Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলা টিভির এমডি সামাদুল গরমে অসুস্থ, তাই দুদকে অদ্ভুত সময়ের আবেদন!

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৪০৫জন দেখেছেন

Image

মারুফ সরকার,স্টাফ রির্পোটার: গরমে অসুস্থতার জন্য দুদকের কাছে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য না দিয়ে সময়ের আবেদন করেছেন বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হক। তার পাশাপাশি ওই টিভির পরিচালক রিফাতুজ্জামান, শান্তনু ও মনিরুল ইসলাম‌ও এক‌ই কায়দা অনুসরণ করেছেন। তাদের একজনের স্ত্রী, একজনের মা এবং একজনের  বাবা অসুস্থ তাই দুদকে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেছেন।একযোগে বাংলা টিভির চারজনের অভিনব কায়দায় সময়ের আবেদন দেখে বিস্মিত দুদক‌ও। সংস্থার একজন পদস্থ কর্মকর্তা এইদিন এইসময়কে বলেন, মানুষের অযুহাত থাকতে পারে। সেজন্য চারজন‌ই কারো না কারো অসুস্থতার অযুহাত দেখিয়ে হাজির না হ‌ওয়াটা রহস্যময়। তিনি বলেন, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা অত্যন্ত দায়িত্বশীল। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বেশ কয়েকদিন।

৭ জুন তিনি বাংলা টিভির এমডিসহ পাঁচজনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য আগেই নোটিশ করেছিলেন।সে অনুযায়ী অনুসন্ধানকারী দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে অফিস করেন।তিনি বলেন, আমরা তাদের সময়ের আবেদনগুলো দেখেছি। হাস্যকর কথাবার্তাও আছে তাতে। তেমন বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হক বলেছেন, তিনি গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাই দুই মাস সময় দরকার।পরিচালক মীর নূর উস শামস শান্তনুর মা গ্রামের বাড়িতে অসুস্থ। তার সেবা করতে তিনি বাড়ি যাবেন। তাই দুদকে হাজির না হয়ে দুই মাসের সময় চেয়েছেন।পরিচালক মনিরুল ইসলাম তিন মাসের সময় চেয়ে বলেছেন, তার স্ত্রী অসুস্থ। সে কারণে দুদকে হাজির হতে পারেননি। তিনিও তিন মাসের সময় চেয়েছেন।আরেক পরিচালক কেএম রিফাতুজ্জামান বলেছেন তার বাবা কেএম আক্তারুজ্জামান সিঙ্গাপুরে চোখ দেখাতে গিয়েছেন। তাই তিনি দুদকে হাজির হতে পারছেন না। তিন মাসের সময় দরকার।দুদকের ওই সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, এরা যে একজোট এবং সিন্ডিকেট করে সময়ের আবেদন করেছেন তা স্পষ্ট হয়েছে।মূলত, বাংলা টিভিকে এরা নিজেদের অবৈধ সম্পদ রক্ষার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন। দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে সব কিছু বেরিয়ে আসবে তাই তারা তালবাহানা করছেন।জানা যায়,অর্থ পাচার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হকসহ প্রতিষ্ঠানটির অপর চার পরিচালককে গত সপ্তাহে তলব করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) । গত রোববার দুদকের পক্ষে এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করা হয়। দুদকের উপ পরিচালক সেলিনা আখতার মনি স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলা টিভির শেয়ার হস্তান্তরের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাত ও অর্থ পাচারের সুষ্ঠূ অনুসন্ধান ও তদন্তের স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হক, চেয়ারম্যান কে এম আখতারুজ্জামান, পরিচালক মীর নুর উস শামস শান্তনু ও কে এম রিফাতুজ্জামানের বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা প্রয়োজন। এজন্য তাদের ৭ জুন, দুদকের প্রধান কাযালয়ে হাজির হতে বলা হয়।
আজ ( ৭ জুন) তাদের কেউই দুদকের তলবে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেন। তাদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ‌ও রয়েছে। এনবিআর সূত্রে জানা যায়, তাদের মোটা অংকের কর ফাঁকি ও মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ চলছে ।


আরও খবর



যশোর কোটা বিরোধী মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা ও শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৩৪জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরে বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনের কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সরকারি এম এম কলেজ থেকে আসা একটি মিছিলে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মীরা হামলা মাসুম নামে এক সংগঠককে ধরে নিয়ে গেছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের একদফা দাবিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা দুপুরে শহরের পালবাড়ি থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় সরকারি এম এম কলেজের শিক্ষার্থীরাও মিছিল নিয়ে সেখানে যান।

