Logo
আজঃ রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কর্মীদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে কত বিলিয়ন অনুদান-ঋণ দেবে চীন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী নাসিরনগরে খুনের মামলার বাদীর এখন দিন কাটছে আতংকে মধুপুরে ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত এবার কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেন আয়মান সাদিক ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশি সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশের কর্ণধার: ধর্মমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন

বাংলাদেশে বিদেশি হস্তক্ষেপ নিয়ে যে জবাব দিলো চীন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ২৫৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা ও এখানকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতার ক্ষেত্রে চীন সমর্থন দেবে।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেন। 

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহযোগিতা হিসেবে চীন এমন সমর্থন দেবে।

সকল দেশকে অন্যকে পুরোপুরি বঞ্চিত করে একপক্ষ সব নিয়ে নেওয়ার মানসিকতা ত্যাগ করা করতে হবে বলে জানান তিনি।

একটি উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিচ্ছন্ন বিশ্ব গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া ও একে অপরকে সহযোগিতার ওপর জোর দেন রাষ্ট্রদূত। এতে স্থায়ী শান্তি, সর্বজনীন নিরাপত্তা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি বজায় থাকবে বলে ইয়াও মনে করেন।

২০১৬ সালে ঢাকায় প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ২০১৯ সালে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর এবং গত আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকায় দুই নেতার বৈঠকের উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ের এমন সফর ও বৈঠকের ফলে দুই রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আগের চেয়ে গভীর হয়েছে।’

দুই দেশই দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ মূল স্বার্থ ও উদ্বেগের বিষয়ে একে অপরকে সমর্থন দিয়ে আসছে বলে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন।


আরও খবর



কেনিয়ায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিহত ৩৯

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১২১জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:সরকার বিরোধী বিক্ষোভে কেনিয়ায় অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৩৬১ জন এবং নিখোঁজ আছেন অন্তত ৩২ জন। দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত ৬২৭ জন।

কেনিয়ার মানবাধিকার সংস্থা দ্য কেনিয়া ন্যাশনাল কমিশন অন হিউম্যান রাইটস (কেএনসিএইচআর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেছে, চলমান আন্দোলনে এ পর্যন্ত নিহতের সরকার প্রকাশিত সংখ্যার চেয়ে বাস্তবে প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যাক ব্যাক্তিকে হত্যা করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার প্রায় সব ধরনের পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধিসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয় কেনিয়ার পার্লামেন্টে। প্রস্তাবটি পাসের সঙ্গে সঙ্গেই পার্লামেন্ট চত্বরসহ পুরো নাইরোবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্ট চত্বরের একটি পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেন, বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গুলি শুরু করে পুলিশ।

আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটোর পদত্যাগ, যিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতাসীন হয়েছেন। সেই নির্বাচনের পর থেকেই কেনিয়ায় দিন দিন রাজনৈতিক বিভক্তি তীব্র হয়ে উঠেছে।

গত মঙ্গলবার যখন আইনপ্রণেতারা বিতর্কিত আইন পাস করতে চেয়েছিলেন তখন বেশিরভাগই তরুণ জেনারেল-জেড বিক্ষোভকারীদের নেতৃত্বে ব্যাপকভাবে শান্তিপূর্ণ ট্যাক্স-বিরোধী সমাবেশগুলি মারাত্মক সহিংসতার কারণে মর্মান্তিক পরিণতি লাভ করে।

ভোট ঘোষণার পর জনতা কেন্দ্রীয় নাইরোবির সংসদ কমপ্লেক্সে লুটপাট চালায় এবং পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালানোর কারণে এটি আংশিকভাবে আগুনে পুড়ে যায় এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে।

কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো রোববার জাতির উদ্দেশে ভাষণে আন্দোলনে ১৯ জন নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন। তবে তাদের মৃত্যুর জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়ী নয়, নিজেদের মধ্যে সংঘাত ও বিশৃঙ্খলার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন তারা।

ভাষণে রুটো আরো বলেছেন, আপাতত নিকট ভবিষ্যতে পদত্যাগ করার কোনো প্রকার ইচ্ছা বা পরিকল্পনা তার নেই।

কেএনসিএইচআর জানিয়েছে, রোববারের ভাষণ সম্প্রচারের পর থেকে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বিক্ষোভকারীরা। তারা এখন ভাঙচুরের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি ভবনে অগ্নিসংযোগও শুরু করেছেন।

সেই সঙ্গে দেশজুড়ে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়ার ডাকও দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। কেনিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ভরে উঠেছে ‘সব জায়গা দখল করো’, ‘রুটোর বিদায় চাই’, ‘বাজেট দুর্নীতিবাজদের বাতিল করো’ প্রভৃতি হ্যাশট্যাগে।

সূত্র:আল জাজিরা ।


আরও খবর



'অসৎ ব্যবসায়ী ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকব'

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন রাজনীতিবিদদের দুর্নীতিবাজ বানানোর জন্য অপতৎপরতা চালাচ্ছে একটি মহল , অসৎ ব্যবসায়ী ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে।

