Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কে ম্যানেজ করে চলছে নিয়োগ-বাণিজ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩৬৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলাধীন ১৩ নং পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বড় রঘুনাথপুর গ্রামে অবস্থিত রঘুনাথপুর দেশান্তর কাঠি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য এবং সৃষ্ট পদে ১জন, পরিছনতা কর্মী ১জন আয়া ১জন সহ মোট চারজনকে নিয়োগ দেয়া হবে মর্মে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ স্কুলে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কাউকে কোন কিছু না বলে ঈদুল আযহার বন্ধের মধ্যে গোপনে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনটি দেয়া হয়। যাতে করে প্রধান শিক্ষক তার নিজ পছন্দের ব্যক্তিদের ওই পদ গুলোতে নিয়োগ দিতে পারে। গত ২ জুলাই ছিল আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করাটা ছিল একটি কৌশল মাত্র। কৌশল অবলম্বনে নিয়োগ বাণিজ্যের পিছনে হাত রয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান হিসাবরক্ষক নাছির উদ্দিনের। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে আবেদন বাছাই কমিটি হওয়ার আগেই যাদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তাদেরকে বলা হয়েছে,যে টাকা নেওয়া হয়েছে ও টাকা আমরা খাব না এই টাকা বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার স্যারকে এবং জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর স্যারকে দিতে হবে। এই দুই শিক্ষা কর্মকর্তার নামে তারা টাকাগুলো হাতিয়ে নেয়। বিদ্যালয়টির বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে যে সমস্ত ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা নিয়েছেন তারা হলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনকারী মোঃ সোহাগ মৃধা, পিতা মোঃ ইউসুফ আলী মৃধা, তার কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। সৃষ্ট পদে আবেদনকারী মোঃ কুদ্দুস হাওলাদার, পিতা মোহাম্মদ মানিক হাওলাদার (মুসল্লী) এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে পাঁচ লক্ষ টাকা, পরিছন্নতা কর্মী পদে আবেদনকারী আব্দুর রহিম,পিতাঃ মোঃ লাল মিয়া হাওলাদার এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে চার লক্ষ টাকা। আয়া পদে আবেদনকারী সুজনা আক্তার, স্বামী মোঃ সোহাগ এর কাছ থেকে নেয়া হয়েছে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা। এসব টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের নাম পাওয়া গেছে। সূত্র মতে জানা গেছে বর্তমান প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান আগামী ১৪ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে চাকরি থেকে অবসরে যাবেন। তাই তড়িঘড়ি করে স্থানীয়দের না জানিয়ে গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছেন সেই পত্রিকাটি বাকেরগঞ্জে পাওয়া যায় না। তার প্রধান উদ্দেশ্য অবসরে যাওয়ার আগে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া। 

এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রধান হিসাব রক্ষক নাসির উদ্দিনের সাথে ফোনে কথা বললে তিনি জানান, নিয়োগ দেওয়ার জন্য অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আমরা অবগত নই, তবে অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।



আরও খবর



পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শাহবাগে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে কোটা বাতিলের দাবিতে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি অনুযায়ী অবস্থান নিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে তারা শাহাবাগে অবস্থান নেয়।এদিকে, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। শাহবাগ মোড়ে সাঁজোয়াযান নিয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ অবস্থান নিয়েছে।

বিস্তারিত আসছে..


-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



বিএডিসির ফরিদপুর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পংকজ কর্মকার হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:বাংলাদেশ  কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) বৃহত্তর ফরিদপুর ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক পংকজ কর্মকারের দূর্নীতির কারণে মুখ থুবরে পড়েছে প্রকল্পের কাজ। প্রকল্প পরিচালকের দূর্নীতির ধরন দেখলে যে কেউ হতভাগ হয়ে পড়বেন। একাধিক সূত্রে জানা যায়, একজন প্রকল্প পরিচালককে সরিয়ে তিনি প্রকল্প পরিচালক হন এবং পরবর্তীতে তার সেচ্ছাচারিতার কারনে বিভিন্নভাবে সাবেক প্রকল্প পরিচালককে দিষ্টাব করার কারনে আগের প্রকল্প পরিচালক ষ্টোক করে মারা যায়। উপরের দিকের কর্মকর্তা তার নিজ এলাকার হওয়ায় তার যোগাযোগ ভাল হওয়ায় তিনি আর কাওকে পাত্তা দেন না। প্রকল্প দলিল অনুযায়ী ফরিদপুরে থাকার কথা থাকলেও সে সবসময় ঢাকায় অবস্থান করে। 