এর আগে, শহরের মুজিব সড়কে আন্দোলনকারীরা যশোর প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। অবস্থান চলাকালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠক রাশেদ খান অভিযোগ করেন, সরকারি এম এম কলেজ থেকে আসা একটি মিছিলে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মীরা। তারা কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে মিছিলে থাকা শিক্ষার্থীদের হেলমেট দিয়ে মারধর করে এবং তাদের ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ওই সময় এম এম কলেজের শিক্ষার্থী ও সংগঠক মাসুমকে তুলে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাককে কয়েক দফা ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। পরে তিনি কল ব্যাক করে জানান, একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে আছেন। বলেই ফোন কল কেটে দেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, তারা প্রধানমন্ত্রীর ‘অযৌক্তিক বক্তব্যের’ প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে সব ধরনের কোটার সংস্কার চান। স্কুল-কলেজ, চাকরি সব ক্ষেত্রে মেধাবীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। কিন্তু সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। ফলে দাবি না আদায় হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



লাশ নিয়ে লঙ্কাকান্ড,পরে গভীর রাতেই দাফন লাশ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১২৩জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:হাসপাতালে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণার পর লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামে আসে সাপের কামড়ে নিহত সাইফুলের লাশ। কাপনের কাপড়ে মুড়িয়ে জানাযার নামাজ ও দাফনের প্রস্তুতি চলছিল তার লাশের। এমন সময় হঠাৎ এক কবিরাজের বেলকিবাজিতে লাশ দাফনে বাঁধা দেয় স্বজনরা। মৃত ব্যক্তিকে ঝাড়ফুঁক দিয়ে জীবিত করা হবে এমন খবরে হাজারো উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় জমায়। কবিরাজ লাপাত্তা হলে অবশেষে গভীর রাতে লাশের দাফন সম্পূর্ণ করা হয়। গত শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বাসুরা এলাকায় এমন লঙ্কাকান্ডের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। নিহত হলেন, কালিয়াকৈর উপজেলার বাসুরা গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪০)।

এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাঁতে সাইফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে কালিয়াকৈর উপজেলার বাসুরা গ্রামের একটি বিলে রাতে মাছ ধরতে গেলে বিষধর সাপে কামড়ে দেয়। এরপর সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তি টেঁটা দিয়ে সাপটি মেরে ফেলেন। পরে মৃত সাপটি নিয়ে সাইফুল বাড়িতে ফিরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ঘটনাটি জানায়। প্রথমে কবিরাজের কাছে নিয়ে ঝাড়ফুঁক শেষে রাতেই তাঁকে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তিনি মারা যান। হাসপাতালে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণার পর লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামে আসে সাইফুলের লাশ। কাপনের কাপড়ে মুড়িয়ে বেলা ২টার দিকে জানাযার নামাজ ও দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় হঠাৎ এক কবিরাজের আভির্ভাব ও তার বেলকিবাজীতে পড়ে লাশ দাফনে বাঁধা দেয় স্বজনরা। ঝাড়ফুঁক ও কড়ি চালান দিয়ে মৃত ওই ব্যক্তিকে জীবিত করা সম্ভব, এমন আজব তথ্য দিয়ে ব্যাপক আয়োজন চালাচ্ছিলেন এক কবিরাজ।বাড়ির পাশে একটি খেতে চারটি কলাগাছ পুঁতে চার পাশে ঘেরাও করে কয়েকটি নতুন সিলভারের পানির কলস বসানো হয়।

কলাগাছের চার কোনায় চারটি গ্লাসে দুধ ও একটা মহিষের শিং রাখা, রাতের আঁধার দূর করতে একাধিক বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও ওই চারটি কলাগাছের মধ্যে টেবিলের ওপর মৃত সাইফুলের লাশ রাখা হবে। এরপাশেই রাখা ছিল সেই মৃত সাপটি। এভাবেই কবিরাজ তাঁকে জীবিত করার চেষ্টা করছিলেন। এমন খবর পেয়ে বাসুরা পশ্চিমপাড়া বাইতুন নুর জামে মসজিদ এলাকার আশপাশে কয়েকটি গ্রামের হাজারো উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় করে। কিন্তু কবিরাজ কড়ি আনার কথা বলে প্রথমে ঢাকার সাভারে পরে গাজীপুর টঙ্গী যান। এরপর থেকে ওই কবিরাজ লাপাত্তা হলে অবশেষে শনিবার গভীর রাতে লাশের দাফন সম্পূর্ণ করা হয়। এদিকে এই আধুনিক যুগে এমন ঝাড়ফুঁক কুসংস্কার মেনে নেওয়া যায় না। গভীর রাত পর্যন্ত এমন লঙ্কাকান্ডের ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সচেতন মহলের লোকজনের উপস্থিতি থাকলেও কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে লাশ নিয়ে এমন লঙ্কাকান্ডের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা- সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