শনিবার (২২ জুন) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রোববার (২৩ জুন) আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশের প্রস্তুতি দেখতে গিয়ে গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন এ দেশের স্বাধীনতা। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্জন এ দেশের উন্নয়ন। বিজয়কে এখনো সুসংহত করতে পারিনি, সাম্প্রদায়িকতা এখনো বিজয়ের প্রধান অন্তরায়। ৭৫ বছরের আওয়ামী লীগের চ্যালেঞ্জ সাম্প্রদায়িক শক্তি।

তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে সবাই প্রস্তুত। গতকাল থেকেই উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বার্তা হলো নতুন প্রজন্ম এবং নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন। রাজনীতি মানুষের জন্য, মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ছিল, আছে এবং থাকবে।


আরও খবর



হুমকিতে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেছেন সেই অনশনে বসা শিক্ষার্থীকে

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসা সেই ছাত্রীর উপর লাগাতার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর কারনে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেছেন ক্ষমতাসীন দলের চেয়ারম্যান ও নেতারা বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। উপজেলার কৃষক লীগ সভাপতি ও পরিশো দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার পুত্র জয়ন্ত সাহার সাথে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন অনার্স পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির পারিশো দূর্গাপুর গ্রামে রাম কমল সাহার বাড়িতে ঘটে এমন ঘটনা। গত ১৬ জুন রোববার অনশনে বসেন ওই শিক্ষার্থী। কিন্তু ক্ষমতা সীন দলের  চেয়ারম্যান ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অমানবিক চাপে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে যাবার সময় ওই শিক্ষার্থী জয়ন্ত সাহাকে বিয়ে করতে না পারলে আত্মহননের হুমকিও দিয়ে গেছেন। 
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে রাম কমল সাহার পুত্র জয়ন্ত সাহার সাথে মোবাইল ও ফেসবুকের মাধ্যমে অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্ক হলেও বিয়ের কথা বললেই জয়ন্ত সাহা তালবাহানা করে। এক প্রকার বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষার্থী চলতি মাসের ১৬ জুন রোববার জয়ন্ত সাহার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন। এখবর জানতে পেরে জয়ন্ত সাহা পালিয়ে যায়। 

এদিকে কৃষক লীগের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার বাড়িতে ওই শিক্ষার্থী অনশনে থাকা অবস্থায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি,   সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা বেপরোয়া হুমকি দেয়া শুরু করেন এবং সাবেক মেম্বার বকুল হোসেনের বাড়িতে জোরপূর্বক গত মঙ্গলবারে  নিয়ে আসেন। সেখানেই ওই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ডেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের বেশকিছু ব্যক্তিরা জানান, প্রায় দিন ওই শিক্ষার্থীকে নেতারা এসে নানা ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে সাবেক মেম্বার বকুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই শিক্ষার্থী বকুলের বাড়িতে যেতে চায়নি। কিন্তু বিয়ে দেয়ার কথা বলে জোরপূর্বক বকুল মেম্বারের বাড়িতে নিয়ে যায়। এই ঘটনা যদি কোন সাধারণ ব্যক্তির বাড়িতে হত তাহলে সবাই মিলে বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু রাম কমল ক্ষমতা সীন দলের নেতা হওয়ার কারনে সবাই মিলে এক প্রকার মানুষিক নির্যাতন করে এমন ঘটনার জন্ম দিলেন। তবে ওই শিক্ষার্থী টানা পাঁচদিন অনশনে ছিলেন, সে যাওয়ার সময় বলে গেছে জয়ন্ত সাহাকে বিয়ে করতে না পারলে আত্মহনন করব। কোন বিচার পায়নি। যারা বিচার করবে তারা সবাই রাম কমল সাহার পক্ষ নিয়েছেন। বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন রাম কমল সাহার বাড়িতে, কিন্তু তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক সাবেক মেম্বার বকুলের বাড়িয়ে দুদিন রাখে ওই শিক্ষার্থীকে। গ্রামের লোকজন বকুলের বাড়িতে কেন ওই শিক্ষার্থী, কেনই বা বকুল দুদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে রাখল এমন নানা প্রশ্ন তুলেন। বকুলের বাড়ির খৈলানে বসে সালিশ বিচার। সালিশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থেকে এমন কাল্পনিক বিচার করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন। এমন এক তরফা সালিশ বিচারে হতবাক স্থানীয়রা। রাম কমলের ছেলেকে বিয়ে না করা পর্যন্ত বাড়ি থেকে যাবেনা এমন কথা বলে অনশনে ছিলেন ওই শিক্ষার্থী। যদি প্রেমের সম্পর্ক না থাকত তাহলে পঞ্চগড়ের মেয়ে রাম কমলের বাড়িতে আসবে কেন।

