিশন ২০৪১-এর লক্ষ্য অর্জনের এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই প্রকল্পের মাধ্যমে যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে তা দেখে খুশি বলেও ইউএমপিএলের চেয়ারম্যান জানান।

ইউএমপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ইউএমপিএল, জিই এবং নেব্রাসসহ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় এসইআরভি, এআইআইবি, ডিইজি এবং ওপেক তহবিল থেকে প্রকল্পে বিনিয়োগ এসেছে। এই বিনিয়োগ এখানে বিশ্বমানের অবকাঠামো নির্মাণে সাহায্য করেছে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জনগণকে পরিবেশসম্মত, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

তিনি জানান, এটি একটি পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ প্রকল্প। কেন্দ্রটি অন্যান্য বিদ্যমান কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টের তুলনায় কম গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গত করবে।

জিই গ্যাস পাওয়ারের দক্ষিণ এশিয়ার সিইও দীপেশ নন্দা বলেন, জিই গ্যাস পাওয়ার বাংলাদেশে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য এবং টেকসই বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন ও আধুনিক প্রযুক্তি আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জিই বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বড় অবদান রেখে চলেছে। জিই ইউএমপিএল-এর প্রকল্পের অংশীদার হতে পেরে গর্বিত। কেন্দ্রটিতে জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস কম ব্যবহার হবে। এতে জ্বালানি কম ব্যবহার হওয়ায় গ্যাস বেঁচেও যাবে। কেন্দ্রটিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রায় সাত লাখ বাড়িতে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

প্রকল্প পরিদর্শনের সময় পিটার হাসকে প্রকল্পটির সর্বশেষ অবস্থা একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জানানো হয়। এরপর প্রকল্পটি ঘুরে দেখেন পিটার হাস।

প্রকল্প পরিদর্শনকালে মি. হাসকে জানানো হয়, ইউএমপিএলের মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সব আইন মেনে নির্মাণ কাজ পরিচালনা করছে। প্রকল্পটি সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে আন্তর্জাতিক উচ্চমান বজায় রাখছে। প্রকল্প কোম্পানি পুনর্বাসন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে এবং প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ পুনর্বাসন এবং উন্নতজীবন নিশ্চিত করার জন্য জীবিকা পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রকল্প সংস্থাটি বেশ কয়েকটি সিএসআর (করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সেবিলিটি) কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যার মধ্যে রয়েছে সুবিধাবঞ্চিতদের মাসিক ভাতা, নদী ঘাট নির্মাণ এবং ঘাটের এপ্রোচ রাস্তা, দরিদ্রদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, গ্রামবাসীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করা।

ইউএমপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ব্যবসায়িক এবং রাজনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রণী ভূমিকার জন্য পিটার হাসের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির গ্যাস টারবাইন প্রদানে জিইসহ মার্কিন কোম্পানিগুলোর অবদানেরও প্রশংসা করেন।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে ৫৮৪ মেগাওয়াট গ্যাস-ভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট নির্মাণের জন্য স্ট্র্যাটেজিক ফাইন্যান্স লিমিটেড, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড এবং জিই-এর কনসোর্টিয়াম ২০১৮ সালের ২৫ জুন এ প্রকল্পের ঠিকাদার বা ইপিসি নিযুক্ত করে জিইকে। পরবর্তী পর্যায়ে নেব্রাস পাওয়ার কিউ.পি.এস.সির প্রতিষ্ঠান ২৪ শতাংশ  ইক্যুইটি অংশীদারিত্ব নিয়ে প্রকল্পে যুক্ত হয়।

প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরকার ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) বাস্তবায়িত চুক্তি (আইএ), বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডি) সঙ্গে পিপিএ (পাওয়ার পারচেজ এগ্রিমেন্ট) ও  ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ( তিতাস) গ্যাস  সরবরাহ চুক্তি হয়। উদ্যোক্তা কোম্পানির সঙ্গে  ২০১৯ সালের ৩০ আগস্ট টার্ন-কি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ইলেকট্রিকের (জিই) ইপিই বা ঠিকাদারি চুক্তি হয়। এছাড়া জিই কেন্দ্রের মূল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

প্রকল্প উদ্যোক্তাদের ২৫ শতাংশ ইক্যুইটি বিনিয়োগ রয়েছে। প্রকল্প ব্যয়ের বাকি ৭৫ শতাংশ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক (সুইস ইসিএ-এসইআরভি কভার লেন্ডার), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআআইবি), জার্মান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ডিইজি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ওেএফআইডি) দিয়েছে।

ইতোমধ্যে প্রকল্পের ৯২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্পটি বাণিজ্যিকভাবে (কর্মাশিয়াল অপারেশন ডেট-সিওডি) বাস্তবায়িত হওয়ার কথা রয়েছে।