স্থানীয় মসজিদের ইমাম আবদুল জলিল জানান, মৃত সাইফুলের জানাজার জন্য দুপুরে এলাকায় মাইকে ঘোষণা ও কবরও খোঁড়া হয়েছিল। কাফনের কাপড় পরানো হয়েছিল। হঠাৎ এক কবিরাজ এসে মৃত সাইফুলকে দেখে চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁকে জীবিত করা সম্ভব বলে স্বজনদের জানায়। পরে স্বজনেরা কবিরাজের কথা বিশ্বাস করে ঝাড়ফুঁকের আয়োজন করেছিল। কিন্তু কবিরাজ লাপাত্তা হলে অবশেষে গভীর রাতে তার লাশ দাফন সম্পূর্ণ করা হয়।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, যেহেতু তাঁর পরিবারের আত্মবিশ্বাস, যদি ওঝা ভালো করতে পারেন, সেজন্য এমন আয়োজন করে তারা। সেখানে উৎসুক জনতার ভিড় ছিল। সেখানে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।


আরও খবর



রিয়েলমি ঈদ ক্যাম্পেইন এ মোটরসাইকেল বিজয়ী সাব্বির ইসলাম

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:স্মার্টফোন গ্রাহকদের মধ্যে নানা ধরনের পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে অবশেষে বহুল আকাঙ্ক্ষিত ঈদ ক্যাম্পেইনের সমাপ্তি টানলো তরুণদের জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। ক্যাম্পেইনের উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে ভাগ্যবান বিজয়ীরা জিতে নিয়েছেন একটি মোটরসাইকেল, দুইটি রেফ্রিজারেটর, তিনটি টেলিভিশন এবং পাঁচটি ওভেন।

রিয়েলমি’র স্মার্টফোন কিনে প্রথম পুরস্কার লুফে নিয়েছেন সাব্বির ইসলাম। তিনি পেয়েছেন দুই লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল।

এছাড়াও, ছয়জন বিজয়ী রিয়েলমি ডিভাইসের ওপর পেয়েছেন বিশেষ ‘একটি কিনলে একটি ফ্রি’ অফার। পাশাপাশি ব্র্যান্ডের প্রতিটি স্মার্টফোন কিনে গ্রাহকরা পেয়েছেন একটি ফ্রি ডেটা বান্ডেল অফার।

রিয়েলমি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যালেন চেন বলেন, “রিয়েলমি আয়োজিত ঈদ ক্যাম্পেইনটি আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের মধ্যে যে আনন্দের সঞ্চার করেছে, তা দেখে আমরা অত্যন্ত খুশি। রিয়েলমিতে, আমরা শুধু গ্রাহকদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বমানের ডিভাইস সরবরাহ করি না, বরং আমাদের ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতাও তৈরি করি। সকল ক্যাম্পেইন বিজয়ী বিশেষ করে সাব্বির ইসলামকে গ্র্যান্ড প্রাইজটি জিতে নেওয়ায় অভিনন্দন জানাচ্ছি। এভাবে আমরা উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আমাদের রিয়েলমি পরিবারের মধ্যে আরও আকর্ষণীয় সুযোগ তৈরি করা চালিয়ে যেতে চাই।”

মোটরসাইকেল বিজয়ী সাব্বির ইসলাম বলেন, “রিয়েলমি আয়োজিত ঈদ ক্যাম্পেইনে গ্র্যান্ড প্রাইজ জিততে পেরে আমি রোমাঞ্চিত ও কৃতজ্ঞ। মোটরসাইকেল জেতা আমার কাছে স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো ব্যাপার ঘটেছে। অসাধারণ সুযোগটি দেওয়ার জন্য এবং এই ঈদকে সত্যিকার অর্থে বিশেষ করে তোলার জন্য আমি রিয়েলমিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

গ্র্যান্ড প্রাইজের পাশাপাশি এই ক্যাম্পেইনে দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে দুজন বিজয়ীর প্রত্যেককে দেওয়া হয়েছে এক লাখ টাকা মূল্যের রেফ্রিজারেটর। তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী তিনজন পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা মূল্যের তিনটি টেলিভিশন এবং চতুর্থ পুরস্কার হিসেবে পাঁচজন ক্যাম্পেইন বিজয়ীর প্রত্যেকে পেয়েছেন ৩০ হাজার টাকা মূল্যের ওভেন।

গ্রাহকদের চাহিদা বুঝতে সক্ষম একটি টেক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য রয়েছে রিয়েলমি’র। এজন্য ভবিষ্যতে চমৎকার ডিভাইস বাজারে আনা এবং আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইন আয়োজন করা চালিয়ে যাবে সকলের প্রিয় এই স্মার্টফোন ব্র্যান্ডটি।


আরও খবর



নির্বাচিতদের আইনের প্রতি যদি ধারণা না থাকে,তাহলে পরিষদের পূর্ণতা আসবে না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