সাবেক মেম্বার বকুল হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার বাড়িতে দুদিন ছিল। গত বৃহস্পতিবার সালিশ বিচার হয়েছে আর শুক্রবার  শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজনের সাথে চলে যান।   আপনার বাড়িতে কেন ওই শিক্ষার্থী জানতে চাইলে কোন সদ উত্তর না দিয়ে আপোষে ওই মেয়ে চলে গেছেন বলে দায় সারেন তিনি।বকুলের বাড়িতে বসেছিল সালিশ বিচার। বিচারে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ  শীর্ষ নেতারা ছিলেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। 

তবে জয়ন্ত সাহার সাথে কোনভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান দেয় নি পরিবারের লোকজন।  জয়ন্ত সাহার পিতা কৃষক লীগের সভাপতি রাম কমল সাহা জানান, সবার প্রচেষ্টায় ওই শিক্ষার্থীকে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বকুলের বাড়িতে দুদিন রেখে ভয়ভীতি ও হুমকি দেখিয়ে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কোন হুমকি বা ভয়ভীতি দেখানো হয়নি। আমার ছেলের সাথে প্রেম আছে এমন কোন প্রমানও দিতে পারে নি। আমার সম্মান নষ্ট করার জন্য এধরণের ঘটনার সুত্রপাত করা হয়েছে।তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার আপোষ মিমাংসা করা হয়েছিল, আর শুক্রবার ওই মেয়ে নিজের ভূল বুঝতে পেরে পরিবারের লোকজনের সাথে  সেচ্ছায় চলে গেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, এঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায় নি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হত।

আরও খবর



সোনারগাঁও প্রেস ক্লাব থেকে মাজহারুল স্থায়ী বহিষ্কার

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | ১৫৯জন দেখেছেন

Image
সোনারগাঁও সংবাদদাতা: নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় আদালতে দণ্ডিত হওয়ায় এবং সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে অনৈতিক ও শৃংখলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে  আনন্দ টিভির সোনারগাঁও উপজেলা প্রতিনিধি মাজহারুল ইসলামকে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সদস্য পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জনৈক মাসুদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন আনন্দ টিভির সোনারগাঁও উপজেলা‌ প্রতিনিধি মাজহারুল ইসলাম তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়ে প্রলোভন দেখিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে যায় এবং অর্থ আত্মসাত করে। পরবর্তীতে এর বিচার চাইতে গেলেও তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়। ঘটনায় মাসুদ প্রেস ক্লাবে অভিযোগ করার পাশাপাশি ২০২২ সালে আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চলতি বছরের মার্চ মাসে মাজহারুলকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।পাশাপাশি ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তার দ্বিতীয় স্ত্রী রওশন আরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং প্রতারণার আরেকটি অভিযোগ করেন মাজহারুলের বিরুদ্ধে।‌ ঐ ঘটনায় প্রেস ক্লাবের তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পায় তদন্ত কমিটি। এছাড়াও বিভিন্ন সময় সাংবাদিকতার প্রভাব খাঁটিয়ে এবং সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্নস্থান থেকে টাকা নেওয়াসহ শৃংখলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে প্রেস ক্লাবের ৩০ মে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তার সদস্য পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়।  

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ফেসবুক পেইজে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রেস ক্লাবের গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ ৩, ধারা ৪ এর ঙ অনুযায়ী সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এম সালাহ উদ্দিন বলেন, তার বিরুদ্ধে প্রেস ক্লাবের শৃঙ্খলা বহির্ভূত অভিযোগ পাওয়ায় এবং আদালতের দণ্ড থাকায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে‌। সোনারগাঁও প্রেসক্লাব একটি ঐতিহ্যবাহী আদর্শ সাংবাদিক সংগঠন।  গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এটি পরিচালিত হয়ে থাকে।  সাংবাদিকতা তথা সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের সুনাম ক্ষুন্ন হয় এমন কাউকেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

আরও খবর



মিরসরাইয়ে লোকালয়ে অজগর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

মিরসরাই প্রতিনিধি:মিরসরাইয়ে লোকালয় থেকে অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ জুন) রাত ৯ টার দিকে উপজেলার ৮নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের প‚ব দুর্গাপুর গ্রাম থেকে অজগরটি উদ্ধার করা হয়। ওই রাতেই মহামায়া ইকোপার্কে অজগরটি অবমুক্ত করেন বনবিভাগ। প‚র্ব দুর্গাপুর এলাকার একটি বাড়ির আঙ্গিনায় জালি তারের সাথে আটকে যায় অজগরটি। স্থানীয় লোকজন দেখতে পেয়ে বন বিভাগের মিরসরাই রেঞ্জের কর্মকর্তাদের খবর দিলে রাত ৯ টার দিকে তারা সাপটি উদ্ধার করে।


বন বিভাগের মিরসরাই রেঞ্জের রেঞ্জার শাহান শাহ নওশাদ জানান, আমরা খবর পেয়ে দ্রæত ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। এরপর অক্ষত অবস্থায় অজগরটি উদ্ধার করে নিয়ে আসি। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশনানুযায়ী এই নির্বিষ অজগরটি রাতেই মহামায়া ইকোপার্কের বনে অবমুক্ত করা হয়।
তিনি আরো বলেন, কোথাও সাপ দেখলে না মেরে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার অনুরোধ করছি।


আরও খবর