আরও খবর



৩০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিকের স্বপ্নভঙ্গ মালয়েশিয়ার

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বন্ধ হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এতে দেশটিতে কর্মী হতে ইচ্ছুক ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মীর স্বপ্ন ভঙ্গ হতে চলেছে। শেষ সম্বল এজেন্সীর হাতে তুলে দিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকেই। এক দুজন নয়, শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে হাজারো মালায়েশিয়া কর্মী ইচ্ছুকদের এ অপেক্ষা বিমান টিকিটের।

কেউ এসেছেন সকালে আবার কেউ রাত থেকে করছেন অপেক্ষা। এজেন্সিগুলোর আশ্বাসে পার করছেন ঘন্টার পর ঘন্টা। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে স্বপ্নভঙ্গা এ মানুষগুলো চোখে মুখে বাড়তে থাকে হতাশার ছাপ।

অনেক এজেন্সি ইতোমধ্যেই লাপাত্তা মানুষগুলোর লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে। সব হরিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকে।

শেষ মূহুর্তে শুধু টিকেটের জন্য ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও করছেন অনেকে। জাল টিকিটের প্রতারণায় পড়েছেন কেউ কেউ।

মালয়েশিয়া সরকার শুক্রবারের পর আর কোনো কর্মী নেবে না এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের প্রায় ৩০ হাজারের বেশি কর্মীর মালায়েশিয়া যাত্রা আটকে গিয়েছে।

মালয়েশিয়ার গত মার্চের ঘোষণা অনুযায়ী, ৩১ মে এর পর আর কোনো নতুন বিদেশি শ্রমিক দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এদিকে বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, গত ২১ মে পর্যন্ত প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৪ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেয়। ২১ মের পর আর অনুমোদন দেওয়ার কথা না থাকলেও বিএমইটির তথ্য বলছে, মন্ত্রণালয় আরও এক হাজার ১১২ জন কর্মীকে দেশটিতে যাওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন কর্মীকে মালয়েশিয়া যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে গতকাল (৩০ মে) পর্যন্ত দেশটিতে চার লাখ ৯১ হাজার ৭৪৫ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।

প্রবাসী কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠাতে শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বিমানের জনসংযোগ বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. আল মাসুদ খানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চিঠির প্রেক্ষিতে শুক্রবার (৩১ মে) সন্ধ্যা ৭ টা ১৫ মিনিটে বিমানের ঢাকা-কুয়ালালামপুর রুটে একটি বিশেষ অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

ওই ফ্লাইটে মোট ২৭১ জন যাত্রী পরিবহন করা হবে। ফ্লাইটটির যাত্রীদের নামের তালিকা, পাসপোর্ট নম্বরসহ প্রয়োজনীয় অঙ্গীকারনামা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা) প্রতিনিধি বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিলে প্রদান করবে।

বায়রা প্রদত্ত তালিকা অনুসারে বায়রা প্রতিনিধি বিমান জেলা বিক্রয় অফিস মতিঝিল থেকে নগদ অর্থে উক্ত ফ্লাইটের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।


আরও খবর



বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার নিয়ে অভিযোগ তদন্তে হাইকোর্টের রুল

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিদ্যুতের বিল আদায় স্বচ্ছতা, অতিরিক্ত চার্জের রিফান্ডসহ এ-সংক্রান্ত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বিচারপতি মো. মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মাসুদ হোসেন দোলন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ৬ জুন জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুতের বিল ব্যবস্থা পর্যালোচনা এবং নিরীক্ষা, স্বচ্ছতা, অতিরিক্ত চার্জের রিফান্ড, গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নীতি সংস্কারের নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাইফুল্লাহ মামুন, জামিউল হক ফয়সাল ও আব্দুল্লাহ আল হাদী।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সচিব, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ডেসকো, ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি ও ডিপিডিসির কর্তৃপক্ষকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়, বাংলাদেশে বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার চালু করা হয়েছে। ২০২৫ সালের মধ্যে সব বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীকে এর আওতায় আনা হবে বলে ঘোষণা রয়েছে। এরপরও গ্রাহকরা অতিরিক্ত চার্জ, গোপন চার্জ, স্বচ্ছতার অভাবসহ নানাভাবে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।


আরও খবর



চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:রাজশাহীর চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়ে আসছে। চারঘাটের নন্দনগাছি হয়ে পুঠিয়ায় শাহবাজপুর, কান্দ্রা, দুদুরমোড় কলনী(গুচ্ছ গ্রাম) এখন ফেনসিডিল পাচারেরর নিরাপদ রুট। ভারতীয় মাদক দ্রব্য ফেনসিডিল, ইয়াবায় ছেড়েগেছে সমগ্র রাজশাহীর শহর- বন্দর,এমন কোন গ্রাম নেই যে  এই সর্বনাশি নেশা নেই। যুব ও তরুন সমাজই নয় মধ্যবয়সী ছেলে ও মেয়েরাও প্রতি নিয়ত ঝুকে পড়েছে এই নেশায়। সকল বাধা নিষেধ অপেক্ষা করে চারঘাটের সীমা›ত ঘাটগুলো দিয়ে ছুটে আসছে এদেশের আনাচে কানাচে। সীমাšত দিয়ে রাতা রাতি ছুটে আসছে পুঠিয়া থানার জামিরিয়া,শিবপুর, মাহেন্দ্রা,বেলপুকুর, ঝলমলিয়া, পুঠিয়া বাজার, বিড়ালদহ,বানেশ^ও এলাকায়। এসব গ্রাম গুলিতে রয়েছে শতশত মহাজন। এসব মহাজনরা এখান থেকে ঢাকাসহ এদেশের বিভিন্ন্ স্থানে পাচার করে থাকে । সীমাšত দিয়ে অভিনব সব উপায় অবলম্বন করে গড়ে তুলছে ফেনসিডিলের পাহাড় এবং এখান থেকে সমগ্র রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছে। পদ্মা নদীর চর দিয়ে আশা প্রতিদিন হাজার-হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ইয়াবা রাজশাহীতে আসছে। এসব ফেনসিডিল কখনো নৌকায় আবার কখনো বিশেষ প্রক্রিয়ায় বালিশ বানিয়ে ভেসে ভেসে ওপাশ থেকে এ পাশে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ফেন্সিডিল ব্যবসাীয় জানান, ভারত থেকে ফেন্সিডিল আনতে খরচ হয় প্রতি বোতল ফেনসিডিল ৬৫-৭০ টাকা। পদ্মার পাড় ঘেষে যাদের বাড়ি, তারা ঘাটের লেবার থেকে এখন হয়েছে বড় বড় মহাজন। এরা কুড়ে ঘর থেকে তৈরী করছে ইট, পাথরের বাড়ি। রাজশাহীসহ এদেশের বিভিন্ন স্থানে শাহর, বন্দর,গ্রামে ফেনসিডিল বিক্রি করে প্রতি পিস ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এসব মহাজনরা সবাই বর্তমান সরকার দলকে সমর্থন করেন কিন্তু এরা কেউ নেতা নন।পুলিশ প্রশাসন প্রতি মাসেই মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে কিছু কিছু ফেনসিডিল আটক করে থানায় নিয়ে আসে কিন্তু কোন ফেনসিডিল পাচার কারীদের আটক করেন না। এরা এখান থেকে ঢাকা যোগাযোগ করে সুযোগ মতো ঢাকায় প্রেরন করেন এবং তাদের সঙ্গে চুক্তি করেন।  প্রথমত তাদের নিরাপদ রুট গুলি বেছেনেন। তারপর বাস, মাইক্রো বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যানে যাত্রী বেশে রাত দিন ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার করে থাকেন। তবে রাতের বেলাই মাদক বেশি পাচার হয়ে থাকে বলে জানান। এখন ফেনসিডিল পাচার হচেছ এক অভিনব কায়দায় পাষ্টিক জারের তলা কেটে ৩০০-৪৩০ বোতল দিয়ে চিটাগুড় দিয়ে ভরে তারপর তলা লাগিয়ে তলা লাগিয়ে মুুখ দিয়ে আবার চিটাগুড় ঢেলে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে নিজেস্ব ড্রাইভার দিয়ে চালান হয় সে সব গাড়ি। যদি পথে পুলিশ  আটকায় তখন টোকেন ও নাম্বার দিয়ে কিছু সেলামি দিলেই ঢাকায় পৌছে যায়। এক্ষেত্রে কোন মহাজন চালানের সাথে থাকে না।  এরা সবায় অšতরালে থেকেই সব কিছু নিয়ন্ত্রন করেন। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে এদের রমরমা মাদক ব্যবসা।

আরও খবর



কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন উপমন্ত্রী তিন দিনের সফরে ঢাকায়

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক উপমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ম্যাকলেনান তিন দিনের সফলে ঢাকায় এসেছেন।

শ‌নিবার (২৫ মে) তার ঢাকায় আসার তথ‌্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণ‌ালয়।

এদিন রা‌তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণ‌ালয়ের এক্স হ‌্যা‌ন্ডেলে (সা‌বেক টুইটার) জানা‌নো হয়, তিন দি‌নের সফ‌রে শ‌নিবার ঢাকায় এসেছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক উপমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ম্যাকলেনান।

ঢাকা বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের পরিচালক সা‌মিয়া ইসরাত র‌নি। এ সময় বিমানবন্দ‌রে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইক‌মিশনার লি‌লি নি‌কোলসও উপস্থিত ছি‌লেন।

ঢাকায় কানাডার হাইক‌মিশন জানায়, ক্রিস্টোফার ম্যাকলেনান কানাডার ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করতে সরকা‌রি কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ কর‌বেন। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের অবস্থা এবং কানাডার ইন্দো-প্যাসিফিকে সু‌যোগ নিয়ে আলোচনার পাশাপা‌শি বাংলাদেশের কৌশল নি‌য়ে আলোচনা হ‌তে পা‌রে।

এছাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের চলমান প্রতিক্রিয়া এবং সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করবেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক উপমন্ত্রী। তার এই সফরে বাংলাদেশের কয়েকটি বিশ্বমানের বেসরকারি ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে কানাডার অংশীদারিত্ব জোরদার করার একটি সুযোগ তৈ‌রি হ‌বে বলে আশা করা হচ্ছে।


আরও খবর



সুন্দরগঞ্জে জাপা নেতা মহসিন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image
একেএম,শামছুল হক সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির নেতা মোস্তফা মহসিন সরদার টিপু। এছাড়া জয়ন্ত কুমার দাস ভাইস চেয়ারম্যান ও ছালমা আক্তার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তার কার্যালয় হতে রাত সাড়ে ১২টায় সর্বশেষ ফলাফল ঘোষণা করেন।

সকাল ৮ হইতে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট কেন্দ্র সমূহে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। উপজেলার ১৩৯টি ভোট কেন্দ্রে ১ হাজার ২২টি কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হয়। ১৩৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ১ হাজার ২২ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও ২ হাজার ৪৪ জন পোলিং অফিসার ভোট গ্রহন কাজে নিয়োজিত ছিলেন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিয়োজিত ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ব্যালিয়নের সদস্যরা। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৯ জন, ভাইস-চেয়ারম্যান ১২ জন ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫ জনসহ মোট ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন। এতে জাতীয় পার্টির নেতা মোস্তফা মহসিন সরদার টিপু লাঙ্গল প্রতীকে ২৭ হাজার ১১৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি খয়বর হোসেন সরকার মওলা হেলিকপ্টার প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৯১৮ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়ন্ত কুমার সরকার মাইক প্রতীকে ১৫ হাজার ৬৬৪ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব আমিনুল ইসলাম সাজু লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৩৭ ভোট। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ছালমা আক্তার শিল্পী কলস প্রতীকে ৩১ হাজার ৫২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থী আল্পনা রানী গোস্বামী প্রজাপতি প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ২৭৭ ভোট পেয়েছেন। নির্বাচনে এ উপজেলায় মোট ভোটের ২৫.১১% ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

অন্যান্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট হচ্ছে আশরাফুল আলম সরকার (কাপ-পিরিচ) ১৫ হাজার ৮৭৬, সফিউল ইসলাম (আনারস) ২৫১, আখতারুজ্জামান আকন্দ শাকিল (দোয়াত-কলম) ৩ হাজার ৩৮, গোলাম কবির মুকুল (টেলিফোন) ৫ হাজার ৭১৬, ওয়াহেদুজ্জামান সরকার বাদশা (মোটর সাইকেল) ১১ হাজার ৬২৬, সাজ্জাদ হোসেন লিখন (ঘোড়া) ৮ হাজার ৯৭২ ও এরশাদ আলী (ব্যাটারী) ১ হাজার ৪০৮ ভোট।

অন্যান্য ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাদের প্রাপ্ত ভোট হলে আ ব ম আহসানুল করিম (টিয়া পাখি) ২ হাজার ১১, জি.এম.এম এমিল সাদেকীন (উড়োজাহাজ) ১০ হাজার ২২১, মহসিন আলী মন্ডল (পালকি) ৮ হাজার ৩৬১, আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল (গ্যাস-সিলিন্ডার) ৬ হাজার ৪৯২, আল শাহাদৎ জামান (সিংহ) ৩ হাজার ৭৭২, ছামিউল ইসলাম ভূইয়া (আইসক্রিম) ২ হাজার ৩৪৪, মারুফ হোসেন বাদল (চশমা) ১২ হাজার ৩২১, মাহালম মিয়া (টিউবওয়েল) ৮ হাজার ৪৩০, শামীম সরদার (বৈদ্যুতিক বাল্ব) ৩ হাজার ৮৭৩ ও সাদ্দাম তালুকদার (তালা) ৬ হাজার ৭০০ ভোট।

অন্যান্য মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাদের প্রাপ্ত ভোট হচ্ছে উম্মে সালমা ( হাঁস) ১৫ হাজার ১৮, ফেরদৌসী বেগম (বৈদ্যুতিক (পাখা) ১২ হাজার ৮৬৩ ও শ্রীমতি স্বপ্না রানী ফুটবল) ১২ হাজার ৮৬৮ ভোট।

উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৯ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ১ হাজার ১৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে।

আরও খবর