সাগর আহম্মেদ,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. আ. ক. ম মোজাম্মেল হক (এমপি) বলেছেন, উপজেলা পরিষদের যারা নব নির্বাচিত হয়েছেন, তারা কিভাবে পরিষদ চালাবেন? সেই আইনের প্রতি যদি তাদের ধারণা না থাকে, তাহেল পরিষদ পরিচালনায় পূর্ণতা আসবে না। এছাড়াও আইন যা বলে যদি সেই মতে কাজ করেন। এক্ষেত্রে সরকার যদি বিরূপও থাকে তাহলে সরকার কোনো কিছু করতে পারবে না।

তিনি সোমবার দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে নবনিবার্চিত উপজেলা পরিষদের ১ম মাসিক সমন্বয় সভায় এসব কথা বলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভায় সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম আজাদ। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন শাহীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শরিফা আক্তারসহ আরো অনেকে। এসময় উপস্থিত ছিলেন-কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রজত বিশ্বাস, কালিয়াকৈর থানার ওসি অপারেশন জোয়ায়ের আহম্মেদসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিকসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।

তিনি আরো বলেন, আমি ৩৫ বছর ধরে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে স্থানীয় সরকারের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। সে সুবাধে স্থানীয় সরকারের সাথে আমার একটি গভীর সম্পর্ক। আইনগত যেভাবে ইউনিয়ন পরিষদ চালানোর কথা সেভাবে স্থানীয় চেয়ারম্যানগণ পরিষদ পরিচালনা করেন না। পাঁচ বছর পর পর ইউনিয়ন পরিষদের ট্র্যাক্স নির্ধারণ করতে হয়। আমাদের সময় ৭৫ ভাগ ট্র্যাক্স আদায় করার নিয়ম ছিল। কোন ইউনিয়ন পরিষদ যদি ৭৫ ভাগ ট্র্যাক্স আদায় করতে না পারে, নিয়ম অনুযায়ী সে ইউনিয়ন পরিষদ বাতিল হবে। ট্র্যাক্স প্রদানকারীদের সাথে স্থানীয় পরিষদের সদস্যদের সুসর্ম্পক রাখতে হবে। তাহলে মানুষ ট্র্যাক্স প্রদানে উৎসাহিত হবে।

মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের যে আইন আছে সে আইন যদি আপনারা প্রয়োগ না করেন, তাহলে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন না। কেউ যদি ট্র্যাক্স পরিশোধ না করে, তাহলে সে পরিমান তার সম্পদ ইউপি চেয়ারম্যান ক্রোক করতে পারবেন।

এছাড়া কাজীদের কাছ থেকে ট্র্যাক্স আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্দেশ প্রদান করেন। এসময় কমিউনিটি সেন্টার, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে নিয়মিত সেবা প্রদান হয় কিনা? সে দিকে খোঁজখবর রাখার জন্য স্থানীয় পরিষদের প্রতি আহব্বান জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।


আরও খবর



এলপিজির দাম বাড়ল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এবার টানা তিন মাস কমার পর বাড়ল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজিতে এবার ৩ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষিত নতুন দর আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজধানীতে বিইআরসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দর জানানো হয়। বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. নূরুল আমিন নতুন এই দর ঘোষণা করেন। এলপিজির আমদানি মূল্য অপরিবর্তিত থাকলেও ডলারের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে।

১২ কেজির এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে,জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান।

৮ মাস বাড়ার পর গত ৩ এপ্রিল ভোক্তা পর্যায়ে কমানো হয়েছিল এলপিজির দাম। মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৪০ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এরপর গত ২ মে ভোক্তা পর্যায়ে মে মাসের জন্য ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এপ্রিল মাসের তুলনায় ৪৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সর্বশেষ গত ৩ জুন ভোক্তা পর্যায়ে জুন মাসের জন্য ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম মে মাসের তুলনায় ৩০ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর মে মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এপ্রিল মাসের তুলনায় ৪৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসের আগে পর্যন্ত অতি জরুরি এই পণ্যটির দাম ছিল কোম্পানিগুলোর ইচ্ছাধীন। পরবর্তী সময়ে ওই বছরের ১২ এপ্রিল দাম ঘোষণার সময় বলা হয়- আমদানিনির্ভর এই জ্বালানি সৌদি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি আরামকো ঘোষিত দরকে ভিত্তিমূল্য ধরা হবে। প্রতি মাসেই সমন্বয় করা হবে। সৌদির দর ওঠানামা করলে ভিত্তিমূল্য ওঠানামা করবে। অন্যান্য কমিশন অপরিবর্তিত থাকবে। তখন থেকেই প্রতি মাসেই দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি।


আরও খবর