খোজ নিয়ে জানা যায়, পংকজ কর্মকার প্রকল্প পরিচালক হিসেবে যোগদান করে সংস্থার নিয়ম কানন কোন তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছামত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দেদারচ্ছে, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার, ঘাপটি মেরে থাকা একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা। নিজেকে সে সরকার দলীয় সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেয়ার চেষ্টা করলেও প্রকৃতপক্ষে সে পারিবারিকভাবে এবং ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে সর্বদায় মনেপ্রাণে একজন কট্টরপন্থী বিএনপিকর্মী ছিল। যা ছাত্র জিবনের কর্মকান্ড খুজলেই জানা যাবে। সে হিন্দু ধর্মালম্বী হওয়ায় বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধের স্বপক্ষের সরকার ক্ষমতায় থাকায় সে তার আসল চেহারা আড়াল করে সরকার দলীয় সমর্থকের নাটক করছে মাত্র।তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার চাকরীর পাশাপাশি শশুরবাড়ীর লোকজনের পরিচয় গোপন করে ঠিকাদার সাজিয়ে প্রকল্পের বিভিন্ন টেন্ডার হাতিয়ে নিয়ে যেনতেনভাবে প্রকল্পের কাজ সম্পাদন করে সরকারি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ কারনে ফরিদপুরের ঠিকাদারদের ভয়ে একাধিকবার ফরিদপুর থেকে ঢাকায় পালিয়ে থাকতো। সে এই প্রকল্পে কর্মরত থেকে কমপক্ষে ৩০-৪০ কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছে। এখানেও সে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে দরপত্র আহবান করার পূর্বেই সে তার পছন্দের ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ঘুস গ্রহন করে সে ঠিকাদারকে কাজপাইয়ে দিয়েছে। টাকার বিনিময়ে প্রকল্পের প্রতিটি কারিগরী কাজের মান সঠিক না হলেও তা সঠিক আছে মর্মে গ্রহন করছে। 

অপরদিকে সে তার পছন্দের ঠিকাদারদের অবৈধভাবে কাজ দিয়ে কাজ না করে টাকা ভাগাভাগি করছে। সে শুধু কিছুকাজ উর্ধবতন কর্মকর্তাদের দেখানোর জন্য সুন্দরভাবে রেডি করে পরিদর্শন কমিটির নিকট উপস্থাপন করে। অন্য কাজের অবস্থা খুবই খারপ যা সরজমিনে তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে তার এই অনিয়মের কিছু চিত্র বানিজ্যিক অডিট টিমের নিকট ধরা পড়েছে এবং অডিট আপত্তি হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, পংকজ কর্মকার তার অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ দিয়ে ঢাকার বনশ্রীতে ২১৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট ১.৮৫ কোটি টাকা দিয়ে ক্রয় করেছে। এ ছাড়া ঢাকার পূর্বাচল আমেরিকান সিটিতে এবং বসুন্ধারায় তার একটি করে প্লট রয়েছে। সে ঢাকা-মাওয়া রোডে একাধকি স্থানে ২০-২৫ বিঘা জমি ক্রয় করছে। সে শশুরবাড়ীর গ্রামে প্রচুর জমি ক্রয় করা ছাড়াও সে টাঙ্গাইল শহরের এলেঙ্গায় নিজ বাড়ীর আশেপাশে প্রায় ২০ বিঘা জমি ক্রয় করে সেখানে রিসোর্ট তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহন করছে প্রকল্প শেষে সে উক্ত কাজে হাত দিবেন। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তার রয়েছে প্রাইভেট কার যা সে শশুরবাড়ী রখেছে। এসব সম্পদের বেশির ভাগ তার নিজের নামে করেনি। তবে প্রকৃত মালিককে তার খবর নিলেই আসল রহস্য বের হয়ে আসবে। তার এত অঢেল অর্থ রয়েছে যে, শোনা যায় সে ভারতে একটি বিলাশবহুল বাড়ী ও ২টি ফ্লাট ক্রয় করেছে এবং প্রচুর টাকা প্রাচার করছে।

প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার একজন বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত৷ প্রকৌশলী পংকজ কর্মকার সহ বিএনপি সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল হিন্দু কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি করতেন। ছাত্রদল করতেন বিধায় বিএনপি সরকারের আমলে যাচাই-বাছাই করে হাওয়া ভবন থেকে তালিকা অনুযায়ী মাধ্যমে চাকুরী হয়।

এছাড়া ডিপিপিতে বিভিন্ন ক্রয়/কাজের পদ্ধতি নির্দিষ্ট করা থাকলেও তিনি নিজের ইচ্ছামত ক্রয় পদ্ধতি অবলম্বন করে নিজে লাভবান হওয়াসহ নিজের পছন্দের লোককে কাজ প্রদান করে সরকারের অর্থের অপচয় করেছেন অবৈধ পন্থায়।

এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক পঙ্কজ কর্মকারকে কল দেয়া হলে তিনি মোবাইল নাম্বারটি রিসিভ করেননি। 

আরও খবর



সিরাজগঞ্জে আসামি ধরতে নদীতে ঝাঁপ, পুলিশের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image
রাকিবুল ইসলাম রাকিব সিরাজগঞ্জ থেকে:সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের এরানদহ গ্রামের আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে ধরতে গিয়ে স্বরসতী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে উপ-পরিদশর্ক (এস.আই) রেজাউল ইসলাম শাহ (৪৫) নামের এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত রেজাউল ইসলাম শাহ রায়গঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নওগাঁ জেলার সাপাহার গ্রামের তোজাম্মেল হক শাহ ছেলে।সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়,রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার এরানদহ গ্রামের আলোচিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা খুন ও ডাকাতি মামলার প্রধান আসামী নাজমুল হাসান (৩০) কে গ্রেফতার করতে অভিযানের সময় আসামী স্বরসতী নদীতে ঝাপ দেয়। এ সময় এসআই রেজাউল ইসলাম নদীতে ঝাপ দেয়। কিন্তু আসামী নদী পাড় হলেও এসআই রেজাউল নদীর মাঝ খানে তলিয়ে যায়। পরে উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় ১ ঘন্টা অভিযান করে তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম এ মুনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

পুলিশ সদস্য নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল বলেন, সকালে ডাকাতি ও হত্যা মামলার আসামী ধরতে গিয়ে নদীতে অভিযান চালানোর সময় পানিতে ডুবে নিখোজ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ১ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের ডা. গোলাম আম্বিয়া বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নিহতের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



পটুয়াখালী দুমকিতে প্রতিপক্ষের একজনকে কুপিয়ে জখম।

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৬৩জন দেখেছেন

Image

পটুয়াখালী) প্রতিনিধি, রাসেল হোসেন (নিরব) 

পটুয়াখালীর দুমকিতে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে দু’বৃদ্ধকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। স্থানীয়রা গুরুতর আহতদেরকে উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। 

এঘটনায় দুমকি থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। আহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, উপজেলার উত্তর মুরাদিয়া গ্রামে কাজেম আলী (কুট্টি) বিশ্বাসের সাথে একই এলাকার সুলতান হাওলাদার গংদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় স্থানীয় বোর্ড অফিস বাজারে যাওয়ার পথে ওঁথ পেতে থাকা প্রতিপক্ষ সুলতান হাওলাদারের ছেলে সাইদুল হাওলাদার (৩৫), হেলাল হাং (৪০), দুলাল হাং (৫০), জালাল হাং (৫৫) ও আবদুল হক মৃধার ছেলে জাহাঙ্গীর মৃধা (২৫) লাঠি সোটা, রামদাসহ দেশীয় ধারাল অস্ত্র নিয়ে কাজেম আলী বিশ্বাসকে (৬৫) কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আহতের ডাকচিৎকার শুনে তার ভাই বীরমুক্তিযোদ্ধা আশ্রাব আলী বিশ্বাস (৭০) এগিয়ে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পথচারী লোকজন এগিয়ে এসে আহতদ্বয়কে উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। 

এব্যাপারে আহত আশ্রাব বিশ্বাস বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দুমকি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে। 

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ তারেক মো: আ: হান্নান বলেন, এখনও অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।


আরও খবর



মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা সহ গ্রেফতার দুই

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা সহ আসামী মো. লিটন  (৩৭) ও নুরুল হুদা (৩০)কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

সোমবার  (৮ জুলাই) , রাত  ১১টার দিকে  মাটিরাঙ্গা থানার একটি চৌকস দল মাটিরাঙ্গা থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য/অবৈধ অস্ত্র/চোরাচালান উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল ডিউটি কারাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাটিরাঙ্গা থানাধীন মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড গাজীনগর মোড়স্থ জনৈক জয়নাল আবেদীনের চা দোকানের সামনে মাটিরাঙ্গা টু গোমতী গামী পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম গাঁজা (মাদকদ্রব্য) সহ আসামী  মোঃ লিটন(৩৭), ও নুরুল হুদা (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন -মো.লিটন ( ৩৭) মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড দক্ষিন মুসলিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা মো.হান্নান মিয়ার ছেলে।নুরুল হুদা (৩০)বেলছড়ি ইউনিয়ন এর মাষ্টার পাড়া ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত কামাল হোসেন এর ছেলে।গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করতঃ আসামীদ্বয়কে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর