Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌ রুটে ঘরমুখো মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৩৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঈদকেসামনেরেখে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌ রুটে ঘরমুখো মানুষের ভিড় বাড়ছে। বুধবার (২৭ এপ্রিল) ভোর থেকে চাপ বেড়েছে শিমুলিয়া ঘাটে। এ রুটে আটটি ফেরি থাকলেও এখন পাঁচটি ফেরি চলাচল করছে। পরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে আছে যাত্রী ও যানবাহন। সকালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফেরি বেগম রোকেয়া সার্ভিসিং পয়েন্টে চলে যায়।


সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌ রুটে এখন পর্যন্ত পাঁচটি ফেরি চলাচল করছে। মাঝিকান্দি-শিমুলিয়া রুটে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে আরও দুটি ফেরি। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততোই যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে। ফলে এ রুটে ফেরি না বাড়ালে ভোগান্তিতে পড়তে হবে যাত্রীদের। তবে সকাল থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোটে যাত্রীদের নদী পার হতে দেখা গেছে।



সরেজমিনে দেখা গেছে, শিমুলিয়া থেকে আসা ফেরিতে মোটরসাইকেলের সংখ্যাই বেশি। মাত্র পাঁচটি ফেরি চলাচল করায় ঘাটে আসা যানবাহনগুলোকে দীর্ঘ সময় ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে।


বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, এ নৌ রুটে আরও দুটি মিডিয়াম ফেরিসহ তিনটি ফেরি যুক্ত হচ্ছে। শিমুলিয়ার উদ্দেশ্যে ফেরি তিনটি রওনা দিয়েছে। এদিকে সোমবার রাতে কুঞ্জলতা ফেরি দিয়ে ট্রায়াল দেওয়া হয়েছিল। চাপ বাড়লে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে ২৪ ঘণ্টা ফেরি সার্ভিস শুরু হবে। এ নৌ রুটে কে-টাইপ ফেরি কুমিল্লা, কুঞ্জলতা, ক্যামেলিয়া, কর্ণফুলী ও রোরো ফেরি বেগম সুফিয়া কামাল চলছে। এছাড়াও মিডিয়াম ফেরি কদম, বেগম রোকেয়া ও ছোট ফেরি ফরিদপুর যুক্ত হবে ঈদের ছুটি শুরুর আগেই।



আরও খবর



বিনা প্রশ্নে পাচারের অর্থ দেশে আনার সুযোগ অনৈতিক-বেআইনি: টিআইবি

প্রকাশিত:Friday ১০ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

করোনা সংক্রমণ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বিশ্ব অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষিতে দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা, সরকারি ব্যয় সংকুলান এবং বেসরকারি খাতকে চাঙ্গা করার যুক্তিতে দেশ থেকে পাচার করা অর্থ বিনা প্রশ্নে ফেরত আনার সুযোগ দেবে সরকার। আগামী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ সুযোগ রেখে আয়কর অধ্যাদেশে নতুন বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। তার এই প্রস্তাবকে অনৈতিক ও বেআইনি আখ্যা দিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তাদের মতে, এই সুযোগ অসাংবিধানিক, সংশ্লিষ্ট আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, বৈষম্যমূলক এবং অর্থ পাচারের মতো ঘৃণিত অপরাধের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার নামান্তর। একইসঙ্গে এই প্রস্তাব বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠানটি।

শুক্রবার (১০ জুন) এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

বিবৃতিতে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অর্থমন্ত্রী যেভাবেই ব্যাখ্যা করেন না কেন- নামমাত্র কর দিয়ে প্রশ্নহীনভাবে পাচার করা অর্থ বিদেশ থেকে আনার সুযোগ স্পষ্টতই অর্থ পাচারকারীদের অনৈতিক সুরক্ষা ও পুরস্কার প্রদান। অথচ অর্থপাচার রোধ আইন ২০১২ এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অর্থপাচার গুরুতর অপরাধ। দেশের আইন অনুযায়ী যার শাস্তি পাচারকৃত অর্থ বাজেয়াপ্ত করা এবং তার দ্বিগুণ জরিমানা ও ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। (পাচার করা অর্থ বিনা প্রশ্নে ফেরত আনার) এই সুযোগ অর্থ পাচার তথা সার্বিকভাবে দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে। যা সংবিধান পরিপন্থি এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা’ ঘোষণার অবমাননা। অন্যদিকে, যারা বৈধ উপার্জননির্ভর করদাতা তাদের জন্য এই প্রস্তাব প্রকটভাবে বৈষম্যমূলক। কারণ তারা ৭ শতাংশের কমপক্ষে তিনগুণ হারে কর দিয়ে থাকেন। এটি বৈষম্য ও সংবিধানের মূলনীতির পরিপন্থি। অবিলম্বে এ সুযোগ বাতিল করতে হবে এবং অর্থপাচারকারীদের জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য যে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় আইনি প্রক্রিয়া নির্ধারিত রয়েছে তা অনুসরণ করে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে।

পাচারকৃত অর্থ বৈধ করার সুযোগ প্রদান বিগত বছরগুলোর মতোই কালো টাকা সাদা করার বেআইনি ও অন্যায় সুযোগের ধারাবাহিকতা মাত্র। যা স্থানিক থেকে বৈশ্বিক করা হলো- এমন মন্তব্য করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, এতে বিদেশে অর্জিত অর্থ ও সম্পদ দেশের অর্থনীতির মূলধারায় সংযুক্তির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও আয়কর রাজস্ব বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে, বারবার সুযোগ দিয়েও দেশের অর্থনীতিতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রত্যাশিত ফল বয়ে আনেনি, সরকারও আকাঙ্ক্ষিত রাজস্ব পায়নি। তাই নতুন এই বিশেষ বিধানের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হবে তা না বললেও চলে। কারণ যারা অর্থ পাচার করেছেন তারা এ ধরনের প্রণোদনায় উৎসাহিত হয়ে পাচারকৃত অর্থ ফেরত নিয়ে আসবে, এরকম দিবাস্বপ্নের কোনো ভিত্তি নেই। বিশেষ করে, যেখানে পাচারকৃত দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের দেশের পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি ছাড়া এই অর্থ বা সম্পদ ফিরিয়ে আনা অসম্ভব। বরং এর মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারীরাই শুধু স্বস্তি বোধ করবেন, পুলকিত হবেন। অর্থপাচারকে এভাবে লাইসেন্স দেওয়া হলে দেশে দুর্নীতি ও অর্থপাচার আরও বিস্তৃতি ও গভীরতা লাভ করবে। এই আত্মঘাতী পথ থেকে সরে আসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমদানি মূল্যস্ফীতির চাপ, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে রাখা, আমদনি ব্যয় বেড়ে গিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকার মতো বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটগুলোকে স্বীকার করলেও এগুলো মোকাবিলায় কার্যকর কৌশল বা পথ নির্দেশিকা দিতে পারেননি। প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও বড় করার প্রত্যাশা থাকলেও প্রস্তাবিত বাজেটে তার তেমন কোনো নিদর্শন দেখা যায়নি। বরং সামাজিক নিরাপত্তা খাতের ব্যয়কে বড় করে দেখাতে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন, সঞ্চয়পত্রের সুদ, করোনার অভিঘাত উত্তরণে দেওয়া ঋণের সুদ মওকুফকে অন্তর্ভুক্ত করে দেখানো হয়েছে, যেগুলো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশই নয়!

এমন বাস্তবতায় উল্লিখিত চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় কার্যকর কৌশল নির্ধারণে বাস্তবসম্মত ও নিরপেক্ষ দিক নির্দেশনার জন্য আলোচনা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে সুখ্যাতি সম্পন্ন বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত বাজেটকে ঢেলে সাজানো উচিত বলে মনে করে সংস্থাটি।


আরও খবর



ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা

জুরাইন ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনায় একজন গ্রেফতার

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১২৪জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

রাজধানীর জুরাইন ট্রাফিক পুলিশ বক্সে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ ঘটনা ঘটে।


আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- ট্রাফিক সার্জেন্ট আলী হোসেন, শ্যামপুর থানার এসআই উৎপল কুমার অপু ও কনস্টেবল মো. সিরাজুল ইসলাম।

 

জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিশান নামে এক নারী ও তার স্বামী রনি মোটরসাইকেলযোগে জুরাইন রেলগেটের রাস্তার উল্টো পথে যাচ্ছিল। এ সময় কর্মরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আলী হোসেন ও ট্রাফিক কনস্টেবল সিরাজুল ইসলাম তাদের গতিরোধ করেন। 



এ সময় নিশান নিজেকে অ্যাডভোকেট পরিচয় দিয়ে সার্জেন্ট আলী হোসেনের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রনি মোটরসাইকেল থেকে নেমে সার্জেন্ট আলী হোসেনকে ধাক্কা দেন। এ সময় অ্যাডভোকেট নিশান ডাকচিৎকার করতে থাকেন। এরপর লোকজন উপস্থিত হয়ে সার্জেন্ট আলী হোসেনের ওপর হামলা করে তাকে ছুরিকাঘাত করে। 


শ্যামপুর থানা পুলিশের এসআই উৎপলসহ পুলিশ সদস্যরা ঘটনা শান্ত করতে আসলে দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর হামলা করে এবং ট্রাফিক বক্সে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর চালায়। পরে শ্যামপুর ও কদমতলী থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


আহত পুলিশ সার্জেন্ট আলী হোসেনসহ ৩ পুলিশ সদস্যকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 


এ ঘটনায় মোটর সাইকেল চালক সোহাকুল ইসলাম রনিকে আটক করেছে শ্যামপুর থানা পুলিশ।পরে আটক রনি তার সহযোগী ইয়াসিন জাহান নিশান,ইয়াসিন আরাফাত ভুইয়া সহ অঞ্জাত ৩৫০/৪০০ জন ব্যাক্তিকে অভিযুক্ত করে শ্যামপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ওয়ারী ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট আলী হোসেন।এবিষয়ে শ্যামপুর থানায় মামলা দায়েরের পক্রিয়া চলছে।


ওয়ারী ট্রাফিক জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা।  


এ ঘটনায় ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সাইদুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, উল্টোপথে যাওয়ায় ট্রাফিক পুলিশ তাকে বাধা দেওয়ায় হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকার স্মারক নোট

প্রকাশিত:Thursday ২৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

জাতির গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১০০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (২৬ জুন) হতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে অন্যান্য শাখা অফিসে এই নোট পাওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ১৪৬ মিমি×৬৩ মিমি পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি ও ব্যাকগ্রাউন্ডে পদ্মা সেতুর ছবি/ইমেজ মুদ্রিত রয়েছে।

নোটের উপরিভাগে সামান্য ডানে নোটের শিরোনাম ‌‘জাতির গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতু’ লেখা রয়েছে। এছাড়া নোটের উপরে ডানকোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘১০০’, নিচে ডানকোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৳১০০’ এবং উপরিভাগে মাঝখানে ‘একশত টাকা' লেখা রয়েছে।

নোটের পেছনভাগে পদ্মা সেতুর পৃথক একটি ছবি/ইমেজ সংযোজন করা হয়েছে। নোটের উপরিভাগে ডানদিকে নোটের শিরোনাম ইংরেজিতে ‘Padma Bridge The symbol of national pride ONE HUNDRED TAKA’ লেখা রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে বামকোণে ও নিচের ডানকোণে মূল্যমান ইংরেজিতে ‘১০০’ এবং নিচে বামকোণে বাংলায় ‘৳১০০’ লেখা রয়েছে। এছাড়া, নোটের নিচে মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং এর বামপাশে BANGLADESH BANK’ ও ডানপাশে ‘ONE HUNDRED TAKA’ লেখা রয়েছে।

১০০ ভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত ১০০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির বামে ৪ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ এলাকায় ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ‘200’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া নোটের উত্তরা পৃষ্ঠে ভার্নিশের প্রলেপ সংযোজন করা হয়েছে।

১০০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি লিটারেচার সংবলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধুমাত্র খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা এবং ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ টাকা।


আরও খবর



‘ঢাকার গুলশান-বনানীতে যে শান্তি, এখানেও একই শান্তি’

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

মাওয়া চার রাস্তার মোড়ের অদূরেই মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুমারভোগ ইউনিয়ন। ‘কুমারভোগ পদ্মা বহুমুখী পুনর্বাসন কেন্দ্র’ এখানেই। যেন পদ্মাপাড়ের এক খণ্ড সবুজ বেষ্টনী। প্রবেশদ্বারেই চোখ জুড়ানো রকমারি ফলদ, ওষধি ও ফুল গাছের সারি। মাঝে নান্দনিক মসজিদ। মসৃণ পিচঢালা পথ। পুকুরপাড়ে কংক্রিটের ঢালাই। প্রাথমিক বিদ্যালয়টিও সেজেছে নান্দনিক সাজে। পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনেরও দারুণ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সেতুপাড়ের এ পুনর্বাসন এলাকায়।

পুনর্বাসন কেন্দ্রের গেট থেকে কয়েক পা হাঁটতেই দেখা যায় পরিকল্পিত একটি মসজিদ। আসরের নামাজ পড়ে বের হয়েছেন কয়েকজন মুসল্লি। যাদের অধিকাংশই হাজি। সবাই পুনর্বাসন কেন্দ্রের পরিবেশে খুশি। এই পরিবেশকে সবাই গুলশান-বনানীর সঙ্গে তুলনা করেন!

তাদেরই একজন আব্দুর রহমান ব্যাপারী। বর্তমানে তিনি পুনর্বাসন কেন্দ্রে বসবাস করছেন। পদ্মা সেতু প্রকল্পে তিনি ১৪ শতক জমি দিয়েছেন। বিনিময়ে সরকার পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঁচ শতক জমির পাশাপাশি দিয়েছে ৩৫ লাখ টাকা। এটা নিয়ে মহাখুশি আব্দুর রহমান।

jagonews24

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমরা পুনর্বাসনে থাকতে পেরে অনেক খুশি। জায়গা-জমি যাই গেছে, সরকার আমাদের প্লট দিয়েছে, টাকা দিয়েছে। এটা নিয়ে আমরা মহাখুশি। এখানকার পরিবেশ ভালো, সুন্দর রাস্তা করে দিয়েছে। ঢাকার গুলশান বনানীতে যে শান্তি, এখানেও একই শান্তি। এখানে খুব ভালো আছি আল্লাহর রহমতে।

পুনর্বাসন এলাকায় কয়েকটি সমস্যার কথাও জানান অনেকে। এর মধ্যে একটি হলো কুমারভোগ কেন্দ্রে কবরস্থান ও শিশুদের খেলার মাঠ না থাকা।

মাদারীপুরের শিবচরের বাখরেরকান্দিতে অবস্থিত আরেকটি পুনর্বাসন কেন্দ্র। এই কেন্দ্র এলাকাটিও একখণ্ড সবুজ বেষ্টনী। কী নেই সেখানে। সারি সারি দেবদারু, পেয়ারা, কাঁঠাল, আম, লিচু, কামরাঙা, লেবু ও রকমারি ফুল গাছ। রয়েছে মৎস্য প্রকল্প, নানা প্রজাতির মাছ রয়েছে তাতে। সবুজে ঘেরা স্কুলে শিক্ষার্থীদের ভালো উপস্থিতি। আছে প্রয়োজনীয় পানির ট্যাংক, ক্ষুদ্র কাঁচাবাজার ও পাঠাগার। স্যানিটেশন, বিদ্যুৎ সুবিধাসহ প্রতিটি বাসার সঙ্গে পিচঢালা কালো পথের সংযোগ।

এখানকার বাসিন্দা হাজি মোহাম্মদ জুলহাস মাতবর বলেন, কেন্দ্রের পরিবেশ অনেক ভালো। এখানে রোড আছে, পানি আছে, পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থাও অনেক ভালো। এখানে শহরের পরিবেশ। তবে একটু সমস্যা আছে সেটা হলো শিশুদের খেলার মাঠ নেই। সরকার যদি এখানে একটা খেলার মাঠ করে দিতো অনেক ভালো হতো।

লৌহজংয়ের কুমারভোগ পুনর্বাসনে কবরস্থান না থাকলেও অন্যান্য পুনর্বাসন কেন্দ্রে রয়েছে। যশলদিয়া পুনর্বাসন কেন্দ্র, শিবচরের বাখরেরকান্দি পুনর্বাসন কেন্দ্র, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা পুনর্বাসন ও পশ্চিম নাওডোবা পুনর্বাসন কেন্দ্রে রয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রও।

jagonews24

সরেজমিনে কুমারভোগ পুনর্বাসন কেন্দ্র ঘুরে জানা যায়, পুনর্বাসনের টাকা দিয়ে হজ করেছেন শুকুর হাওলাদার, আদেল শেখ, ওমর কাওড়া, আবু বকর, ইমান আলী, আব্দুল খালেক ও আর্শেদ আলীসহ অনেকে।

তাদের মধ্যে একজন হাজি আরশেদ আলী। প্রকল্পের কাজে পৈতৃক ৪০ শতক জমি দিয়েছেন। এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পেয়েছেন ৭ শতক জমি ও ৫০ লাখ নগদ টাকা। সেই টাকা দিয়ে এখন সুখে-শান্তিতে বসবাস করছেন তিনি।

কেমন আছেন- জানতে চাইলেই হাত প্রসারিত করে পুনর্বাসন এলাকার চারপাশ দেখান হাজি আরশেদ আলী। এরপর বলেন, ‘এমন পরিবেশে সবাই ভালো থাকবে। আল্লাহ দিলে অনেক ভালো রাখছে। ৪০ শতক জমির বিনিময়ে বাড়ি করার জমি পাইছি। ৫০ লাখ টাকা পাইছি। সেই টাকা দিয়ে আল্লাহ দিলে হজও করেছি।’

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্প এলাকায় যশলদিয়া পদ্মা সেতু প্রাথমিক বিদ্যালয় (আরএস-২), কুমারভোগ পদ্মা সেতু প্রাথমিক বিদ্যালয় (আরএস-৩), নাওডোবা পদ্মা সেতু প্রাথমিক বিদ্যালয় (আরএস-৪), বাখরেরকান্দি পদ্মা সেতু প্রাথমিক বিদ্যালয় (আরএস-৫) নির্মিত হয়েছে। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পাঁচটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঁচটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য সচেতনামূলক পরামর্শ ও কার্যক্রম, টিকাদান কর্মসূচি, বিনামূল্যে ওষুধ ও রেফারেল সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে।

jagonews24

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে ১২টি ট্রেডে মোট ৩ হাজার ১২৪ জনকে প্রশিক্ষণের জন্য এরই মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় ১৩টি নতুন মসজিদ, তিনটি কবরস্থান ও তিনটি মসজিদ সংস্কার করা হয়েছে। আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহের লক্ষ্যে স্থাপন করা হয়েছে ৪৮টি হস্তচালিত টিউবওয়েল। পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্লট বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৬৭৬টি প্লটের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। পুনর্বাসনের সব কার্যক্রমে এ পর্যন্ত মোট ব্যয় ১ হাজার ১০৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বাপ-দাদার ভিটামাটি কেউ ছাড়তে চান না, এটা স্বাভাবিক। এজন্য আমরা পুনর্বাসন এলাকাগুলো এমনভাবে নির্মাণ করেছি, যাতে মৌলিক সব সুযোগ-সুবিধা থাকে। এছাড়া মসজিদ, স্কুল, পানি, সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা সামনে রেখে পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। একটি কথা বারবার বলছি, তা হলো পদ্মা সেতু কিন্তু শুধু সেতু নয়। এর সঙ্গে নদীশাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন কাজও জড়িত। তাই সব কাজকে সমানভাবে গুরুত্ব দিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় পুনর্বাসন কাজকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৫ জুন সকাল ১০টায় বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হবে আগামী ২৫ জুন। ওইদিন বেলা ১১টায় কাঁঠালবাড়ি প্রান্তে সমাবেশ করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও দিনব্যাপী সেখানে নানান আয়োজন থাকবে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন আওয়ামী লীগের এ সমাবেশে ১০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছে ক্ষমতাসীন দলটি।

এরই মধ্যে পদ্মা সেতু পারাপারের জন্য টোলের হার নির্ধারণ করেছে সরকার। গত ১৭ মে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পরিবহনের জন্য আলাদা আলাদা টোল হার নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাবেন খালেদা জিয়া!

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

নিয়মের মধ্যে পড়লে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (৪ জুন) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণে বিরোধিতাকারী বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জনানো।

খালেদা জিয়াকে দাওয়াত দেওয়া হবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন হিসেবে দাওয়ত পাওয়ার কথা। তবে আমরা নিয়ম জেনে (দাওয়াত) দেবো। নিয়মের মধ্যে পড়লে অবশ্যই দেবো। এখন উনি তো সাজাপ্রাপ্ত।

তিনি বলেন, বিএনপি একটা বড় দল। তারা নির্বাচনে আসুক আমরাও চাই। ক্ষমতার পরিবর্তন চাইলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

‘তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসার যে রঙিন খোয়াব দেখছে বিএনপি তা দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।’ যোগ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশ-বিদেশে শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে বিএনপি। ১৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তি ঘটাবে, এ ধরনের বক্তব্য যারা দিচ্ছে তাদের সামলানোর জন্য বিএনপি মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তা না হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে সাবধান করেন তিনি।

এর আগে ব্র্যাক আয়োজিত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী গাড়িচালকদের প্রশিক্ষণপরবর্তী সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওবায়দুল কাদের।

নারী চালকদের গাড়ি চালানো নিরাপদ জানিয়ে তিনি বলেন, নারী চালকদের নিয়োগের বিষয় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আশিফ সালেহের সভাপতিত্বে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘গ্রাজুয়েশন অফ উইমেন ড্রাইভার: এ স্টেপ টুয়ার্ডস রোড সেফটি’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মারসি মিয়াং টেমবন, বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার, বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম।

পরে ব্র্যাক ড্রাইভিং স্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী চালকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন ওবায়দুল কাদের।


আরও খবর